বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১২:৪০ পি.এম
বরিশাল নগরীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। আটক ব্যক্তির নাম সফিক গাজী (৪৫)।
বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরীর সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম গোরস্থান রোড এলাকার ধোপাবাড়ির পুরাতন বেকারি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক সফিক গাজী বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার কুটিখালী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মো. খালেক গাজীর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বিএমপির মিডিয়া সেল জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন সফিক গাজীকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নগরীতে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ঘটনার পর ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পরে আটক সফিক গাজীকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, নগরীতে মাদক নির্মূল এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিস্তার রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির বরকল উপজেলার শুভলং ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় গৃহবধূ আয়শা বেগম (৪৮) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়, নিহতের আপন ভাতিজাসহ মোট দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন নিহতের ভাতিজা মো. সোহাগ (১৭) এবং তার সহযোগী মো. ওমর আলী (১৯) রয়েছেন। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, অর্থ লুটের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব জানিয়েছেন, ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, গোয়েন্দা নজরদারি এবং মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করা হয় এবং পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের কাছ থেকে লুট করা ১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামতও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘরে নগদ অর্থ থাকার বিষয়টি সোহাগ আগে থেকে জানত। সেই অর্থ হাতিয়ে নিতে সে সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে খালাকে হত্যা করে। হত্যার পর তারা ঘরে থাকা নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
উল্লেখ্য যে, গত ২১ জুন সন্ধ্যায় ইসলামপুর এলাকায় আয়শা বেগম নিজ বাড়িতে একা অবস্থায় নিহত হন। ঘটনার সময় তার স্বামী ও সন্তানরা বাড়ির বাইরে ছিলেন। পরে পরিবারের সদসদের ঘরে ফিরে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)-এর গাবতলী বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইউনিট প্রধান (ম্যানেজার) নায়েব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, যা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত।
অভিযোগ অনুযায়ী, নায়েব আলীর বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি, রাজস্ব আত্মসাৎ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন সময় বিভাগীয় তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় অধিকাংশ ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিআরটিসিকে দুর্নীতিমুক্ত করতে এবং রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির সুষ্ঠু হিসাব নিরূপণের স্বার্থে, নায়েব আলীর বিরুদ্ধে পূর্বের সব বিভাগীয় মামলা ও অভিযোগ পুনঃতদন্ত করা জরুরি। ২০১৬ সালে জোয়ার সাহারা বাস ডিপোর ম্যানেজার থাকাকালে নায়েব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসতে থাকে, যেখানে বাস মেরামত না করেই ভাউচারের মাধ্যমে বিল উত্তোলন করা হয়।
২০১৬ সালের ১৮ মে তৎকালীন মন্ত্রীর ডিপো পরিদর্শনের সময়, অভিযোগ রয়েছে যে কয়েকটি বাস (নম্বর ৫-৭৩৯, ৫-৭৮১ ও ৫-৩৮১) অত্যন্ত নিম্নমানের এবং চলাচলের জন্য অনুপযোগী অবস্থায় পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কর্পোরেশনের আদেশে তিনি তখন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সাময়িক বরখাস্ত হন, কিন্তু পরে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে, আবার কর্মস্থলে যোগদান করেন।
নায়েব আলীর কর্মজীবনের সবচেয়ে বড় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে মতিঝিল বাস ডিপোতে ম্যানেজার (অপারেশন) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে। অভিযোগ রয়েছে, এলওসি-২ প্রকল্পের আওতায় ভারত থেকে আমদানিকৃত ৩৫টি নতুন বাস সরকারের নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম ভাড়ায় পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭৫ হাজার ৮৭ টাকা রাজস্ব ক্ষতির হাত থেকে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
এ সংক্রান্ত একটি চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায় ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮ কোটি টাকারও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে ২০২০ সালের ১৩ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা (মামলা নং-১৭৮৫) দায়ের করা হয়।
তৎকালীন চেয়ারম্যানকে প্রভাবিত করে, তিনি প্রথমে দুই বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিতের শাস্তি কমিয়ে এক বছরে নামিয়ে নিতে সক্ষম হন। খুলনা বাস ডিপোর ম্যানেজার থাকাকালেও নায়েব আলীর বিরুদ্ধে অনিয়মের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অভিযোগ রয়েছে। ২০২২ সালের ২৪ নভেম্বর, কর্পোরেশনের একটি পত্রের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ভুল তথ্য দিয়ে ৪,৮৭১৯০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সক্ষম হন তিনি এবং কখনো কার্যকর শাস্তির মুখোমুখি হননি। বিআরটিসির একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী দাবি করেন যে, বিভিন্ন সময় নায়েব আলীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি। রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এবং প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় অনেক অভিযোগ আলোর মুখ দেখেনি। তাদের মতে, বিআরটিসির আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে, নায়েব আলীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব বিভাগীয় মামলা, তদন্ত প্রতিবেদন এবং আর্থিক অনিয়মগুলো দুদক পুনরায় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একবিংশ শতাব্দীকে প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রবাহের যুগ বলা হয়ে থাকে। মানুষের জীবন বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময়। যোগাযোগ প্রায় সম্পূর্ণরূপে সহজ হয়ে গেছে, চিকিৎসাব্যবস্থা সার্বজনীন ভাবে উন্নত হয়েছে এবং জীবনযাত্রার মানও বেড়েছে। কিন্তু এটি বিস্ময়কর যে, বস্তুগত উন্নতির এই বাহিনীতে মানসিক অশান্তি, উদ্বেগ ও হতাশা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৮০ মিলিয়ন মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগছে। উপরন্তু, বিশ্বের প্রতি আটজনে প্রায় একজন কোনো না কোনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে দিন কাটাচ্ছে। হতাশা বা ডিপ্রেশন এখন বিশ্বব্যাপী অন্যতম প্রধান মানসিক স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে গণ্য হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তৃতি, একাকিত্ব, পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতা, অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা এবং আত্মিক শূন্যতা এই সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
প্রশ্ন arise যখন আমরা জানতে চাই, মানুষের মধ্যে এত অস্থিরতার কারণ কী? কেন বাহ্যিক প্রাচুর্যের মাঝেও অন্তরে শান্তি নেই? ইসলাম, মানুষের মানসিক প্রশান্তিকে ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে হতাশা ও নিরাশার পরিবর্তে আশা, ধৈর্য এবং আল্লাহর প্রতি আস্থার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, 'তোমরা দুর্বল হয়ো না এবং দুঃখ করো না; যদি তোমরা মুমিন হও, তবে তোমরাই বিজয়ী হবে।'(সূরা আলে ইমরান : ১৩৯)
এই আয়াত শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রের নির্দেশনা নয়; বরং এটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের মানসিক দৃঢ়তার শিক্ষা দেয়। একজন বিশ্বাসী মুমিন জানে যে, জীবনের প্রতিটি কষ্টের পেছনে আল্লাহর হিকমত আছে এবং প্রতিটি রাতের পর একটি ভোর আসে।
হতাশার একটি বড় কারণ হচ্ছে অন্যের জীবন দেখে নিজের জীবনকে মূল্যায়ন করা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে, মানুষ অন্যের সফলতা দেখে, কিন্তু তার সংগ্রাম দেখা হয় না। অন্যের হাসিমুখ দেখে, কিন্তু তার কান্না দেখা হয় না। ফলে নিজের জীবনকে ব্যর্থ মনে হওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।
এ বিষয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, 'আমি তাদের বিভিন্ন শ্রেণিকে যে পার্থিব ভোগ-সম্পদ দিয়েছি, তার প্রতি তুমি চোখ প্রসারিত করো না এবং তাদের জন্য দুঃখও করো না।'(সূরা হিজর : ৮৮)
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন, দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি দুশ্চিন্তা ও বিষাদের দরজা খুলে দেয়; আর আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও নির্ভরতা অন্তরে প্রশান্তি এনে দেয়।
আধুনিক মানুষ প্রায়ই তাৎক্ষণিক ফলাফল চায়। সে দ্রুত সফল হতে চায়, দ্রুত ধনী হতে চায়, দ্রুত স্বীকৃতি পেতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রকৃত অর্জনের জন্য সময়, ধৈর্য এবং অধ্যবসায় প্রয়োজন।
ইসলাম মানুষকে ধৈর্যের শিক্ষা প্রদান করেছে। আল্লাহ তাআলা কোরআনে নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মাধ্যমে বলেন, 'অতএব উত্তম ধৈর্যই আমার অবলম্বন।'(সূরা ইউসুফ : ১৮) মানসিক প্রশান্তির সবচেয়ে বড় উৎস সম্পর্কে কোরআন অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় ঘোষণা করেছে, 'জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণ দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।'(সূরা রা'দ : ২৮)
এটি কেবল একটি ধর্মীয় উপদেশ নয়; বরং এটি মানুষের আত্মিক প্রয়োজনের চূড়ান্ত সমাধান। নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও যিকির মানুষের অন্তরে এমন এক প্রশান্তি সৃষ্টি করে, যা কোনো বস্তুগত অর্জন দ্বারা লাভ করা সম্ভব নয়।
রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, 'মুমিনের ব্যাপারটি বিস্ময়কর। তার প্রতিটি অবস্থাই কল্যাণকর। সুখ এলে সে শুকরিয়া আদায় করে, ফলে তা তার জন্য কল্যাণকর হয়। আর দুঃখ-কষ্ট এলে সে ধৈর্য ধারণ করে, ফলে তাও তার জন্য কল্যাণকর হয়।'(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৯৯৯)
আজকের পৃথিবীতে অর্থের অভাবের চেয়ে প্রশান্তির অভাবই সবচেয়ে বড় সংকট। বস্তুগত উন্নতি মানুষের জীবনকে আরাম দিতে পারে, কিন্তু হৃদয়কে শান্ত করতে সক্ষম নয়। হৃদয়ের প্রশান্তি আসে স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করার মাধ্যমে।
তাহলে হতাশার অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে হলে প্রয়োজন আল্লাহর প্রতি গভীর আস্থা, ধৈর্য, ইতিবাচক চিন্তা, কৃতজ্ঞতা এবং নিয়মিত ইবাদত। কারণ প্রকৃত সুখ কোনো সম্পদ, পদ বা খ্যাতির মধ্যে নয়; বরং রবের সান্নিধ্য অনুভব করার মধ্যেই নিহিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)-এর অধীনে অনুষ্ঠিত ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন (ডিপিএড) প্রোগ্রামের ১ম সেমিস্টার পরীক্ষার রুটিনে আংশিক সংশোধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনিবার্য কারণে আগামী ২৭ জুনের পরীক্ষা স্থগিত করে তা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে ২ জুলাইতে।
ময়মনসিংহের নেপ-এর ডিপিএড বোর্ডের উপ-পরিচালক (মূল্যায়ন) এ কে এম মনিরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুসারে আগামী ২৭ জুনের পরীক্ষাটি আগামী ২ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। স্থগিত হওয়া এই পরীক্ষা দুই শিফটে অনুষ্ঠিত হবে।
পরিবর্তিত পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী, দুপুর ২টা থেকে বেলা ৩টা ১৫ পর্যন্ত ‘শিক্ষণ পদ্ধতি-কৌশল ও শ্রেণি ব্যবস্থাপনা’ কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর বেলা ৩টা ৩০ থেকে বিকাল ৪টা ৪৫ পর্যন্ত ‘শিখন মূল্যায়ন ও ফলাবর্তন’ কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
নেপ জানাচ্ছে, পূর্বের রুটিনে উল্লেখিত অন্যান্য সব বিষয়ের পরীক্ষার তারিখ, সময়সূচি এবং সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাবলি অপরিবর্তিত থাকবে।
ডিপিএড ১ম সেমিস্টার পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দেশের সকল প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই)-এর সুপারিনটেনডেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে নেপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ