ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নাতির সাথে আইনি লড়াই ৮৯ বছরের বৃদ্ধার, অবশেষে ফিরে পেলেন তিন হেক্টর কৃষিজমি


নাতির সাথে আইনি লড়াই ৮৯ বছরের বৃদ্ধার, অবশেষে ফিরে পেলেন তিন হেক্টর কৃষিজমি

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের লাতুর জেলার ৮৯ বছর বয়সি এক বৃদ্ধা, যিনি তার নাতি ও প্রপৌত্রকে দেওয়া কৃষিজমির মালিকানা পুনরায় ফিরে পেয়েছেন, তিন হেক্টর জমি নিয়ে হাজির হন। ভূসম্পত্তি সম্পর্কিত একটি ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়ে জমি হস্তান্তরের দলিল (গিফট ডিড) বাতিল করে তার সম্পত্তির অধিকার পুনর্বহাল করেছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, বৃদ্ধা হৌসাবাই লাহাড়ে রাজ্যের লাতুর জেলার কাসরা গ্রামের প্রায় ৩ হেক্টর (সাড়ে সাত একর) কৃষিজমি একটি নিবন্ধিত গিফট ডিডের মাধ্যমে তার নাতি ও প্রপৌত্রের নামে লিখে দেন। বিনিময়ে, তারা বৃদ্ধার দেখাশোনা করে এবং বার্ধক্যে তাকে সহায়তা করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

কিন্তু পরে ওই বিধবা নারী অভিযোগ করেন যে, নাতি ও প্রপৌত্র তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি এবং তার যথাযথ ভরণপোষণ ও যত্ন নেয়নি। এরপর তিনি ২০০৭ সালের ‘মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অব প্যারেন্টস অ্যান্ড সিনিয়র সিটিজেনস অ্যাক্ট’ আইনের অধীনে সিনিয়র সিটিজেন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুন: প্রযুক্তি জায়ান্টদের ইউক্রেনীয়দের রক্তের বিনিময়ে ব্যবসার অভিযোগ

গত ১৮ মার্চ মাসে মামলায় রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল। রায়ে উল্লেখ করে, যখন কোনো প্রবীণ ব্যক্তি তার সম্পত্তি যত্ন ও ভরণপোষণের শর্তে অন্যের কাছে হস্তান্তর করেন, তখন সেই দায়িত্ব শুধু নৈতিক নয়, আইনগতভাবেও বাধ্যতামূলক। ট্রাইব্যুনালের সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা রোহিনী নারহে-ভিরোল বলেন, গিফট ডিডের শর্ত লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই দলিলটি বাতিল করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

যে কারণে রায়ে সংশ্লিষ্ট রাজস্ব কর্মকর্তাদের জমির নামজারি (মিউটেশন) সংক্রান্ত নথি বাতিল করার উপর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং নিবন্ধিত গিফট ডিডও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে জমির ওপর বৃদ্ধার মালিকানা ও আইনগত অধিকার পুনরুদ্ধার হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল আরও নির্দেশ দিয়েছে যে, বিতর্কিত সময়কালে জমি থেকে পাওয়া যেকোনো সরকারি ভর্তুকি, ফসল বীমার অর্থ, আর্থিক সুবিধা বা অন্য কোনো লাভ সুদসহ ফেরত দিতে হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে যাতে ওই সম্পত্তির ব্যবহারে কোনো বাধা বা হস্তক্ষেপ না করা হয়, তা নিশ্চিত করতেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল জোর দিয়ে বলেছে, প্রবীণ ব্যক্তিদের সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিলে ভরণপোষণ ও যত্নের শর্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সিদ্ধান্তটি দেখিয়েছে যে, পরিবারের সদস্যদের যত্ন ও সহায়তার প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে সম্পত্তি হস্তান্তর করা প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আইনে শক্তিশালী সুরক্ষা রয়েছে।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক ই-কমার্সে রিমার্কের শক্ত অবস্থান, বিশ্ববাজারে যাচ্ছে হাজারো পণ্য

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীর এসপি বদলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


নোয়াখালীর এসপি বদলি

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) টি.এম মোশাররফ হোসেনকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বদলি করা হয়েছে। একই আদেশে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিনকে নোয়াখালীর নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। উপসচিব নাসরীন সুলতানা স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিনকে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। অপরদিকে, নোয়াখালীর বর্তমান পুলিশ সুপার টি.এম মোশাররফ হোসেনকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বদলি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) টি.এম মোশাররফ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নোয়াখালী জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। গত এক সপ্তাহে জেলার বিভিন্ন স্থানে চাঞ্চল্যকর চারটি হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক অপরাধ সংঘটিত হয়। এসব ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা লেগে রতন (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার বড় বাঘা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত রতন ছিলেন উপজেলার নূরপুর চকপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনের পুত্র।

স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, সন্ধ্যায় তমালতলা বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে বড় বাঘার দিকে যাচ্ছিলেন রতন। হঠাৎ তিনি দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় তার মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এর ফলে, তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান।

দুর্ঘটনার পর সেখানকার স্থানীয় লোকেরা তাকে উদ্ধার করে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় রাতের মধ্যেই তার মৃত্যু ঘটে।

বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আরটিভিকে জানান, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেছে।

ওয়াশিংটন ডিসিতে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই আশ্বাসটি দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির নবনিযুক্ত আন্ডার সেক্রেটারি অব এনার্জি কাইল হাউসভিট।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দুই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা এবং আধুনিক জ্বালানি প্রযুক্তির আদান-প্রদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় মার্কিন পক্ষ দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন এবার ফিফা বিশ্বকাপ ৩ দেশে হচ্ছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


কেন এবার ফিফা বিশ্বকাপ ৩ দেশে হচ্ছে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ নিয়ে ফুটবল প্রেমীদের উত্তেজনা এরইমধ্যে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত থেকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো জুড়ে। কিন্তু কেন এই টুর্নামেন্টটি ৩টি দেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে? আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে।

শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আলাদাভাবে আবেদন করার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু পরে তারা একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ‘একতাবদ্ধভাবে এক হয়ে’ স্লোগান নিয়ে নিজেদের উপস্থাপন করে। ২০১৭ সালে উত্তর আমেরিকার এই তিন দেশের ফুটবল সংস্থাগুলো তাদের জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় এবং এই যৌথ প্রস্তাবের নাম দেয়া হয় ‘ইউনাইটেড বিড’।

এর এক বছর পর রাশিয়ার মস্কোতে অনুষ্ঠিত ফিফার ৬৮তম কংগ্রেসে সদস্য দেশগুলো ভোট দেয়। সেখানে ২০০ ভোটের মধ্যে ৬৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয় ‘ইউনাইটেড বিড’। এর মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি হয়, কারণ ফিফা প্রথমবারের মতো ঘোষণা করে যে বিশ্বকাপ তিনটি দেশে আয়োজন করা হবে। টুর্নামেন্টের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এটি ছিল প্রথম ঘটনা।

ফিফা ৩২ দল থেকে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৮ দল করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং পরে আরও একটি অতিরিক্ত নকআউট রাউন্ড যোগ করে। এর ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ—এবং ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের চেয়ে ৪০টি ম্যাচ বেশি। এত বেশি ম্যাচ একক কোনো দেশের পক্ষে আয়োজন করা প্রায় অসম্ভব। ফলে একাধিক দেশ একসঙ্গে আয়োজন করার ধারণার পথ আরও সুগম হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ বিডকে আরও শক্তিশালী করেছিল যে বিষয়টি, তা হলো তাদের প্রস্তাবে থাকা প্রতিটি স্টেডিয়াম আগেই নির্মিত ছিল। ফলে বড় কোনো নির্মাণকাজের প্রয়োজন হয়নি। গড়ে প্রতিটি স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৬৮ হাজারের বেশি। শুধু তাই নয়, সব সম্ভাব্য আয়োজক শহরেই আগে থেকেই বিদ্যমান পরিবহন ব্যবস্থা, আবাসন, চিকিৎসা, প্রযুক্তি এবং অন্যান্য অবকাঠামো ছিল, যা ফিফার নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ বা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

বর্তমান সময়ে এসে দেখা যাচ্ছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ ১৬টি শহরের ১৬টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, যার অনেকগুলোতেই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ফুটবল লিগ (এনএফএল), মেজর লিগ সসার (এমএলএস) এবং মেক্সিকোর শীর্ষ ফুটবল লিগ লিগা এমএক্সের ম্যাচ আয়োজন হয়ে থাকে।

যদিও বিশ্বকাপের আয়োজনের অধিকার তিনটি দেশ ভাগ করে নিয়েছে, তবুও সবচেয়ে বেশি ম্যাচ আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র—মোট ৭৮টি ম্যাচ, যা কানাডা ও মেক্সিকোর (প্রতিটিতে ১৩টি করে) সম্মিলিত ম্যাচের তিন গুণেরও বেশি। কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনালসহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর বেশিরভাগই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার এক বিশ্লেষণে অনুমান করা হয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ তিনটি দেশে মিলিয়ে মোট প্রায় ৮০.১ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক উৎপাদন তৈরি করবে, যার মধ্যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই হবে প্রায় ৩০.৫ বিলিয়ন ডলার।

গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিফার সবশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা চার বছরের এক অর্থনৈতিক চক্রে (যা ২০২৬ বিশ্বকাপ দিয়ে শেষ হবে) মোট ১৩ বিলিয়ন ডলার আয় করবে, যার প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার আসবে এই বছরেই।

তুলনামূলকভাবে কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে চার বছরের বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে ফিফা মোট ৭.৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল। রাশিয়া বিশ্বকাপকে ঘিরে ২০১৫–২০১৮ সালের চার বছরের চক্রে আয় হয়েছিল ৬.৪ বিলিয়ন ডলার। আর প্যারিস ২০২৪ অলিম্পিক গেমস মোট ৫.২৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে।

সব মিলিয়ে সহজভাবে বলা যায়, উত্তর আমেরিকা জুড়ে আয়োজিত ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে যে আয় হবে, তা এটিকে এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক ক্রীড়া আয়োজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনটি দেশের মধ্যে ভ্রমণের লজিস্টিক (যাতায়াত) জটিলতা কমানোর জন্য ফিফা ভেন্যুগুলোকে তিনটি আঞ্চলিক ক্লাস্টারে ভাগ করেছে। সেগুলো হলো:

পশ্চিমাঞ্চল: ভ্যাঙ্কুভার, সিয়াটল, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস।

মধ্যাঞ্চল: গুয়াদালাহারা, মেক্সিকো সিটি, মন্টেরে, হিউস্টন, ডালাস, কানসাস সিটি।

পূর্বাঞ্চল: আটলান্টা, মায়ামি, টরন্টো, বোস্টন, ফিলাডেলফিয়া, নিউইয়র্ক বা নিউ জার্সি।

দলগুলো সাধারণত তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো একটি ক্লাস্টারের মধ্যেই খেলবে। তবে সব সময় তা নাও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ব্রাজিল তাদের গ্রুপ ‘সি’-এর সব ম্যাচ পূর্বাঞ্চলীয় ক্লাস্টারে খেলবে—নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি, ফিলাডেলফিয়া এবং মায়ামিতে।

কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের গ্রুপ ‘এ’ অভিযান শুরু করবে মধ্যাঞ্চলীয় ক্লাস্টারের মেক্সিকো সিটিতে। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য তাদের পূর্বাঞ্চলের আটলান্টায় যেতে হবে। তারপর আবার মোন্টেরেতে ফিরে যেতে হবে।

আর গ্রুপ পর্বে সব দলের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ ভ্রমণ পথ থাকবে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার। তাদের মোট ভ্রমণ দূরত্ব হবে প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার (৩ হাজার ১০০ মাইল)।

তারা তাদের টুর্নামেন্ট শুরু করবে টরন্টোতে। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার (২ হাজার ২০০ মাইল) দূরে লস অ্যাঞ্জেলেসে যেতে হবে। তাদের শেষ গ্রুপ ম্যাচ হবে আরও ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার (৯০০ মাইল) দূরে সিয়াটলে।

যদিও কিছু দল গ্রুপ পর্বে তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে ভ্রমণ করতে পারবে। তবে তারা যদি আরও এগিয়ে যায়, তাহলে নকআউট পর্বে আবারও ক্লান্তিকর ভ্রমণের মুখে পড়তে পারে। কারণ ম্যাচগুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%