বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:০৯ পি.এম
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর সদস্যরা আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) একটি কমান্ডারসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাত ৯টার দিকে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির এলাকার একটি অভিযানের সময়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হচ্ছেন মোহাম্মদ আলম ওরফে মুছা (৪০) এবং অন্যজন তার সহযোগী আব্দুল হাফেজ (২২)। এই গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমিন।
সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, আরসার কমান্ডার মোহাম্মদ আলম ওরফে মুছা এবং তার সহযোগী আব্দুল হাফেজ ৬ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির এলাকায় অবস্থান করছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন যে, তারা আরসার সশস্ত্র সংগঠনের সক্রিয় সদস্য।
সূত্রটি আরও জানায়, মোহাম্মদ আলম ওরফে মুছা উখিয়া থানার একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২৯ নম্বর আসামি। তার বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় হত্যা, মাদক এবং অস্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিতর্কিত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থার আওতায় গঠিত বিদ্যমান সব কমিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পুনর্গঠন ও হালনাগাদ করার নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সেইসাথে, পুনর্গঠিত কমিটির তথ্য আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে অবহিত করার জন্য বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত মঙ্গলবার এসংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়। এই চিঠির স্বাক্ষরদাতা হলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-২ মো. আশরাফুল ইসলাম।
চিঠিতে জানানো হয়েছে, সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালন ও বাস্তবায়নের জন্য বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বেশ কয়েকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, এসব কমিটির অধিকাংশ কমিটি কয়েক বছর আগে গঠিত হয় এবং সেই কারণে সেগুলো এখন হালনাগাদ নেই।
এছাড়া, কিছু কমিটির প্রজ্ঞাপন ও কার্যক্রমের তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না। এই কারণে বিদ্যমান সব কমিটি পুনর্গঠন করে হালনাগাদ করা অত্যাবশ্যক।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার আওতাধীন বিদ্যমান কমিটিগুলো পুনর্গঠনের সময় সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণ এবং প্রতিনিধিত্ব আরও কার্যকর হওয়া সম্ভব হবে।
পুনর্গঠিত প্রতিটি কমিটিতে স্থানীয় পর্যায়ের তিনজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই তিনজনের মধ্যে অন্তত একজন নারী প্রতিনিধি থাকাটা আবশ্যক। সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি বা আহ্বায়ক ওই তিনজনকে মনোনয়ন দেবেন।
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংযুক্ত তালিকায় থাকা ৯৮টি কমিটিসহ মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার আওতাধীন বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য বিদ্যমান সব কমিটি হালনাগাদ করতে হবে।
পুনর্গঠন ও হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পন্ন করে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে অবহিত করার জন্য বলা হয়েছে।
সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিগুলো দীর্ঘদিন পরে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার ফলে স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি কার্যক্রমে অংশীজনের প্রতিনিধিত্ব, সমন্বয় এবং জবাবদিহি আরো জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন পারমাণবিক সুরক্ষাবলয় ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ার ফলে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্লেষক ও গবেষকদের বরাতে সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগের কথা জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি।
সংবাদমাধ্যমটি তাদের প্রতিবেদনটিতে যথাযথভাবে উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো এখন ওয়াশিংটনকে পারমাণবিক প্রতিবন্ধকতা তৈরির ক্ষেত্রে আগের চেয়ে অনেক বেশি দূরবর্তী ও অবিশ্বস্ত বলে মনে করছে। ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর আস্থা হারাতে থাকায়, মিত্র দেশগুলোর এই মনোভাব পরিবর্তন তাদের নতুন করে নিজেদের প্রতিরক্ষা কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করছে। পাশাপাশি, আত্মনির্ভরশীল সামরিক কৌশল বা কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন গড়ে তোলার দিকে ঝুঁকে পড়ছে বহু দেশ।
প্রতিবেদনে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক নীতির বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে ইউরোপীয় এবং এশীয় মিত্রদের জন্য স্পষ্ট কোনো পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি। উপরন্তু, মিত্র দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর বারবার জোর দিয়েছেন ট্রাম্প। এর ফলে, ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের সুরক্ষাবলয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে, ২০২৫ সালের মার্চে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইউরোপীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য ফ্রান্সের পারমাণবিক সুরক্ষাবলয় ব্যবহারের বিষয়ে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা শুরুর ঘোষণা দেন। ফ্রান্সের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জার্মানি, পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া এবং ডেনমার্কের মতো দেশগুলো এই বিকল্প অনুসন্ধানে ইতিবাচক আগ্রহ দেখিয়েছে। এছাড়া, ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাইডেন প্রশাসনের সময় রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্নির্ধারণের চেষ্টার পরে ইউরোপের মার্কিন মিত্ররা নিজেদের পৃথক পারমাণবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (নিউক্লিয়ার শিল্ড) গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপ্রি) ২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্যানুসারে, বিশ্বজুড়ে বর্তমানে প্রায় নয় হাজার পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় চার হাজার ওয়ারহেড ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিমানে মোতায়েন অবস্থায় রয়েছে। দুই হাজার দুই শর মতো ওয়ারহেড সার্বক্ষণিক উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, পারমাণবিক অস্ত্রহীন দেশগুলো এখন নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্র তৈরির দিকে পা বাড়াতে পারে। গত মে মাসে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) ধারাবাহিক অবনতি ও বৈশ্বিক পারমাণবিক স্থিতিশীলতার ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফলদ ও বনজ বৃক্ষরোপণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় কাউখালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ ও সদস্য সচিব রাকিব তালুকদারের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী উপজেলা পরিষদ ও বিভিন্ন সড়কের পাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন। পরে বিভিন্ন স্থানে ফলদ ও বনজ বৃক্ষরোপণ করা হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব শাফিউল আজম দুলাল, সাবেক সহ-সভাপতি শাহ-ইমরান ফারুক, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুদ্দোজা মিয়া ও গিয়াস উদ্দিন অলি, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন ও রফিকুল ইসলাম রফিক, যুবদল নেতা মাওলানা হোসেন মঈন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল-মাহমুদ সুমনসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশ নেন নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের স্পৃহা কেবলমাত্র ব্যক্তিগত কর্মসংস্থান বা চাকরি পাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের জ্ঞান এবং মেধাকে জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘শুধু বিদ্যমান চাকরির জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা যথেষ্ট নয়; নতুন চাকরি সৃষ্টি করা এবং কর্মসংস্থানের বাজার সম্প্রসারণসহ অন্যান্য বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এর ভিত্তি সব অবস্থায় অর্থনীতি, শিল্পনীতি এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর নির্ভর করে। তাই তরুণদের নিজেদের দক্ষ করার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক মূল চিত্র অনুধাবন করাও জরুরি।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ফ্রম স্কিল টু অপরচুনিটি’ শীর্ষক চাকরি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এই মেলার আয়োজন করা হয় বেসরকারি সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও), ‘চোরগউসান ফর চিল্ড্রেন’ এবং ‘এডুকো’-এর সহায়তায়।
রাষ্ট্রীয় নীতির সুফলের উদাহরণ টেনে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে প্রযুক্তি এবং জ্ঞান এনে বাংলাদেশের জনশক্তিকে পোশাকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল। উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি ও ব্যাংক ঋণসহ প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার মাধ্যমেই আজকের পোশাক খাতের বড় ভিত্তি তৈরি হয়েছে। একজন রাষ্ট্রনায়কের সঠিক নীতিগত সহায়তার সুফল সম্পূর্ণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রযুক্তি ও নতুন চাহিদার কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সীমিত ভৌগোলিক পরিসরে বিপুল জনসংখ্যার জন্য কেবল প্রথাগত চাকরির ওপর নির্ভর করলে চলবে না। জাতীয় স্বার্থে তরুণদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চালানোর পাশাপাশি শিল্প, প্রযুক্তি এবং উৎপাদনের নতুন নতুন ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে হবে।
এছাড়া, তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়ে বলেন, ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি ক্যারিয়ারের লক্ষ্য যেন জাতীয় স্বার্থমুখী হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। অন্যথায়, ব্যক্তিগত সাফল্য আসলেও তা রাষ্ট্রের কল্যাণে কিছু কাজে আসবে না।
এ সময় তিনি আয়োজক সংস্থা এবং জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে কারিকুলাম তৈরির সময়ে তরুণদের নৈতিকতা, ফিলোসফি এবং বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এডুকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুল হামিদ এবং আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী ও ইএসডিও-এর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহিদ উজ জামান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ