মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৫:২৪ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ১০ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এ হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও রহনপুর পৌরসভার জামায়াত মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী মো. তরিকুল ইসলাম বকুল, নাচোল উপজেলা আমির প্রভাষক ইয়াকুব আলী, রহনপুর পৌর জামায়াতের আমির মাইনুল ইসলাম, গোমস্তাপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মশিউর রহমান, রহনপুর পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মানিক রায়হানসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে হুইলচেয়ার বিতরণ কার্যক্রমের প্রতিক্রিয়ায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক নাহিদ ইসলাম। শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন রহনপুর পৌর জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল হুদা।
হুইলচেয়ার পেয়ে উপকারভোগীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়াও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম)-এর উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) উগোচি ড্যানিয়েলস আজ ভোরে ঢাকায় চার দিনের সফরে এসে পৌঁছেছেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য আইওএমের আঞ্চলিক পরিচালক ইওরি কাতো, বাংলাদেশের জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম। উগোচি ড্যানিয়েলস সফরকালে বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন অংশীদার এবং আইওএমের সহায়তাপ্রাপ্ত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তার কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন বিষয়ক বৈশ্বিক চুক্তি (জিসিএম)-এর আওতায় বাংলাদেশের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০) উদ্বোধন অনুষ্ঠান। এছাড়া তিনি কক্সবাজার ও মাদারীপুর সফর করবেন এবং অভিবাসন সুশাসন, জলবায়ুজনিত মানব চলাচল, শ্রম অভিবাসন, সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্যারাসেইলিংকালে সাগরে ছিটকে পড়ে খুলনা থেকে আসা শৌভিক রয় নামের এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার দুপুরের সময় কক্সবাজার মেরিনড্রেইভের দরিয়ানগর এলাকায় ফরিদ নামের এক ব্যক্তির মালিকাধীন প্যারাসেইলিং-এর দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সৈকতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের বীচকর্মী মাহবুব আলম।
তিনি জানিয়েছেন, খুলনা থেকে আসা ৯ জনের একটি দল কক্সবাজারে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে কলাতলীর ওশান ভিউ প্যারাডাইস নামক হোটেলে ওঠেন। শনিবার দুপুরে দরিয়ানগরে প্যারাসেইলিং করতে গিয়ে রশি ছিঁড়ে সাগরের পানিতে ছিটকে পড়েন শৌভিক রয়। পরে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত মৃতদেহ হাসপাতালেই রয়েছে। নিহতের সঙ্গে আসা বন্ধু এবং প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা কেউ এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, ফরিদ আহমদ নামের একজন ব্যক্তির মালিকানাধীন দরিয়ানগরের ওই প্যারাসেইলিং-এর কার্যক্রমে গত ২ বছরে অন্তত ১০ পর্যটক নানাভাবে আহত হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে যে, প্যারাসেইলিং পরিচালনাকারী অনেকেই অদক্ষ এবং প্রশাসনের নির্ধারিত নির্দেশাবলী ও শর্ত মেনে চলছেন না।
ফলে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্যারাসেইলিং-এর একটি দুর্ঘটনায় কয়েকজন পর্যটক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এই ঘটনায় প্রশাসন প্যারাসেইলিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এক মাস পর পুনরায় এ কার্যক্রম চালু করা হয়। গত এপ্রিল মাসেও একই প্যারাসেইলিং-এ এক পর্যটক আহত হয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর সদর উপজেলার পিয়ারপুর এলাকার বেড়ির বাজারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১২৮ বোতল নিষিদ্ধ মাদক এসকাফ সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর। এ সময় মাদক বিক্রির নগদ ৭ হাজার ৭০০ টাকা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।
র্যাব জানায়, শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বাজার এলাকায় টহলরত অবস্থায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা জানতে পারেন, পিয়ারপুর গ্রামের বেড়ির বাজার এলাকায় দুই ব্যক্তি বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। খবরের সত্যতা যাচাইয়ে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে সেখানে অভিযান চালানো হলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুইজন পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় একজনকে আটক করা হলেও অপরজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি মো. আয়ুব হোসেন (৪৯)। তিনি সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের দিন আলী গাজীর ছেলে।
র্যাবের উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার সঙ্গে থাকা দুটি ব্যাগ তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় টেপ দিয়ে মোড়ানো ৮০ বোতল ও ৪৮ বোতল, মোট ১২৮ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার কাছ থেকে মাদক বিক্রির ৭ হাজার ৭০০ টাকা এবং একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি র্যাবকে জানান, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলে তার বিরুদ্ধে চারটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক সহযোগীর সঙ্গে মিলে বিভিন্ন এলাকায় মাদক সংগ্রহ ও বিক্রি করে আসছিলেন।
র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত মাদক নিজের হেফাজতে রেখে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করায় গ্রেপ্তার ব্যক্তি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এ ঘটনায় মাদারীপুর সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
র্যাব-৮ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চোরাচালান ও মাদকের বিরুদ্ধে র্যাবের চলমান বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র ট্রিপল টেস্টেড ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড সিমেন্ট আশা সিমেন্ট বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে এ উপলক্ষে নোয়াখালী মাইজদীর নোয়া কনভেনশন সেন্টারে “আশা সিমেন্ট: স্বপ্নযাত্রায় নব দিগন্ত” শীর্ষক প্রোডাক্ট লঞ্চিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আশা সিমেন্টের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মো. সজিবুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিন, আশা সিমেন্টের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মেহেরাজুল ইসলাম, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মাইন উদ্দিন হাসান জুয়েল এবং নোয়াখালী অঞ্চলের রিজিওনাল হেড মো. মুহাইমিনুন হক।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা, ডিলার, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আশা সিমেন্ট দেশের নির্মাণ খাতে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে এ অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে উন্নতমানের সিমেন্ট ও নির্ভরযোগ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন, ব্যবসায়িক মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, র্যাফেল ড্র এবং অতিথিদের জন্য বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা ছিল। পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আশায় গড়ি আগামী” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণসামগ্রী ও সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে আশা সিমেন্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ