শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:০০ পি.এম
বান্দরবানের থানচি-আলীকদম সড়কের ২১ কিলোমিটার পয়েন্ট থেকে তিন্দু বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়কে পর্যটকবাহী যান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায়, সংস্কারকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল ফয়সাল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, থানচি-আলীকদম সড়কের ২১ কিলোমিটার পয়েন্ট থেকে তিন্দু বাজারের সংযোগ সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং, সড়কটি পুনরায় সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকবাহী যান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল ফয়সাল মন্তব্য করেন, ‘তিন্দু বাজারের সংযোগ সড়কটি এখনো পুরোপুরি মেরামত করা হয়নি। সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। সড়কটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা থাকায় পর্যটকরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পর্যটকরা আলীকদম হয়ে থানচি তিন্দুতে আসায় তাদের সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আগাম তথ্য থাকে না। ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে সমস্যায় পড়তে হয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিড়াল শুধুমাত্র মানুষের প্রিয় পোষ্য নয়, বরং বহু বছর ধরে মানুষের আশপাশে বসবাসকারী একটি পরিচিত প্রাণীও। তবে সব বিড়ালের জীবন নিরাপদ আশ্রয়ে কাটে না। অনেক বিড়াল রাস্তাঘাটে খাবার, চিকিৎসা ও নিরাপত্তার অভাবে বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়। বিড়ালের সুরক্ষা, কল্যাণ এবং তাদের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করতেই পালিত হয় বিশ্ব বিড়াল দিবস।
প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর বিশ্ব বিড়াল দিবস বা গ্লোবাল ক্যাট ডে পালিত হয়। ২০২৬ সালেও আজ এই দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য হলো বিড়ালকে মানুষের বসবাসের পরিবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
বিশ্ব বিড়াল দিবসের ইতিহাস যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রাণীকল্যাণ সংস্থা অ্যালি ক্যাট অ্যালাইসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০০১ সালে সংস্থাটি ১৬ অক্টোবর ন্যাশনাল ফেরাল ক্যাট ডে চালু করে। মূলত মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা এবং খোলা পরিবেশে বসবাসরত বিড়ালদের সুরক্ষা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই ছিল এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
সেই সময় পথবিড়াল এবং মানুষের আশপাশে বসবাসকারী বিড়ালদের প্রতি অবহেলা এবং তাদের হত্যার মতো ঘটনা প্রাণীকল্যাণকর্মীদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতিতে বিড়ালের জীবন রক্ষা, তাদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং বিকল্প পরিচর্যার ব্যবস্থা নিয়ে জনসচেতনতা তৈরির প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরবর্তীতে এই উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের সীমা অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করে। ২০১৭ সালের ১৬ অক্টোবর প্রথমবারের মতো গ্লোবাল ক্যাট ডে উদযাপন করে অ্যালি ক্যাট অ্যালাইস। এর মাধ্যমে দিবসটির পরিধি আরও প্রসারিত হয়। পথবিড়ালসহ বিশ্বের সকল বিড়ালের সুরক্ষার বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।
বিশ্ব বিড়াল দিবসের মূল উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিড়ালকে নিয়ে আনন্দ উদযাপন নয়। বরং তাদের জীবন রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিড়ালের প্রতি মানুষের দায়িত্বশীল আচরণকে উৎসাহিত করা। পথবিড়াল অনেক সময় খাবারের অভাব, অসুস্থতা, দুর্ঘটনা এবং মানুষের নির্যাতনের শিকার হয়। তাদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, চিকিৎসা ও পরিচর্যার সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। এই দিবসের মাধ্যমে এসব সমস্যা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করা হয়।
এছাড়া পথবিড়ালের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মানবিক পদ্ধতি হিসেবে ট্র্যাপ-নিউটার-রিটার্ন (টিএনআর) কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই পদ্ধতিতে বিড়ালকে নিরাপদে ধরে নির্বীজকরণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর আগের পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এর লক্ষ্য হলো বিড়ালের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি তাদের জীবন রক্ষা করা।
বিশ্ব বিড়াল দিবস মনে করিয়ে দেয়, বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা শুধুমাত্র ঘরে পোষ্য হিসেবে রাখা প্রাণীটির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। পথেঘাটে বসবাসকারী বিড়ালের প্রতিও মানবিক আচরণ অপরিহার্য। তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধ করা, অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং নিরাপদে বেঁচে থাকার পরিবেশ তৈরিতে এগিয়ে আসা এই দিবসের অন্যতম বার্তা।
অতএব, ১৬ অক্টোবর কেবল বিড়ালকে ভালোবাসার দিন নয়, বরং তাদের সুরক্ষা ও কল্যাণের দায়িত্ব নতুন করে উপলব্ধি করার দিন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের সঙ্গে বিড়ালের সহাবস্থানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং প্রতিটি বিড়ালের জীবনকে গুরুত্ব দেওয়াই বিশ্ব বিড়াল দিবসের মূল তাৎপর্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের পর্দা অতিক্রম করে এবার সংগীত উৎসবের আয়োজনের উদ্যোগ নিচ্ছেন শাহরুখ খান। ২০২৭ সালের ২০ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ইউনিফাইড’ (UNIFYD) নামের এই সংগীত ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এক মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করবেন ১৫ জনের বেশি শিল্পী, যার মধ্যে রয়েছেন অরিজিৎ সিং, সোনু নিগম ও করণ আওজলা।
আবুধাবির ইয়াস আইল্যান্ডের ইতিহাদ লাইভে এক দিনের এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। ভারতীয় সংগীতের বিভিন্ন ধারা ও প্রজন্মের শিল্পীদের একত্রিত করা হবে এর মূল উদ্দেশ্য। উৎসবটির সৃজনশীল পরিকল্পনার দায়িত্বে রয়েছেন শাহরুখ খান।
এক বিবৃতিতে শাহরুখ খান উল্লেখ করেন, পর্দায় গল্প বলতে গিয়ে তিনি দেখেছেন, কিভাবে গল্প মানুষকে একত্রিত করে। সংগীতেরও মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা আনার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে। তার ভাষায়, ‘ইউনিফাইড’ ভারতীয় সংগীতের উল্লেখযোগ্য শিল্পীদের একই মঞ্চে নিয়ে আসবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আয়োজনটি ব্যাপ্তি, উদ্দীপনা ও জাঁকজমকের দিক থেকে একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে।
এক মঞ্চে অরিজিৎ, সোনু ও করণ
উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন অরিজিৎ সিং, সোনু নিগম ও করণ আওজলা। অরিজিতের জনপ্রিয় রোমান্টিক গান, সোনুর দীর্ঘদিনের সংগীতজীবনের পরিচিত সুর এবং করণের পাঞ্জাবি গান—সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য ভিন্ন ধারার সংগীত উপভোগের সুযোগ থাকবে।
আয়োজকদের দাবি, সোনু নিগম তার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কোনো সংগীত উৎসবে পারফর্ম করবেন। একাধিক মঞ্চে ১৫ জনের বেশি শিল্পী সংগীত পরিবেশন করবেন বলে জানানো হয়েছে।
উৎসবটি যৌথভাবে আয়োজন করছে ডি’ইয়াভল লাইভ ও ডিস্ট্রিক্ট। এটির সঙ্গে রয়েছে আবুধাবির সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগ, মিরাল এবং এমিরেটস এনবিডি।
ডি’ইয়াভল লাইভ হলো ডি’ইয়াভল লাক্সারি কালেক্টিভের অংশ। শাহরুখ খান, তার ছেলে আরিয়ান খান, লেতি ব্লাগোয়েভা ও বান্টি সিং এই কালেক্টিভের সহপ্রতিষ্ঠাতা।
টিকিট বিক্রি শুরু কবে?
আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, এমিরেটস এনবিডি কার্ডধারীদের জন্য অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় সময় অনুযায়ী। এই সুযোগ চলবে ২০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। সাধারণ দর্শকদের জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায়।
টিকিট কেনা যাবে শুধুমাত্র ডিস্ট্রিক্ট অ্যাপের মাধ্যমে। তবে টিকিটের দাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, আবুধাবিতে প্রথম আয়োজনের পর ‘ইউনিফাইড’কে অন্যান্য শহর ও আন্তর্জাতিক বাজারেও নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারতীয় সংগীতের বৈশ্বিক জনপ্রিয়তাকে কেন্দ্র করে উৎসবটিকে আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজনে পরিণত করতে চান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা ও আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন উপলক্ষে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনের অংশ হিসেবে "কাঁঠাল চাঁদপুর সর্বজনীন দুর্গা মন্দির" পরিদর্শন করেছেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিল্লুর রহমান।
আজ শুক্রবার ১৬ অক্টোবর সকালে পরিদর্শনকালে তিনি রহনপুর ইউনিয়নের ০৯ নম্বর ওয়ার্ডের উজিরপুর ডাকঘরের অধীনে অবস্থিত ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহাসিক 'কাঁঠাল চাঁদপুর সর্বজনীন দুর্গা মন্দির'-এর সামগ্রিক অবস্থা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সার্বিক আয়োজনের খোঁজখবর নেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিল্লুর রহমান পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে উৎসব পালনে প্রশাসন থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, "ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। এলাকায় উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের পাশে থাকবে।"
পরিদর্শনকালে মন্দির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ইউএনও সাহেবের এই আন্তরিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও এলাকাবাসী গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আগমনী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ষষ্ঠীতে দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শেরপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। শেরপুর জেলা প্রতিনিধি শেখ রিয়াজ এর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে বিস্তারিত ডেস্ক রিপোর্ট।
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, শেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের গোপাল জিউর মন্দির থেকে এক বর্ণাঢ্য আগমনী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন। পরে শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় গোপাল জিউর মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় শোভাযাত্রায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর আরিফ আহমেদ, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, সদস্যসচিব সুব্রত দেসহ জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
শোভাযাত্রায় শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপের পক্ষ থেকে রঙবেরঙের ব্যানার, বিভিন্ন প্রতিমার প্রতিকৃতি এবং প্রতীকী পূজামণ্ডপের সাজে শিশু ও পুণ্যার্থীরা অংশ নেন। বর্ণাঢ্য এ শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেরপুরে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ