বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৫ পি.এম
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের অধিবেশনে উপস্থিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ৩ টা ৫০ মিনিটে তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগদান করেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন। স্পিকার বলেন, "দীর্ঘ দিন পর চিকিৎসা শেষে সংসদে এসেছেন, আপনাকে স্বাগত।"
এর আগে সকালে মির্জা আব্বাস যখন সংসদ ভবনে পৌঁছান, তখন তার দপ্তরের কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। এরপর তিনি তার জন্য নির্ধারিত অফিসে প্রবেশ করেন এবং বেশ কিছু নথিপত্র পর্যালোচনা করে প্রথম দিনের দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বাইরে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক কেজি ইলিশ কিনতে কৃষকের আড়াই মণ ধান
জেলেরা সাগরে দিন-রাত মাছ ধরার কাজ করেন, যা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আসে। ঝড়-জলোচ্ছ্বাস, উত্তাল ঢেউ এবং জলদস্যু আতঙ্কের মধ্যে তারা শত শত, কখনও কখনও হাজার হাজার পিস ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরে আসেন।
কিন্তু, বর্তমানে সেই ইলিশ তাদের পরিবারের পাতে উঠছে না।
তথ্য সংগ্রহ করে জানা গেছে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছের বাজার বরগুনার পাথরঘাটায় বর্তমানে এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় তিন হাজার টাকায়। কখনও কখনও এর দাম আরো বেশি হয়ে থাকে। ফলে সাগর থেকে ইলিশ ধরে আনলেও বাজারে বিক্রি করে সংসারের খরচ, দাদন এবং ঋণের কিস্তি শোধ করতে জেলেদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এটি শুধু জেলেদের জন্য নয়, কৃষক এবং স্বল্প আয়ের মানুষের পরিবারেও ইলিশ পাতে উঠছে না।
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের জিনতলা গ্রামের জেলে কালাম সরদার আক্ষেপ করে বলেন, “সাগরে গিয়ে শত শত, হাজার হাজার ইলিশ মাছ ধরি। কিন্তু দাদন, কিস্তি আর ঋণের কথা মনে পড়লেই আর মাছ খেতে পারি না। আমরা শুধু মাছ ধরি, কিন্তু খেতে পারি না।”
এমন অভিযোগ করেছেন অধিকাংশ জেলে ও খেটে খাওয়া মানুষ। মধ্যঘুটাবাছা গ্রামের ক্ষুদ্র কৃষক আফেজ উদ্দিন বলেন, “ইলিশের ঘাঁটি পাথরঘাটায় আমরা ইচ্ছে করলেও ইলিশ কিনে খেতে পারি না। বাজারে ধানের দর ১২০০ টাকা। এজন্য আড়াই মণ ধান বিক্রি করে তবে একটা এক কেজির ইলিশ কেনা লাগে। এইটা আমাদের সাধ্যর বাইরে।”
জেলেরা জানান, একটি ইলিশের পেছনে তাদের রয়েছে দীর্ঘ শ্রম এবং জীবনের ঝুঁকি। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে কখনও ঝড়-জলোচ্ছ্বাস, কখনও উত্তাল ঢেউ; আবার কখনও জলদস্যুর হামলার আশঙ্কা নিয়ে তাদের সাগরে থাকতে হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনায় প্রাণও যায় জেলের।
সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার উল্টে যায়। ট্রলারে থাকা ১৩ জেলের মধ্যে অন্য ট্রলারের সহায়তায় আটজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও মৃত্যু হয় পাঁচ জেলের।
এমন দুর্ঘটনা উপকূলের জেলেদের জীবনে নতুন কিছু নয়। জেলেদের ভাষ্য, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগর থেকে মাছ ধরে আনলেও সেই মাছের ন্যায্য মূল্য এবং নিজেদের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। আড়তদার এবং মহাজনের দাদন, ঋণের কিস্তি, ট্রলারের খরচ এবং সংসারের ব্যয় মেটাতে গিয়ে মাছ বিক্রি করে দিতে হয়। ফলে ইলিশের মৌসুম এলেও নিম্ন আয়ের জেলেদের ঘরে ইলিশের স্বাদ জোটে না।
কালাম সরদারের মতো পাথরঘাটার বহু জেলের আক্ষেপ—যে মাছ ধরতে গিয়ে জীবন দিতে হয়, সেই মাছই পরিবারের সবাই মিলে খাওয়ার সামর্থ্য নেই। তাদের কাছে ইলিশ এখন আর শুধু মাছ নয়; এটি তাদের জীবিকার প্রতীক। আবার একইসঙ্গে দারিদ্র্য এবং ঋণের নির্মম বাস্তবতারও প্রতিচ্ছবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে ২৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে।
এই কমিটি গ্র্যাজুয়েটদের তালিকাভূক্তি এবং জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের নির্বাচন পর্যালোচনা করবে।
সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবুল কালাম সরকার এবং মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী।
বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চোরাই মোবাইল ফোন ও মোবাইলের IMEI নম্বর পরিবর্তনের কাজে ব্যবহৃত দুটি ল্যাপটপসহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ধরমন্ডল বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নাসিরনগর থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ধরমন্ডল বাজারে জুলহাস মিয়ার মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে চুরি হওয়া বিভিন্ন মোবাইল ফোন ক্রয়-বিক্রয় এবং বিশেষ সফটওয়্যার ও ডিভাইসের মাধ্যমে চোরাই মোবাইলের IMEI নম্বর পরিবর্তন করা হচ্ছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে Vivo, Realme, Tecno ও Redmi ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের ৭টি চোরাই মোবাইল ফোন এবং IMEI নম্বর পরিবর্তনের কাজে ব্যবহৃত HP EliteBook 845G7 ও ASUS X509J মডেলের ২টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। এ সময় জুবায়ের প্রকাশ রায়হান (নাসিরনগর) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত জুবায়ের প্রকাশ রায়হান নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল লম্বা হাটি এলাকার মোঃ ফারুক মিয়ার ছেলে।
উদ্ধারকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা তৈরি করে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নাসিরনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত ডিভাইস ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাজধানীতে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) নগরবাসীকে বিকল্প সড়কে চলাচলের জন্য অনুরোধ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, শোভাযাত্রাটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে।
শোভাযাত্রার সময়, বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত, নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
শোভাযাত্রার নির্ধারিত রুট হলো শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপশাহ মাজার, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড, রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক পর্যন্ত।
ডিএমপি জানিয়েছে, শোভাযাত্রার রুটে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। উচ্চস্বরে পিএ বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুকদের শুরুতেই এতে মিলিত হতে হবে এবং কোনোভাবেই মাঝপথে শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়া যাবে না।
তিনি আরও জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্রেড, দিয়াশলাই, গ্যাসলাইটার ইত্যাদি নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না। শোভাযাত্রা চলাকালীন রুটে কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া যাবে না। রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তু পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে।
তিনি জানান, শোভাযাত্রা চলাকালীন নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়কে চলাচল করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ