ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

রবি মৌসুমে ১৪ লাখ ৬০ হাজার কৃষককে ৯৬ কোটি টাকার প্রণোদনা


রবি মৌসুমে ১৪ লাখ ৬০ হাজার কৃষককে ৯৬ কোটি টাকার প্রণোদনা

ঢাকা, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রবি মৌসুমে সাতটি ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ১৪ লাখ ৬০ হাজার কৃষককে প্রণোদনা প্রদান করা হবে।

সরকারি এই কর্মসূচির আওতায় সরিষা, চিনাবাদাম, সয়াবিন, মুগ, মসুর, খেসারি ও অড়হর চাষের জন্য কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার সরবরাহ করা হবে। এ জন্য মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৯৮ কোটি ৮৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা।

কৃষি মন্ত্রণালয় গত ২ নভেম্বর এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ (জিও) জারি করেছে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে খরার কারণে বীজতলা ফেটে চৌচির, কৃষকরা বিপাকে

মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-২ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ স্বাক্ষরিত আদেশে প্রণোদনা কর্মসূচির অর্থ বরাদ্দ, উপকারভোগী নির্বাচন, উপকরণ বিতরণ ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি আদেশ অনুযায়ী, সাতটি ফসলের মধ্যে সরিষা চাষে সবচেয়ে বেশি কৃষককে সহায়তা প্রদান করা হবে। এ খাতে ১২ লাখ ৯০ হাজার কৃষকের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৪২ কোটি ২৪ লাখ টাকার পরিবর্তে ৬৪২ দশমিক ২৪ লাখ টাকা, অর্থাৎ ৬ কোটি ৪২ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

চিনাবাদাম চাষের জন্য ৩৫ হাজার কৃষকের জন্য ৩ কোটি ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, সয়াবিনে ৩০ হাজার কৃষকের জন্য ৯৮ লাখ টাকা, মুগে ৩০ হাজার কৃষকের জন্য ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, মসুরে ২০ হাজার কৃষকের জন্য ২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, খেসারিতে ২০ হাজার কৃষকের জন্য ৩ কোটি ১৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং অড়হরে পাঁচ হাজার কৃষকের জন্য ৩৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি বরাদ্দ অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ে অর্থ বণ্টন করবে।

আরও পড়ুন: নলডাঙ্গায় দাঁড়িয়েও মিলছে না সার, ক্ষুব্ধ কৃষকরা

পরে উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক নির্বাচন করে উপকারভোগীদের তালিকা চূড়ান্ত করবে।

একজন কৃষক পরিবারকে সাতটি ফসলের মধ্যে যেকোনো একটির জন্য প্রণোদনা দেওয়া যাবে। একই কৃষক পরিবারকে একাধিক ফসলের জন্য এ সহায়তা দেওয়া যাবে না।

একজন কৃষক এক বিঘা জমির জন্য সরিষার এক কেজি, চিনাবাদামের ১০ কেজি, সয়াবিনের চার কেজি, মুগের দুই কেজি, মসুরের তিন কেজি, খেসারির আট কেজি অথবা অড়হরের দুই কেজি বীজ পাবেন।

সার বিতরণের ক্ষেত্রেও ফসলভিত্তিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। সরিষা ও সয়াবিনের ক্ষেত্রে ১০ জন কৃষকের একটি পুলের জন্য ১০ কেজির এক বস্তা ডিএপি ও ১০ কেজির এক বস্তা এমওপি সার দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: বিজ্ঞান ভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে কৃষকের চাষ পদ্ধতি

চিনাবাদাম, মুগ, মসুর ও খেসারি চাষের ক্ষেত্রে ১০ জনের একটি পুলে ২০ কেজির দুই বস্তা ডিএপি ও ১০ কেজির এক বস্তা এমওপি সার বরাদ্দ থাকবে। অড়হর চাষের ক্ষেত্রেও ১০ জনের একটি পুলের জন্য একই পরিমাণ সার দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

কর্মসূচির আওতায় ১০ জন কৃষককে নিয়ে পুল গঠন করে পাশাপাশি ১০ বিঘা বা তার বেশি জমিতে একটি ব্লকভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। কৃষক নির্বাচন ও উপকরণ বিতরণের ক্ষেত্রে নতুন আবাদ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে, এমন এলাকাকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।

উপকরণ বিতরণের সময় কৃষকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে। কৃষি কার্ডে সহায়তার বিবরণ লিখতে হবে। উপকরণ গ্রহণের প্রমাণ হিসেবে কৃষকের স্বাক্ষর বা টিপসই নিতে হবে।

তালিকাভুক্ত কৃষক ছাড়া অন্য কাউকে এসব উপকরণ দেওয়া যাবে না। কৃষককে নিজে উপস্থিত হয়ে উপকরণ গ্রহণ করতে হবে।

আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে পেঁয়াজ-রসুন চাষে ব্যস্ত কৃষকরা, ভালো ফলনের প্রত্যাশা

সরকারি আদেশে আরও বলা হয়েছে, উপকারভোগী কৃষকদের তালিকা জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। উপকরণ বিতরণ শেষ হওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে এবং ফসল কর্তন শেষ হওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

কর্মসূচির অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬ (পিপিএ) ও সরকারি ক্রয় বিধিমালা ২০২৫ (পিপিআর) অনুসরণসহ প্রচলিত আর্থিক বিধিবিধান প্রতিপালন করতে হবে। বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

প্রণোদনা কার্যক্রমের অর্থ ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব ও অব্যয়িত অর্থ ফেরতের চালানের অনুলিপি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠাতে হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এ কর্মসূচিতে অগ্রিম উত্তোলিত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৭-এর মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।

এ ছাড়া কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা বীজ ও সারের মান নিশ্চিত করা, উপকরণ বিতরণ ও অর্থ ব্যয়ের পুরো প্রক্রিয়া নিয়মিত পরিবীক্ষণ এবং চলমান অন্যান্য পুনর্বাসন কর্মসূচির সঙ্গে যাতে দ্বৈততা সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: দৌলতখানের কৃষকরা শীতকালীন সবজিতে স্বপ্ন বুনছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধের আশঙ্কায় ৫০০ রোগী ঝুঁকিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধের আশঙ্কায় ৫০০ রোগী ঝুঁকিতে

রাজধানীর জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (নিকডু) এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিচালিত ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ২৯ নভেম্বর এই সেবা পরিচালনার চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্রায় ৫০০ দরিদ্র ও অসচ্ছল কিডনি রোগীর নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ডায়ালাইসিস সেবা সচল রাখা ও চুক্তি নবায়নের দাবিতে আজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে সংবাদ সম্মেলন করেন রোগী ও তাদের স্বজনেরা। ‘ডায়ালাইসিস সেন্টার (পিপিপি) রক্ষা ও রোগী কল্যাণ কমিটি’ আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন।

তাদের দাবি, রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, বিকল্প ব্যবস্থা না করে সেন্টার দুটি বন্ধ করে দেওয়া হলে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের ওপর নির্ভরশীল রোগীদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়বে। সরকারি হাসপাতালে ডায়ালাইসিসের সুযোগ সীমিত এবং সেখানে সেবার মান নিয়ে নানা সমস্যা রয়েছে। এ অবস্থায় পিপিপি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে অথবা বিকল্প কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেবাটি চালু রাখা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কিডনি রোগীর স্বজন মো. লুৎফুর রহমান রিপন বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ডায়ালাইসিস সেবা নেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে রোগীদের নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হয়। তার ভাষায়, সরকারি ব্যবস্থায় স্বল্প খরচে চিকিৎসার যে ধারণা দেওয়া হয়, বাস্তব পরিস্থিতি তার সঙ্গে মেলে না। পরোক্ষ ও আনুষঙ্গিক খরচসহ প্রতিবার ডায়ালাইসিসে কমপক্ষে ২ হাজার টাকা ব্যয় হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারি ডায়ালাইসিস ব্যবস্থার পাঁচটি বড় সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরা হয়। আয়োজকদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে ডায়ালাইসিসের জন্য শুরুতেই ২০ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দিতে হয়। এতে মাত্র ছয় মাস সেবা পাওয়া যায়। এর মধ্যে রোগীর মৃত্যু হলে অব্যবহৃত টাকার অংশ ফেরত পাওয়া যায় না।

এ ছাড়া সপ্তাহে দুবার ডায়ালাইসিসের সুযোগ থাকায় যেসব রোগীর সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিস প্রয়োজন, তারা বিপাকে পড়েন। একজন রোগীর জন্য মাসে মাত্র দুটি ডায়ালাইজার বরাদ্দ থাকে। ফলে একই ডায়ালাইজার হাতে ধুয়ে বারবার ব্যবহার করতে হয় বলে অভিযোগ করেন স্বজনেরা। তাদের দাবি, যথাযথভাবে জীবাণুমুক্ত না করার কারণে রোগীদের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, জনবল সংকটের পাশাপাশি ডায়ালাইসিস মেশিন ও রক্তচাপ মাপার যন্ত্র প্রায়ই অকার্যকর থাকে। এ কারণে নির্ধারিত চার ঘণ্টার পরিবর্তে অনেক সময় দুই থেকে তিন ঘণ্টা ডায়ালাইসিস করেই সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। হ্যান্ড স্যানিটাইজার, টেপ, গ্লাভস, স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডায়ালাইসেটও রোগীদের নিজেদের টাকায় কিনতে হয়। নতুন রোগীদের ডায়ালাইসিস শুরুর আগে হেপাটাইটিস পরীক্ষা না করানোর অভিযোগও করেন স্বজনেরা।

তাদের আশঙ্কা, এতে হেপাটাইটিস নেগেটিভ রোগীরাও পরবর্তী সময়ে সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে লুৎফুর রহমান রিপন বলেন, গত আট বছর ধরে পরিবারের সদস্যের ডায়ালাইসিসের খরচ জোগাতে গিয়ে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। সপ্তাহে তিন দিন ডায়ালাইসিস করানোর ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে কঠিন। সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে গেলে নানা ধরনের হয়রানি ও অতিরিক্ত খরচের মুখে পড়তে হয়।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন, আমাদের বাঁচা-মরার বিষয়টি বিবেচনা করে পিপিপির মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো ভালো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেন্টারটি সচল রাখুন।’

আরেক রোগীর স্বজন মনিরুজ্জামান বলেন, সরকারি হাসপাতালে ডায়ালাইসিস মেশিন থাকলেও সেবার মান নিয়ে রোগীদের হতাশা রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সময়সূচি পাওয়াও কঠিন। অন্যদিকে পিপিপি প্রকল্পের আওতায় তুলনামূলক কম খরচে যত্নসহকারে সেবা পাওয়া যায়।

শারমিন মির্জা নামের আরেক স্বজন বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণের সংকট রয়েছে। এ অবস্থায় পিপিপি সেন্টার বন্ধ হয়ে গেলে রোগীদের জন্য চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, চিকিৎসা পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার। রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক জটিলতার কারণে মুমূর্ষু কিডনি রোগীদের চিকিৎসা যেন বন্ধ না হয়। তাই নিকডুসহ দুই হাসপাতালের পিপিপি ডায়ালাইসিস সেন্টারের কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন রোগীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী ( বরগুনা) প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


আমতলীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
 
আমতলীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবস টি পালন উপলক্ষে আমতলী উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেন। কর্মসূচির মধ্যে ছিল সকালে সকল সরকারি, বেসরকারী, ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৯ টায় শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা। বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ  মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মো : হাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে  ও শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মো : রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) রনজিত চন্দ্র দাস, আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালউদ্দিন ফকির, সাবেক সদস্য সচিব মো: তুহিন মৃধা, আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( তদন্ত) সঞ্জয় দত্ত, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো : সফিউল আলম, কৃষি অফিসার মো : রাসেল,  মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক মো: আব্দুল আজিজ মিয়া,  পৌর  বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব  জালাল আহম্মেদ খান,  আমতলী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো : জাকির হোসেন ( প্রমুখ) । আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।#  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক সপ্তাহে তৃতীয়বার ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলোতে বোমা হামলার হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


এক সপ্তাহে তৃতীয়বার ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলোতে বোমা হামলার হুমকি

ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিমান সংস্থাগুলো আবারও বোমা হামলার হুমকি পেয়েছে। চলতি সপ্তাহে এটি তৃতীয়বারের মতো ঘটেছে। শুক্রবার লিসবন, রোম, প্রাগ ও সোফিয়াগামী এবং এসব শহর থেকে আসা একাধিক ফ্লাইটকে হুমকি দেওয়া হয়। নিরাপত্তার কারণে তিনটি বিমানকে হাঙ্গেরির যুদ্ধবিমানের পাহারায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনায় আয়ারল্যান্ডের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিইসহ কয়েকটি পরিচিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ও খালি করা হয়। তবে বিমান সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো হুমকির সঙ্গে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া হুমকির কোনো সরাসরি যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৩০টি বিমান ও কয়েকটি বিমানবন্দর একই ধরনের হুমকির মুখে পড়ে। এসব ঘটনাকে যুক্তরাজ্য ‘বিদ্বেষপূর্ণ প্রতারণা’ বলে অভিহিত করেছে।

শুক্রবার লিসবন থেকে রোমগামী রায়ানএয়ারের একটি নির্ধারিত ফ্লাইট বোমা হামলার হুমকির মুখে পড়ে বলে জানিয়েছে বিমান সংস্থাটি। এ ছাড়া বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, চেক প্রজাতন্ত্র ও বুলগেরিয়ায় অন্তত ১১টি ফ্লাইটকে একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

ফ্রান্সও জানিয়েছে, দেশটির অন্তত চারটি ফ্লাইট বোমা হামলার হুমকির মুখে পড়েছিল। তবে সবগুলো উড়োজাহাজই নিরাপদে অবতরণ করেছে। শুক্রবার পর্যন্ত কোনো উড়োজাহাজে বিস্ফোরক বা বোমার সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিমান সংস্থাগুলো যখন একের পর এক বোমা হামলার হুমকি সামলাতে ব্যস্ত, তখন একই ধরনের হুমকি পেয়ে আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি গণমাধ্যমের কার্যালয় থেকেও কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিই।

এ ছাড়া আইরিশ ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকার কর্মীদের পাশাপাশি নিউস্টকএফএম ও টুডেএফএম রেডিও স্টেশনের ডাবলিন কার্যালয়ের কর্মীদেরও ভবন ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

যুক্তরাজ্যের সম্প্রচারমাধ্যম স্কাইও জানিয়েছে, তারাও একটি নিরাপত্তা হুমকি পেয়েছে। এক বিবৃতিতে আয়ারল্যান্ডের পুলিশ বাহিনী গার্দাই জানায়, আয়ারল্যান্ড ও ইউরোপের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দেওয়া একটি হুমকির বিষয়ে তারা অবগত রয়েছে।

বিমান সংস্থা ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দেওয়া হুমকির মধ্যে এখনো কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। তবে আইরিশ সরকার আশঙ্কা করছে, এসব হুমকি পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার অংশ হতে পারে।

সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের ভুয়া হুমকির কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। পাশাপাশি মানুষের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে এসব হুমকির পেছনে কারা রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এর সঙ্গে কোনো ব্যক্তি জড়িত, নাকি এটি কোনো সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড, তা-ও স্পষ্ট নয়।

আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন পরিস্থিতিকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, তার সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো দেশের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি আরো বলেন, ‘গতকাল বিমান চলাচল ব্যাহত করতে সমন্বিতভাবে চেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে মনে হচ্ছে।’

আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক হুমকিগুলো কোনো ব্যক্তির কাজ, নাকি এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। আগামী সপ্তাহে ডাবলিনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দুটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আরটিইর কার্যালয় খালি করার কয়েক ঘণ্টা পর যুক্তরাজ্যের সম্প্রচারমাধ্যম স্কাইও নিরাপত্তা হুমকি পাওয়ার কথা জানায়। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, তারা নিরাপত্তা মূল্যায়ন সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছে। কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে তারা।

এদিকে ইতালির বিমানবন্দরগুলোতে ভুয়া বোমা হামলার হুমকির ঘটনায় আলোচনায় আসা রুশ চরমপন্থী গোষ্ঠী ‘মেল স্টেট’ এসব হুমকির সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে। বিবিসি রাশিয়ান সার্ভিসকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় গোষ্ঠীটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট এ অভিযোগকে উপহাস করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালে অভিনয়জগত থেকে বিরতি নিতে চান জেন্ডায়া ও টম হল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


২০২৭ সালে অভিনয়জগত থেকে বিরতি নিতে চান জেন্ডায়া ও টম হল্যান্ড

হলিউডের জনপ্রিয় তারকা জেন্ডায়া ও টম হল্যান্ড বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। একের পর এক সিনেমার কাজ, প্রচার এবং বিভিন্ন ব্যস্ততায় তাদের দিন কাটছে। তবে এই কাজের চাপ থেকে কিছুটা বিরতি নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তারা। ২০২৭ সালে অভিনয়জগৎ থেকে সাময়িকভাবে দূরে থাকার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দুজনেই।

জেন্ডায়ার জন্য ২০২৬ সাল একটি অত্যন্ত ব্যস্ত বছর হতে যাচ্ছে। এই বছর তিনি ‘দ্য ড্রামা’, ‘ইউফোরিয়া’র তৃতীয় মৌসুম, ‘স্পাইডার-ম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে’ এবং ‘দ্য ওডিসি’র মতো বড় প্রকল্পে যুক্ত হয়েছেন। এর পাশাপাশি ‘ডিউন : পার্ট থ্রি’-তে তার কাজও রয়েছে।

ফ্যান্ডাঙ্গোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেন্ডায়া জানিয়েছেন, এ বছর দর্শকরা তাকে অনেকবার পর্দায় দেখতে পাবেন। তবে এরপর কিছুদিনের জন্য তিনি আড়ালে থাকতে চান। অভিনেত্রীর ভাষায়, “এরপর কিছুদিনের জন্য উধাও হয়ে যাব। কিছুটা সময় আড়ালে থাকতে হবে আমাকে।”

টম হল্যান্ডও ২০২৭ সালে কাজ থেকে কিছুটা বিরতি নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। ব্রিটিশ জিকিউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, কাজের ক্ষেত্রে সীমা নির্ধারণ করা এবং অতিরিক্ত ব্যস্ততা এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি। ২০২৭ সালে তিনি আরো কিছুটা সময় বিরতি নেওয়ার কথা ভাবছেন।

এই দুই তারকা অভিনয়ের ব্যস্ততা কমিয়ে নিজেদের জন্য সময় বের করে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তবে কেউই অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেননি; বরং সাময়িক বিরতির ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%