ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসলামী আলেম প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, ফ্যাসিবাদী শাসনের স্মৃতি স্মরণ


রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসলামী আলেম প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, ফ্যাসিবাদী শাসনের স্মৃতি স্মরণ

বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিদের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

এ সাক্ষাৎ সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহ।

প্রতিনিধিদলে অন্যান্য সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি হারুন ইজহার, মাওলানা মীর ইদরিস নদভি; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা রফিকুল ইসলাম; জাতীয় ইমাম খতিব কাউন্সিলের কো-অর্ডিনেটর মাওলানা ফয়সাল এবং খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হবে আগামীকাল

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন ও কারাগারে দুঃসহ বন্দিজীবনের স্মৃতি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ আমাদের দেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন, আমরা যেন ঐক্যবদ্ধভাবে তা কাজে লাগাতে পারি।"

তিনি আরও বলেন, "ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন আর যেন দেশে কখনো ফিরে না আসে এবং ধর্মের নামে কেউ যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে- সে ব্যাপারে সবার সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।"

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামী পণ্ডিত ও আলেম-ওলেমাদের প্রতি অত্যন্ত সম্মান প্রদর্শন করতেন। তিনি বলেন, "ইসলামের প্রতি মমতাবোধ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম’ সংযোজন করেন।" এছাড়া, আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি আরও জানান, তিনি বর্তমানে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ব্যক্তি। তবে ইসলামী মূল্যবোধ ও শরিয়ায় আঘাত আসে এমন কোনো কাজ যাতে কেউ না করে, তা তিনি লক্ষ্য রাখবেন।

আরও পড়ুন: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের মানিকগঞ্জে ১২ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

প্রতিনিধিদলটি মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ও উন্নত দেশ থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অনুদান সহায়তা আনার ব্যাপারে তাদের আরবি ভাষা ও যোগাযোগের পারদর্শিতা এবং ব্যক্তিগত সংযোগ কাজে লাগানোর অনুরোধ করেন।

রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগের পরামর্শ দেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মাদরাসা ও ফটিকছড়িতে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসা সফরের আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রপতি সুবিধাজনক সময়ে মাদরাসাগুলোতে সফরের এবং হেফাজতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়ে তার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: ‘সংখ্যালঘু নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি’: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলবার্টায় কানাডা থেকে আলাদা হওয়ার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


আলবার্টায় কানাডা থেকে আলাদা হওয়ার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত

কানাডা থেকে আলাদা হওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে সোমবার গণভোটের আয়োজন করেছে দেশটির তেলসমৃদ্ধ আলবার্টা প্রদেশ। তবে এই ভোটের ফল বাধ্যতামূলক নয়। রয়টার্স জানায়, জনমত জরিপ অনুযায়ী, অধিকাংশ ভোটার কানাডার সঙ্গে থাকার পক্ষে। তাই বিচ্ছিন্ন হওয়ার পক্ষের ভোটাররা হেরে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই পরাজয়ে স্বাধীনতার দাবি থেমে যাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

আলবার্টায় প্রায় ৫০ লাখ মানুষের বাস। আয়তনে প্রদেশটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের চেয়ে সামান্য ছোট। তবে জনসংখ্যা টেক্সাসের মাত্র ছয় ভাগের এক ভাগ।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে আলবার্টায় স্বাধীনতার দাবি জোরালো হয়েছে। এই আন্দোলন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির ওপর চাপ বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এবং কানাডাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বারবার বক্তব্যের মধ্যে কার্নি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষাকে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছেন।

আলবার্টার অনেক বিচ্ছিন্নতাবাদীর অভিযোগ, অটোয়ায় ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার পরিবেশনীতি দিয়ে প্রদেশটির তেলশিল্পের ওপর বাধা তৈরি করছে। তাদের মতে, কানাডার জ্বালানি খাতের প্রধান কেন্দ্র আলবার্টা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখলেও বিনিময়ে যথেষ্ট সুবিধা পায় না।

আলবার্টাকে কানাডা থেকে আলাদা করার পক্ষে প্রচার চালানো সংগঠন ‘পাথওয়ে টু ইনডিপেনডেন্স’-এর প্রতিষ্ঠাতা কোরি মরগান বলেন, ‘কানাডার ব্যবস্থা ভারসাম্যহীন। এই ব্যবস্থা আলবার্টার মতো উৎপাদনকারী প্রদেশের খরচে কেন্দ্রীয় অঞ্চলের জনসংখ্যা ও সরকারকে সুবিধা দেয়।’

আলবার্টায় বেড়ে ওঠা কার্নি গত সপ্তাহের বেশির ভাগ সময় প্রদেশটিকে কানাডার সঙ্গে রাখার পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন। তিনি ভোটারদের গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের মধ্যে জাতীয় গর্ববোধ জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেন।

সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৮টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ভোট শেষ হওয়ার পর ফল পাওয়ামাত্র প্রকাশ করার কথা ছিল। তবে আলবার্টার নির্বাচন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিছু ভোটকেন্দ্র নির্ধারিত সময়ে খোলা যায়নি। এ কারণে এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো হবে। সব ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করা হবে না। এডমন্টনের একটি ভোটকেন্দ্রে স্থানীয় সময় রাত ১০টা পর্যন্ত ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল।

শুক্রবার প্রকাশিত অ্যাঙ্গাস রিডের এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, আলবার্টার ৬৬ শতাংশ বাসিন্দা কানাডার সঙ্গে থাকার পক্ষে ভোট দিতে চান। তবে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে তিনজন মনে করেন, প্রদেশটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন কখনোই পুরোপুরি শেষ হবে না।

ক্যালগারিতে মাউন্ট রয়্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডুয়েন ব্র্যাট বলেন, ‘এই বিষয়টি এখন আর হারিয়ে যাবে না। কারণ, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সংগঠিত হয়েছে। তারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করেছে। তাদের মধ্যে সংযোগ গড়ে উঠেছে।’

আলবার্টায় কয়েক দশক ধরেই কানাডা থেকে আলাদা হওয়ার দাবি রয়েছে। তবে এবারই প্রথম প্রদেশটির কোনো মুখ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে ভোটারদের মতামত জানতে গণভোটের আয়োজন করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ড্যানিয়েল স্মিথ আলবার্টার বাসিন্দাদের কানাডার সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে তার নিজের দল ইউনাইটেড কনজারভেটিভ পার্টির একটি ছোট কিন্তু সোচ্চার অংশের কয়েক মাসের চাপের মুখে তিনি এই গণভোটের ঘোষণা দেন।

স্মিথ বলেছেন, গণভোটে অধিকাংশ ভোটার আলাদা হওয়ার পক্ষে মত দিলে তিনি বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়ে একটি বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের উদ্যোগ নেবেন। গত সপ্তাহে আগাম ভোটে কানাডার সঙ্গে থাকার পক্ষে ভোট দেন ক্যালগারির বাসিন্দা রস ওয়াটসন। তিনি বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে, আলাদা হওয়ার ধারণাটি পুরোপুরি হাস্যকর।’ তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর কোনো ভিত্তিই নেই বলে আমি মনে করি। তবে আমার এটাও মনে হয়, এই মানুষগুলো সম্ভবত কখনোই চুপ করবে না।’

সোমবারের এই গণভোট কানাডার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ফরাসিভাষী সংখ্যাগরিষ্ঠ কুইবেকের বাইরে এই প্রথম কোনো প্রদেশে কানাডা থেকে আলাদা হওয়ার বিষয়ে ভোট হচ্ছে। কুইবেকে ভাষা ও সংস্কৃতির পার্থক্য থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব তৈরি হয়েছে। তবে আলবার্টায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার দাবি মূলত অর্থনৈতিক স্বার্থকে ঘিরে। প্রদেশটিকে কানাডার অংশ হিসেবে রাখার পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে কার্নি জাতীয় গর্ববোধের ওপর জোর দিয়েছেন।

শুক্রবার আলবার্টার রেড ডিয়ারে কার্নি বলেন, ‘কানাডা বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে কোনো লেনদেনের বিষয় নয়। এখানে কে কতটা পেল, কে কতটা দিল, কিংবা লাভ-ক্ষতির হিসাবই সবকিছু নয়।’ আলবার্টায় বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাবের পেছনে থাকা অসন্তোষ কমাতে কার্নি কিছু পরিবেশনীতি বাতিল করেছেন। পাশাপাশি একটি প্রস্তাবিত তেল পাইপলাইন নির্মাণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এই পাইপলাইন চালু হলে আলবার্টা থেকে এশিয়ায় তেল রপ্তানি বাড়বে।

অ্যাঙ্গাস রিডের জরিপে অংশ নেওয়া আলবার্টার বাসিন্দাদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বলেছেন, ভবিষ্যতে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়ে বাধ্যতামূলক গণভোট হলে তারা এর পক্ষে ভোট দেবেন। এই ভোটারদের মধ্যে ৬০ শতাংশ বলেছেন, কানাডার কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি বার্তা দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে, মাত্র ৩৭ শতাংশ বলেছেন, তাদের লক্ষ্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো স্বাধীন হওয়ার পর কীভাবে দেশ পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। তবে স্বাধীন হলে প্রতিরক্ষা, মুদ্রা ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয় কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের এখনো সমাধান হয়নি। অধ্যাপক ডুয়েন ব্র্যাট বলেন, এখন মূল প্রশ্ন হলো, এই আন্দোলন এরপর কোন পথে এগোবে।

তিনি বলেন, ‘তারা কি ভবিষ্যতে গণভোটের পক্ষে জনসমর্থন বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেবে? নাকি তারা আলাদা হয়ে নিজেদের দল গঠন করবে—একটি সত্যিকারের শক্তিশালী বিচ্ছিন্নতাবাদী দল?’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইশরাকের পদত্যাগ কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


ইশরাকের পদত্যাগ কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়: মাহদী আমিন

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ, মন্ত্রিসভা থেকে, কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়। বরং এটি আরো বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পারে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

মাহদী আমিন সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এই কথা জানান।

পোস্টে মাহদী উল্লেখ করেন, ‘এক সপ্তাহের জন্য পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছি। এখান থেকে জানতে পারলাম, প্রিয় ভাই ও রাজপথের আপসহীন লড়াইয়ের অন্যতম মুখ ইশরাক হোসেন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইশরাক হোসেনের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। একসঙ্গে অনেক স্মৃতি ও পথচলা। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের একজন অকুতোভয় যোদ্ধা হিসেবে তার ভূমিকা ও গৌরবোজ্জ্বল পারিবারিক ঐতিহ্য সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। পাশাপাশি বিএনপির ইয়ুথ এনগেজমেন্ট, ডিপ্লোমেটিক যোগাযোগ, সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়েও একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও দেশপ্রেমকে তিনি যেভাবে নিজের বিশ্বাসে ধারণ করেন, তা সত্যিই অনন্য। তার সাম্প্রতিক কাজের পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ও মতভিন্নতা থাকতে পারে। তবে যে উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এত আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে, সেটির লক্ষ্য, নৈতিকতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে ন্যূনতম দ্বিধার অবকাশ নেই।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা লেখেন, ‘প্রতিমন্ত্রীর পদ বা পদত্যাগপত্র দিয়ে ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা আত্মত্যাগকে পরিমাপ করা যায় না। সাময়িক যেকোনো সিদ্ধান্তের চেয়ে দল, দেশ ও মানুষের কল্যাণে তার অবদান এবং আন্তরিক অবস্থান অনেক বেশি অর্থবহ।’

তিনি আরও লেখেন, ‘জনগণের সরকারের বার্তা এখানে অনেকটা স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থাভাজন, ত্যাগী ও জনপ্রিয় একজন তরুণ নেতার সাহসী ও জনবান্ধব উদ্যোগের বাস্তবায়নেও যদি কোনো বিতর্কের অবকাশ থাকে, সেখানেও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, রাষ্ট্র বিনির্মাণের পথযাত্রায় সামনের দিনগুলোতেও, সরকারের প্রতিটি পর্যায়ে দায়বদ্ধতার ধারা বজায় থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র লেখেন, ‘ইশরাক হোসেনের এ ঐতিহাসিক, অভূতপূর্ব পদত্যাগ মোটে কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়। বরং আত্মোপলব্ধি, সংশোধনী ও গণমানুষের ভালোবাসায় সামনে তার জন্য আরো বৃহত্তর ও গণমুখী রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পথ উন্মোচিত হতে পারে, ইনশাআল্লাহ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ যেসব দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ পি.এম


আজ যেসব দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এক দিন বন্ধ থাকার পর আজ মঙ্গলবার থেকে খুলে গেছে দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলো। বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকায়। অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা।

গত ১৩ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে স্বর্ণ ও রুপার এই দর কার্যকর করেছে বাজুস। নতুন করে দাম নির্ধারণ না করা পর্যন্ত এ দরেই স্বর্ণ ও রুপার গহনা বিক্রি হবে।

বাজুসের নির্ধারিত দর অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার দাম প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা।

১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৪৪১ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ভরিপ্রতি ২ হাজার ৬২৪ টাকা।

এটি উল্লেখ্য যে, স্বর্ণ ও রুপার গহনা কেনার ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের বাইরে প্রযোজ্য মজুরি ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হতে পারে। তাই কেনার আগে সংশ্লিষ্ট জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চূড়ান্ত মূল্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীরা: প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ পি.এম


সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীরা: প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত

শারদীয় দুর্গোৎসবের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের জন্য রংপুর যাওয়ার পথে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তোলার পাশাপাশি তিনি ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাটসহ বিভিন্ন খেলাসামগ্রী উপহার দেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে উপহার পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সামরিক বিমানে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি বাসযোগে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করার সময় সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে যান।

কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের দেখে প্রধানমন্ত্রী বাস থামান। তিনি তাদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং বিভিন্ন খেলাসামগ্রী উপহার দেন।

সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ ঢাকা পোস্টকে জানান, বিমানবন্দর থেকে রংপুরে যাওয়ার পথে কলেজের সামনে শিক্ষার্থীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে প্রধানমন্ত্রী বাস থামান। পরে তিনি তাদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাটসহ বিভিন্ন খেলাসামগ্রী উপহার দেন।

অধ্যক্ষ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে কলেজের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। কলেজের জন্য দুটি ছাত্রাবাস ও একটি হলকক্ষ চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিতভাবে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, রংপুরে ধর্মসভা বা রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরবেন। সেখান থেকে বিমানে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।

রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে পৌঁছে দুপুর দেড়টায় ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন। এরপর রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে বিকেল ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন।

পরে রাজশাহী থেকে বিমানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে রাতে বিমানে ঢাকায় ফিরবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%