শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৭ পি.এম
খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান বাপ্পী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে সারাদেশে ৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে খুলনার কয়রা উপজেলার ২৬ বছরের ঐতিহ্য উত্তর বেদকাশী কাছারীবাড়ি বটতলার বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমান এবং সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ। বক্তব্য রাখেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন।
মেলায় শতাধিক স্টল স্থান পেয়েছে, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা পাওয়া যাচ্ছে। জেলা পরিষদ প্রশাসক মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারের আমিনবাজারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে এলাকার বাসিন্দারা মাদকবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। একই সঙ্গে পুলিশ সদস্য মোঃ আলতাফ হোসেন হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর আমিনবাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা মাদকবিরোধী স্লোগানের পাশাপাশি আলতাফ হোসেন হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
মানববন্ধনের সভাপতিত্ব করেন আমিনবাজার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী রিয়াজ উদ্দিন ফালান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আমিনবাজার ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সদস্য মো. সাইফুদ্দিন।
এ সময় হাজী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী, আমিনবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. হোসেন আলী, আবিদ হোসেন, চেয়ারম্যান, গ্রিন আমিনবাজার সমাজসেবা সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, মাদক শুধু একজন মানুষকে নয়, বরং একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই আমিনবাজারকে মাদকমুক্ত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে হবে।
তারা আরও বলেন, পুলিশ সদস্য মো. আলতাফ হোসেন হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় জড়িত কেউ যেন আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা আমিনবাজারে মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অভিযান ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন। পাশাপাশি এলাকার শান্তি, শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ বলেন, তারা মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ আমিনবাজার গড়তে ঐক্যবদ্ধ। একই সঙ্গে পুলিশ সদস্য আলতাফ হোসেন হত্যার সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত ন্যায়বিচারের দাবি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা মাদক নির্মূল, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পুলিশ সদস্য মো. আলতাফ হোসেন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্টারের বিরুদ্ধে গোল করে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৭১ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তিনি রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি রাউলকে ছুঁয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেন।
চ্যাম্পিয়নস লিগে এমবাপ্পের গোলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। ইন্টারের বিরুদ্ধে রিয়াল মাদ্রিদের ২-১ গোলের জয়ী ম্যাচে প্রথম গোলটি করে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতায় নিজের গোলসংখ্যা ৭১-এ নিয়ে গেছেন এই ফরাসি তারকা। এর ফলে, তিনি রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি রাউলের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে।
রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইউরোপিয়ান মঞ্চে হোসে মরিনিওর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে গোল করেন এমবাপ্পে। ১৫ মিনিটে ইন্টারের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে তিনি বলটি জালে পাঠান। নয় মিনিট পর ফেদেরিকো ভালভের্দে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। দ্বিতীয়ার্ধে কার্লোস অগুস্তোর গোল ইন্টারকে ম্যাচে ফেরার আশা দিলেও, শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখে রিয়াল।
৭১ গোল করতে এমবাপ্পের লেগেছে ৯৯ ম্যাচ। একই গোলসংখ্যায় রাউল খেলেছেন ১৪২ ম্যাচ। অর্থাৎ, গোলের দিক থেকে দুজন সমান হলেও, ম্যাচপ্রতি গোলের হারে এমবাপ্পে অনেক এগিয়ে—তাঁর হার ০.৭২, রাউলের ০.৫০। আগামী ম্যাচেই চ্যাম্পিয়নস লিগে শততম উপস্থিতি পূর্ণ করবেন ২৭ বছর বয়সী এই তারকা।
সর্বকালের তালিকায় এমবাপ্পের সামনে এখন চতুর্থ স্থানে থাকা রিয়ালের আরেক কিংবদন্তি করিম বেনজেমা। এমবাপ্পের জন্য বেনজেমাকে পেছনে ফেলতে প্রয়োজন আরও ১৯ গোল। তবে শীর্ষে থাকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর ১৪০ গোল ছুঁতে হলে, তাঁকে বর্তমান গোলসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করতে হবে।
চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রোনালদো ১৪০ গোল নিয়ে সবার ওপরে অবস্থান করছেন। দ্বিতীয় স্থানে লিওনেল মেসি ১২৯ গোল নিয়ে রয়েছেন, তৃতীয় স্থানে রবার্ট লেভানডফস্কি ১০৯ গোল এবং চতুর্থ স্থানে বেনজেমা ৯০ গোল নিয়ে আছেন। এমবাপ্পে ও রাউল ৭১ গোল নিয়ে যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন। তাঁদের পর রয়েছে এরলিং হালান্ড ৫৯, টমাস মুলার ৫৭, রুদ ফন নিস্টেলরয় ৫৬ এবং হ্যারি কেইন ৫৫ গোল নিয়ে।
এমবাপ্পের বিশেষত্ব হলো, তালিকার শীর্ষ পাঁচে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে একমাত্র তিনিই এখনো চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারেননি। শীর্ষ দশে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে রুদ ফন নিস্টেলরয় ও হ্যারি কেইনও এখনো এই ট্রফি জিততে পারেননি। গত মৌসুমে রিয়াল কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নিলেও, ১৫ গোল করে প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন এমবাপ্পে। এক মৌসুমে তাঁর চেয়ে বেশি গোল করার নজির আছে শুধু রোনালদোর।
গোলের দিক থেকে ২০২৬ সালও এমবাপ্পের জন্য দুর্দান্ত যাচ্ছে। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের খেলোয়াড়দের মধ্যে অন্যতম সেরা গোলসংগ্রাহক তিনি। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে উঠে গেছেন ফরাসি তারকা, ২২ গোল নিয়ে পেছনে ফেলেছেন মেসিকে।
তবে গোল করার পাশাপাশি রক্ষণে তাঁর ভূমিকা ও পরিশ্রম নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে। সেই সমালোচনার জবাবে এমবাপ্পে স্পষ্ট করেছেন, তাঁর কাছে ফুটবলের মূল লক্ষ্য গোল করা। তাঁর মতে, যে খেলোয়াড় গোল করে, সে কোনো দলের জন্য সমস্যা হতে পারে না। কারণ গোল না করে কোনো দলই শিরোপা জিততে পারে না।
চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এমবাপ্পের সামনে দ্রুত আরও ওপরে ওঠার সুযোগ রয়েছে। ৯৯ ম্যাচে ৭১ গোল এবং ০.৭২ গোলের হার বলছে, রাউলের সমান জায়গায় থামার সম্ভাবনা কম। সামনে বেনজেমা, আর দূরে রোনালদো-মেসিদের রেকর্ড—এমবাপ্পের দৌড় এখন ইতিহাসের আরও বড় অধ্যায়ের দিকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজকুমারী ডায়ানার বহুল আলোচিত ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ আবারও নিলামে উঠতে যাচ্ছে। ফ্যাশন ও পপ সংস্কৃতির ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করা এই পোশাকটি আগামী ৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ নিলামে তুলবে আন্তর্জাতিক নিলাম প্রতিষ্ঠান সোদেবিস। গ্রিক ডিজাইনার ক্রিস্টিনা স্ট্যাম্বোলিয়ানের নকশা করা কাঁধখোলা কালো রেশমের পোশাকটির দাম প্রায় ৩ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে ধারণা করছেন ফ্যাশন বিশেষজ্ঞরা।
১৯৯৪ সালের ২০ নভেম্বর পোশাকটি পরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছিলেন ডায়ানা। ওই সময় ব্রিটিশ রাজপরিবারে চলছিল তীব্র বিতর্ক। সেদিন তৎকালীন যুবরাজ এবং বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লস এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ডায়ানার সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্কের সময় কামিলা পার্কার বোলসের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন।
এর কয়েক ঘণ্টা পর লন্ডনের সার্পেনটাইন গ্যালারিতে আয়োজিত ভ্যানিটি ফেয়ারের একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ডায়ানা। রাজপরিবারের প্রচলিত রীতিনীতির তোয়াক্কা না করে তিনি পরেছিলেন আকর্ষণীয় কালো পোশাক। সঙ্গে ছিল রাজকীয় অলংকার ও কালো হিল। আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি দ্রুত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
পরদিন ফ্যাশন ও বিনোদনভিত্তিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম পোশাকটিকে ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ নামে অভিহিত করে। পরবর্তী সময়ে এটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাস প্রকাশের প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পায়। সোদেবিসের ফ্যাশন বিভাগের কর্মকর্তারাও মনে করেন, পোশাকটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং ডায়ানার জীবনের সঙ্গে এর গভীর সম্পর্কই এটিকে এতটা মূল্যবান করে তুলেছে।
এর আগে ১৯৯৭ সালে ক্যান্সার ও এইডস আক্রান্তদের সহায়তার জন্য তহবিল সংগ্রহে ডায়ানা তার ৭৯টি বিলাসবহুল পোশাক নিলামে তুলেছিলেন। সেই সময়ই ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ সর্বশেষ নিলামে উঠেছিল। ডায়ানার মৃত্যুর প্রায় দুই মাস আগে হওয়া সেই নিলামের পর দীর্ঘ সময় সাধারণ মানুষের আড়ালে ছিল পোশাকটি। প্রায় তিন দশক পর আবারও আন্তর্জাতিক নিলামে ফিরছে আলোচিত পোশাকটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম ও গাঁজাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
কাউখালী থানা সূত্রে জানা যায়, কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেনের নির্দেশে এসআই বিপ্লব বিশ্বাস ও এসআই মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে উপজেলার পূর্ব আমরাজুরী গ্রামের মৃত বাবুল খন্দকারের ছেলে মোঃ সাগর হোসেন (২৬)-কে তার নিজ ঘরের শয়ন কক্ষ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার রুম থেকে গাঁজা সেবনের বেশ কিছু সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে কাউখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পিরোজপুরের সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়েছে।
কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন,
মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার কোথাও কোনো মাদক ব্যবসা বা সেবনের সুযোগ দেওয়া হবে না। তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে আমরা নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ