মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৬ পি.এম
এশিয়ান গেমসে লজিস্টিক্যাল ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে দক্ষিণ কোরিয়া অ্যাথলেটদের ভোগান্তির তীব্র সমালোচনা করেছে। কোরিয়ান স্পোর্ট অ্যান্ড অলিম্পিক কমিটির প্রধান লি সাং-হিউন এই ঘাটতিগুলোর জন্য আয়োজকদের অতিরিক্ত ব্যয়-সংকোচন নীতিকে দায়ী করেছেন।
তিনি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে জানান, পরিবহন এবং আবাসন সংকটের মতো গুরুতর সমস্যার কারণে দক্ষিণ কোরীয় অ্যাথলেটরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। লি সাং-হিউন ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আয়োজকদের দ্রুত ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করেছেন।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি দল গেমসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে। লি সাং-হিউন স্পষ্ট করে বলেছেন, তারা এই অব্যবস্থাপনার জন্য শুধু মুখে দুঃখ প্রকাশ নয়, বরং টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষের উচ্চ পর্যায় থেকে একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা চান।
তিনি নাগোয়ায় দলের আতিথেয়তাকেন্দ্র কোরিয়া হাউসে বলেন, ‘আমি আশা করি আয়োজক কমিটি এবং ওসিএ (অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া) এই বিষয়গুলোর প্রতি আরো বেশি মনোযোগ দেবে।’
তিনি শুধুমাত্র ক্ষমা চাওয়ার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন যে, এই সমস্যাগুলো যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা উচিত।
আয়োজকরা খরচ কমানোর জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী গেমস ভিলেজ নির্মাণের পরিবর্তে ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তাদের হোটেল, অস্থায়ী কাঠের কন্টেইনার এবং একটি ক্রুজ জাহাজে থাকার ব্যবস্থা করেছেন। যা এই বৈশ্বিক মার্যাদাপূর্ণ আসরকে কলুষিত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক সফরের আগে রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার আলিমভকে যুক্তরাষ্ট্র ভিসা প্রদান করেনি বলে ক্রেমলিন জানিয়েছে। মস্কো এই ঘটনার উল্লেখ করে এটিকে ‘অবন্ধুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি মন্তব্য করেন, জাতিসংঘের সদর দপ্তরের আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের যে দায়িত্ব রয়েছে, সেই দায়িত্বের সঙ্গে ভিসা প্রত্যাখ্যানের এই সিদ্ধান্তের কোনো সামঞ্জস্য নেই।
এছাড়া, তিনি জানান, এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার আলোচনায় উত্থাপন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুনভাবে বাসভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি আদায় করা হলে সংশ্লিষ্ট বাসের রুট পারমিট বাতিল করা হবে, এ কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান। মন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু সময় আগে নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১৭ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, "আজই গেজেট হবে, গেজেট মানেই কার্যকর।" তিনি আরও জানান, মেথড অনুযায়ী ২০ পয়সা বাড়ানোর কথা ছিল। বাস মালিকরা এর কম মানতে রাজি হননি এবং তারা মেইনটেন্যান্স কস্টের কথাও উল্লেখ করেছেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, "যেকোনো ভাড়া বাড়ানোই সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।" তবে, বৈশ্বিক ও জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রেলভাড়া সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, আপাতত রেলের ভাড়া বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে, রেল ও লঞ্চের ভাড়া নিয়ে পরশুদিন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে ভাড়া বাড়ানোর দাবি উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের গ্রেটার নয়ডা ওয়েস্টে একটি ই-রিকশার মধ্যে বসে থাকা এক নারীর কাছ থেকে আইফোন ১৮ প্রো ছিনতাই করেছে মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি। সোমবার সকালে, যখন তিনি কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ছিলেন, তখন এই ঘটনা ঘটে। খবরটি এনডিটিভি থেকে জানা যায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই নারী ই-রিকশার ভাড়া অনলাইনে পরিশোধ করার জন্য ফোনটি বের করেছিলেন। এ সময়, হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে প্রথমে তার কাছে ঠিকানা জানতে চান। পরে তারা প্রশ্ন করেন, “এটাই কি নতুন আইফোন?”
নারীটি ফোনটি নতুন আইফোন বলে জানালে, দুই ব্যক্তির একজন তার হাত থেকে ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। উল্লেখ্য, তিন দিন আগে তিনি আইফোন ১৮ প্রো কিনেছিলেন।
ঘটনার পর, পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভুক্তভোগীর স্বামী সাকেত গুপ্ত সকালে প্রধান সড়কগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি সীমিত থাকার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে অনলাইনে এফআইআর করা হয়েছে। বিসরখ থানার কর্মকর্তা রণজিৎ সিং বলেন, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পরীক্ষা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিরাইয়ের পূর্বাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী চেপ্টিয়ার হাওর বর্ষা মৌসুমে বিশাল জলরাশিতে পরিণত হয়। অসংখ্য জেলে, কৃষক এবং হাওরপারের মানুষ এই হাওরের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বর্ষাকালে, বিভিন্ন এলাকা থেকে জেলেরা নৌকা নিয়ে হাওরের গভীরে মাছ ধরতে চলে যান। দিরাইয়ের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকেও মানুষ নৌকাযোগে হাওরের বিভিন্ন পথে যাতায়াত করেন।
হাওরের মাঝখানে অবস্থানকালে যদি হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি, দমকা বাতাস অথবা বৈরী আবহাওয়া শুরু হয়, তাহলে পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এই অবস্থায়, উত্তাল ঢেউয়ের কারণে নৌকা নিয়ে দ্রুত তীরে ফিরে আসা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে, হাওরের মাঝখানে অবস্থিত বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রটি জেলে ও নৌযাত্রীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে কাজ করতে পারে।
বর্তমানে চেপ্টিয়ার হাওরে নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্যোগের সময় মানুষ এসে অবস্থান করার সুযোগ রয়েছে। নৌকা বেঁধে রাখার ব্যবস্থা এবং মানুষের বসার জায়গা থাকায় আকস্মিক দুর্যোগের সময় এটি হাওরের মানুষের জন্য একটি ভরসার কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
হাওরের মাঝখানে আশ্রয়কেন্দ্রে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ