ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ক্যান্সারের চিকিৎসার মধ্যেই প্রেমে ভাঙন টেডি মেলেনক্যাম্পের


ক্যান্সারের চিকিৎসার মধ্যেই প্রেমে ভাঙন টেডি মেলেনক্যাম্পের

মার্কিন রিয়েলিটি টিভি তারকা টেডি মেলেনক্যাম্প ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্যেই নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এরই মধ্যে তিনি চার মাসের প্রেমের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। প্রেমিক পিজে কনলি নিজেই সম্পর্কটি শেষ করেছেন। সম্প্রতি, ৪৫ বছর বয়সী এই তারকা নিজের পডকাস্টে বিচ্ছেদের অভিজ্ঞতা ও এ নিয়ে মনের কথা তুলে ধরেছেন।

মেলেনক্যাম্প ৩০ অক্টোবর প্রচারিত ‘টু টিস ইন এ পড’ পডকাস্টের এক পর্বে বিষয়টি জানান। অনুষ্ঠানটি তিনি উপস্থাপনা করেন ‘দ্য রিয়েল হাউজওয়াইভস অব অরেঞ্জ কাউন্টি’র তারকা টামরা জাজের সঙ্গে। ওই পর্বে অতিথি হিসেবে ছিলেন ‘দ্য রিয়েল হাউজওয়াইভস অব নিউ জার্সি’র ডলোরেস ক্যাটানিয়া। কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মেলেনক্যাম্প। তিনি জানান, আগের রাতে রাতের খাবার খাওয়ার সময় তাদের বিচ্ছেদের কথা হয়।

মেলেনক্যাম্প বলেন, সেদিন তাদের সময় ভালোই কাটছিল। একপর্যায়ে কনলি ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে চান। তবে তিনি মনে করেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ পরিকল্পনা করার মতো অবস্থায় নিজেকে তিনি মনে করেন না। কারণ, ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা তাকে প্রতিদিনের জীবনকে গুরুত্ব দিতে শিখিয়েছে। তার ভাষায়, ভবিষ্যতে তিনি বেঁচে থাকবেন কি না, সেটিও নিশ্চিত নন। তাই বর্তমানে যে সময়টুকু পাচ্ছেন, সেটি উপভোগ করতে চান।

আরও পড়ুন: অভিনয়ের মাঝেই মঞ্চে ঢলে পড়লেন নাট্যব্যক্তিত্ব সেলিম

২০২২ সালের অক্টোবরে প্রথমবার স্টেজ ২ মেলানোমা বা ত্বকের ক্যানসারে আক্রান্ত হন মেলেনক্যাম্প। পরে রোগটি স্টেজ ৪-এ পৌঁছে মস্তিষ্ক ও ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়ে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে এক পডকাস্টে তিনি জানান, স্ক্যানে শনাক্তযোগ্য কোনো ক্যান্সার দেখা যায়নি। তবে তখনো তাকে পুরোপুরি রোগমুক্ত বলা হয়নি। চলতি বছরের জুনে চিকিৎসক তাকে রোগমুক্ত ঘোষণা করেন। সেপ্টেম্বরে ‘এক্সট্রা’ অনুষ্ঠানে তিনি জানান, আপাতত ক্যান্সারমুক্ত থাকলেও ইমিউনোথেরাপি নিচ্ছেন এবং চিকিৎসার আরো ১০ মাস বাকি।

মেলেনক্যাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র চার মাসের সম্পর্ক হলেও কনলির সঙ্গে তার গভীর বন্ধন তৈরি হয়েছিল। দুজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও পরিচয় হয়েছিল। ক্যান্সারের অভিজ্ঞতার পর নিজের জীবন ও পরিচয় নতুন করে বোঝার চেষ্টা করছেন তিনি। এই পরিবর্তনের মধ্যেই কনলিকে ভালোবাসতে চেয়েছিলেন।

সম্পর্কের শুরু থেকেই নিজের অনুভূতি পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারেননি বলেও জানান মেলেনক্যাম্প। কনলিকে ভয় পাইয়ে দিতে চাননি তিনি। একপর্যায়ে কনলি তাদের সম্পর্কে কোনো কিছুর অভাব আছে কি না, তা জানতে চান। মেলেনক্যাম্প জানান, তিনি সম্পর্কে সুখী। তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে কনলির প্রশ্ন চলতেই থাকে।

একপর্যায়ে মেলেনক্যাম্প জানতে চান, কনলি আসলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবছেন। জবাবে কনলি জানান, মেলেনক্যাম্পকে তার ভালো লাগে, তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে ভালো লাগে এবং দুজনের মধ্যে আকর্ষণ ও বোঝাপড়াও রয়েছে। একসঙ্গে কাটানো সময়ও ছিল আনন্দের। কিন্তু ভবিষ্যতের কথা ভাবলে সেখানে মেলেনক্যাম্পকে দেখতে পান না তিনি।

আরও পড়ুন: জয়া বচ্চন অমিতাভকে ডাকতেন ‘লম্বুজি’, জানালেন বিগ বি

কনলির এই কথায় ভেঙে পড়েন মেলেনক্যাম্প। একসময় তাকে নিজের জন্য সঠিক মানুষ বলে মনে হয়েছিল বলেও জানান তিনি। বিচ্ছেদের পর নিজের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন জেগেছে তার মনে। তার কথায়, কনলিই যেন কঠিন সময়ের মধ্যে তাকে নতুন করে বাঁচার অনুভূতি দিচ্ছিলেন।

এ সময় বন্ধুকে সান্ত্বনা দেন ক্যাটানিয়া। তিনি বলেন, কনলি একজন ভালো মানুষ হলেও মেলেনক্যাম্পের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে পারেন—এমন একমাত্র পুরুষ তিনি নন। ভবিষ্যতে আরও কেউ তার প্রতি একই রকম যত্নশীল হতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুরে ‘অল সোলস ডে’ উপলক্ষে সমাধিগুলো ফুলে ও আলোয় উজ্জ্বল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


দিনাজপুরে ‘অল সোলস ডে’ উপলক্ষে সমাধিগুলো ফুলে ও আলোয় উজ্জ্বল

সন্ধ্যার আকাশে তারার ফুল ফুটতে শুরু করেছে, নিচে গাছ থেকে তোলা তাজা ফুল। ফুলে ফুলে ঢাকা পড়েছে সমাধিগুলো। প্রত্যেক সমাধিতে রয়েছে মোমবাতির সারি। পরিচ্ছন্ন সমাধিস্থল ঘিরে তখন অপার্থিব আবেশ বিরাজমান।

দিনাজপুরের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের কাছে সোমবারের সন্ধ্যা ছিল বিশেষ। এই দিনটি ‘অল সোলস ডে’ নামে পরিচিত। এদিন সন্ধ্যায় প্রয়াতদের আত্মাকে স্মরণ করে তারা। সমাধিস্থল পরিষ্কার করে, ধূপকাঠি জ্বালিয়ে, ফুলে ফুলে ছেয়ে ফেলেন। মোমবাতির সারিতে আলোকোজ্জ্বল হয়ে ওঠে সমাধিগুলো।

বিভিন্ন সমাধিস্থলে ঘুরে দেখা যায়, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা তাদের প্রিয়জনদের সমাধিতে ফুলের পাপড়ি ছড়িয়ে দিচ্ছেন। সমাধিগুলোতে জ্বলছে ধূপকাঠি ও মোমবাতি। এর আগে কয়েকদিন ধরে তারা সমাধি পরিষ্কার করে, কাদা দিয়ে লেপে দিয়েছেন সমাধিগুলো।

সমাধিস্থলে আসা মৃতদের স্বজনরা জানান, প্রতিবছর ২ নভেম্বর ‘অল সোলস ডে’ পালন করেন তারা। স্বজন বা প্রিয়জনের সমাধিতে মোমবাতি জ্বালিয়ে, ফুলের পাপড়ি ছড়িয়ে, পবিত্র জল ছিটিয়ে অল সোলস ডে বা বিশ্ব আত্মার শান্তি দিবস পালন করেন। প্রতিবছরের মতো এবারও দিনাজপুরের গির্জাগুলোতে প্রার্থনা করেন শত শত মানুষ।

দিনাজপুর শহরের নিউটাউন মহাজন পাড়াসংলগ্ন খ্রিস্টান সিমেট্রিতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে সমাধিতে ফুল দিয়ে, ধূপকাঠি ও মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রিয়জনের শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। এ সময় সমাধির পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ প্রার্থনা করতেও দেখা যায় তাদের।

খ্রিস্টান সিমেট্রিতে থাকা মায়ের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন বিশ্বনাথ লাকরা (৫৫)। তিনি জানান, তিন বছর আগে মারা গেছেন তার মা মিরা দেবী। তার ভাষ্য, “প্রিয়জন পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাদের স্মৃতি ও ভালোবাসা যে অমলিন, সেই বার্তাই বহন করে ‘অল সোলস ডে’। প্রয়াতদের স্মরণ, তাদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ এবং আত্মার শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।”

বিলিন বিলিন কুইয়া নামের একজন বলেন, “মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কৃষ্ণ বাঁকা, রাম সোজা’ মন্তব্যে ক্ষমা চাইলেন বাগেশ্বর বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


‘কৃষ্ণ বাঁকা, রাম সোজা’ মন্তব্যে ক্ষমা চাইলেন বাগেশ্বর বাবা

ভারতের আলোচিত ধর্মীয় প্রচারক ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, যিনি বাগেশ্বর বাবা নামে পরিচিত, সম্প্রতি হিন্দু দেবতা রাম এবং কৃষ্ণকে তুলনা করার পর ক্ষমা চেয়েছেন। তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি দাবি করেছেন যে, তার বক্তব্যের একটি অংশ প্রচার করে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করা হয়েছে।

মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলার কারেরা এলাকায় রামকথা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ৩০ বছর বয়সী এই ধর্মীয় প্রচারক রাম ও কৃষ্ণের তুলনা করেন। সেখানে তিনি রামকে ‘সোজা’ এবং কৃষ্ণকে ‘বাঁকা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তার এই বক্তব্যের কারণে বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে।

সমালোচনার মুখে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বলেন, তিনি কখনোই রাম ও কৃষ্ণের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চাননি। তিনি জানান, ভক্তিমূলক একটি পদ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন। তবে পুরো বক্তব্য না শুনে ভিডিওর একটি অংশ দেখে অনেকে ভুল ব্যাখ্যা করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি নিজেও ঠাকুরজির (কৃষ্ণ) ভক্ত। ব্রজভূমির প্রতি আমার গভীর অনুরাগ রয়েছে। প্রার্থনার সময় আমি ঠাকুরজির কাছে ব্রজে জীবন কাটানোর সুযোগ চাই।’

ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী আরও দাবি করেন, তার বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল একটি প্রচলিত ভক্তিমূলক পদের ভাব ব্যাখ্যা করা। ওই পদে বাঁশি বাজানোকে খেলা এবং ধনুক চালানোকে গুরুতর বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তার কথায়, কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছেন।

এর আগে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, রাম সোজাসাপটা, তার নাম, চেহারা ও চলাফেরাও সোজা। অন্যদিকে কৃষ্ণকে বাঁকা হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। কৃষ্ণের বাঁশি বাজানো নিয়েও কটাক্ষ করেন। মঞ্চে একজন বাঁশিবাদককে দেখিয়ে তিনি বলেন, বাঁশি বাজানো কোনো বড় বিষয় নয়; কিন্তু ধনুক চালানো আলাদা ব্যাপার।

এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তিনি জানান, হিন্দু দেবতাদের নিয়ে এ ধরনের অবমাননাকর তুলনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও আপত্তিকর।

বিতর্কের জবাবে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বলেন, তিনি কৃষ্ণের বিরোধী নন। বরং কৃষ্ণের জন্মভূমির দাবির পক্ষে বারবার কথা বলেছেন। তার ভাষ্য, কৃষ্ণের প্রতি তার নিজেরও ভক্তি রয়েছে। বক্তব্যের ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনায় কারও অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

সূত্র: এনডিটিভি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক মামলায় ফেঁসেছিল সারা, আমি ওর পাশে ছিলাম: ওরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


মাদক মামলায় ফেঁসেছিল সারা, আমি ওর পাশে ছিলাম: ওরি

বলিউডের অভিনেত্রী সারা আলী খানের জীবনে ২০২০ সালে একটি কঠিন সময় উপস্থিত হয়েছিল। অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর মাদকসংক্রান্ত তদন্তে তার নাম জড়িয়েছিল। সেই সময় সারার পাশে ছিলেন তার দীর্ঘদিনের বন্ধু ওরহান আওয়াতরামানি, যিনি ওরি নামে পরিচিত। তবে, বন্ধুর বিপদের সময়ে পাশে থাকলেও নিজের কঠিন পরিস্থিতিতে সারার কাছ থেকে সামান্য সহানুভূতি পাননি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এই অভিমান থেকেই সারা ও তার মা অমৃতা সিংহের সঙ্গে বন্ধুত্ব ভেঙে দিয়েছেন এই ইনফ্লুয়েন্সার।

সম্প্রতি, অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর অনুষ্ঠানে ‘ডাবল ডেট’-এ অতিথি হয়ে এসে এসব কথা জানান ওরি। অনুষ্ঠানে সামাজিক মাধ্যমে কাছের কোনো ব্যক্তিকে আনফলো করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এক মুহূর্তও না ভেবে সারা ও তার মায়ের নাম উল্লেখ করেন তিনি।

ওরি বলেন, “আমি এ বিষয়ে খুব খোলাখুলিই বলি। সারার মা আমাকে খুব বকেছিলেন। তাই তাকেও অনুসরণ করা বন্ধ করে দিয়েছি।”

সারার সঙ্গে ছোটবেলা থেকেই বন্ধুত্ব ওরির। কলেজজীবনেও তাদের যোগাযোগ ছিল। প্রায় এক দশকের এই বন্ধুত্বে সারার জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সব সময় পাশে ছিলেন তিনি। কিন্তু নিজের বিপদের সময়ে অভিনেত্রীকে পাশে পাননি। আর সেই অভিমান থেকেই বন্ধুত্ব ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান ওরি।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মাদকসংক্রান্ত তদন্তে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) সারাকে তলব করেছিল। সেই সময়ে সারা গোয়ায় ছুটি কাটাচ্ছিলেন। ওই কঠিন পরিস্থিতিতেও তার পাশে ছিলেন বলে জানান ওরি।

তিনি বলেন, “আমরা তখন গোয়ায় ছিলাম। ও যখন এত বড় মামলায় জড়িয়ে পড়েছিল, আমি ওর সঙ্গে ছিলাম। কখনো ওর সঙ্গ ছাড়িনি।”

তবে পরবর্তী সময়ে নিজের জীবনের কঠিনতম পরিস্থিতিতে সারা আলী খানের কাছ থেকে সামান্য সহানুভূতি পাননি বলে অভিযোগ করেন ওরি। তিনি বলেন, একবারও ফোন করে তার খোঁজ নেননি অভিনেত্রী। জীবনে একবার তার পাশে সারার থাকার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তখনই তিনি উধাও হয়ে যান।

ওরির ভাষায়, “এত খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, অথচ একবারও ফোন করল না। একবারও জানতে চাইল না, আমি কেমন আছি।”

এ ঘটনায় যে তিনি গভীরভাবে আঘাত পেয়েছিলেন, তাও জানিয়েছেন ওরি। তিনি বলেন, “সারা যখন কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন অনেকেই আমাকে ওর সঙ্গ ছেড়ে দিতে বলেছিল। কিন্তু আমি ওর পাশে ছিলাম। ওর মায়ের পাশেও দাঁড়িয়েছিলাম। আর যখন আমার পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হলো, তখন ও একটা ফোনও করতে পারল না।”

ওরি আরও জানান, চলতি বছরের গোড়ায় সারা আলী খানের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। সেই সময়ে অভিনেত্রীকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুরনো সম্পর্ক আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয়। তবে এতকিছুর পরও সারা তার কাছে ক্ষমা চাননি বলেও দাবি করেন ওরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানের শপথ গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানের শপথ গ্রহণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকারের কার্যালয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শপথ পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠানে সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্পিকার তাদের শপথবাক্য পাঠ করান, যা সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ বিধির আওতায় অনুষ্ঠিত হয়। শপথ গ্রহণের পর নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য সংসদ সচিবের কক্ষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%