বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:০৪ পি.এম
চাঁদপুরে আর্থিক লেনদেনের বিরোধের কারণে কসাই নুর মোহাম্মদকে (৪২) শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে সুজন সরকারকে (৩৫) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একইসঙ্গে, তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সামছুন্নাহার এই রায় ঘোষণা করেন।
নিহত নুর মোহাম্মদ চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন ক্লাব রোড এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র। তিনি বড় স্টেশন এলাকায় গরু জবাই ও মাংস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। অপরদিকে, দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন সরকার জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার উপাদী দক্ষিণ ইউনিয়নের উত্তর ঘোড়াধারী গ্রামের সুদর্শন আইচ্চাইল্লা সরকারের সন্তান। তিনি পেশায় জেলে এবং বড় স্টেশন এলাকায় মাছের ব্যবসা করতেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২ মার্চ রাতে মতলব দক্ষিণ উপজেলার ঘোড়াধারী গ্রামের একটি খালি জমিতে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশের দ্বারা। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পরদিন ৩ মার্চ ইউপি সদস্য জাকির হোসেন বাদী হয়ে মতলব দক্ষিণ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের ধারাবাহিকতায় পুলিশ সুজন সরকারকে গ্রেপ্তার করে এবং ওই বছরের ২৯ অক্টোবর তাকে আদালতে সোপর্দ করে।
তদন্তে জানা যায়, বড় স্টেশন এলাকায় ব্যবসা করার সুবাদে নুর মোহাম্মদ ও সুজন সরকারের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল এবং উভয়ের মধ্যে আর্থিক লেনদেন ছিল। এই লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের কারণে সুজন কৌশলে নুর মোহাম্মদকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন এবং পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে মতলব দক্ষিণ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) তপন চন্দ্র দাস ২০১৭ সালের ২৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) কোহিনুর রশিদ জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় এই মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণ, মামলার নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা এবং আসামির অপরাধ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিচারক আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অন্য তিন আসামিকে আদালত থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট রাজেস মুখার্জী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘রেডিওলজি টেকনোলজিস্টদের উন্নত প্রশিক্ষণ দিলে অর্থনৈতিক লাভবান হবে’
বাংলাদেশের রেডিওলজি টেকনোলজিস্টদের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলে দেশের অর্থনীতি লাভবান হবে, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষ জনবল তৈরি হলে আধুনিক দেশগুলোতে রেডিওলজি টেকনোলজিস্টদের জন্য কর্মসংস্থানের অসংখ্য সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এটি তাদের ব্যক্তিগত উন্নতির জন্য যেমন সহায়ক হবে, তেমনি দেশের বৈদেশিক রেমিট্যান্স বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং টেকনোলজিস্টস (BARIT) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম জানান, সারা দেশে প্রায় ১২ হাজার রেডিওলজি টেকনোলজিস্ট কর্মরত আছেন। দেশের স্বাস্থ্যসেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই বিশাল সংখ্যক দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি রেডিওলজি টেকনোলজিস্টদের নিয়োগের বিষয়েও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়নে দক্ষ টেকনোলজিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের রেডিওলজি টেকনোলজিস্টদের দক্ষতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের রেডিওলজি সেবার মান অনেক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত।
এমনকি বাংলাদেশের রেডিওলজি রিপোর্ট সিঙ্গাপুরেও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। মেশিনের মানের পাশাপাশি দক্ষ ও প্রশিক্ষিত টেকনোলজিস্টদের অবদানেই মানসম্মত রিপোর্ট তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, রেডিওলজি ও ইমেজিং প্রযুক্তিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করা সময়ের দাবি। টেকনোলজিস্টদের জন্য এমএসসি ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর তাগিদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৯৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তেজগাঁও বিভাগ জানায়, বুধবার নিয়মিত অভিযানে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ (বৃহস্পতিবার) এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো-মো. শরিফুল ইসলাম, মো. রাহিম খান, মো. নাঈম শেখ, মো. আলমগীর, মো. রাসেল, মো. মোরশেদ, মোসাম্মত খালেদা, মাসাম্মত হনুফা, মোসাম্মত মনোয়ারা বেগম, মোসাম্মত ফাতেমা বেগম, মো. বিল্লাল হোসেন, সাইফুল ইসলাম রবিন, মো. রুবেল, হামিদুর রহমান, মো. সুজন মিয়া, মাজেদুল ইসলাম রাজু, মো. সাগর, মো. আব্দুল্লাহ, বিলকিস বেগম, মো. গোলাম রব্বানী মো. দেলোয়ার, মো. জিসান, মো. সজল, মো. হানিফ কাজী, মো. সোহেল আহম্মেদ, মো. আলম, আবির মিরাজ, মো. জুয়েল, মো. সবুজ হোসেন, মোসাম্মত হাসি, মো. আহাদ, সোহেল, মো. সোহেল ওরফে সাহেল, মো. রানা, মো. মান্না, মো. সোহাগ, মো. সোহেল, মো. সোহেল, মো. জাহাঙ্গীর, মো. নাসির, সাব্বির, মো. নওশাদ, মো. সুজন, মো. রাকিব, মো. সুমন, মো. রাসেদ সিকদার, মো. আসিফ, মো. মাসুম, মো. আরিফ, মো. তোলা মিয়া, মো. রুবেল খান, মো. গোলাম রহমান, মো. শাওন, মো. আব্দুল্লাহ আল তামিম, মো. সেলিম মোল্লা, মো. শাহীন, মো. বাদশা, মো. মেহেদী হাসান, মো. সজল হোসেন, মো. নয়ন, মো. সাগর, মো. শান্ত, মো. আশরাফুল ইসলাম আশিক, রাসেল মাহবুব, মো. মুনহার রহমান, শাওন, মো. শাকিল, মো. সোলেমান, মো. ইদ্রিস মিয়া, মো. লিটন মিয়া, মো. হাবিবুর রহমান, আব্দুল সালাম বেপারী, মিনহাজুল বিন মাহমুদ, মো. মিঠু সরদার, জাহাঙ্গীর হোসেন ভুট্টু, মো. মোস্তফা পাটোয়ারী, মো. সোহেল রানা ওরফে মামুন, মো. ফরহাদ হোসেন, মো. জাহাঙ্গীর, জমসের, পারুল, সাজিদ হাসান, মো. মেহেদী, মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, মো. খোকন সরকার, হৃদয়, মো. ইনসান আলী, মো. মনির হোসেন, মো. বেলায়েত হোসেন, রবিউল, মো. সুমন, মো. ইব্রাহিম মিয়া ওরফে সাগর, সেলিনা বেগম ও আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত একজন শিশু।
এর মধ্যে তেজগাঁও থানা ১২ জন, শেরেবাংলা নগর থানা ১০ জন, মোহাম্মদপুর থানা ৪১ জন, আদাবর থানা ৯ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা ৭ জন ও হাতিরঝিল থানা ১৫ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : দক্ষিণ কোরিয়াকে কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ এবং মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ প্রকল্পে অর্থায়নের মার্কিন পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ং বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বৈরিতার জবাবে তারা ‘শক্তিশালী জবাব’ দেবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর শুক্রবার জানায়, দক্ষিণ কোরিয়াকে এআইএম-৯ এক্স সাইডউইন্ডার ব্লক-২ ক্ষেপণাস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সরবরাহের সম্ভাব্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আনুমানিক মোট মূল্য ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়াকে বোঝাতে ‘আরওকে’ উল্লেখ করে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিবেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির বিরূপ প্রভাব আমরা উপেক্ষা করতে পারি না।’
উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার এবং তথ্যপ্রবাহ-সংক্রান্ত কর্মসূচিতে ওয়াশিংটনের লাখ লাখ ডলার দেওয়ার পরিকল্পনারও সমালোচনা করেছে পিয়ংইয়ং।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম ব্যুরো গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত করতে বিভিন্ন সংস্থার জন্য উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ঘোষণা দেয়। পিয়ংইয়ংকে বোঝাতে দপ্তরটি ‘ডিপিআরকে’ শব্দটি ব্যবহার করে জানায়, এসব উদ্যোগের লক্ষ্য উত্তর কোরিয়ার ‘তথ্যের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণকে চ্যালেঞ্জ করা।’
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা ও স্থায়িত্বের’ নিন্দা জানিয়েছে। এসব সর্বশেষ পদক্ষেপকে তারা এমন নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার লক্ষ্য ‘আমাদের রাষ্ট্রের সামাজিক ব্যবস্থায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বৈরী কর্মকাণ্ডের জবাবে উত্তর কোরিয়া গুরুতর, তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেবে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি পিয়ংইয়ংয়ের প্রতি বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছেন। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার বিষয়টিও রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার প্রতিক্রিয়া শীতলই রয়েছে।
১৯৫০-৫৩ সালের যুদ্ধের পর শান্তিচুক্তি হয়নি, যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। তাই দুই কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার হামলার মধ্য দিয়ে ওই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল এবং দেশটির আইনমন্ত্রী দাওদা এ. জালোরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৈঠকে গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) চলতি বছরের অক্টোবরে রায় ঘোষণা করার প্রত্যাশা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ওআইসির ২৩তম বিশেষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনের ফাঁকে তারা এই বৈঠকটি করেন।
দাওদা এ. জালো বলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার জন্য জবাবদিহির বিষয়ে এই রায়টি রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গাম্বিয়ার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন হুমায়ুন কবির। তিনি রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক আলোচ্যসূচির শীর্ষে রাখতে এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই সমাধানের প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন, বিশেষ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বকালে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ