প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে আগামী ৭ বছরে ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি এই প্রস্তাবটি বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে করেন।
নতুন অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেছেন, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বাজেট হিসেবে গণ্য। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে ১০ হাজার ৫ শত ৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবও তিনি রাখেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের লক্ষ্য রেখে আগামী ৭ বছরে বাস্তবায়ন করা হবে।
এই প্রকল্পটি দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত করবে। চারটি বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলা এই সুবিধার আওতায় আসবে। আমাদের সরকার দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যবদল ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের উদ্যোগও নিচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৬ এপ্রিল জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তথ্য দিয়েছেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে পদ্মা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে এসংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ৩৪ হাজার ৪৯৭ দশমিক ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, সমন্বিত ও সার্বিক পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেচ, বন্যা ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন রোধ, ভূমি পুনরুদ্ধার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং লবণাক্ততা প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশজুড়ে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাপক খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আগামী ৫ বছরে ২০,০০০ কিলোমিটার “নদী-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন” কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। ইতোমধ্যে ৬ হাজার ৫৯৮ কিলোমিটার খাল খননের কার্যক্রম চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন