ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোটরযান মেরামত কারখানার লাইসেন্সে বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা


মোটরযান মেরামত কারখানার লাইসেন্সে বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) জানিয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফি দিয়েই লাইসেন্স গ্রহণ করা ছাড়া মোটরযান মেরামত কারখানা স্থাপন কিংবা পরিচালনা করতে পারবে না।

সংস্থাটি সম্প্রতি এক বার্তায় জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা ৬৪ (১) অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোন ব্যক্তিকে বা প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত পদ্ধতি ও নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে লাইসেন্স গ্রহণ করার অনুমতি দেয়া হবে না যা মোটরযান মেরামত কারখানা চালানোর জন্য প্রয়োজন।

বিআরটিএ আরও জানায়, ঢাকা বিভাগের আওতাধীন এলাকায় যারা লাইসেন্স গ্রহণে আগ্রহী, তাদের সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ এর বিধি ১৫৭ এর উপবিধি-(১) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এলাকার রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বা সহকারী পরিচালকের (ইঞ্জিনিয়ারিং) কাছে নির্ধারিত ফরম-৪০ (বিআরটিএর ওয়েবসাইট www.brta.gov.bd থেকে সংগ্রহযোগ্য) অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

আরও পড়ুন: নেপাল ফের বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু

এছাড়া, বিআরটিএ আরও জানিয়েছে যে, বিধি-১৫৬ এর উপবিধি-(৫) অনুযায়ী আবেদনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এর মধ্যে মোটরযান মেরামতে নিয়োজিত কর্মীদের (অটোমোবাইল) মোটরযানের উপর প্রাসঙ্গিক কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতার প্রমাণপত্র, মোটরযান মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সাজসরঞ্জামের ব্যবস্থা থাকার প্রমাণ, কারখানায় অন্তত পাঁচটি যানবাহন রাখার জায়গার প্রমাণ, মালিক বা প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স সনদের সত্যায়িত কপি, টিআইএন সার্টিফিকেট ও হালনাগাদ আয়কর পরিশোধ সনদের সত্যায়িত কপি, স্থানীয় কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সুপারিশ এবং আর্থিক সচ্ছলতার সনদ জমা দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসদাচরণের অভিযোগে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি বাতিলের আইন পাস করল সুইডেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ এম


অসদাচরণের অভিযোগে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি বাতিলের আইন পাস করল সুইডেন

সুইডেনের পার্লামেন্ট নতুন একটি অভিবাসন আইন পাস করেছে। চলতি বছরের সোমবার অনুমোদিত এই আইনের আওতায় দেশটির কর্তৃপক্ষ অসদাচরণের অভিযোগে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি বাতিল করতে পারবে।

সরকার বলছে, যারা দেশের আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলবে না, তাদের সুইডেনে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না। নতুন এই আইনের মাধ্যমে সুইডেন অভিবাসন নীতি আরো কঠোর করার পথে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনো অভিবাসীর বিরুদ্ধে বকেয়া ঋণ পরিশোধ না করা, কর না দেওয়া, নিবন্ধন ছাড়া কাজ করা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা বা উগ্রপন্থি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে তার বসবাসের অনুমতি বাতিল করা যেতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই আইন শুধুমাত্র নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেই নয়, বরং আগেই বসবাসের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ, অতীতের আচরণও পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারবে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে সুইডেনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাসীন ডানপন্থি সরকার এবং তাদের সমর্থক জাতীয়তাবাদী দল সুইডেন ডেমোক্র্যাটস দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসন নীতি কঠোর করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে নতুন আইনকে দেখা হচ্ছে।

তবে নতুন আইনটি নিয়ে দেশটিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার সংগঠন এবং নাগরিক অধিকারকর্মীরা এই আইনের সমালোচনা করেছেন। তাদের ভাষ্য, আইনে কোন আচরণকে 'খারাপ আচরণ' হিসেবে গণ্য করা হবে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। তাই এই আইন ইচ্ছামতো ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। স্টকহোমভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সিভিল রাইটস ডিফেন্ডার্স এক বিবৃতিতে বলেছে, এই আইন অভিবাসীদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করবে।

তাদের মতে, একজন ব্যক্তি আগে থেকে বুঝতে পারবেন না যে তার কোন কাজ, বক্তব্য বা আচরণ ভবিষ্যতে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে। ফলে অনেকেই নিজেদের মত প্রকাশ বা স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়তে পারেন। সিভিল রাইটস ডিফেন্ডার্স আরো বলেছে, এই আইন আইনের শাসন এবং সবার জন্য সমান আইনি সুরক্ষার নীতিকে দুর্বল করতে পারে।

২০২২ সালের নির্বাচনে অভিবাসন কমানোর এবং অপরাধ দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসে। এর পর থেকে অভিবাসন নীতিতে একের পর এক কঠোর পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সরকারের অবস্থান হচ্ছে, যারা সুইডিশ সমাজের নিয়মকানুন মানবে না বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবে, তাদের দেশে থাকার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।

নতুন আইনের আওতায় কারো বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হবে কি না, তা পর্যালোচনা করবে সুইডেনের মাইগ্রেশন এজেন্সি। এই সংস্থাটিই প্রতিটি মামলা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করবে। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মাইগ্রেশন আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন। চলতি বছরের মার্চে বিলটি পার্লামেন্টে উপস্থাপন করার সময় অভিবাসনমন্ত্রী জোহান ফোরসেল বলেছিলেন, 'যারা সঠিক কাজ করার চেষ্টা করছে না, তাদের সুইডেনে থাকার আশা করা উচিত নয়।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ এম


হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি

দেশে ফিরে আসা হাজিদের সংখ্যা ৫৭ হাজার ৪২২ জন। জানানো হয়েছে যে, হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এ পর্যন্ত ১৩৮ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি হাজিরা। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৩ জন হাজি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরে এসেছেন ৫৩ হাজার ১০৯ জন হাজি। এদিকে, হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫২ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৩৫ জন পুরুষ এবং ১৭ জন নারী রয়েছেন। মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৪ জন এবং জেদ্দায় একটি মৃত্যু হয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, সৌদি সময় অনুযায়ী ১৬ জুন পর্যন্ত ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস শীর্ষে রয়েছে। এসময় প্রতিষ্ঠানটি ২৪ হাজার ৪৯৯ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। সৌদি এয়ারলাইনস ১৯ হাজার ৮২৭ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৩৮০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ৭১৬ জন হাজি ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত মোট ১৩৮ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এই ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৬৭টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫০টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৭৫১টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে এবং আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৯২০টি সেবা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। হাজীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৩০ জুন। হাজীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হয়ে গেছে : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৩ এম


ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হয়ে গেছে : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, যুদ্ধ বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইতোমধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছে। তিনি জানিয়েছেন, শুক্রবারের মধ্যে হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত’ হয়ে যাবে।

জি৭ সম্মেলনের আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ কথা বলেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটি ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা রয়টার্স ও এএফপিকে জানিয়েছেন, চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প, ভ্যান্স এবং ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ।

এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এই চুক্তিতে নিজে স্বাক্ষর করতে চেয়েছিলেন। কারণ তিনি দেখাতে চেয়েছিলেন যে, বিষয়টির শান্তিপূর্ণ ও সফল সমাধানে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে, এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ইরান এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে গালিবফ এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের দীর্ঘ প্রতিরোধের পর দেশটি চূড়ান্ত বিজয়ের পথে বড় একটি অগ্রগতি অর্জন করেছে। এদিকে ট্রাম্প ফ্রান্সে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বর্তমানে জি৭ সম্মেলনে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। পাশাপাশি, চুক্তির খসড়াও শিগগির প্রকাশ করা হবে।

মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত বিবরণ এখনও পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি। তবে উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা এতে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে সে সম্পর্কে কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, এই চুক্তির মাধ্যমে লেবাননসহ সকল ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসান ঘটবে এবং ইরানের বন্দরের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। উভয় পক্ষই জানিয়েছে, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে সমঝোতা স্মারকটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মর্যাদার মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি নিয়ে আলোচনা হবে।

ট্রাম্প বলেছেন, ‘শুক্রবার হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’ অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স উল্লেখ করেছেন, ‘এই ৬০ দিনের মেয়াদে জলপথে যান চলাচলের ওপর কোনো টোল আরোপ করা হবে না।’

এদিকে, ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জব্দকৃত ২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছেড়ে দিতে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সম্মত হয়েছে।’ কিন্তু ভ্যান্স তা অস্বীকার করে মার্কিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ওয়াশিংটন বা তার মিত্রদের পক্ষ থেকে এক ডলারও নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়নি বা জব্দকৃত সম্পদ ছাড়ানো হয়নি।’ ভ্যান্স আরো বলেছেন, ‘সমঝোতা স্মারকটি একটি সাধারণ নথি। প্রায় দেড় পৃষ্ঠার। এর বিস্তারিত বিবরণ শীঘ্রই প্রকাশ করা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবু সাঈদ হত্যা: পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, রংপুরে স্থগিত দুই মামলার কার্যক্রম চলবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৬ এম


আবু সাঈদ হত্যা: পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, রংপুরে স্থগিত দুই মামলার কার্যক্রম চলবে

আবু সাঈদ হত্যার ঘটনার দুটি মামলার ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ প্রত্যাহার করেছেন। এটি রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বিচারাধীন।

এখন ওই দুই মামলা চলতে সিএমএম আদালতের আর কোনো বাধা থাকল না। এই নির্দেশনা প্রকাশিত ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ের শেষ দুই পাতায় দেওয়া হয়েছে।

তাজহাট থানার এই দুই মামলার ব্যাপারে রায়ে বলা হয়েছে যে, বিচারকাজ চলাকালে ঘনিষ্ঠ কার্যক্রম এবং পরস্পরবিরোধী রায় থেকে এড়ানোর জন্য ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর 'আদেশ নম্বর ২৯'-এর মাধ্যমে ওই দুই মামলার স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। এখন যেহেতু ট্রাইব্যুনালে বিচার সম্পন্ন করে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাই ওই স্থগিতাদেশ আর প্রয়োজনীয় নয়।

মুখ্য মহানগর হাকিম অনুযায়ী ওই মামলাগুলোর কার্যক্রম চালাতে পারবেন। তবে এর জন্য ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রযোজ্য ও আইনসম্মত পর্যবেক্ষণ নিতে বলা হয়েছে।

রায়ের একটি অনুলিপি তাৎক্ষণিকভাবে রংপুরের মহানগর দায়রা জজ এবং মুখ্য মহানগর হাকিমের কাছে পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের একটি মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়রেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। হত্যার ঘটনার পর পুলিশ এবং সরকার পতনের পর সাঈদের পরিবার আলাদা দুটি মামলা দায়ের করেছিল।

স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়া এই দুটি মামলার প্রথমটি ১৬ জুলাই তাজহাট থানায় করা হয়, যেখানে তৎকালীন এসআই বিভূতি ভূষণ রায় অজ্ঞাতনামা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আসামি করে দাবি করেছিলেন, আন্দোলনকারীদের ইটের আঘাতে এবং গুলিতে সাঈদ নিহত হন।

১৯ অগাস্ট তাজহাট থানায় অপর মামলাটি করেন সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী। ওই মামলায় তৎকালীন আইজিপি, ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ, প্রক্টর শরিফুল ইসলামসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০-৩৫ জনকে আসামি করা হয়।

পরে নিম্ন আদালতে পুলিশের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আসায় অন্তর্বর্তী সরকার মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়। ২০২৫ সালের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ৬ অগাস্ট অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল-২।

গত ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলার রায়ে ৩০ আসামির সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে। এর মধ্যে সরাসরি গুলি বর্ষণকারী দুই পুলিশ সদস্য এএসআই (সশস্ত্র) আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তারা দুজনই বর্তমানে কারাগারে আছেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন এবং এসআই বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধবকে। এছাড়া তৎকালীন উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ, সাবেক আরএমপি কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, শিক্ষক মশিউর রহমান ও আসাদুজ্জামান মন্ডল এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া সহ পাঁচজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বাকি আসামিদের মধ্যে ৮ জনের পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১১ জনের তিন বছরের সাজা দেওয়া হয়। অপর দণ্ডিত মো. আনোয়ার পারভেজ ওরফে আপেলের হাজতবাসের সময়কে দণ্ড হিসেবে গণ্য করে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, দণ্ডিত ৩০ আসামির মধ্যে মাত্র ছয়জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন, বাকি ২৪ জন পলাতক।

এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে মোট ২৫ জন সাক্ষ্য দেন। আবু সাঈদের সঙ্গে গুলিবিদ্ধ হওয়া ব্যক্তিরা এবং পটভূমির সাক্ষী হিসেবে বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ আদালতে জবানবন্দি দেন। এছাড়া ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ভিডিও এবং এনটিভির সরাসরি সম্প্রচারের ভিডিও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা রায়টির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করতে পারবেন।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় দেয়। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাসিত এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%