সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ পি.এম
ঢাকা লিগে নিজের যাত্রার কথা স্মরণ করে, তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট বাছাইপর্বে অংশগ্রহণকারী তরুণ ক্রিকেটারদের জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ।
রোববার, মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগ বাছাই প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২০০৯ সালে বয়স-ভিত্তিক ক্রিকেটের মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার শুরুর স্মৃতিচারণ করেন মিরাজ।
মিরাজ বলেন, ‘আমি ২০০৯ সালে ক্রিকেট খেলা শুরু করি। তখন আমি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে খেলছিলাম। সেখান থেকেই আমার সবকিছু শুরু। আমি সিসিএস-এর হয়ে খেলেছিলাম।’
মিরাজ জানান, বাছাইপর্ব থেকে শুরু হওয়ায় ঢাকা লিগের সব স্তরেই খেলার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি তৃতীয় বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ, প্রথম বিভাগ ও প্রিমিয়ার লিগে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি সৌভাগ্যবান যে, প্রতিটি লিগেই খেলার সুযোগ পেয়েছি।’
দীর্ঘ বিরতির পর তৃতীয় বিভাগ বাছাইপর্ব শুরু হওয়ায় মিরাজ খুশি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এই প্রতিযোগিতা পুনরায় চালু করার জন্য প্রশংসা করেন তিনি।
মিরাজ বলেন, ‘এত দিন পর আবার বাছাইপর্ব শুরু হচ্ছে জেনে খুব ভালো লাগছে। এক সময় আমরা ভেবেছিলাম হয়তো এই প্রতিযোগিতা আর হবে না। কিন্তু এখন আবার শুরু হচ্ছে।’
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের খেলোয়াড়দের একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করা এবং অভিজ্ঞতার বিনিময়ের সুযোগের বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেন মিরাজ।
ঢাকা লিগ খেলার সময় বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘এখন রংপুর, সিলেট, খুলনা ও বগুড়াসহ বিভিন্ন এলাকার খেলোয়াড়রাও একই ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।’
মিরাজ আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গা থেকে খেলোয়াড়রা আসবে, একসঙ্গে থাকবে, ম্যাচের আগে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও খেলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করবে। আমার বিশ্বাস, তোমরাও এমন পরিবেশের অভিজ্ঞতা লাভ করবে এবং এটি তোমাদের মধ্যে উদ্দীপনা বাড়াবে।’
এই প্রতিযোগিতা থেকে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড় উঠে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন মিরাজ।
মিরাজ বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, তোমাদের মধ্য থেকেই এমন অনেক খেলোয়াড় উঠে আসবে যারা বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্মের নেতৃত্ব দেবে।’
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রিটনি স্পিয়ার্সের জীবন কাহিনী নিয়ে একটি সিনেমা নির্মাণের খবর ইতোমধ্যে শোনা গেছে। তবে ভক্তদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন, পপ কুইন ব্রিটনির চরিত্রে অভিনয় করবেন কে? বিশ্ববিখ্যাত ইউনিভার্সাল পিকচার্স যখন ব্রিটনির স্মৃতিকথা ‘দ্য ওম্যান ইন মি’-এর স্বত্ব অর্জন করে, তখন থেকেই হলিউডে কাস্টিং নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। যদিও বেশ কয়েকজন তারকার নাম আলোচনায় রয়েছে, কিন্তু কাউকে কেন্দ্র করে বিতর্ক থামছে না।
বর্তমানে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন মার্কিন অভিনেত্রী সিডনি সুইনি। তাঁর পরিচিতি, অভিনয়ের বৈচিত্র্য এবং পপ তারকার ভাবমূর্তির কারণে নির্মাতারা তাঁকে প্রাথমিক পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করছেন। তবে, ভক্তদের মধ্যে অনেকের প্রতিক্রিয়া খুব একটা ইতিবাচক নয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—স্টেজে ব্রিটনির নাচ ও পারফরম্যান্স তুলে ধরার মতো দক্ষতা সিডনির আছে কি না।
অন্যদিকে, ‘স্ট্রেনঞ্জার থিংস’ খ্যাত অভিনেত্রী মিলি ববি ব্রাউন দীর্ঘদিন ধরেই এই চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু স্পিয়ার্স যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান, তখন ব্রাউন খানিকটা পিছু হটেন। তবে, চূড়ান্ত তালিকায় এখনও তাঁর শক্ত অবস্থান রয়েছে।
টিকটক থেকে সংগীতে খ্যাতি অর্জন করা অ্যাডিসন রে এই দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। ব্রিটনির মতো লুইজিয়ানার বাসিন্দা হওয়া এবং নাচ ও গানে পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকার কারণে অনেকের পছন্দ তিনিই। তালিকায় আরও রয়েছেন অভিনেত্রী বেইলি ম্যাডিসন এবং টিকটকে ব্রিটনির নাচ অনুকরণ করে পরিচিতি পাওয়া ইথাকা কলেজের শিক্ষার্থী কাইলি শুল্টজ।
ছবিটির জন্য ক্যামেরার পেছনের দল ইতোমধ্যেই গঠন করা হয়েছে। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন জন এম. চু এবং প্রযোজনা করবেন মার্ক প্ল্যাট। অন্যদিকে, এর চিত্রনাট্য লেখার দায়িত্বে রয়েছেন লিজ মেরিওয়েদার। নির্মাতারা জানিয়েছেন, সংবাদমাধ্যম ও মিডিয়ার তীব্র মনোযোগের মধ্যে স্পিয়ার্সের লড়াইয়ের গল্প তুলে ধরাই এই ছবির মূল উদ্দেশ্য।
শুরুর দিকে ছবিটি নিয়ে নানা অনিশ্চয়তা থাকলেও বর্তমানে প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে। জানা গেছে, বায়োপিকটি তৈরিতে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের নিজস্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। ফলে নির্মাতারা যাকেই নির্বাচন করুন না কেন, শেষ পর্যন্ত পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্সের নিজস্ব অনুমোদন পাওয়াটাই কাস্টিংয়ের প্রধান শর্ত হয়ে দাঁড়াবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জ শহরের রায়পুরে জংশনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ প্রকল্পের আওতায়।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় শহরের মুজিব সড়কস্থ ভাসানী ডিগ্রি কলেজের সামনে রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটি এই মানববন্ধনের আয়োজন করে, যেখানে কলেজ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, "সিরাজগঞ্জবাসীর আন্দোলনের ফলস্বরূপ সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলসড়ক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। তবে, সিরাজগঞ্জের মানুষ এই রেলে উঠতে পারবে না, এটি মেনে নেওয়া যায় না।" বক্তারা আরও জানান, ওই প্রকল্পে সিরাজগঞ্জে কোন জংশন রাখা হয়নি এবং শহরটিকে রেল বঞ্চিত করা হচ্ছে।
এ সময় রেল বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুব-এ-খোদা টুটুল, বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার, তারিকুজ্জামান টরিক এবং মওলানা ভাসানী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ডা. র ম রাজ্জাক উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও মানববন্ধনে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা জামিয়াতুল মোদাররেছীন ভোলা জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক, ভোলা সদর উপজেলা শাখার কোষাধ্যক্ষ, দক্ষিণ জামিরালতা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার প্রিন্সিপাল, পশ্চিম চরনোয়াবাদ কুট্রি কমিশনার বাড়ি জামে মসজিদের সাবেক খতিব, বিশিষ্ট আলেম ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকনেতা মাওলানা প্রিন্সিপাল মো. শাহজাহান আজ সোমবার সকাল ৬:০০টায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদাররেছীন ভোলা জেলা শাখা গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদাররেছীন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও ভোলা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং ভোলা কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোবাশ্বিরুল হক নাঈম এক শোকবার্তায় মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বলেন, "তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদাররেছীন একজন নিবেদিতপ্রাণ আলেম, শিক্ষক ও সংগঠককে হারাল।" শিক্ষকসমাজের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণে তার আন্তরিকতা, দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সাংগঠনিক নিষ্ঠা দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, "তার চলে যাওয়া আমাদের জন্য শুধু একজন সহকর্মী ও সংগঠনের একজন নেতাকে হারানো নয়; আমরা হারালাম একজন আপনজন, একজন প্রিয় মানুষ ও একজন শুভাকাঙ্ক্ষীকে।" তাঁর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়, পারস্পরিক স্নেহ, ভালোবাসা ও সাংগঠনিক পথচলার স্মৃতিগুলো আজ গভীর বেদনায় মনে পড়ছে। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
অধ্যক্ষ শাহজাহানের ইন্তেকালে আরও গভীর শোক, সমবেদনা ও মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন- বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদাররেছীন ভোলা জেলা শাখার সভাপতি ও বোরহানউদ্দিন কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা এ বি আহমদ উল্লাহ আনছারি, জেলা সহ-সভাপতি ও লালমোহন ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব মাওলানা মো. মোশাররফ হোসাইন, জেলা সহ-সভাপতি ও দিদারুল্লাহ ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপল মাওলানা আব্দুছ ছামাদ, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও রামগঞ্জ তোফায়েলিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. হোসেন, ভোলা সদর উপজেলা জামিয়াতুল মোদাররেছীনের সভাপতি আলহাজ্ব প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল লতিফ, সেক্রেটারি ও দক্ষিণ কোড়ালিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. হারুন, তজুমুদ্দিন উপজেলা সভাপতি ও পূর্ব গোলকপুর আলিম মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. আয়ুব আরী, সেক্রেটারি ও উত্তর চাঁদপুর মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. কামাল উদ্দিন, বোরহানউদ্দিন হাজিরহাট দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. ইউসুফ, বোরহানউদ্দিন রহমানিয়া আলিম মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. মেসবাহ উদ্দিন, মনপুরা উপজেলা জামিয়াতুল মোদাররেছীনের সভাপতি ও মনপুরা ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা অজিউল্লাহ ফরহাদ, পশ্চিম ধনিয়া আলিম মাদরাসা (ভোলা সদর)-এর প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. শামছুল আলম চৌধুরী, পরানগঞ্জ ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মীর মো. বেলায়েত হোসেন, রুহিতা এরহমানিয়া বালক দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. মুছা কালিমুল্লাহ এবং চরনোয়াবাদ দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. মোশাররফ হোসেন।
শোক প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, "মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমের জীবনের সকল নেক আমল কবুল করুন, ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী, ছাত্র-শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার তাওফিক দান করুন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর মহানগরীর পুবাইলে গাড়ির ধাক্কায় রেজুকা বেগম (৩০) এবং তার সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়ে রিয়ামনি নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে মেঘডুবি কালি ফ্যাক্টরির নিকটে ঢাকা বাইপাস সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত রেজুকা বেগম শেরপুরের শ্রীবরদী থানার বাগহাতা গ্রামের সেকান্দার আলীর কন্যা এবং মনির হোসেনের স্ত্রী। তিনি গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার সালনা বাজার এলাকায় মোস্তফা কামালের বাসায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাতে অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ির ধাক্কায় মা-মেয়ে গুরুতর আহত হন। জাতীয় জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে পুবাইল থানার এসআই মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রেজুকা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশু রিয়ামনিকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তারও মৃত্যু ঘটে।
পুবাইল থানার ওসি আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, নিহত নারী পুবাইলের মীরের বাজার এলাকায় বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় জড়িত গাড়িটির সন্ধান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ