মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০৫ পি.এম
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের উপদেষ্টা মনোয়ার মোহাম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি আকিবুর রহমান ইকবাল।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ক্যাম্পাসের সবুজায়ন বাড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান বলেন, “বর্তমানে সারা বিশ্বে বাস্তুতান্ত্রিক সংকট চলছে। আমরা যদি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এই ভারসাম্য ফিরিয়ে না আনি, তাহলে মানবজাতি হুমকির মধ্যে পড়বে। টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের ‘গ্রিন টাঙ্গাইল’ গড়ার প্রচেষ্টাকে আমরা স্বাগত জানাই। বৃক্ষরোপণে আমাদের সবাইকে সচেতন ও উৎসাহিত হতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে আকিবুর রহমান ইকবাল বলেন, “গাছ হলো প্রকৃতি। এই গাছই আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। তাই গাছকেও আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আমাদের সংগঠনের কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ‘ক্লিন টাঙ্গাইল, গ্রিন টাঙ্গাইল’। এর অংশ হিসেবে আমরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছ লাগাচ্ছি এবং মানুষকে সচেতন করছি।”
কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট পরিচালক ড. আবু জাফর শিবলী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুই দিন আগে স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পর ইউটিউবার সালমান মুক্তাদির একটি রহস্যময় পোস্ট করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘তোরা আমাকে ভালো হতে দিলি না’। এই সংক্ষিপ্ত বার্তার কারণে শুরু হয়েছে বিভিন্ন আলোচনা। তবে সালমান কাদের উদ্দেশ্যে এই কথা বলেছেন, তা পরিষ্কার করেননি।
তার পোস্টের মন্তব্যের ঘরে কিছু মানুষ সাহস জুগিয়েছেন, আবার কেউ পরামর্শ দিয়েছেন। কেউ কেউ রসিকতাও করেছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘মনে হচ্ছে কিছু একটা ঘটছে।’ অন্য একজন বলেছেন, ‘খেলা তাহলে দেখিয়ে দাও ওদের।’
সালমানের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে অনুসারীদের কৌতূহল প্রকাশ পেয়েছে মন্তব্যগুলোতে। কিছু মন্তব্যে সমঝোতার প্রসঙ্গও এসেছে। একজন লিখেছেন, ‘কেউ কি সমঝোতা করতে এসেছে?’ আরেকজন বলেছেন, ‘সমঝোতাই একমাত্র সমাধান।’
অনেকে সালমানের পাশে দাঁড়িয়ে তাকে সাহস জুগিয়েছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘রাত যত গভীর হয়, প্রভাত তত নিকটে আসে।’ অন্য একজন বলেছেন, ‘সমস্যা নেই, যত বিপদ তত উপরে ওঠার সিঁড়িগুলো ছোট হয়ে যায়।’
তবে পোস্টে ‘ভালো হওয়া’র প্রসঙ্গ ধরে কেউ কেউ মজা করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘ভালো হয়ে কী লাভ হয়েছে বলেন ভাই!’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘মেয়র পদে দাঁড়ান।’
সব মিলিয়ে সালমানের এই পোস্ট নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে তার মন্তব্যের পেছনে বিশেষ কোনো কারণ বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।
এদিকে, রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার দক্ষিণ মানিকদীর নিউগিনি প্রপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে সম্প্রতি হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: হোসেনপুর ও নগদিপুর বাজারে কামরুল ইসলামের প্রচারণা, অংশ নেন সাধারণ মানুষ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৭নং জগদল ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন সাবেক জগদল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান দিরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. কামরুল ইসলাম।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি হোসেনপুর ও নগদিপুর বাজারে স্থানীয় নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বাজারের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় সাধারণ মানুষ তার সঙ্গে কথা বলেন এবং নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রচারণায় সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে বাজার এলাকায় নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়।
কামরুল ইসলাম স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তাদের বিভিন্ন কথা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন। এ সময় তিনি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও এলাকার মানুষের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয় তুলে ধরেন।
সাধারণ মানুষের উদ্দেশে কামরুল ইসলাম বলেন, “দল যদি আমাকে সমর্থন করে, তাহলে আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। যেভাবে গত ১৭ বছর আপনাদের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশীপুরে একটি মহিলা মাদরাসায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন, আতিয়া আক্তার রিমা (১১), মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন মো. সুলতান মাহমুদ সিকদার আতিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আতিয়ার শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দগ্ধ অন্য দুই শিক্ষার্থীর অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।
নিহত আতিয়া নাটোর সদর উপজেলার আতাউর রহমান ও নাসিমা বেগমের কন্যা।
সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফতুল্লার কাশীপুরের মহিলা মাদরাসায় বৈদ্যুতিক তার বিচ্ছিন্ন হয়ে পাঁচ নারী শিক্ষার্থী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হন। তাদের পরে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা হলেন— জিদনী (১৪), লামিয়া (১৩), সুমাইয়া (১৩) ও আছিয়া (১২)। চিকিৎসকদের মতে, দগ্ধদের মধ্যে জিদনীর শরীরের ৮২ শতাংশ, লামিয়ার ৫৫ শতাংশ, সুমাইয়ার ১৩ শতাংশ এবং আছিয়ার ৭ শতাংশ পুড়ে গেছে। আজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আতিয়া মারা গেলেন। বাকি শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজনের চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে চোর সন্দেহে জিহাদ (৮) নামে এক শিশুকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের অভিযোগে মফেজ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে মধুপুর থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম তাকে গ্রেফতার করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হকের দিকনির্দেশনায় অভিযান চালিয়ে মফেজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার সন্ধ্যায় মধুপুর উপজেলার বেরীবাইদ ইউনিয়নের গুবুদিয়া গফুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জিহাদকে চোর সন্দেহে ডেকে নিয়ে যান মফেজ উদ্দিন। পরে তাকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছে শিশুটির পরিবার। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
শিশুটির নানা মফিজুল ইসলাম ও নানি মাছাঃ বকুলি বেগমের ভাষ্য, জিহাদের বাবা-মা নেই। গত ছয় বছর ধরে তাঁরা শিশুটিকে লালন-পালন করছেন। জিহাদ গুবুদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
শিশুটির নানা মফিজুল ইসলাম বলেন, কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই বা আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে একজন শিশুকে মারধর করা গুরুতর অন্যায়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারাও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কোনো শিশুকে চোর সন্দেহে নিজের হাতে বিচার বা শারীরিকভাবে নির্যাতন না করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে বিষয়টি জানানো উচিত।
এ বিষয়ে মধুপুর থানা-পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মফেজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মফেজ উদ্দিনকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ