বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:০৫ পি.এম
ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনার জন্য আইন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন কর্মকর্তাদের মধ্যে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) রয়েছেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন কর্মকর্তারা হলেন—
১. পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), জেলা জজ আদালত—অ্যাডভোকেট মো. মাহেব হোসেন।
২. পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল—অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার।
৩. পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল—অ্যাডভোকেট মো. ফয়সাল খান।
৪. অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবীর বাবুল।
৫. অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট মো. সোহেল আকন।
৬. অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট খান শহিদুল ইসলাম।
৭. অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট মোবাশ্বের আলী ভূঁইয়া।
৮. অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট মুন্সি রেজাউল হক।
৯. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট মো. নুর হোসেন।
১০. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান খান।
১১. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট এস এম জসিম উদ্দিন।
১২. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট বাহাউদ্দিন হাসান অলি।
১৩. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট শামীম আকন।
১৪. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট সাকিনা আলম লিজা।
১৫. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন রাজু।
১৬. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট মুশফিকুর রহমান।
১৭. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট ফিরোজ হোসাইন।
১৮. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট উম্মে সালমা।
১৯. সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর—অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান।
নতুন আইন কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনা, আদালতে সরকারের পক্ষে আইনি কার্যক্রম পরিচালনা এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষকে সহযোগিতা করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীমন্তপুর এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার বিকেল ৩টার সময়ের ঘটনার পর রাত ৩টার দিকে সদর দক্ষিণের বিজয়পুর থেকে পলাতক অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে ডিবির একটি টিম। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামছুল আলম শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ঘটনার পর ওই আসামি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পর ডিবি অভিযানে নামে। রাত প্রায় ৩টায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা ওই আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। তাকে সদর দক্ষিণ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আসামি গ্রেফতারের পর কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু বলেন, "সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীকে গ্রেফতার করার জন্য আমরা জেলা পুলিশ সুপার ও ডিবি পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই। অপরাধীরা আইনের আওতায় আসলে দ্রুতই অপরাধ কমে আসবে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা করার ধৃষ্টতাও ভবিষ্যতে কেউ দেখানোর সাহস করবে না।"
এর আগে, দুপুরে, যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের নির্বাহী পরিষদের সদস্য রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের নির্বাহী সদস্য তানভীর দীপু এবং স্টার নিউজের কুমিল্লা ব্যুরো রিপোর্টার ও কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের তথ্যপ্রযুক্তি ও আপ্যায়ন সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মারুফের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনা ঘটেছে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুরের মিস্ত্রীপুকুর পাড় এলাকায়।
হামলার শিকার সাংবাদিক তানভীর দীপু জানান, "বুধবার দুপুরে আমরা সংবাদ সংগ্রহের জন্য লালমাইয়ের দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় পদুয়ার বাজার মোড়ে যানজট দেখে উত্তর রামপুর বিদ্যুৎ অফিসের সামনে দিয়ে কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কে উঠতে যাচ্ছিলাম। সড়কের সামনে স্থানীয়দের তৈরি করা লোহার বেরিকেডের মধ্যে কয়েকটি গাড়ি আটকে পড়ে। এতে সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। পরে আমি যানজটের কারণ জানতে সামনে এগিয়ে যাই। লোহার বেরিকেডটি উপরের দিকে ধরে একটি একটি করে গাড়ি সরে যেতে সহযোগিতা করি। এর মধ্যে স্থানীয় শাওন নামের এক যুবক এসে কেন যানজট নিরসন করছি এবং মানুষকে চলে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছি, এ নিয়ে আমার সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়িত হয়। একপর্যায়ে সে আমার গায়ে ধাক্কা দেয়। পরে আমাকে সেভ করার জন্য সহকর্মী মারুফ এসে আমাদের ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।"
তিনি আরও বলেন, "এ সময় উগ্র ওই ছেলেটা কোনো কারণ ছাড়াই রড হাতে নিয়ে আমাদের দিকে তেঁড়ে আসে। আমরা তাকে ফেরানোর অনেক চেষ্টা করেছি। স্থানীয় লোকজন তাকে নিয়ে যায়। আমরাও আমাদের গন্তব্যে ফিরে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে পিছন থেকে এসে শখ করে মানুষের ঘাড়ে আঘাত করে। এতে সে সেন্সলেস হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আমিও এগোতে গেলে সে আমার ওপর হামলা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আসন্ন শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
বৃহস্পতিবার সকালে ডিএমপি সদরদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে জন্মাষ্টমীর নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
সভায় ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বিভিন্ন নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, উৎসবকে কেন্দ্র করে পিকেট ও টহল পার্টি, সিসিটিভি ক্যামেরা, ফুট পেট্রোল, রুফটপ পার্টি, হোন্ডা মোবাইল, ডিবি টিম, সাদা পোশাকের গোয়েন্দা দল, সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল টিম ও ট্রাফিক পুলিশসহ পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা নির্ধারিত রুট ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জন্মাষ্টমী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি বড় উৎসব। উৎসবটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরাপদে উদযাপনের লক্ষ্যে ডিএমপির পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’
তিনি বলেন, প্রতিটি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) সংশ্লিষ্ট জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির সঙ্গে পৃথক সমন্বয় সভা করবেন এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখবেন। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান।
জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় দায়িত্ব পালনকারী স্বেচ্ছাসেবকদের নির্ধারিত ভেস্ট পরিধানের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, সাদা পোশাকে নিরাপত্তা সদস্য ও লাইনিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। বৈদ্যুতিক লাইনের বিষয়ে সতর্ক থেকে দুর্ঘটনা এড়াতেও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘জন্মাষ্টমীর প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সবার সহযোগিতায় উৎসবটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশা করি।’
সভায় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পিপিএম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির নেতারা এ সময় মতামত দেন।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গণি, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন এবং ইসকন বাংলাদেশের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরে স্কুল শিক্ষক ‘গণপতি পরিবার’ হত্যা ও দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়সারা মনোভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচি করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আলী খান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এই প্রতিবাদ জানান। দুপুর সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া কর্মসূচি আড়াইটায় প্রত্যাহার করে নেন ওই শিক্ষার্থী।
এ সময় সরকারকে রংপুরের গণপতি পরিবারের হত্যার সঠিক কারণ উদ্ঘাটন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, মাদক, ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর নীতি প্রয়োগ করা, রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ করা এবং সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করার দাবি জানান তিনি।
অবস্থান কর্মসূচিতে ফাহিম আলী বলেন, গত ২০ আগস্ট রংপুরের মাছওপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের ওপর যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, এর সঠিক কারণ উদ্ঘাটন করতে হবে। মিডিয়ার বরাতে জানতে পেরেছি—প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে পারেনি। সময় যত যাচ্ছে, এ বিষয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। আমরা চাই, ঘটনার সঠিক তথ্য উদ্ঘাটন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করা হোক।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, ধর্ষণ, হত্যা, কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিস্তারের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এসব অপরাধ দ্রুত নির্মূল করতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।
রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে ফাহিম বলেন, সরকার এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার সম্পন্ন হয়নি। আমরা দ্রুত এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
আড়াইটায় কর্মসূচি প্রত্যাহার করে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, দ্রুত ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন না করলে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচিতে যাব। প্রক্টরিয়াল বডি এসে দেখে গেলেন এবং উপাচার্য বা সর্বোচ্চ অভিভাবকের কাছে অবগত করবেন বলে আশ্বস্ত করল তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইমচর উপজেলার ৩নং দক্ষিণ আলগি ইউনিয়নের কৃতি সন্তান এবং ওলামা দল কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা ডাঃ এম সলিমুল্লাহ মন্তব্য করেছেন যে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করা হলেই মানবজাতির প্রকৃত মুক্তি ও শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব।
২৬ আগস্ট, বুধবার, দক্ষিণ আলগি মাওঃ নুরুজ্জামান জিয়াউন ন্নিসা হাফেজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে দোয়া, মিলাদ ও মোনাজাতের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে উপস্থিত সকলের মাঝে তাবারক বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ