০২:১২ এম
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণকে আলোকসজ্জিত করা হয়। ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গত ৭ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠান সন্ধ্যায় কেক কেটে উদ্বোধন করা হয়। এই আয়োজনে বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী, নৈশভোজ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং আকর্ষণীয় রাফেল ড্র অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই উপলক্ষে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ সদস্য সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমান উল্লাহ আমান এমপি, সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাসসের চেয়ারম্যান কবি আব্দুল হাই শিকদার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাদের গনি চৌধুরী এবং শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপি প্রমুখ।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে জাতীয় প্রেস ক্লাবের অবদানের কথা তুলে ধরেন নব্বইয়ের সর্বদলীয় ছাত্র আন্দোলনের নেতা আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেন, "১৯৭১ সাল যাদের লিখনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, সেই স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রেস ক্লাব, যার নামফলক এখনো এখানে রয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "সেই প্রেস ক্লাবের মধ্য দিয়েই ১৯৭১, ১৯৯০ এবং চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের পক্ষে লেখনির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন সাংবাদিকরা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে তারেক রহমানকে প্রধান অতিথি করে এখানে অনুষ্ঠান করায় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সভাপতির নির্দেশে আমাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।"
অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ বলেন, "জাতীয় প্রেস ক্লাব ৭২ বছর ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে এসেছে। গণতন্ত্র এখনো বিপন্ন। আমরা যেন গণতন্ত্রকে তার সুনির্দিষ্ট পথরেখায় এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, সে দায়িত্ব সবার।"
এর আগে, ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির মধ্যে ছিল স্মরণ সভা, টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা, সদস্যদের দাবা ও নারী সদস্যদের লুডু প্রতিযোগিতা, সদস্যদের স্পেড ট্রাম্প ও এয়ারগান শুটিং প্রতিযোগিতা, শিশু আনন্দমেলা এবং মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা। এসব প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবের ৩ শহরে জরুরি সতর্কতা জারি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন