সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৮ পি.এম
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ৩৩ লাখ ১৫ হাজার ৮০৯ টাকার অনিয়মের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক কবির আহমেদ এবং অফিস সহকারী সাইফুল ইসলামকে দুই মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি।
এ সিদ্ধান্তটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় গৃহীত হয়। তবে, দুজনেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ক্যাশবই ও ব্যাংক হিসাবের নিরীক্ষার মাধ্যমে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি ওই অর্থের অনিয়ম শনাক্ত করেছে। গত ১৮ অক্টোবর তাদের সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হলেও তারা তা গ্রহণ করেননি এবং টাকা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সোহেল বেপারী আরও অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তিনি দাবি করেন, অফিস সহকারী ভুয়া মেডিকেল সনদে প্রায় নয় মাস প্রবাসে থাকলেও প্রধান শিক্ষক তা বৈধ করেছেন।
অন্যদিকে, প্রধান শিক্ষক কবির আহমেদ জানান, তার বিরুদ্ধে তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে আপত্তি থাকায় তিনি চিঠি গ্রহণ করেননি। তিনি দাবি করেন, কোনো টাকা আত্মসাৎ করেননি। অফিস সহকারী সাইফুল ইসলামও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের অর্থ কমিটি হিসাব-নিকাশ দেখভাল করেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মোস্তফা কামাল বলেন, অনিয়ম হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্য এবং বৃহত্তর অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আয়োজন করেছে ইরান এবং ‘মক্কা এলায়েন্স’ (Mecca Alliance)-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো। অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার জন্য ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
ফার্স নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মক্কা এলায়েন্সের সদস্য দেশগুলোর সাথে ইরানের এই বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলো চারটি আঞ্চলিক দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।
ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— সউদী আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিন। বৈঠকে মূলত আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে কাজ করবে। সূত্র: ফার্স নিউজ এজেন্সি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সৌন্দর্যবর্ধন ও শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা, অবসরযাপন এবং দলগত ছবি তোলার জন্য আকর্ষণীয় স্থান তৈরিতে ৮০ লাখ টাকার একটি মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই পরিকল্পনার আওতায় মুক্তমঞ্চের পশ্চিম পাশে নির্মাণ করা হবে অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট, বসার ব্যবস্থা, সিঁড়ি, ল্যান্ডস্কেপিং ও ফুড হাব। প্রথম ধাপে ১৫ লাখ টাকার ব্যয়ে নির্মিত হবে অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ও অনুমোদন পাওয়ার বিষয়টি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম জানালেন।
অ্যাসেম্বলি পয়েন্টের অন্যতম আকর্ষণ হবে একটি স্বতন্ত্র সাইনেজ, যা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় ও দর্শনকে ধারণ করবে। এতে ‘Learn, Create, Connect and Lead’ এই চারটি শব্দ স্থান পাবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন ও ভিশনের মূল ভাবনাকে তুলে ধরবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও উদ্ভাবন, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়নে নেতৃত্ব প্রদানের প্রত্যয় প্রকাশ পাবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নান্দনিক নকশার এই সাইনেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র পরিচয় তুলে ধরার পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্র্যান্ডিংয়ে ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া, অ্যাসেম্বলি পয়েন্টের পাশে কলা অনুষদের নিচে ছয়টি স্টলসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ফুড হাব নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তার সামনে শিক্ষার্থীদের বসা, দলগত অধ্যয়ন ও অবসর সময় কাটানোর উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগও গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলতে প্রায় ৮০ লাখ টাকার একটি মাস্টার প্ল্যান গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে টিলার ওপরের অংশকে অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এই কাজের জন্য ইউজিসি থেকে ১৫ লাখ টাকার বরাদ্দ ও অনুমোদন পাওয়া গেছে।
প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার এস. এম. শহিদুল হাসান বলেন, "প্রথম ধাপের কাজ শেষ হলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে অ্যাসেম্বলি পয়েন্টের পরিসর বাড়ানো হবে। এ সময় ছয়টি স্টলসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ফুড হাব গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের খাবারের সুবিধার পাশাপাশি আড্ডা ও অবসর কাটানোর পরিবেশ তৈরি হবে। মাস্টার প্ল্যানের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল রঙের বাসগুলো রাখার স্থানটি ল্যান্ডস্কেপিং ও সৌন্দর্যবর্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, "দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাবান্ধব ও প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। মুক্তমঞ্চের পাশের নীল বাস রাখার স্থান থেকে শুরু করে কলা অনুষদের নিচে পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাটি নিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান রয়েছে। তা বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ হিসেবে ইউজিসি থেকে অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট নির্মাণের অনুমোদন পেয়েছি। মাস্টার প্ল্যানের অবশিষ্ট উন্নয়নকাজ প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও বরাদ্দ সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।"
তিনি আরও বলেন, "শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর, সৃজনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাম্পাসের পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র পরিচয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীর সবার সহযোগিতায় এসব উদ্যোগ ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গৃহিণী সুইটি আক্তার মাছের পেটে ডিম পাওয়ার আশা করেছিলেন। কিন্তু মাছ কাটার সময় বেরিয়ে আসে একটি নাটবল্টু ও দুটি মসৃণ লোহার খণ্ড। এই ঘটনার ফলে তিনি বিস্মিত হন এবং মনে সন্দেহ জাগে যে, মাছের ওজন বাড়ানোর জন্য কেউ এমন কৌশল অবলম্বন করেছেন কি না।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে ঢাকার দোহার উপজেলার থানার মোড় মাছবাজার থেকে কেনা একটি আইর মাছের পেটে এই লোহার বস্তুগুলো পাওয়া যায়। পরে সুইটি আক্তার মাছ ও লোহার খণ্ডগুলো নিয়ে দোহার থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন।
সুইটি আক্তার দোহারের বটিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি জানান, রোববার সকালে থানার মোড় মাছবাজার থেকে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা দরে ১ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি আইড় মাছ কেনেন। মাছটি কাটার সময় পেটের ভেতর থেকে একটি ছোট নাটবল্টু ও দুটি ছোট লোহার খণ্ড বেরিয়ে আসে। তিনটি বস্তুর মোট ওজন প্রায় ৫০ গ্রাম।
তিনি বলেন, ‘ভেবেছিলাম মাছের পেট থেকে বড় বড় ডিম বের হবে। কিন্তু বের হলো লোহার খণ্ড! মাছের পেটে এগুলো কীভাবে এলো, তা বুঝতে পারছি না।’
ঘটনাটি জানার পর দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর বিষয়টি তদন্তের জন্য উপপরিদর্শক (এসআই) আশিকুরকে নির্দেশ দেন। পরে তিনি মাছ বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
অভিযুক্ত মাছ বিক্রেতা আকাশ প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বান্দুরা বাজারের নিখিলের আড়ত থেকে মাছটি কিনে থানার মোড় বাজারে বিক্রি করেছেন। মাছের পেটে লোহার বস্তু থাকার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্রেতাকে মাছের পুরো দাম ফেরত দিয়েছেন।
পরে মুচলেকা নিয়ে বাজার কমিটির জিম্মায় মাছ বিক্রেতা আকাশকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে বান্দুরা বাজারের আড়তদার নিখিলও মাছের পেটে লোহা ভরার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, গত দুই দিন ধরে রাঙামাটি থেকে আনা আইর মাছ বিক্রি করছেন। তার ধারণা, রাক্ষুসে স্বভাবের মাছটি খাবার ভেবে কোনো বস্তু গিলে ফেলতে পারে।
ঘটনাটি নিয়ে থানার মোড় বাজারের নিয়মিত ক্রেতাদের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। স্থানীয় ক্রেতা করিম বেপারী বলেন, ‘ঘটনাটি শুনে অবাক হয়েছি। এটা মাছের স্বাভাবিক আচরণ, নাকি ওজন বাড়ানোর জন্য কেউ এমন প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা দরকার।’
এদিকে মাছের পেটে লোহার বস্তুগুলো কীভাবে এল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মাছের ওজন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এসব বস্তু ঢুকিয়েছেন কি না, নাকি মাছটি স্বাভাবিকভাবে সেগুলো গিলে ফেলেছিল তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে জানান স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল আগামী ফেব্রুয়ারিতে শুরু হতে পারে। কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জুলাইয়ের শুরুতে যাত্রী নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
রাজধানী ঢাকায় মেট্রোরেলের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করছে। পাশাপাশি, মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে।
মতিঝিল স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ যাত্রী যাতায়াত করেন। কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হলে যাত্রী সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।
ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এর আগে ডিএমটিসিএল জানায়, কমলাপুর পর্যন্ত অংশে আগামী জানুয়ারিতে পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হবে। এপ্রিলে যাত্রী নিয়ে ট্রেন চলাচলের পরিকল্পনা ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রকৌশলী জানান, কর্তৃপক্ষের উচ্চপর্যায় থেকে জুন-জুলাইয়ে মেট্রোরেল চালুর নির্দেশনা রয়েছে। তবে কিছু আনুষঙ্গিক কাজ বাকি রেখেই জুলাইয়ে মেট্রো চলাচল শুরু হতে পারে। এতে কোনো সমস্যা হবে না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের উড়ালপথ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে রেললাইন বসানোর কাজ চলছে। রেললাইনের দুই পাশে বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। এসব খুঁটির ওপর তার টানা হবে।
নির্মাণকাজে যুক্ত প্রকৌশলীদের তথ্য অনুযায়ী, রেললাইন বসানোর কাজ প্রায় ৩০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যুতের কাজের অগ্রগতি প্রায় ৪০ শতাংশ।
কমলাপুর স্টেশনে লিফট বসানো, সংকেতব্যবস্থা ও স্বয়ংক্রিয় ভাড়া আদায়ের যন্ত্রপাতি স্থাপন, টাইলস লাগানো, শৌচাগার নির্মাণ এবং পানির পাম্প বসানোর কাজ বাকি রয়েছে। ভাড়া আদায়ের ব্যবস্থাসহ কিছু যন্ত্রপাতি জাপান থেকে আসতে দেরি হতে পারে। এই কারণে চালুর সময় পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল প্রকল্পটি এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত। প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আবদুল ওয়াহাব জানান, মতিঝিল-কমলাপুর অংশের অবকাঠামো নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি ৮৫ শতাংশ। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী জুনের শেষে বা জুলাইয়ের শুরুতে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের তিন মাস আগেই কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ