মোঃ রাসেল সরকার ( স্টাফ রিপোর্টার)
০৭:৩২ পি.এম
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে সব সরকারি, আধা-সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়, পরে দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পূস্পমাল্য অর্পণ করা হয় এসময় উপজেলা বিএনপি ও এর অংগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবিন্দ উপস্থিত ছিলেন। সকাল ১০টায় সিএসএফ গ্লোবালের আয়োজনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের আনন্দ ও সচেতনতা র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারপরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড.এম,এ,মুহিত। র্যালিটি বিসিক বাসস্টাণ্ড সংলগ্ল প্রগতি ক্লাব থেকে শুরু হয়ে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত প্রর্দশনী ফুটবল ম্যাচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড.এম,এ,মুহিত। উপজেলা প্রশাসন এ ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা সারমিন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশোনার ( ভূমি) ফরিদুল ইসলাম,থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইকবাল হাসান হিরু,সাধারাণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ। এসময় অতিথি বৃন্দ সপ্তবর্ণ মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত ডিসপ্লে উপভোগ করেণ। দুপুরে উপজেলার নুকালিতে অবস্থিত সিএসএফ সেন্টারে বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড.এম,এ,মুহিত সভাপতিত্ব করেন সিএসএফ গ্লোবালের নির্বাহি সদস্য মো: আল মামুন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার সাবরিনা শারমিন। বেলা ২ টায় উপজেলা বিএনপির আয়োজনে দলীয় কার্যালয় থেকে বিশাল র্যালী বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষীণ করে। বিকেল ৩ টায় শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার,যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে ও শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির অংশ গ্রহণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড.এম,এ,মুহিত এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইকবাল হোসেন হিরু,সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ। এতে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বার,সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন সবুজ,পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ইমদাদুল হক নওশাদ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আল আমিন হোসেন প্রমূখ। সংস্কৃতিক অনুষ্টানে সংগীত পরিবেশন করেন উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও শাহমখদুম বাউল একাডেমির শিল্পীবৃন্দ।
মো: রাসেল সরকার
শাহজাদপুর,সিরাজগঞ্জ
মোবা:০১৭২৯-১৪৮৮৮৪
তারিখ: ০৭.১১.২০২৬খ্রি:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীতে খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখার উদ্দেশ্যে ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে মাঠের সংখ্যা বাড়িয়ে ৮২টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) নগরীর আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠ ও কয়েকটি সড়কের উন্নয়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
চসিক প্রশাসক বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তোলার যে উদ্যোগ নিয়েছি, সেটি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে ১১টি খেলার মাঠ প্রস্তুত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও মাঠ গড়ে তুলে এই সংখ্যা ৮২টিতে উন্নীত করতে চাই।’
ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, ‘আমরা মাদক চাই না, সন্ত্রাস চাই না, চাঁদাবাজি চাই না, কিশোর গ্যাং চাই না। শুধু মুখে এসবের বিরুদ্ধে কথা বললে হবে না। তরুণদের জন্য খেলাধুলার উপকরণ ও বিনোদনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, তরুণদের জন্য মাঠ ও খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে তারা অপরাধের পথ ছেড়ে সুস্থ ও সুন্দর জীবনের দিকে এগিয়ে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই, আমরা প্রস্তুত আছি।’
তিনি শনিবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা কার্যক্রমের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বর মাসে মনে হয় কেউ দেশে আসতে চাচ্ছে। আপনারা কি প্রস্তুত আছেন? জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যেভাবে প্রস্তুত ছিলাম, এবারও কি সেভাবে প্রস্তুত আছি? এবার কি আগের চেয়ে বেশি হবে না কম হবে?’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আগেরবার আমরা অনেক উদারতা দেখিয়েছি। আমরা ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, ওসমান হাদির ভাষায়, শত্রুর প্রতি আমরা ইনসাফ করব, ন্যায়বিচার করব। কিন্তু গত দুই বছরে আমরা কোনো বিচার পাইনি। আমরা ওসমান হাদি হত্যার বিচার পাইনি। জুলাইয়ে আমাদের যেসব ভাই-বোন শহীদ হয়েছেন, তাঁদের হত্যারও বিচার পাইনি।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিচার না পেলে জনগণ নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি বলেন, ‘মানুষ যদি ন্যায়বিচার না পায়, তখন জনগণ নিজেই প্রতিরোধ শুরু করে। ডিসেম্বর আমাদের প্রতিরোধের মাস, আমাদের বিজয়ের মাস। একাত্তরে বিজয় লাভ করেছি, চব্বিশেও বিজয় লাভ করেছি। ২০২৬ সালেও বিজয় লাভ করব ইনশাআল্লাহ। আগামী সব ডিসেম্বরেই বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা বিজয় লাভ করবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গঠনের সময় নয়, বরং দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের সময়ও। বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষ সংকট নিরসনে রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়িত্ব নিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে র্যাগিং, ছাত্র নির্যাতন, গেস্টরুম ও গণরুম সংস্কৃতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন চালানো হয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে।
ছাত্রসংগঠনগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধুমাত্র নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও উপহার দিয়ে মন জয় করাই ছাত্রসংগঠনের কাজ নয়। শিক্ষার্থীদের আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষ সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আন্দোলন করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই প্রকৃত ছাত্ররাজনীতির দায়িত্ব।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আধিপত্যবাদ প্রতিরোধ এবং গণতন্ত্র নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জাতীয় ছাত্রশক্তির নোবিপ্রবি শাখার আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ‘শেখ’ পদবিধারী ভোটারদের নাম সবচেয়ে বেশি বাদ পড়েছে। রাজ্যটির ভোটার তালিকা থেকে এই পদবির ৭ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭৮ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সাবার ইনস্টিটিউটের প্রাথমিক বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে মুসলিম নামধারীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। রাজ্যজুড়ে মোট ২ কোটি ৬ লাখ ৮০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। তাদের মধ্যে ৩০ লাখ ২০ হাজার ১৭৩ জন মুসলিম নামধারী, যা বাদ পড়া মোট ভোটারের ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ।
অন্যদিকে, আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, মহারাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যায় মুসলিমদের আনুমানিক হার ১২ দশমিক ১ শতাংশ। অর্থাৎ, জনসংখ্যার তুলনায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়াদের মধ্যে মুসলিম নামধারীদের হার বেশি দেখা যাচ্ছে।
মুম্বাইয়ে এই ব্যবধান আরও বেশি। সেখানে বাদ পড়া ভোটারদের ২১ দশমিক ৩ শতাংশ মুসলিম নামধারী। মহারাষ্ট্রের অন্যান্য অংশে এ হার ১৩ দশমিক ২ শতাংশ।
পদবিভিত্তিক তালিকায় শেখের পর পাটিল পদবির ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫২৬ জন। এছাড়া, খান পদবির ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৯, যাদব পদবির ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৭৯৬ এবং পাওয়ার পদবির ২ লাখ ৭৪ হাজার ৬০৭ জন ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদ পড়া শেখ পদবিধারীদের ৮৮ শতাংশের ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি। বরং তাদের স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে যাওয়া, অনুপস্থিত থাকা বা খুঁজে না পাওয়া এবং আগে থেকেই অন্যত্র ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত থাকার মতো কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদ পড়া শেখ পদবিধারীদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ মুম্বাইয়ের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ নারী। মহারাষ্ট্রের ২৮৮টি বিধানসভা কেন্দ্রেই এই পদবির ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে। সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুম্বরা-কালওয়া কেন্দ্রে।
তবে সাবার ইনস্টিটিউট সতর্ক করে বলেছে, শুধুমাত্র পদবির তালিকা দেখে ধর্মীয় বা বর্ণভিত্তিক লক্ষ্যবস্তু করার প্রমাণ হিসেবে বিষয়টিকে বিবেচনা করা যাবে না। এই তালিকা মূলত বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে কোন পদবি কত বেশি প্রচলিত, তা তুলে ধরে; নির্দিষ্ট কোনো সম্প্রদায়ের মোট ভোটারের কত অংশ বাদ পড়েছেন, তা নয়।
মুসলিম নামধারী ভোটারদের বিষয়ে ইনস্টিটিউটের পৃথক বিশ্লেষণে তালিকা থেকে বাদ পড়াদের মধ্যে তাদের সামগ্রিক উপস্থিতির চিত্র উঠে এসেছে।
সূত্র: মাকতুব মিডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ