মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৬:৫৪ পি.এম
খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণ-আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান নিয়ে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের উদ্যোগে ‘দাওয়াত ও গণসংযোগ মাস’-এর উদ্বোধন এবং লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১ নভেম্বর-২০২৬) বিকাল সাড়ে ৪টায় নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া বাগ-এ-জান্নাত জামে মসজিদের সামনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি হাফেজ কবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, সহ-সভাপতি অধ্যাপক শাহ আলম, মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা সভাপতি খন্দকার হাফেজ আওলাদ, জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান পায়েল, মুফতী আব্দুল গনী, ফতুল্লা থানা সভাপতি আবুবকর সিদ্দীক সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শরীফ মাহমুদ, সদর থানা সাধারণ সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন সিকদার, বন্দর থানা পশ্চিম শাখা সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল-মামুন, মহানগর প্রচার সম্পাদক মুফতী তৌফিক বিন হারিছ, প্রমুখ।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংগঠনের দাওয়াতি কার্যক্রমকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে, খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও আদর্শ তুলে ধরতে এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়।
খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠনের নেতাকর্মীরা নগরবাসীর কাছে ইসলামী আদর্শভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা-লংগদু ও বাঘাইছড়ি-সাজেক সড়কে পার্বত্য চট্টগ্রাম অধিকার রক্ষা কমিটি এবং পরিবহন শ্রমিকদের ১২ ঘণ্টার অবরোধ চলছে।
রোববার (১ নভেম্বর) দীঘিনালা জামতলী এলাকার সুপারি বাগানসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং আগুন জ্বালিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের অবরোধ পালন করতে দেখা গেছে।
এর আগে গত ৩০ অক্টোবর সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বিজয় কান্তি চাকমা স্বাক্ষরিত এক বিঙ্গপ্তিতে জানানো হয় যে, ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন’ তৃতীয় দফায় ১০ দিন অবরোধ শেষে আজ (১ নভেম্বর) ১২ ঘণ্টার জন্য অবরোধ শিথিল থাকবে। পরবর্তীতে আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ চলবে।
টানা অবরোধের ফলে পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এর প্রতিবাদে গত (৩১ অক্টোবর) মধ্যরাতে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অধিকার রক্ষা কমিটি’ নামক সংগঠনের সদস্য সচিব বিন্দু লাল চাকমা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাজেকে সহিংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও পর্যটকদের জিম্মি করে হামলার প্রতিবাদে রোববার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সাজেকে দিনব্যাপী অবরোধ থাকবে।
একই সাথে পরিবহন শ্রমিকরাও সাজেকের অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিতে সড়কে অবস্থান করছে। পরিবহন শ্রমিকদের সড়কে গাছের গুড়ি ফেলে এবং টায়ার জালিয়ে অবরোধ পালন করতে দেখা গিয়েছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিবহন শ্রমিক রমজান আলী বলেন, "মাসব্যাপী অবরোধের ফলে আমরা দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি চালাতে না পেরে অসহায় দিন যাপন করছি। আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। তারা তাদের সুবিধার জন্য একদিন অবরোধ শিথিল করেছে, পরবর্তীতে আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। সরকার এবং প্রশাসন যদি এর সুরাহা না করে তাহলে আমরা এর থেকেও কঠোর আন্দোলনে নামবো।"
এই বিষয়ে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, "শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ পালিত হচ্ছে। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। পুলিশের টহল দল জননিরাপত্তায় মাঠে অবস্থান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দুই চোরা কারবারিকে আটক করেছে। আটককৃতদের কাছে পাওয়া গেছে ৩২টি স্বর্ণের বার, যার মোট মূল্য প্রায় ৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার নাজিরাকোনা সীমান্তের নাগারবিল এলাকায় চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এই অভিযান চালায়।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার ১১০ থেকে প্রায় ৭০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি বিশেষ টহল দল আগে থেকেই অবস্থান নেয়। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সন্দেহজনকভাবে একটি ব্যাগ হাতে সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় বিজিবি সদস্যরা দুই ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করেন। তারা ব্যাগ ফেলে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি তাদের ধাওয়া করে আটক করে।
পরে তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ৩২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন ৩ কেজি ৯৪১ গ্রাম। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ কোটি ৩৫ লাখ ১৯ হাজার ৩৫৫ টাকা। আটককৃতদের মধ্যে একজন হলেন মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর নতুনপাড়া গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে মো. আসাদুল হক (৫০) এবং অপরজন হলেন একই গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. জুয়েল হোসেন (৩০)।
বিজিবি আরও জানায়, আটককৃত দুই ব্যক্তিকে মুজিবনগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত স্বর্ণ মেহেরপুর ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সীমান্ত এলাকায় স্বর্ণ চোরাচালান, মাদক পাচারসহ অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা কলেজে ল্যাব সহকারী ও কর্মচারীসহ চারটি পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে কলেজের অধ্যক্ষ এবং পরিচালনা কমিটির সভাপতির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীসহ এলাকাবাসীরা।
রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে কচাকাটা হাই স্কুল থেকে একটি মিছিল বের হয়ে কচাকাটা বাজার ঘুরে কলেজ গেটে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। এ সময় পুলিশি পাহারায় কলেজ গেট তালাবদ্ধ থাকলে বিক্ষোভকারীরা গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে গেটের সামনে কলেজ সভাপতি ডা. মো. ইউনুস আলী ও কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম জুয়েলের ছবি ও কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়ে তারা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কলেজের গেট খুলে দেওয়ার পর মাঠে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে নিয়োগবঞ্চিতরা অভিযোগ করেন, মেধা তালিকায় থাকা প্রার্থীদের বাদ দিয়ে পরীক্ষার চারদিন পর ফল প্রকাশ করে মোটা পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে কলেজ কমিটির সভাপতি ডা. ইউনুস আলী ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম কম মেধাবীদের নিয়োগ প্রদান করেছেন। তারা নিয়োগকে অবৈধ উল্লেখ করে নতুন করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগের দাবি জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টায় কচাকাটা কলেজের কম্পিউটার কাম অফিস সহকারী, ল্যাব সহকারী, নৈশ প্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এসব পদে ৪৫ চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেন। ওইদিন যথাসময়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে সবাই উপস্থিত থাকলেও পরীক্ষা নেওয়া হয় দুপুরের পর। এছাড়া লিখিত পরীক্ষা শেষে ফলাফল প্রকাশ না করে সবার ভাইভা নেওয়া হয়। ভাইভা শেষে পরীক্ষার ফল প্রকাশ না করে চারদিন পর ফল প্রকাশ করার কথা বললে নিয়োগ সংশ্লিষ্টরা তোপের মুখে পড়েন। পরে কচাকাটা থানা পুলিশের সহায়তায় অধ্যক্ষসহ অন্যরা কলেজ ত্যাগ করেন।
প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, মেধাক্রম অনুসরণ করে ফল ঘোষণা করে ভাইভা পরীক্ষা নেওয়া হয়। চূড়ান্ত ফল ঘোষণা না করে রাত আটটার দিকে কলেজ ছাড়েন পরীক্ষক ও কলেজ সংশ্লিষ্টরা। পরে ২৭ তারিখ সকালে পরীক্ষার ফলাফল কলেজের নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে দেন অধ্যক্ষ। তবে ফলাফল পত্রে ২৪ অক্টোবর তারিখে স্বাক্ষর দেখা যায়। লিখিত পরীক্ষার মেধাক্রমে উপরে থাকা প্রার্থীরা চাকরি পাননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে কর্মসূচি নেন বঞ্চিত নিয়োগ প্রার্থী ও স্থানীয়রা।
এ সময় বক্তব্যে অনিছূর রহমান তোলা ব্যাপারী বলেন, "নিয়োগ বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে ডা. ইউনুস ফ্যাসিবাদী কায়দায় উড়ে এসে সভাপতি হয়েছেন। মাত্র ১০ মাসের মাথায় অবৈধভাবে নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। কলেজটিকে মেধাশূন্য করার পাঁয়তারা করতেন। অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে নিয়োগের দাবি জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা ব্যানার্জী। তিনি দাবি করেছেন, বিজেপি বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ) লুট করছে এবং তিনি হাল ছাড়বেন না।
এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন মমতা।
তিনি আত্মসমর্পণ না করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প ব্যক্ত করে বলেন, "আমরা গণতন্ত্র রক্ষা করব এবং তা ফিরিয়ে আনব। রাজনীতির মাধ্যমে জবাব দেব, গণতন্ত্রের মাধ্যমে জবাব দেব। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।"
এদিকে, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে লক্ষ্য করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট চুরির মাধ্যমে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে এবং দাবি করেন, "জ্ঞানেশ কুমার না থাকলে নরেন্দ্র মোদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না।"
সমাবেশে রাহুল আরও বলেন, "এটি সাধারণ কোনো চুরি নয়। দোকান থেকে কেউ কিছু চুরি করলে তাকে চুরি বলা হয়। কিন্তু এখানে প্রতিটি মানুষের কণ্ঠস্বর চুরি করা হচ্ছে। আইনের ভাষায় একে বিরলতম অপরাধ বলা হয়। এটি রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ