সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৪ এম
কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত তিন আসামি এবং সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার অপর একজনসহ ৪ আসামিকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে বয়স কম হওয়ায় ৪ জনের মধ্যে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসানকে (১৬) গাজীপুর সংশোধনাগারে (শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে) পাঠানো হবে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আমরা চারজনকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছি। আদালত দুই কিশোর ফাহাদ ও কামরুলকে সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কারাগারে থাকবে। এসআই সাইফুল বলেন, দুজনের মধ্যে সিয়াম মামলায় গ্রেফতার সন্দেহভাজন আসামি।
রাত ১০টায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, পুলিশ একটি হত্যা মামলায় আজ রাতে ৪ আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। এদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
এর আগে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ শনিবার দুপুরে কুবির ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। গত শুক্রবার সে নিখোঁজ হয়।
রোববার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। এদিকে রোববার রাতে সিয়াম ছাড়া অপর তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সরকারি বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তার স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের হাতে লেখা কিছু চিঠি। এসব চিঠিতে বৈবাহিক সম্পর্কের জটিলতা, প্রতারণার অভিযোগ এবং তীব্র মানসিক যন্ত্রণার বর্ণনা রয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায়, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাটে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করার পর পুলিশ এসব চিঠি ও ডায়েরির পাতা খুঁজে পায়। চিঠিগুলোতে মরিয়ম তার জীবনকে দাবার গুটির সঙ্গে তুলনা করেছেন।
একটি চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, "শুধু মায়ায় পড়েছি বলে বারবার তোমার কাছে নত হই...., তা না হলে যতটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই...।" অন্য একটি চিঠিতে তিনি লিখেছেন, "আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে, কিন্তু জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবোই বা কেমনে যুদ্ধের শেষ প্রান্তে এসে দেখি তুমিই তো ছিলে বিপক্ষ দলের সেনাপতি।"
একটি সাধারণ পাতায় মরিয়ম তার অবস্থান এবং ভালোবাসার টানাপোড়েনের কথা তুলে ধরেছেন। সেখানে লেখা রয়েছে, "সে ছিল অন্য নারীর স্বামী-কাগজে কলমে অধিকার ছিল তার বউয়ের। আর আমি ছিলাম বোকা...!!! অন্য কারও স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ...!!! কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের কারণ... ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়... ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ, না হয় অপূর্ণ!"
একটি পাতায় বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতারিত হওয়ার অনুভূতিও প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, "সে বলেছিল- আজ থেকে আমরা বন্ধু--চলো একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো— আমিই ছিলাম তোমার গেমসের দাবার এক গুটি।"
জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা অন্য একটি পাতায় ক্ষোভ এবং পরিণতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, "আমি হেরেছি--- তুমি জিতেছো-- কারণ, আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। আমি, শৃঙ্গের শেষ বাড়িয়ে ও হাসতে হাসতে মুখে হাসি রেখেছি-- দেখে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ।"
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায়, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাটে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানায়। তবে চিঠিগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার ১৩ বছর বয়সি স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। পুলিশের মতে, অপ্রতিমের মায়ের আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তুহিন, ফাহাদ ও কামরুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অপ্রতিমের আইফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর তুহিন অপ্রতিমকে সানন্দা এলাকার পাহাড়ঘেরা নির্জন বনে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে অপ্রতিমের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তদন্তে তুহিনকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতিমের আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছে এবং এ ঘটনায় ফাহাদ ও তার এক বন্ধুর সম্পৃক্ততার কথা জানায়। ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কামরুলকেও গ্রেফতার করা হয়।
তবে পুলিশের এই বক্তব্যের পরও অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড নিয়ে অন্তত তিনটি প্রশ্নের উত্তর পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি। পুলিশ সুপার জানান, আইফোন উদ্ধারে প্রথমে তুহিন পুলিশকে বিভ্রান্ত করে। তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়েও ফোনটি না পাওয়ার পর তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তুহিনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই আইফোনটি উদ্ধার করা হয়।
আইফোনই কি হত্যার একমাত্র কারণ?
পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দেওয়ায় অপ্রতিমকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে তার মৃত্যু হলে আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় আসামিরা।
তবে পুলিশই জানিয়েছে, অপ্রতিম ও অভিযুক্তদের মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ছিল এবং তাদের একসঙ্গে ছবি ও ভিডিওও রয়েছে। ফলে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আইফোন ছিনতাইয়ের বাইরে অন্য কোনো বিরোধ, পূর্বশত্রুতা কিংবা কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা ছিল কিনা—তা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
এদিকে অপ্রতিমের মা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরের দায়িত্বে ছিলেন। ওই সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় কয়েকজন কিশোরকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার তথ্য রয়েছে। এ কারণে তাদের কারও সঙ্গে পুরোনো বিরোধ বা ক্ষোভ থেকে অপ্রতিমকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল কিনা, সেই প্রশ্নও উঠেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
তুহিনের বাসায় আইফোন, পরিবারের কেউ জানতেন?
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের কাছ থেকে নেওয়া আইফোন শেষ পর্যন্ত তুহিনের বাসা থেকেই উদ্ধার হয়েছে। এতে প্রশ্ন উঠেছে, ফোনটি বাসায় রাখার বিষয়টি পরিবারের কেউ জানতেন কিনা।
জানলে কেন তা সরানো হয়নি, কিংবা পুলিশের অভিযান শুরুর আগে ফোনটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল কিনা—এসব বিষয়ও তদন্তে পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
তুহিনের চলাফেরা নিয়ে মায়ের বক্তব্যে ভিন্নতা
অপ্রতিমকে হত্যার সময় নিয়েও পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে তুহিনের মায়ের বর্ণনায় অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে।
পুলিশের দাবি, ১৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সানন্দার নির্জন বনে অপ্রতিমকে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বাধা দিলে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল তার মাথায় বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে আঘাত করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত হলে তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।
অন্যদিকে তুহিনের মা জানান, সেদিন সে জুমার নামাজ শেষে বাসায় এসে খাওয়া-দাওয়া করে আবার বাইরে যায়। বিকালের দিকে বাসায় ফিরে মাগরিবের আগে আবার বের হয়। মাগরিবের পরও কিছু সময় বাইরে থাকার পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাসায় ফেরে।
পুলিশ সুপার জানান, অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় তুহিন, ফাহাদ ও কামরুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া সিয়াম নামে আরও একজনকে আটক করে তার বিষয়ে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন বা চার্জশিট দাখিলের কথাও জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিরুদ্ধে ব্যাপক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে আদালতটির সঙ্গে বেশিরভাগ আর্থিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন নিষিদ্ধ হতে পারে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন চলতি সপ্তাহেই এসব নিষেধাজ্ঞার নির্বাহী পদক্ষেপ চূড়ান্ত করতে পারে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে ছয় থেকে সাত মাসের একটি সময়সীমা পার হওয়ার পর আন্তর্জাতিক এই আদালতের সঙ্গে বেশির ভাগ আর্থিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন নিষিদ্ধ হয়ে যাবে।
পরিকল্পিত এই নিষেধাজ্ঞা ট্রাম্প প্রশাসনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। এর আগে আদালতের নির্দিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মীদের লক্ষ্য করে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও এবার পুরো প্রতিষ্ঠানটির ওপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সূত্রগুলো জানিয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন চলতি সপ্তাহেই অথবা এর পরপরই এসব নির্বাহী পদক্ষেপ চূড়ান্ত করতে পারে ওয়াশিংটন।
এরই মধ্যে আদালতটির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানেসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জারি করা একটি নির্বাহী আদেশের আওতায় এসব নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। ওই আদেশে আইসিসির বিচারকার্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি। গাজায় সংঘটিত অপরাধের অভিযোগের তদন্তের পর এই পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপর থেকেই আদালতটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ চলছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আগাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের পুরুষ কাবাডিতে আজ দক্ষিণ কোরিয়াকে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ। এই জয়ের ফলে পদক জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে দলের জন্য।
দক্ষিণ কোরিয়া কাবাডির ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত। ২০১৮ এশিয়ান গেমসে তারা রৌপ্য পদক অর্জন করেছিল। আজ বাংলাদেশকে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই করতে হয়েছে।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ১৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করে, অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ১৬ পয়েন্ট অর্জন করে। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ ২২ পয়েন্ট লাভ করে, আর কোরিয়া ১৯ পয়েন্ট পায়। ফলে বাংলাদেশ ৩৯-৩৫ পয়েন্টের ব্যবধানে জয়লাভ করে।
এই জয়ের পর বাংলাদেশকে আজই মাঠে নামতে হবে। তাদের প্রতিপক্ষ হবে চাইনিজ তাইপে।
পুরুষদের কাবাডিতে বাংলাদেশ ‘এ’ গ্রুপে অবস্থান করছে। এই গ্রুপে তাদেরকে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, চাইনিজ তাইপে এবং স্বাগতিক জাপানের বিরুদ্ধে খেলতে হবে।
দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্সআপ সেমিফাইনালে অংশগ্রহণ করবে। চারটি ম্যাচ খেলে শীর্ষ দুই দল শেষ চারে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ