ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭টি নির্দেশনা


বন্যা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭টি নির্দেশনা

দেশের চলমান বন্যার পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সাত দফা জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে।

শুক্রবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এসব নির্দেশনা উত্থাপন করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত হিসেবে, বন্যাকবলিত সব উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ফোকাল পারসন নিয়োগের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর সরবরাহ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

বন্যায় আক্রান্ত মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি আক্রান্ত জেলা ও উপজেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিকেল টিম গঠন করা হবে। এছাড়া সব ধরনের জরুরি ওষুধ, ওআরএস বা স্যালাইন এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটের পর্যাপ্ত মজুত রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-স্নেক ভেনমও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে, আর প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

এছাড়া, গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রসূতিদের হাসপাতালের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।

সভায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো, বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়; এজন্য সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ ও অন্যান্য কর্মীদের যথাযথ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের ছুটি বাতিল করা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া, বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং ও প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ১২ জুলাই বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিভাগের গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে জরুরি প্রেস ব্রিফিং আয়োজনেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন এবং বিভাগীয় পরিচালকদের (স্বাস্থ্য) ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছে।

সভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব। এ ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), পরিচালক (প্রশাসন), সব বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) এবং দেশের সব সিভিল সার্জন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ মুজিবের কাছে পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০০ পি.এম


শেখ মুজিবের কাছে পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না: স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভাঙার কোনো ইচ্ছা বা বিচ্ছিন্নতাবাদী হওয়ার কোনো বাসনা শেখ মুজিবুর রহমানের কখনও ছিল না। এজন্য ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর ক্র্যাকডাউনের আগে, যদিও তাজউদ্দিন আহমেদের অনুরোধ ছিল, তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

শনিবার (১১ জুলাই) ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গাল রেজিমেন্টে ইতিহাস ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ নামক এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার আরও বলেন, তাজউদ্দিন সাহেব শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গিয়ে বলেছিলেন পাকিস্তানিরা আক্রমণ করতে যাচ্ছে এবং মানুষ স্বাধীনতা চায়। কিন্তু শেখ সাহেব তখন পরিষ্কারভাবে বলেছেন, আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চাই না, পাকিস্তান ভাঙতে আমার কোনো অবদান থাকুক এটি আমি চাই না। সুতরাং তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণের মুখে যখন জাতি দিশেহারা ও অবদমিত হতে চলেছিল, তখনই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাহস ও দৃঢ়তায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই সংকটময় মুহূর্তে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করেছে। এটিই হলো প্রকৃত সত্য।

হাফিজ উদ্দিন জোর দিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি জনতার যুদ্ধ।

তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর ক্ষমতায় আসার পর একটি বিশেষ গোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করে যাচ্ছে, যা শুধু ৭ মার্চের ভাষণের ভিত্তিতে স্বাধীনতার কৃতিত্ব নিতে চেয়েছে এবং এটি চরম অন্যায়। রাজনীতিবিদরা সাধারণত অন্যের কৃতিত্ব হাইজ্যাক করার চেষ্টা করেন এবং নিজেদের দলের নেতাকে ছাড়া কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান না।

আলোচনায় তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবময় ভূমিকা স্মরণ করে বলেন, পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টের মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। আলাদা আলাদা ক্যান্টনমেন্টে তারা পূর্বপরিকল্পনা বা যোগাযোগ ছাড়াই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিদ্রোহ করে এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানায়। এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধ যুদ্ধই ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি হলেও ছিল।

সেনাবাহিনীতে যোগদানের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে তিনি জানান, তিনি মূলত ফুটবল খেলার টানে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের অনুপ্রেরণা ও উৎসাহে তিনি ইস্ট বেঙ্গাল রেজিমেন্টে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে মহান রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করি, যিনি আমাকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।

এছাড়াও তিনি ইস্ট বেঙ্গাল রেজিমেন্টের প্রধান সংগঠক মেজর (সাবে) আব্দুল গনির এবং ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের রেজিমেন্ট কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান মজুমদারের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি সৈনিকদের সঙ্গে অফিসারদের সম্পর্কের ঐতিহ্যবাহী বন্ধন পুনরায় শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

আলোচনায় তিনি মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গাল রেজিমেন্টের গৌরবময় ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, তখন পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টের মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। আলাদা আলাদা ক্যান্টনমেন্টে তারা পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিদ্রোহ করে এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান করে। এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধ যুদ্ধই ছিল ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণভোটের দাবি থেকে সরকারের সরে আসায় জনগণ হতাশ: হাসনাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


গণভোটের দাবি থেকে সরকারের সরে আসায় জনগণ হতাশ: হাসনাত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করে বলেছেন, সরকার গণভোটের দাবি থেকে সরে আসার ফলে জনগণ হতাশ ও আহত হয়েছে।

তিনি শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে চাঁদপুর শহরের বাইতুল আমিন শপথ চত্বর মোড়ে গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আয়োজিত 'জুলাই পদযাত্রা' শেষে সমাবেশে এই মন্তব্য করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, অতীতের সরকার ভোট চুরি করতেন, তবে বর্তমান সরকার ভোটের ফলাফল চুরি করেছে। সরকার গণভোটের দাবি থেকে সরে আসায় জনগণ হতাশ ও আহত হয়েছে।

তিনি কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ সংকট, এবং নাগরিকদের নিত্যদিনের দুর্ভোগ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকার এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু ছয় মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত একটি কর্মসংস্থানও নিশ্চিত করতে পারেনি।

হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, দ্রুত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হোক। তিনি আরও বলেন, দিন দিন দেশে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে চলেছে। সরকার ইরান যুদ্ধের অজুহাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরও বিদ্যুৎ সংকটের কার্যকর কোনো সমাধান দিতে পারেনি। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন চলমান বিভিন্ন সংকটের কারণে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেশনজট দূর ও সময়োপযোগী পাঠ্যক্রমে জোর দিচ্ছে সরকার: মিলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


সেশনজট দূর ও সময়োপযোগী পাঠ্যক্রমে জোর দিচ্ছে সরকার: মিলন

শিক্ষা উপদেষ্টা ড. এ এন এম এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের জনমিতিক সুবিধা (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) পুরোপুরি কাজে লাগাতে সরকার সেশনজট দূরীকরণ, পাঠ্যক্রম সংস্কার এবং শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ে শিক্ষা সম্পন্ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি আজ সাভারে একটি আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন, যা ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল।

শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশের সিলেবাস ও পাঠ্যক্রম প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কমিটি সমন্বিতভাবে কাজ করছে যাতে আধুনিক, যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা যায়।

ড. মিলন বলেন, দুই বছরের কোর্স দুই বছরেই শেষ হতে হবে। একইভাবে, ছয় বছর বয়সে বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী যেন ১৮ বছর বয়সের মধ্যে ১২ বছরের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর শেষ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই বর্তমানে কাজ চলছে।

তিনি জানান, ‘কোনো ধরনের সেশনজট থাকবে না। আমাদের সন্তানদের মূল্যবান সময় অকারণে নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ, দেশের জনমিতিক সুবিধা যাতে পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়, সে লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

অতীতের কিছু উদাহরণ তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আগে সরকারি কর্মকর্তারা খিচুড়ি রান্না শেখা কিংবা কচুরিপানা পরিষ্কার করার মতো বিষয়ে বিদেশ সফরে যেতেন। সেই সময় বর্তমানে নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা ব্যবস্থার চারটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে সংস্কৃতি, খেলাধুলা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং আনন্দময় শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন, যা প্রধান উপদেষ্টারও বিশেষ অগ্রাধিকার।

ড. মিলন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে চান, যারা শিক্ষাকে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করবে।

ড. মিলন জানান, চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে আনন্দময় শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, পারিবারিক মূল্যবোধ, ইসলামী মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যসূচিতে সংযোজন করা হবে।

তিনি বলেন, পাঠ্যবইয়ে নিরপেক্ষ ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং চলতি বছরের পাঠ্যবইয়ে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংশোধন আনা হয়েছে।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘পাঠ্যক্রম পরিবর্তন একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। তাই পরিকল্পিতভাবে আমরা আধুনিক ও সময়োপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’

শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নের ওপরও সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, নতুন পদ্ধতিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।

সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রাথমিক বৃত্তি কর্মসূচিতে এবার থেকে ২০ শতাংশ বৃত্তি বেসরকারি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। অতীতে এ ধরনের ব্যবস্থা ছিল না।

তিনি বলেন, শিক্ষা সবার মৌলিক অধিকার এবং সরকার সেই অধিকার নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকার শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সেসব এলাকার পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

এর আগে ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ১৬ জুলাই শুরু হচ্ছে রথযাত্রা উৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


চট্টগ্রামে ১৬ জুলাই শুরু হচ্ছে রথযাত্রা উৎসব

চট্টগ্রামে কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় উদ্বোধনের পর নন্দনকানন রথের পুকুর পাড় থেকে কেন্দ্রীয় রথের সাথে পর্যায়ক্রমে যোগ দেবে নগরের ১২টি আঞ্চলিক কমিটির রথসহ বিভিন্ন মঠ-মন্দিরের রথ।

নগরীর নন্দনকানন তুলসীধামে আয়োজিত আজ এক সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন রথযাত্রা উৎসবের বিস্তারিত তুলে ধরেন ঋষিধাম অধিপতি ও তুলসীধামের মোহন্ত শ্রীমৎ দেবদীপানন্দ পুরী মহারাজ।

এসময় লিখিত বক্তব্যে কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সভাপতি হিরন্ময় ধর বলেন, তুলসীধামের রথযাত্রা তিনশ বছরের প্রাচীন। ১৮শ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে চট্টগ্রামে শুরু হয় রথযাত্রা উৎসব। কালের পরিক্রমায় এটি কেন্দ্রীয় রথযাত্রায় রূপ নিয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রথের পুকুর পাড় থেকে নগরের বেশ কিছু রথ নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে রথ পরিক্রমা হবে।

তিনি জানান, সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ চট্টগ্রামে এই রথযাত্রা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারের কেন্দ্রীয় রথযাত্রার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তুলসী ধামে জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার পর থেকে ১৫ দিন ধরে চলমান রয়েছে অদ্বৈত-অচ্যুত চিকিৎসক ফোরামের চিকিৎসাসেবা ক্যাম্প। তুলসীধাম মদনমোহন মন্দিরে ১৬ জুলাই চলবে পূজার্চনা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিধান ধর, অর্থ সম্পাদক সুজিত হাজারী, রথ পরিক্রমার সমন্বয়কারী শ্যামদাশ ধর, তপন ধর, প্রবীর দাশ, অ্যাডভোকেট সুজন কান্তি দে প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%