সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:০১ এম
সৌদি আরবে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে ইরান-সমর্থিত হুতি বাহিনীর সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে। এই পরিস্থিতিতে, জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত নন এমন মার্কিন সরকারি কর্মী এবং তাদের সঙ্গে যাওয়ার যোগ্য পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, দেশটির বেসামরিক বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হয়েছে।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, তাদের বাহিনী রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দর এবং সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো, তেল শোধনাগারসহ বেশ কয়েকটি বিমান চলাচল ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই মার্কিন কর্মীদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজ জানায়, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দাবি করেছে, হুতি বাহিনীর ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করে ধ্বংস করেছে। এটি সৌদি রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি বিন সালেহ আল-মালিকি বলেন, ‘সন্ত্রাসী হুতি বাহিনীর রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে।’
এক্সে প্রকাশিত নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে চলা এই সংঘাতের কারণে পুরো অঞ্চলে আরো বড় আকারে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মার্কিন দূতাবাস জানায়, ‘২৩ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত নন, এমন মার্কিন সরকারি কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।’
দূতাবাস আরো জানায়, ‘ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার মধ্যে বেসামরিক বিমানবন্দর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলাও রয়েছে। এতে বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন এবং যাতায়াতব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে।’
পরিস্থিতি কতটা অস্থিতিশীল, তা তুলে ধরে দূতাবাস জানিয়েছে, উচ্চপর্যায়ের স্পষ্ট অনুমতি ছাড়া এখন মার্কিন কূটনৈতিক কর্মীদের দেশের ভেতরে বিমানপথে যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে না।
নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘এই সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তাৎক্ষণিক সংঘাতপূর্ণ এলাকার বাইরেও পৌঁছাতে পারে। সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন আকাশযান বা ড্রোন হামলার পর দেশটিতে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মীদের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের আগে মিশনপ্রধানের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।’
সৌদি আরবের প্রধান বিমানবন্দরগুলোর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কেও জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস। সতর্কবার্তায় বলা হয়, ‘রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২৫ অক্টোবর থেকে আংশিকভাবে চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। সেখান থেকে অভ্যন্তরীণ এবং জাতীয় বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালিত কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলবে। সাধারণত কিং খালিদ বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত সীমিতসংখ্যক ফ্লাইট এখন কাসিমে অবস্থিত প্রিন্স নায়েফ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত হচ্ছে।’
দূতাবাস আরো জানিয়েছে, জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম চালু রয়েছে। তবে এসব বিমানবন্দরে কিছু ফ্লাইট দেরিতে ছাড়তে পারে এবং কিছু ফ্লাইট বাতিলও হতে পারে। সৌদি আরবে বসবাসরত বা দেশটির মধ্য দিয়ে যাতায়াতকারী মার্কিন নাগরিকদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত মার্কিন মিশন।
দূতাবাসের পরামর্শে বলা হয়েছে, ‘মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দরে সম্ভাব্য হামলা, আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া, ফ্লাইট বাতিল এবং যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। সৌদি আরবের কোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিলে অত্যন্ত সতর্ক থাকুন। আপনার ফ্লাইট ছাড়ার সময় ও অবস্থা সরাসরি বিমান সংস্থা এবং বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাচাই করার পরামর্শ দিচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী তার সংক্ষিপ্ত ক্যারিয়ারে ইতোমধ্যেই ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন। অনেক দর্শক মনে করেন, জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর শোবিজে উত্থান এবং বর্তমান অবস্থান তটিনীর জন্যও একই পথের নির্দেশক। ফলে, মেহজাবীনের সঙ্গে এ অভিনেত্রীর তুলনা করা হচ্ছে।
তবে, তটিনী এ বিষয়ে কী ভাবছেন? তিনি কি কখনো নিজেকে মেহজাবীনের জায়গায় কল্পনা করেছেন? সম্প্রতি ‘ফিরে আসার গল্প’ নাটকের সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন।
অভিনেত্রী জানালেন, তিনি প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হন। কিন্তু তিনি এটি বেশ উপভোগ করেন। কারণ, একজন গুণী অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে তুলনা তাকে তার ক্যারিয়ার নিয়ে আরও সচেতন করে তোলে।
তটিনীর ভাষ্য, “অনেকেই বলেন- তুমি মেহজাবীনের মতো, মেহজাবীনের জায়গায় যাচ্ছ। আসলে কেউ কারও জায়গায় যেতে পারে না। আমি কারো সঙ্গে নিজেকে তুলনা করব না, কারো জায়গায় ভাবাটাও ঠিক না। শিল্প অঙ্গনে এই তুলনা হয় না। মেহজাবীন আপু অনেক বড়, গুণী একজন শিল্পী। তবে তুলনা করলে ভালো লাগে। তার মতো গুণী অভিনেত্রীর সঙ্গে তুলনাও তো বড় পাওয়া।”
এছাড়া, তিনি আরও বলেন, “আমাদের জেনারেশন বা পরের জেনারেশনের জন্য মেহজাবীন আপু একটা উদাহরণ। তার ক্যারিয়ারে এগিয়ে চলা, কাজের প্রতি সততা, তার পরিশ্রম, তার অনেক অভিজ্ঞতা, তার কাছ থেকে আমাদের সবার শেখা উচিত।”
তটিনী সিনিয়রদের থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার গুরুত্ব উল্লেখ করে বলেন, “আমি যখন অভিনয়ে আসি, তখনই অনেকে আমাকে একটা কথাই বলেছিলেন, যদি কারো মতো হতে চাও, তাহলে মেহজাবীনকে ফলো করো। আর শুধু ক্যারিয়ার নয়, সে মানুষ হিসেবে কেমন, তার আচার–আচরণ সবই ফলো করার কথা বলতেন। কারণ, সিনিয়রদের কাছ থেকেই আমাদের অনুপ্রেরণা নেওয়া উচিত।”
বর্তমানে, তটিনী মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক ‘ফিরে আসার গল্প’ দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। নাটকটিতে তাকে গ্রাম থেকে ঢাকায় পড়তে আসা এক তরুণীর চরিত্রে দর্শকরা দেখতে পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুব ও ছাত্রলীগের সাত কর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলুর বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন—উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য সলিল গুহ পিন্টু, মহিবুল আলম খোকন, পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম সরদার, মিঠুন হালদার, ওয়াসকুরনী আকন এবং পলাশ হাওলাদার। উল্লেখ্য, পলাশ হাওলাদার বিগত আওয়ামী লীগের সময় রাজনৈতিক মামলার আসামি ছিলেন।
সৈকত গুহ পিকলু, যিনি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জানিয়েছেন, "আমাদের বাড়িতে লক্ষ্মীপূজার অনুষ্ঠান চলছিল। ওই অনুষ্ঠানে আমার কিছু শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। রবিবার সন্ধ্যায় বিএনপির কিছু কর্মী-সমর্থক আমাদের বাড়িতে এসে ছয়জনসহ আমার ছোট ভাই পিন্টু গুহকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।"
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং সোমবার তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৬২ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী।
আটকদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৬ জন, লালবাগ বিভাগে ৭৮ জন, ওয়ারী বিভাগে ৯৩ জন, মতিঝিল বিভাগে ৮২ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৯২ জন, মিরপুর বিভাগে ১৪০ জন, গুলশান বিভাগে ৭৮ জন, উত্তরা বিভাগে ৫৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে ৬ জন রয়েছেন।
অভিযান চলাকালীন উদ্ধার করা হয়েছে একটি চায়নিজ কুড়াল, দুটি চাকু, ৪ হাজার ৬২১ পিস ইয়াবা, ৭১২ গ্রাম গাঁজা, ৩০ গ্রাম হেরোইন, ৩০০ বোতল আমদানি নিষিদ্ধ অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ইস্কাফ, একটি মোটরসাইকেল, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং ৩৩ হাজার ৮২০ টাকা।
আটকদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাগরিকত্ব অর্জনের প্রত্যাশায় থাকা কিছু স্থায়ী বাসিন্দার বিরুদ্ধে ভোটসংক্রান্ত অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এই ঘটনার ফলে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, কারণ যদি এসব মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা বা কারাদণ্ডের ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ায় দুই ডজনেরও বেশি বৈধ স্থায়ী বাসিন্দার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভোট দেওয়া, ভোটার নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্যের ভুল বিবৃতি প্রদান অথবা অভিবাসন আবেদনে জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। তবে, অভিযোগ উত্থাপন করা মানে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে প্রমাণ করতে হবে এবং অভিযুক্তদের নিজেদের বক্তব্য দেওয়ার অধিকার রয়েছে।
কিছু অভিযুক্তের বক্তব্য অনুযায়ী, গাড়ি চালানোর অনুমতিপত্র নেওয়া বা নবায়নের সময় ভোটার নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তারা যথেষ্ট পরিষ্কার ধারণা পাননি। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঙ্গরাজ্যে গাড়িচালকের অনুমতিপত্রের আবেদন বা নবায়নের সঙ্গে ভোটার নিবন্ধনের সুযোগ যুক্ত থাকে। ফলে, নাগরিকত্বের যোগ্যতা, ভোট দেওয়ার অধিকার এবং নিবন্ধনের নিয়ম না বুঝে কোনো ফরম পূরণ করলে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
সাধারণভাবে, শুধুমাত্র মার্কিন নাগরিকরাই ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন। তবে, ভোটার নিবন্ধনের নিয়ম অঙ্গরাজ্যভেদে ভিন্ন হতে পারে। কোনো ব্যক্তি ভুলবশত নিবন্ধিত হয়েছেন কি না, তিনি ভোট দিয়েছেন কি না এবং তার উদ্দেশ্য কী ছিল—এসব বিষয় মামলার বাস্তবতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই সব অভিযোগকে একইভাবে দেখা ঠিক নয়।
নাগরিকত্বের আবেদনকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সরকারি ফরম পূরণের সময় নিজের পরিচয়, নাগরিকত্বের অবস্থা এবং ভোট দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান করা। কোনো ফরমের ভাষা বুঝতে অসুবিধা হলে অনুমান করে উত্তর না দিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর বা যোগ্য অভিবাসন আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া উচিত। আগে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে থাকলে বা নিজের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ থাকলে বিষয়টি গোপন না রেখে আইনি পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।
এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে—তবে প্রতিবেদনে উল্লেখিত অভিযোগগুলো বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে, এমন তথ্য নেই। তাই আতঙ্কিত না হয়ে নিজের আইনি অবস্থান ও সরকারি নথি যাচাই করা বুদ্ধিমানের কাজ। নাগরিকত্বের আবেদন, ভোটার নিবন্ধন বা গাড়িচালকের অনুমতিপত্র সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যের সরকারি নির্দেশনা পড়া এবং প্রয়োজনে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ