প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, যুদ্ধ বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইতোমধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছে। তিনি জানিয়েছেন, শুক্রবারের মধ্যে হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত’ হয়ে যাবে।
জি৭ সম্মেলনের আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ কথা বলেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটি ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা রয়টার্স ও এএফপিকে জানিয়েছেন, চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প, ভ্যান্স এবং ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ।
এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এই চুক্তিতে নিজে স্বাক্ষর করতে চেয়েছিলেন। কারণ তিনি দেখাতে চেয়েছিলেন যে, বিষয়টির শান্তিপূর্ণ ও সফল সমাধানে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে, এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ইরান এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
এর আগে গালিবফ এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের দীর্ঘ প্রতিরোধের পর দেশটি চূড়ান্ত বিজয়ের পথে বড় একটি অগ্রগতি অর্জন করেছে। এদিকে ট্রাম্প ফ্রান্সে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বর্তমানে জি৭ সম্মেলনে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। পাশাপাশি, চুক্তির খসড়াও শিগগির প্রকাশ করা হবে।
মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত বিবরণ এখনও পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি। তবে উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা এতে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে সে সম্পর্কে কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, এই চুক্তির মাধ্যমে লেবাননসহ সকল ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসান ঘটবে এবং ইরানের বন্দরের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। উভয় পক্ষই জানিয়েছে, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে সমঝোতা স্মারকটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মর্যাদার মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি নিয়ে আলোচনা হবে।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘শুক্রবার হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’ অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স উল্লেখ করেছেন, ‘এই ৬০ দিনের মেয়াদে জলপথে যান চলাচলের ওপর কোনো টোল আরোপ করা হবে না।’
এদিকে, ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জব্দকৃত ২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছেড়ে দিতে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সম্মত হয়েছে।’ কিন্তু ভ্যান্স তা অস্বীকার করে মার্কিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ওয়াশিংটন বা তার মিত্রদের পক্ষ থেকে এক ডলারও নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়নি বা জব্দকৃত সম্পদ ছাড়ানো হয়নি।’ ভ্যান্স আরো বলেছেন, ‘সমঝোতা স্মারকটি একটি সাধারণ নথি। প্রায় দেড় পৃষ্ঠার। এর বিস্তারিত বিবরণ শীঘ্রই প্রকাশ করা হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন