ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিশ্বমঞ্চে শীর্ষ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী


বিশ্বমঞ্চে শীর্ষ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে। বুধবার (১০ জুন) সকালে সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহিদ হয়েছেন। যুদ্ধবিরোধী এবং শান্তিকামী মানুষের জন্য এই গৌরব বিশ্বমঞ্চে সহজে এসেছে বলে মনে হয় না। দেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অনেক চ্যালেঞ্জ এবং প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, নারীরা নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করছে। আগামী দিনেও তারা এই যাত্রা অব্যাহত রাখবে।

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমান বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনী সম্মানের প্রতীক। মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একজন মেজর স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। এই গৌরব যাতে ম্লান না হয়, সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময় সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে অপতৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। তাঁর মতে, ঐক্য বিনষ্টের জন্য তৎপরতা চলছে। ২০০৯ সালে এমন ঘটনাগুলোর ফলাফল কী ছিল, আমরা তা জানি। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ আমাদের সবার। সবার উচিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা।

পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক সমীকরণের কারণে এআই, সাইবারসহ নতুন ক্ষেত্র তৈরির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের প্রযুক্তি নির্ভর হতে হবে এবং সরকার এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

আরও পড়ুন: শিল্পাঞ্চলে চলমান সহিংসতা দমনে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাধীন ও আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে মানবতার পক্ষে এবং বাংলাদেশ আগ্রাসন ও সংঘাতের বিপক্ষে কাজ করে যাবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর ইমেজ ও ঐক্য নষ্ট করতে দেশে ও বিদেশে নানা সময় অপতৎপরতা হয়েছে। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে বাহিনীর সদস্যদের স্বমহিমায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে সংসদীয় প্রতিনিধিদল আজ চীন যাচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে সংসদীয় প্রতিনিধিদল আজ চীন যাচ্ছেন

ডেপুটি স্পিকার ব‍্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় দল আজ বুধবার (১০ জুন) চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং-এর উদ্দেশে যাত্রা করবে।

দলটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চাইনিজ ইস্টার্ন এয়ারলাইনসের দুপুর ২ টার ফ্লাইটে যাত্রা শুরু করবে।

प्रतिनिधিদলের অন‍্য সদস‍্যরা হিসেবে আছেন: এনসিপির সদস‍্য সচিব আকতার হোসেন এমপি, বিএনপি দলীয় সংসদ সদস‍্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ‍্যামল এবং সংরক্ষিত আসনের জেসমিন সুলতানা এমপি।

ডেপুটি স্পিকার চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নরের আমন্ত্রণে ৭ম চায়না-সাউথ এশিয়ান কোঅপারেশন ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

প্রতিনিধিদলটি ১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোজিশনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এবারের এক্সপোজিশনের থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ হিসেবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংখ্যক বাণিজ্য প‍্যাভিলয়ন অংশগ্রহণ করবে। বাংলাদেশের বাণিজ‍্যমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে বাণিজ‍্য মেলা উদ্বোধন করবেন।

এছাড়া, দুই দিনব্যাপী কুনমিংয়ে ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বাধীন দলটি ইউনান প্রদেশের গভর্নর ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ইউনান প্রদেশের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বৈঠকে মিলিত হবেন।

সফরের শেষ দিনে, ডেপুটি স্পিকার চাইনিজ গ্লোবাল টিভি নেটওয়ার্ক ও ইউনান ন‍্যাশনাল টিভির সঙ্গে দুটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করবেন। সংসদীয় দল আগামী ১৩ জুন ঢাকায় ফিরে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরের রাজৈরে আলোচিত ‘হাতুড়ি বাহিনী’র প্রধান মাজহারুল শেখকে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাওন বল মাদারীপুর প্রতিনিধি

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৮ পি.এম


মাদারীপুরের রাজৈরে আলোচিত ‘হাতুড়ি বাহিনী’র প্রধান মাজহারুল শেখকে গ্রেপ্তার

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় আলোচিত ‘হাতুড়ি বাহিনী’র প্রধান হিসেবে পরিচিত এবং একাধিক মামলার আসামি মাজহারুল শেখ (৩৫)–কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

থানা সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। গ্রেপ্তার হওয়া মাজহারুল শেখ রাজৈর উপজেলার পশ্চিম রাজৈর এলাকার নজরুল শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন থানায় অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে।

এসব মামলার অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে হত্যা চেষ্টা, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, হামলা, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ।

পুলিশ জানাচ্ছে, মাজহারুল শেখ দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় ‘হাতুড়ি বাহিনী’র প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।

এছাড়া, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি রাজনৈতিক দলের রাজনীতির সঙ্গে betrokken ছিলেন বলেও পুলিশ তথ্য পেয়েছে।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, রাজৈর থানার মামলা নং–৪৩ (তারিখ: ৩১ মে ২০২৬)-এর এজাহারে ১ নম্বর আসামি হিসেবে মাজহারুল শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার (১০ জুন) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আইনের আওতায় এনে মাজহারুল শেখকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

পুলিশ সূত্রে আরো জানা যায়, মাজহারুলের বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অষ্টগ্রামে ক্রয়কৃত জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, কিশোরগঞ্জ

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫২ পি.এম


অষ্টগ্রামে ক্রয়কৃত জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া ভোলা কাজীর বাড়ি এলাকা থেকে ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী আমির মিয়া ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী জিলানী মিয়া অষ্টগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিলানী মিয়া ১৯৬৫ সালের ২০ ডিসেম্বর সম্পাদিত ১৮৬০ নম্বর দলিলমূলে জমিটি ক্রয় করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সেই জমিতে ভোগদখল করে আসছেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ লাগিয়ে বসবাস করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি প্রতিবেশী আমির মিয়া, দানিছ মিয়া, জামির মিয়া ও মতিউর মিয়া জোরপূর্বক ওই জমিতে ঘর নির্মাণ করেছেন।

ভুক্তভোগী জিলানী মিয়া জানান, জমিতে ঘর নির্মাণে বাধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের খুন-জখমের হুমকি দেন। ফলে জিলানী মিয়া ও তার পরিবার কঠোর আতঙ্কের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার জন্য একাধিকবার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে গিয়েছিলেন, কিন্তু অভিযুক্তদের প্রভাবের কারণে কেউ বিষয়টি সমাধান করতে এগিয়ে আসেননি।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে— মৃত আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে দানিছ মিয়া (৬৫), আমির মিয়া (৪৬), জামির মিয়া (৪৪) ও মতিউর মিয়া (৩৬)। জিলানী মিয়া আরও বলেন, “আমাদের কাছে জমির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

অন্যদিকে, আমির মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “প্রায় ২৫ বছর আগে আমাদের পরিবার জমিটি ক্রয় করেছে। এ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। জিলানী মিয়া এতদিন কোনো দলিল থাকার কথা বলেননি।”

এ বিষয়ে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য শুক্কুর আলী বলেন, “জিলানী ও আমির— উভয়ই আমার আত্মীয়। দুই পক্ষের জমি-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”

অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান বলেন, “আব্দুল্লাহপুর এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় জিলানী মিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় কলাগাছ দিয়ে তৈরি হচ্ছে সুতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


গাইবান্ধায় কলাগাছ দিয়ে তৈরি হচ্ছে সুতা

কলা সংগ্রহের পর গাছ কেটে ফেলা একটি পরিচিত দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। গাছ নিয়ে বাগানিদের বিপাকে পড়তে হতো, কারণ গাছ সরানো ছিল একটি বাড়তি ঝামেলা। তবে গাইবান্ধায় ইউটিউব দেখে সেই ফেলে দেওয়া কলাগাছ দিয়েই নতুন সম্ভাবনা শুরু করেছেন। কলাগাছের বাকল থেকে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব সুতা, যা অনেকের জীবন-জীবিকা বদলে দিয়েছে এবং বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করেছে।

জানা যায়, পূর্বে ফল সংগ্রহের পর কলাগাছের আর কোনো ব্যবহার থাকত না। সেই গাছ ক্ষেতেই পড়ে থাকত, পচে নষ্ট হতো। ফলে বাগান পরিষ্কার করতে বাগানিদের বাড়তি খরচ করতে হতো। কিন্তু এখন সেই কলাগাছের কাঁচামাল হয়ে উঠেছে অনেক মূল্যবান।

ইউটিউবে দেখে গাইবান্ধার সরকারপাড়ার আশিক ও শাওন নামের দুই যুবক কলাগাছের বাকল থেকে টেকসই সুতা তৈরি করছেন। যা ব্যাগ, মাদুর, সোপিস এবং অন্যান্য গৃহস্থলির কাজে ব্যবহৃত হস্তশিল্প পণ্য এবং অপারেশনাল কাজে ব্যবহৃত সুতা, স্যানেটরি ন্যাপকিনের উন্নতমানের তুলাসহ নানা কিছু তৈরির কারখানায় বিক্রি হচ্ছে।

উদ্যোক্তা আশিক ও শাওন জানান, প্রথমে কলাগাছ সংগ্রহ করে বাইরের স্তর আলাদা করা হয়। তারপর পরিস্কার করে মেশিনের সাহায্যে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আঁশ বের করা হয়। ভালোভাবে রোদে শুকানোর পর সেই আঁশ পাকিয়ে তৈরি হয় সুতা। পুরো প্রক্রিয়াটি পরিবেশবান্ধব হয়। এতে কোনো রাসায়নিক ব্যবহার হয় না, ফলে প্রকৃতির ক্ষতি ছাড়াই তারা বাড়তি অর্থনৈতিক সুবিধা পাচ্ছেন। এবং বাকল থেকে আঁশ ছাড়ানোর সময় বের হওয়া রস বা পানি নানা কীটনাশক ও সাবান কোম্পানিতে বিক্রি করা হচ্ছে। অবশিষ্ট বজ্য দিয়ে তৈরি হচ্ছে জৈব সার।

উদ্যোক্তা আশিক জানান, ইউটিউবে দেখে কলাগাছ সংগ্রহ করে সুতা বানানোর কাজ শুরু করার সময় এলাকার মানুষ হাসাহাসি করতো, কিন্তু এখন সবাই উৎসাহ দিচ্ছে। তারা উৎপাদিত আঁশ বা সুতা এবং রস এখন ঢাকায় ভাল দামে বিক্রি করছেন। সরকারি সহযোগিতা পেলে শুধুমাত্র সুতা নয়, বিভিন্ন হস্তশিল্প পণ্য এবং স্যানেটরি ন্যাপকিন তৈরি করে তারা নিজেদের এবং এলাকায় ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবেন।

পরিবেশবান্ধব পণ্যের বৈশ্বিক বাজার বড় হওয়ায় ভবিষ্যতে রফতানির সম্ভাবনাও রয়েছে। তাদের এ উদ্যোগে স্থানীয় বেশকিছু লোকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। নারী কর্মীরা সংসারের কাজের ফাঁকে ঘরে বসেই সুতা তৈরির কাজ করছেন, এতে পরিবারিক আয় বাড়ছে। প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সের মানুষ সুতা তৈরি দেখতে আসছেন।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) গাইবান্ধার সহকারী মহাব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল ফেরদৌস জানিয়েছেন, অন্যান্য কাজে ব্যবহারের পাশাপাশি পাঠের বিকল্প হিসেবে এ ধরনের আঁশ ব্যবহার করা যেতে পারে। এ শিল্পের প্রসারে তাদের প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং বাজারজাতকরণের জন্য সহযোগিতা করা হবে।

কলার গাছ থেকে তৈরি সুতা প্রতি কেজি প্রকার ভেদে ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং প্রতি লিটার রস ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%