ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

নলডাঙ্গায় দাঁড়িয়েও মিলছে না সার, ক্ষুব্ধ কৃষকরা


নলডাঙ্গায় দাঁড়িয়েও মিলছে না সার, ক্ষুব্ধ কৃষকরা

নাটোরের নলডাঙ্গায় স্থানীয় কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী সার না পাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সার না পাওয়া, টোকেন বিতরণে অনিয়ম এবং বিতরণ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিবাদ এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নলডাঙ্গা উপজেলায় চলতি বোরো ও রবি মৌসুমে জমিতে সারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিলারের দোকানে সার সংগ্রহ করতে গিয়ে কৃষকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ভোররাত থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাঙ্ক্ষিত সার না পাওয়ায় অনেক কৃষক খালি হাতে বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সার পাওয়া যাচ্ছে না। তবে একটি অসাধু চক্র বিভিন্ন উপায়ে টোকেন সংগ্রহ করে লাইনের আগে গিয়ে সার তুলে নিচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত কৃষকরা টোকেন হাতে নিয়েও কাঙ্ক্ষিত সার না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এমনকি জমি না থাকা সত্ত্বেও অনেকে ভ্যানভর্তি করে সার নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

আরও পড়ুন: বিজ্ঞান ভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে কৃষকের চাষ পদ্ধতি

কৃষকদের মতে, জমিতে সার প্রয়োগের উপযুক্ত সময়ে সার না পাওয়ায় চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। সময়মতো সার দিতে না পারলে ফসলের কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন ও ফলন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেবে।

সার বিতরণ নিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে উপজেলা কৃষি অফিস ও নলডাঙ্গা থানা থেকে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে সুশৃঙ্খলভাবে সার বিতরণের চেষ্টা করা হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

কৃষকদের দাবি, সার বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। টোকেন বাণিজ্যের অনিয়ম বন্ধ করে জমির পরিমাণ ও প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী সারের সংস্থান করতে হবে। সঠিক তদারকির মাধ্যমে বিতরণ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানান তারা।

এ বিষয়ে নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সবুজ আলী জানান, এলাকায় সারের কোনো সংকট নেই। কৃত্রিম সংকট যাতে তৈরি না হয় এবং ডিলাররা নিয়ম মেনে সার বিতরণ করেন, সেই বিষয়ে তদারকি জোরদার করা হয়েছে। কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত সার সরবরাহ করা হবে।

আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে পেঁয়াজ-রসুন চাষে ব্যস্ত কৃষকরা, ভালো ফলনের প্রত্যাশা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিদিন একই খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরে যেসব প্রভাব ফেলতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ এম


প্রতিদিন একই খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরে যেসব প্রভাব ফেলতে পারে

ব্যস্ত জীবনের কারণে অনেক মানুষ প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। সকালে ডিম-রুটি, দুপুরে ভাত-ডাল এবং রাতে পরিচিত কিছু খাবার—এভাবে অনেকের খাদ্যাভ্যাস গড়ে ওঠে। এতে খাবার নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করতে হয় না এবং সময়ও সাশ্রয় হয়। তবে দীর্ঘকাল একই খাবারের ওপর নির্ভরশীল থাকা শরীরের জন্য কতটা উপকারী, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, সুস্থ থাকার জন্য কেবল পর্যাপ্ত খাবার খাওয়া যথেষ্ট নয়, খাদ্যতালিকায় পুষ্টির ভারসাম্য এবং বৈচিত্র্য থাকা অপরিহার্য। কারণ নির্দিষ্ট কিছু খাবার থেকে শরীরের প্রয়োজনীয় সব ধরনের পুষ্টি উপাদান পাওয়া সম্ভব নয়। ফলে দীর্ঘদিন একই ধরনের খাবার খেলে শরীরে কিছু পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

১. পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে

শরীর সুস্থ রাখতে প্রোটিন, শর্করা, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদানের প্রয়োজন রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের খাবার এই পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। কিন্তু প্রতিদিন একই খাবার খাওয়ার ফলে খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে।

বিশেষ করে যদি খাবারে মাছ, ডিম, ডাল, শাকসবজি এবং ফলের পরিমাণ কম থাকে, তাহলে শরীর পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান পেতে পারে না। দীর্ঘকাল এমন খাদ্যাভ্যাস চলতে থাকলে পুষ্টির ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

২. হজমের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে

হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত আঁশ বা ফাইবার থাকা প্রয়োজন। ফল, শাকসবজি, ডাল এবং পূর্ণশস্য আঁশের ভালো উৎস। এসব খাবার অন্ত্রের কার্যক্রম সচল রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।

প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খাওয়ার ফলে খাদ্যতালিকায় এসব উপাদানের বৈচিত্র্য কমে গেলে হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে আঁশের ঘাটতি হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

৩. অন্ত্রের উপকারী অণুজীবের বৈচিত্র্য কমতে পারে

মানুষের অন্ত্রে অসংখ্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য অণুজীব বসবাস করে। খাবার হজম, পুষ্টি শোষণ এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা সচল রাখতে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি, ডাল এবং আঁশযুক্ত খাবার অন্ত্রের এসব উপকারী অণুজীবের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। তাই দীর্ঘদিন একই ধরনের খাবার খেলে অন্ত্রের অণুজীবের বৈচিত্র্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর ফলে অন্ত্রের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

৪. ভিটামিন এবং খনিজের ঘাটতি দেখা দিতে পারে

একই ধরনের খাবার নিয়মিত খাওয়ার ফলে শরীরে নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন এবং খনিজের অভাব তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি১২ এবং ভিটামিন ডির ঘাটতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, খাদ্যতালিকায় আয়রনসমৃদ্ধ খাবার পর্যাপ্ত না থাকলে আয়রনের অভাব দেখা দিতে পারে। একইভাবে দুধ, মাছ কিংবা অন্যান্য ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার কম খেলে শরীরের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

৫. খাবারের প্রতি অনীহা তৈরি হতে পারে

প্রতিদিন একই খাবার খেতে খেতে স্বাভাবিকভাবেই একসময় একঘেয়েমি চলে আসে। ফলে খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। এমনকি প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে এমন খাবারও অনেক সময় খেতে ইচ্ছা করে না।

এর ফলে কেউ কেউ খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেন বা প্রয়োজনীয় কিছু খাবার পুরোপুরি এড়িয়ে চলেন। এতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য আনতে যা খাবেন

সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাবারে বিভিন্ন খাদ্যগোষ্ঠীর উপাদান অন্তর্ভুক্ত করা ভালো। একই ধরনের খাবারের ওপর নির্ভর না করে খাবারের ধরন পরিবর্তন করলে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়ার সুযোগ বাড়ে।

খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন—

একই খাবার কি সব সময় ক্ষতিকর?

প্রতিদিন একই খাবার খেলেই যে শরীরের ক্ষতি হবে, বিষয়টি এমন নয়। মূল বিবেচ্য হলো খাবারের পুষ্টিমান, পরিমাণ এবং খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতি। একই ধরনের খাবারেও যদি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সঠিক পরিমাণে থাকে, তাহলে তা স্বাস্থ্যকর হতে পারে।

তবে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিনের খাবারে বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি, প্রোটিন এবং পূর্ণশস্য যুক্ত করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা সহজ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ

সুনামগঞ্জের ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকার প্রায় পৌনে ২০০ কোটি টাকা গচ্চা যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে যদি বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়া হয়। এতে দুর্নীতিবাজরা লাভবান হবে এবং এই অঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ ভুক্তভোগী হয়ে থাকবে।

জানা গেছে, দেশের শীর্ষ স্থানীয় নির্মাণাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অরিয়েন্ট ট্রেডিং অ্যান্ড বিল্ডার্স লিমিটেড কর্তৃক সুনামগঞ্জের ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়নের কাজ প্রায় এক মাস আগে শুরু হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ থেকে ছাতক সুরমা সেতুর চত্বর পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কে দুই লেন এবং সেখান থেকে ছাতকবাজার পর্যন্ত চার লেনের কাজ চলছে। দুই অংশে কাজের জন্য ব্যয় হচ্ছে ১৭৪ কোটি টাকা। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যবহারের জন্য মাধবপুর লালপুল এলাকায় প্রায় আড়াই লাখ ব্লক তৈরির টার্গেট নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। ইতোমধ্যে শারফিনটিলার মরা লাল পাথরের সঙ্গে বিল্ডিং ভাঙার কংক্রিট, নিম্নমানের বালু ও সিমেন্ট দিয়ে ২০ হাজার ব্লক তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এই কারণে কাজের মান নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এছাড়া সড়ক সম্প্রসারণে কাদাযুক্ত মাটি দিয়ে ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সাইট ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নদী থেকে মাটি উত্তোলন করে সড়কে সাপ্লাই দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, সড়কের পাশে ময়লার ওপর ভিটমাটি দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি কিংবা পানির সামান্য ধাক্কায় সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এসব কাজের তদারকি কিংবা কোনো সাইনবোর্ড নেই। সচেতন মহলের অভিযোগ, শুকনো মাটির পরিবর্তে কাদামাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে সড়কের প্রশস্তকরণ কাজ, যা টেকসই রাস্তার জন্য মোটেও উপযোগী নয়। ব্লক তৈরির কাজে জড়িত শ্রমিকরা বলছেন, ঠিকাদারের নির্দেশনা মতোই তারা কাজ করছেন।

এদিকে, অবৈধভাবে কৃষিজমি ও সরকারি জমি থেকেই কাদামাটি আনা হচ্ছে। অন্যদিকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে সুরমা নদী থেকে ভিটবালু উত্তোলন করে রাখা হচ্ছে সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কের কাজীবাড়ী এলাকায়। এসব ভিটমাটি সড়ক প্রশস্তকরণ কাজে সরবরাহ করে অবৈধ ফায়দা হাসিলের অভিযোগ উঠেছে। সিলেট সদর উপজেলার বাসিন্দা চমক আলীর বিরুদ্ধে সিলেট, ছাতক কোম্পানিগঞ্জ, জালালাবাদ অংশ থেকে অবৈধভাবে ভিটমাটি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ২০২৫ সালে ছাতকের লালপুল এলাকা থেকে তার একটি ড্রেজারসহ ড্রেজারের মালিক হাবিবকে আটক করেছিলেন ছাতক উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম। পরে তাকে তদবীর করে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। সম্প্রতি কাজীবাড়ী এলাকায় ভিটমাটিতে অভিযান করেন বিশ্বনাথের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিহাব বিন আমিন। শেষ পর্যন্ত সেটাও ধামাচাপার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বিশ্বনাথের ভূমি কর্মকর্তা জানান, উপস্থিত কাগজপত্র যাচাই করা সম্ভব হয়নি, অন্য কোথা থেকে ভিটমাটি এনে এখানে রাখা হচ্ছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে চমক আলী বিভিন্ন বৈধ-অবৈধ ওয়ার্ক অর্ডার জাল জালিয়াতির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে এসব ভিটমাটির ব্যবসা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক সড়কের সুরমা সেতুর চত্বর পর্যন্ত দুই লেনের মাটি ভরাট কাজ ও ভিটমাটিও তিনি সাপ্লাই দিচ্ছেন। তার মাধ্যমে কৃষিজমি থেকে কাদাযুক্ত মাটি সরবরাহ করছেন অনেকেই। অভিযোগ উঠেছে, এই কাজকে ঘিরে চমক আলীর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে চমক আলী তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ছাতক সুরমা সেতুর চত্বর থেকে গোবিন্দগঞ্জ পর্যন্ত শুধু মাটি ভরাটের কাজ তিনি করছেন। ভিজা মাটির কারণ দেখিয়ে গত সোমবার রাত থেকে কর্তৃপক্ষ তার মাটিভরাট কাজ কয়েকদিনের জন্য স্থগিত করেছেন। অগ্রহায়ণ মাসের পর আবার মাটিভরাট কাজ শুরু করবেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওটিবিএলের ডিপিএম, গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক সুরমা সেতুর চত্বর পর্যন্ত দুই লেন কাজের সাইট ইঞ্জিনিয়ার সজল হাওলাদার বলেন, সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে ব্লক তৈরির বিষয়ে বলেন, যে সিঙ্গেল ধরা আছে, সে সিঙ্গেল দিয়ে কাজ চলছে।

ছাতক সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাদাৎ হোসেন নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে ব্লক তৈরির বিষয়ে তিনি বলেন, ভোলাগঞ্জের কোয়ারী বন্ধ। এছাড়া সুনামগঞ্জে সাদাপাথর না পাওয়ায়, শারফিনের পাথর দিয়ে ব্লক তৈরি হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ওয়াকফের জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


কুমিল্লায় ওয়াকফের জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

কুমিল্লা সদর উপজেলার শাসনগাছা আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকায় ওয়াক্‌ফ স্টেটের শতকোটি টাকার জমি দখল করে, ওয়াক্‌ফ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ওয়ারিশদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের শাসনগাছা এলাকায় আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এবং কুমিল্লা রেলস্টেশনসহ ব্যস্ততম স্থানে ১৪৮ দাগে সাড়ে ৬৬ শতাংশ এবং ১৪৯ দাগে ১৩ শতকসহ মোট প্রায় ৮০ শতাংশ জমি মক্রম আলী ও আকুব আলী নামের দুই দানবীর ওয়াক্‌ফ স্টেট হিসেবে দান করেন। ১৯৪৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তারা এই জমি ওয়াক্‌ফ স্টেট হিসেবে দান করেন, যেখানে একটি দ্বিতল জামে মসজিদ ও মাদরাসা অবস্থিত। বর্তমানে ওয়াক্‌ফ জমির মোতাওয়াল্লি পদে দায়িত্ব পালন করছেন মক্রম আলীর মেয়ের ঘরের নাতি মৃত শাহ আলমের পরিবার ও মো. লিটন। ১৪৯ দাগের ১৩ শতাংশের বেনিফিশিয়ারি আকুব আলীর ছেলে সাবেক মোতাওয়াল্লি রাজা মিয়া। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, ১৪৮ দাগের সাড়ে ৬৬ শতাংশের বেনিফিশিয়ারি আনোয়ারা বেগমের সন্তান লিটন রাজা মিয়ার উত্তরাধিকারীদের না জানিয়ে গোপনে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। এ সময় তারা ওয়াক্‌ফ এস্টেটের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করেই বর্তমানে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সাবেক মোতাওয়াল্লি রাজা মিয়ার ছেলে খোকন আহমেদ আমার দেশকে জানান, ‘আমার বাবা আগে মোতাওয়াল্লি ছিলেন। পরবর্তী সময়ে দুই দাগের প্রায় ৮০ শতাংশ জায়গার মোতাওয়াল্লির দায়িত্ব পালন করছেন আমার ফুফাতো ভাই প্রয়াত শাহ আলমের পরিবার এবং লিটন।’ এদিকে ওয়াক্‌ফকৃত জায়গার ওপর ওয়াক্‌ফ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বহুতল ভবন নির্মাণ সম্পর্কে বাংলাদেশ মোতাওয়াল্লি সমিতির কুমিল্লা শাখার সভাপতি হাজী মো. আলমগীর হোসেন জানান, ‘ওয়াক্‌ফ প্রশাসনের অনুমতি ব্যতীত কোনো সম্পত্তি কেনাবেচা বা নির্মাণ করা যাবে না।’ ওয়াক্‌ফ এস্টেটের কুমিল্লার পরিদর্শক (অডিট) সাজ্জাদ হোসেন জানান, ‘ওয়াক্‌ফ প্রশাসন থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি, এমনকি বেনিফিশিয়ারি কোনো পক্ষও আমাদের এ ব্যাপারে কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ এম


আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ নভেম্বর ২০২৬

নামাজ ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হিসেবে গণ্য হয়। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের নফল সালাতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্য।

হাদিসের আলোকে, নামাজ মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষের পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখতে সহায়তা করে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই, প্রতিটি মুসলিমের জন্য দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যে যথাসময়ে নামাজ আদায় করা একটি অপরিহার্য দায়িত্ব।

আজ শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ইংরেজি, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বাংলা, ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো:

ফজর- ভোর ৪: ৫১ মিনিট

জোহর- দুপুর ১১: ৪৫ মিনিট

আসর- দুপুর ৩: ৪১ মিনিট

মাগরিব- সন্ধ্যা ৫: ২০ মিনিট

এশা- রাত ৬: ৩৫ মিনিট

নামাজ আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%