প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে। বুধবার (১০ জুন) সকালে সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহিদ হয়েছেন। যুদ্ধবিরোধী এবং শান্তিকামী মানুষের জন্য এই গৌরব বিশ্বমঞ্চে সহজে এসেছে বলে মনে হয় না। দেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অনেক চ্যালেঞ্জ এবং প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, নারীরা নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করছে। আগামী দিনেও তারা এই যাত্রা অব্যাহত রাখবে।
তারেক রহমান বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনী সম্মানের প্রতীক। মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একজন মেজর স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। এই গৌরব যাতে ম্লান না হয়, সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময় সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে অপতৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। তাঁর মতে, ঐক্য বিনষ্টের জন্য তৎপরতা চলছে। ২০০৯ সালে এমন ঘটনাগুলোর ফলাফল কী ছিল, আমরা তা জানি। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ আমাদের সবার। সবার উচিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা।
পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক সমীকরণের কারণে এআই, সাইবারসহ নতুন ক্ষেত্র তৈরির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের প্রযুক্তি নির্ভর হতে হবে এবং সরকার এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
স্বাধীন ও আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে মানবতার পক্ষে এবং বাংলাদেশ আগ্রাসন ও সংঘাতের বিপক্ষে কাজ করে যাবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর ইমেজ ও ঐক্য নষ্ট করতে দেশে ও বিদেশে নানা সময় অপতৎপরতা হয়েছে। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে বাহিনীর সদস্যদের স্বমহিমায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন