ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু


মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের উত্তর বাদে কনুড়া গ্রামে, বাড়ির পাশে পুকুরে সেচ মেশিন স্থাপন করে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নাজমুল হাসান সোহেল (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে এই দুঃখজনক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সোহেল ওই গ্রামের আলতু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, সোহেল বাড়ির পাশে পুকুরে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বৈদ্যুতিক সেচ মেশিন স্থাপন করছিলেন। যখন তিনি মেশিনে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে যাচ্ছিলেন, তখন অসাবধানতাবশত একটি ছিদ্রযুক্ত তারের সংস্পর্শে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির বার্তা জেলা পরিষদ প্রশাসক পলাশের, শাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ

দুর্ঘটনার সময় তার চিৎকার শুনে পাশে থাকা ভাই ফেরদৌস দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে মেইন সুইচ বন্ধ করেন। এরপর সোহেলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক, ডা. ইয়াসির হাবিব, তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলমাকান্দা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সজল সরকার বলেন, 'আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ বাস্তবায়িত হবে আগামী ৭ বছরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ বাস্তবায়িত হবে আগামী ৭ বছরে

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে আগামী ৭ বছরে ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি এই প্রস্তাবটি বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে করেন।

নতুন অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেছেন, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বাজেট হিসেবে গণ্য। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে ১০ হাজার ৫ শত ৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবও তিনি রাখেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের লক্ষ্য রেখে আগামী ৭ বছরে বাস্তবায়ন করা হবে।

এই প্রকল্পটি দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত করবে। চারটি বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলা এই সুবিধার আওতায় আসবে। আমাদের সরকার দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যবদল ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের উদ্যোগও নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৬ এপ্রিল জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তথ্য দিয়েছেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে পদ্মা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে এসংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ৩৪ হাজার ৪৯৭ দশমিক ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, সমন্বিত ও সার্বিক পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেচ, বন্যা ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন রোধ, ভূমি পুনরুদ্ধার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং লবণাক্ততা প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার দেশজুড়ে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাপক খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আগামী ৫ বছরে ২০,০০০ কিলোমিটার “নদী-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন” কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। ইতোমধ্যে ৬ হাজার ৫৯৮ কিলোমিটার খাল খননের কার্যক্রম চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে কত আয় করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


বিশ্বকাপে কত আয় করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো?

ফিফা বিশ্বকাপ কেবল মাঠের উত্তেজনা নয়, আয়োজক দেশগুলোর জন্য এটি একটি বিশাল অর্থনৈতিক সুযোগও তৈরি করে। ২০২৬ আসর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে। তাই অনেকের দৃষ্টি এখন পুরোদমে এই বিশ্বকাপে আয়োজকদের আসল আয় কত হবে সেটির দিকে।

ফুটবলকে আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপ থেকে চলে আসা ৩২ দলের কাঠামো এবার ভেঙে দিয়েছে ফিফা। ফলে ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ হবে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসর। এতে থাকবে ৪৮টি দল, তিনটি স্বাগতিক দেশ এবং ১৬টি ভেন্যু, যেখানে ৩৯ দিনে রেকর্ড ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

কিন্তু এই সম্প্রসারণকে শুধু খেলার উন্নয়ন হিসেবে দেখলে চিত্রটা পুরোপুরি ধরা পড়ে না। কারণ একই সঙ্গে ম্যাচ, দর্শক এবং সম্প্রচারের পরিসর বাড়িয়ে ফুটবল এখন আরও বড় এক বাণিজ্যিক মঞ্চে পরিণত হচ্ছে।

বর্ধিত টুর্নামেন্ট ফরম্যাটের কারণে ফিফা আশা করছে, বিশ্বকাপ থেকে প্রায় ৮.৯ বিলিয়ন ডলার আয় হবে। এই আয় মূলত আসবে সম্প্রচার স্বত্ব, বিনিয়োগ, টিকিট বিক্রি এবং অতিথি সেবা থেকে।

যুক্তরাষ্ট্র ১১টি ভেন্যুতে ম্যাচ আয়োজন করবে, আর মেক্সিকো ও কানাডা যথাক্রমে ৩টি এবং ২টি ভেন্যুতে ম্যাচ আয়োজন করবে। মেক্সিকো মোট ১৩টি ম্যাচ আয়োজন করবে, যার মধ্যে থাকবে ১১ জুন মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে উদ্বোধনী ম্যাচ। এছাড়া সেখানে তিনটি নকআউট পর্বের ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে।

কানাডাও মোট ১৩টি ম্যাচ আয়োজন করবে। স্বাগতিক কানাডার প্রথম ম্যাচ হবে ১২ জুন টরন্টোতে বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে। সেখানে তিনটি নকআউট ম্যাচ আয়োজন করা হবে।

বাকি ৭৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। এর প্রারম্ভ হবে ১২ জুন লস অ্যাঞ্জেলেস অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দল ও প্যারাগুয়ের ম্যাচ দিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু করে সব ম্যাচ আয়োজন করবে। এর মধ্যে সেমিফাইনাল এবং ফাইনালও থাকবে, যা অনুষ্ঠিত হবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।

ফিফার ২০২৩–২৬ বাণিজ্যিক চক্রের প্রাথমিক বাজেটে মোট আয় ধরা হয়েছিল ১১ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু সংস্থাটি ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে শেষ হওয়া চার বছরের বাণিজ্যিক চক্রে রেকর্ড আয়ের পথে রয়েছে। তারা আশা করছে, এই পুরো সময়ের মোট আয় প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। এর মধ্যে প্রায় ৮.৯ বিলিয়ন ডলার একা যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্ট থেকেই আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই পূর্বাভাস আগের চক্রগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ দিয়ে শেষ হওয়া চক্রের তুলনায় আয় প্রায় ৭২ শতাংশ বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং ২০১৫–১৮ সময়ের তুলনায় এটি দ্বিগুণেরও বেশি। আর যেহেতু ফিফা কাতার ২০২২ বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে পূর্বাভাসের চেয়ে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় বেশি করেছিল, তাই চূড়ান্ত আয় আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জুরিখ-ভিত্তিক সংস্থাটি আশা করছে, সম্প্রচার স্বত্ব তাদের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হিসেবে থাকবে এবং এটি প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অবদান রাখবে। বিনিয়োগ থেকে আয় ধরা হয়েছে প্রায় ১.৮ বিলিয়ন ডলার, যা নতুন বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাড়বে। এর মধ্যে সৌদি আরবের জ্বালানি জায়ান্ট আরামকোর সঙ্গে একটি চুক্তিও রয়েছে।

তবে সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা আয় আসবে টিকিট বিক্রি ও অতিথি সেবা থেকে, যা ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এই প্রবৃদ্ধির পেছনে শুধু ৬৪ ম্যাচ থেকে ১০৪ ম্যাচে টুর্নামেন্ট সম্প্রসারণ নয়, বরং টিকিটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়া এবং সেকেন্ডারি টিকিট বাজারের বৃদ্ধিও ভূমিকা রেখেছে।

বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয় ফিফার পুরো চার বছরের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর একটি অংশ সংস্থাটির আর্থিক রিজার্ভ শক্তিশালী করতেও ব্যবহৃত হবে, যা কাতার বিশ্বকাপের পর ৩.৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে ২০২৫ সালের শেষে কমে ২.৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। ফিফা সাধারণত প্রতিটি চক্রে একটি নির্দিষ্ট উদ্বৃত্ত লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে এবং বিশ্বজুড়ে ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচিকে সমর্থন দেয়।

তিন দেশের বিশ্বকাপ অর্থনৈতিক দিক থেকে আগের টুর্নামেন্টগুলোর তুলনায় একেবারেই ভিন্ন একটি মডেল তৈরি করে। ২০২৬ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো—এই তিন দেশে আয়োজিত হওয়ার কারণে আর্থিক চাপ এককভাবে কোনো একটি দেশের ওপর না পড়ে একাধিক সরকার ও শহরের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। এর ফলে নতুন করে বিশাল অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজনও কমে আসে এবং আয়োজকরা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান অবকাঠামোর ওপরই বেশি নির্ভর করতে পারেন।

এই বহুদেশীয় ফরম্যাট ফিফার বাণিজ্যিক পরিসরও আরও বাড়িয়ে দেয়। কারণ স্পনসর, সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান এবং অংশীদাররা একসঙ্গে তিনটি বড় ভোক্তা বাজারে প্রবেশের সুযোগ পায়।

তবে এই মডেলের সঙ্গে জটিলতাও আছে। দল, দর্শক এবং মিডিয়া সংস্থাগুলোকে সীমান্ত পেরিয়ে ভ্রমণ করতে হয়, বিভিন্ন সময় অঞ্চলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় এবং আগের আসরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়।

ফিফার দৃষ্টিতে সুবিধাগুলো স্পষ্ট—আরও বেশি ম্যাচ, বড় দর্শকসংখ্যা এবং বেশি বাণিজ্যিক সুযোগ। কিন্তু স্বাগতিক শহরগুলোর জন্য বিষয়টি কিছুটা জটিল। বিশ্বকাপ আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও স্বল্পমেয়াদে অর্থনৈতিক গতি দিলেও নিরাপত্তা, পরিবহন ও জনসেবা খাতে বড় ব্যয়ও করতে হয়।

চূড়ান্ত অর্থনৈতিক ফলাফল তাই নির্ভর করবে কে তা মূল্যায়ন করছে তার ওপর। ফিফা সবচেয়ে বড় আর্থিক লাভবান প্রতিষ্ঠান হিসেবে উঠে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি হোটেল, এয়ারলাইন, সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান, স্পনসর এবং অতিথি সেবা ব্যবসাগুলোও লাভবান হবে। কিন্তু সরকার ও স্বাগতিক শহরগুলোর দীর্ঘমেয়াদি লাভ নির্ভর করবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরও এটি কতটা স্থায়ী উপকার রেখে যায় তার ওপর।

তিন দেশের এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৮টি ম্যাচ আয়োজন করে সিংহভাগ অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে কানাডা ও মেক্সিকো আয়োজন করবে ১৩টি করে ম্যাচ। এ আসর চলাকালে প্রায় ৬৫ লাখ পর্যটক আয়োজক শহরগুলোতে ভ্রমণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গড়ে ১২ দিন অবস্থান করা এই দর্শনার্থীরা প্রতিদিন প্রায় ৪১৬ ডলার করে খরচ করবেন—হোটেল, রেস্তোরাঁ ও যাতায়াতে। সব মিলিয়ে তাদের মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই যাবে প্রায় ১২ লাখ ৪০ হাজার বিদেশি পর্যটক, যাদের ৬০ শতাংশই প্রথমবারের মতো দেশটি ভ্রমণ করবেন।

কর্মসংস্থানেও বড় প্রভাব পড়বে এই বিশ্বকাপে। আয়োজনের প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন পর্যায়ে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮ লাখ ২৪ হাজার পূর্ণকালীন চাকরি সৃষ্টি হয়েছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি আয়োজক শহরেই নতুন কাজ পেয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ।

কর হিসেবেও তিন দেশ মিলিয়ে আয় হবে প্রায় ৯৪০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস একাই তাদের ৮টি ম্যাচ থেকে প্রায় ৫৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার আয়ের আশা করছে, যা ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত ‘সুপার বোল’ ইভেন্টের আয়কেও ছাড়িয়ে যাবে। একইভাবে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ৯টি ম্যাচ থেকে প্রায় ৪০ কোটি ডলার আয় হতে পারে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ১টায় পর্দা উঠবে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের। আর ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের মাধ্যমে পর্দা নামবে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত জমায় আবগারি শুল্ক দিতে হবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


ব্যাংকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত জমায় আবগারি শুল্ক দিতে হবে না

সরকার ব্যাংকে জমা রাখা টাকার ওপর আবগারি শুল্ক অব্যাহতির সীমা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। ব্যাংকে জমা রাখা টাকার উপর এই শুল্ক অব্যাহতির ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম অনুসারে একটি লোন হিসাবের বিপরীতে শুধুমাত্র একবারই আবগারি শুল্ক কাটার বিধান প্রবর্তন করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বিষয়টি জানান। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ‘বর্তমানে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক স্থিতির ওপর আবগারি শুল্ক অব্যাহতি রয়েছে। আমি ক্ষুদ্র আমানতকারীদের স্বস্তি প্রদানের স্বার্থে অব্যাহতির সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এ ছাড়া একটি লোন অ্যাকাউন্টের বিপরীতে শুধুমাত্র একবারই আবগারি শুল্ক কর্তন করার বিধান প্রণয়নের প্রস্তাব করছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে শিক্ষাঋণ চালু করা হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে শিক্ষাঋণ চালু করা হবে

মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে ছাত্রছাত্রীদের জন্য শিক্ষাঋণ এবং ব্যাংক ঋণ সুবিধা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাজেট বক্তৃতার মাধ্যমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য বিশেষ ব্যাংক ঋণ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যাতে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে।’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, দেশের সকল সরকারি মেডিক্যাল কলেজকে আধুনিক, মানসম্মত এবং শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে একটি সমন্বিত সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, বিশেষ করে পুরাতন মেডিক্যাল কলেজসমূহের একাডেমিক ভবন, ছাত্রাবাস, ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, হাসপাতাল এবং প্রশিক্ষণ সুবিধাসমূহ আধুনিকায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের জন্য একটি নিরাপদ ও উন্নত এবং মানসম্পন্ন শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিধি এবং উন্নয়ন কর্মসূচি প্রত্যেকটি দশকেই বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট।

বিশাল নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলো পূর্ণ করতে দেশের ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বড় বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ বাজেটের আকার মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিরাট এ বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে।

বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

এই বিশাল বাজেটের ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ হবে।

নতুন বাজেটের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি প্রদান, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%