বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪১ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে শাটলে যাওয়ার সময় এক ছাত্রীর কানের সোনার দুল ছিনতাইয়ের একটি ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের মাঠসংলগ্ন গেটের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর নাম সানজিদা আক্তার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
সানজিদা আক্তার জানিয়েছেন, সন্ধ্যা ৭টা ২২ থেকে ৭টা ২৬ মিনিটের মধ্যে এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ওই সময় তিনি ক্যাম্পাসের শাটলে (পরিবহন) করে তোরণ থেকে ক্যাম্পাসের দিকে যাচ্ছিলেন।
তিনি বলেন, শাটলটি হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল মাঠের গেটের সামনে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি সাদা জামা পরিহিত ব্যক্তি বাইক নিয়ে এসে তার কান থেকে টান দিয়ে একটি সোনার দুল ছিনিয়ে নেয়। এরপর সেই ব্যক্তি দ্রুত ভিসি চত্বরের দিকে পালিয়ে যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং (ইসরাফিল রতন) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী ছাত্রীর সঙ্গে আমার এখনও সরাসরি কথা হয়নি। তবে আমরা অভিযোগ দিতে বলেছি। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা দেখে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে এআই ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে না। ইতোমধ্যে উপাচার্য বিষয়টি অনুমোদন দিয়েছেন। আমরা কোনও ব্যক্তি বা গ্রুপ ভিত্তিক অপরাধ চক্র ক্যাম্পাসে গড়ে উঠতে দেব না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের দীর্ঘকালীন সহযোগিতার বিষয়টি উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ভবিষ্যতে দুই দেশের উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
আজ বুধবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে নিজ অফিসকক্ষে তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি রাষ্ট্রদূতের কাছে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপান দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জাপানের সহযোগিতা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা করি।"
বৈঠকে জাপানের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও টেকসই সমাজ বিনির্মাণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এসব খাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা। এ সময় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব কোমিনে কেন, দ্বিতীয় সচিব সোমা হানা, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে ফুটবল বিশ্ব স্প্যানিশ নারীদের পায়ের জাদুতে মুগ্ধ হয়ে রয়েছে। সিনিয়র দল থেকে শুরু করে বয়সভিত্তিক সব টুর্নামেন্টে স্পেনের আধিপত্য এখন একচ্ছত্র। তবে, স্পেনের এই অপ্রতিরোধ্য রাজত্বের বীজ বোনা হয়েছিল আজ থেকে কয়েক বছর আগে, ২০১৮ সালে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ উরুগুয়ের মাটিতে। ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপে স্পেনের সেই অবিস্মরণীয় ট্রফি জয়কে ফুটবল ইতিহাসে ‘উরুগুয়ে ২০১৮: স্পেনের রাজত্বের সূচনা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
উরুগুয়ের মনতেভিডিওর ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মেক্সিকোকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্পেনের অনূর্ধ্ব-১৭ নারী দল। এই ম্যাচে স্পেনের হয়ে দুটি গোল করেন তারকা ফরোয়ার্ড ক্লদিয়া পিনা। পুরো টুর্নামেন্টে ৭ গোল করে তিনি আসরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, গোলপোস্টের নিচে প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেন ক্যাটা কোল।
উরুগুয়েতে অর্জিত সেই জয়টি কেবল একটি টুর্নামেন্ট জয়ের গল্প নয়; বরং এটি ছিল স্প্যানিশ ফুটবলের এক মহাজাগরণ। ২০১৮ সালের ওই অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হাত ধরে স্পেনের ফুটবলে যে জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বিশ্ব ফুটবলের সবকটি বড় ট্রফি নিজেদের শোকেসে ভরতে সহায়তা করেছে।
২০১৮ সালের পর স্পেনের মেয়েরা ২০২২ সালের অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপেও নিজেদের চ্যাম্পিয়ন ধরে রাখে। ২০২২ সালে কোস্টারিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। সেইসাথে বয়সভিত্তিক দলগুলোর এই সোনালী প্রজন্মই ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ফিফা নারী বিশ্বকাপে স্পেনকে প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করে। এর মাধ্যমে ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় দেশ হিসেবে পুরুষ ও নারী—উভয় বিশ্বকাপ জয়ের অনন্য কীর্তি গড়ে স্পেন।
২০১৮ সালের উরুগুয়ে বিশ্বকাপ ছিল স্পেনের নারী ফুটবলের রূপকথার প্রথম অধ্যায়। উরুগুয়ের মাটিতে বোনা সেই স্বপ্নের ওপর ভর করেই আজ বিশ্ব ফুটবলের সিংহাসনে রাজত্ব করছে স্পেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আজ টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম সেমিনার’, যেখানে জাপানের পর্যটন খাতে কর্মরত এবং ভ্রমণকারীরা অংশগ্রহণ করেছেন।
ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ওয়ার্ল্ড এয়ার এশিয়া সার্ভিস কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী সেমিনারে তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জাপান দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অংশীদার। তিনি বলেন, "প্রথাগত খাতের বাইরেও পর্যটনের মতো উদীয়মান খাতে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, যা জাপানি ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য অনবদ্য।"
তিনি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, হস্তশিল্প, বাউল সংগীতের মতো লোকসংস্কৃতির বৈচিত্র্যময় আকর্ষণ এবং সুস্বাদু রসনাবিলাসের ঐতিহ্য তুলে ধরেন, যেমন সুন্দরবন, কক্সবাজার, টাঙ্গুয়ার হাওর ও পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার।
রাষ্ট্রদূত আরও জানান, পর্যটকদের নিরাপদ ও আরামদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ভিসা আবেদন সহজীকরণ ও দ্রুত ভিসা প্রদান-সহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি জাপানি অতিথিদের বাংলাদেশ ভ্রমণের আহ্বান জানান। এসময় দূতাবাসের পক্ষ থেকে জাপানের পর্যটন খাতে কর্মরত এবং ভ্রমণকারীদের যেকোনো প্রয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করা হয়।
ওয়ার্ল্ড এয়ার এশিয়া সার্ভিস কোম্পানি লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও ইযোসুকে কি কুমা তার বক্তব্যে বলেন, "বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় জাপানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধন করেছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজকের এই সেমিনার জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে পর্যটন খাতে সুদূরপ্রসারী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সেমিনারে প্রায় ৮০ জন জাপানের পর্যটন খাতে কর্মরত এবং ভ্রমণকারী অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মরিয়ম আক্তারের আত্মহত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে করা মামলার বাদী এবং তার পিতা এস এম মাসুম বিল্লাহ একটি আপসনামায় উল্লেখ করেছেন যে, তার মেয়ের স্বামী গাজী নজরুল ইসলাম এবং প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের প্ররোচনায় অথবা তাদের মধ্যে কোনো রাগ-অভিমানের কারণে মরিয়ম আত্মহত্যা করেনি। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, গাজী নজরুল ও মাকছুদা জামিনে মুক্তি পেলে তার কোনো আপত্তি নেই।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে বাদী নিজে উপস্থিত থেকে আপসনামাটি দাখিল করেন। সেখানে তিনি বলেন, মামলা দায়েরের পর বিভিন্ন সূত্র থেকে তিনি জানতে পারেন যে, তার মেয়ের জামাই এবং প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের প্ররোচনায় বা তাদের মধ্যে কোনো রাগ-অভিমানের কারণে মরিয়মের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেনি।
আপসনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, উভয় পক্ষ নিকটাত্মীয় হওয়ায় তারা আলোচনা করে শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে আপসনামায় স্বাক্ষর করেছেন।
আপসনামার তিনটি শর্তে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম জামিন পেলে বাদীপক্ষের কোনো আপত্তি থাকবে না। আসামিরা জামিনে মুক্ত হলে উভয় পক্ষ হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চেষ্টা করবে। বিচারাধীন বিষয়েও উভয় পক্ষ নির্লিপ্ত থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ আপসনামা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে দাবি করেছে যে, বাদীপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আপসনামাটি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং এ ধরনের মামলায় আপসের আইনি কোনো সুযোগ নেই।
শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বলেন, বাদীর ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। বাদী স্বেচ্ছায় এই আপসনামা দিয়েছেন।
মাহবুবুর রহমান বলেন, "কেন নিজেই মামলা করে পরে আপস করতে চাচ্ছেন"—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেয়ে মরিয়ম মারা যাওয়ার পর বাবা হিসেবে তিনি মামলা করেছিলেন। পরবর্তীতে আইনি বিভিন্ন দিক থেকে দেখার পর তিনি যখন বুঝেছেন যে, গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী প্রকৃতপক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন, তখন তিনি আপসের সিদ্ধান্ত নেন।
আপসনামা দাখিলের পর গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। শুনানির সময় বাদী এস এম মাসুম বিল্লাহ আদালতে উপস্থিত থেকে দুই আসামির জামিনে তার আপত্তি নেই বলে জানান।
শুনানি শেষে আদালত গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, মরিয়ম আক্তারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গাজী নজরুল ইসলামকে দুই দফায় মোট ৮ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত।
সেদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান তার জামিন চান। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানার ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের (১৯) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পরে সিআইডির সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে লাশ উদ্ধার করা হয়। তার কক্ষে কিছু চিরকুটও পাওয়া যায়।
এর পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই রাতেই নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ