ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইউপি নির্বাচনের জন্য তালিকা যাচাইয়ের নির্দেশ ইসির


ইউপি নির্বাচনের জন্য তালিকা যাচাইয়ের নির্দেশ ইসির

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়নগুলোর তালিকা যাচাই করার জন্য। তালিকায় কোনো ইউনিয়নের নাম বাদ পড়েছে কি না, সীমানাসংক্রান্ত বিরোধ বা আইনি জটিলতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করে তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ-সংক্রান্ত চিঠি দেশের সব জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সব উপজেলার নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে তালিকায় নির্বাচন উপযোগী সব ইউনিয়নের নাম যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, কোনো ইউনিয়নের নাম বাদ পড়েছে কি না এবং আইনি জটিলতা বা সীমানাসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য রয়েছে কি না, তা পুনরায় যাচাই করতে হবে।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, তালিকা যাচাইয়ের পর ইউনিয়ন পরিষদের নাম, তারিখ, মামলা, সীমানাসংক্রান্ত জটিলতা, ভোটার তালিকা পুনর্বিন্যাস কিংবা অন্য কোনো বিষয়ে সংশোধনের প্রয়োজন হলে আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে তা নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-৩ শাখায় পাঠাতে হবে।

জানা গেছে, আগামী ২১ জানুয়ারি প্রথম দফার ভোটের মধ্য দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। পাঁচ ধাপে স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন।

দেশে বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৮০টি। এর মধ্যে চলতি বছর ৩ হাজার ৯৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপযোগী হবে। বাকি ইউনিয়ন পরিষদগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে নির্বাচন উপযোগী হবে।

এদিকে ইউপি নির্বাচনের জন্য ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের তালিকাও চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার মোট ৪৬ হাজার ৩৯৭টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থায়ী ভোটকেন্দ্র ৪৫ হাজার ৯৭২টি এবং অস্থায়ী কেন্দ্র ৪২৫টি। এসব কেন্দ্রে স্থায়ী ভোটকক্ষ রয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ১৫৯টি এবং অস্থায়ী ভোটকক্ষ ১৩ হাজার ৫৮০টি। সব মিলিয়ে ভোটকক্ষের সংখ্যা ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৯টি।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে

আগামী ২৫ নভেম্বর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি। বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাবিত বিধান নিয়ে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাবিত বিধান নিয়ে আলোচনা

সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের মতামতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের জন্য কোনো সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যমের মালিক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পূর্বে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের অনুমতি নেওয়ার বিধান রাখার বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য গঠিত হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬-এর খসড়া পর্যালোচনা ও চূড়ান্তকরণে গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিভিন্ন অংশীজনের মতামত, সাংবাদিকদের সুপারিশ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পর্যবেক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আইনটি যেন সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যম বা স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় মানহানি, হেয় প্রতিপন্ন ও সাইবার বুলিংয়ের বিষয়গুলো পৃথকভাবে বিবেচনা করে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব আলোচনা হয়। সাইবার স্পেসের সংজ্ঞা আরও সুনির্দিষ্ট করার বিষয়েও মতামত প্রদান করা হয়।

মানহানির সংজ্ঞা ও শাস্তির ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে গুজব ও অপতথ্যের সংজ্ঞা আরও স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট করার ওপর জোর দেওয়া হয়, যাতে আইনের অস্পষ্ট বা অতিব্যাপক সংজ্ঞার কারণে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন না হয়।

আইনে মোবাইল কোর্টের বিধান অন্তর্ভুক্ত না রাখা, কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লক করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কারণ অবহিত করা এবং ব্লক করা কনটেন্ট অবমুক্তির আবেদন নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

কোনো সংবাদমাধ্যম বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে লিখিত নোটিশ প্রদান এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখার প্রস্তাবও সভায় উঠে আসে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ও হয়রানি প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সদস্য কাঠামো, এতে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিত্ব এবং আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। জাতিসংঘসহ উন্নয়ন সহযোগী এবং মেটার মতো আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে আলোচনা করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় সংশোধিত খসড়া আইনটি অংশীজনদের মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে পুনরায় পরিমার্জন করে ওয়েবসাইটে প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা হয়। জনসাধারণের মতামত গ্রহণের মাধ্যমে খসড়াটিকে আরও গ্রহণযোগ্য, কার্যকর ও সময়োপযোগী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি নাগরিকের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের গঠনমূলক মতামত বিবেচনায় নিয়ে খসড়াটি চূড়ান্ত করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সভায় জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির পক্ষ থেকে একটি উপস্থাপনা প্রদান করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোরিয়ার সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব চায় বাংলাদেশ, ঋণ সহায়তার বাইরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


কোরিয়ার সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব চায় বাংলাদেশ, ঋণ সহায়তার বাইরে

ঢাকা, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ও রিপাবলিক অব কোরিয়া বিনিয়োগ, উন্নত প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অবকাঠামো, উদ্ভাবনী অর্থায়ন এবং বেসরকারি খাতের সহযোগিতার উপর অধিক গুরুত্ব দিয়ে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

এই অঙ্গীকারটি কোরিয়ায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সরকারি সফরের দ্বিতীয় কার্যদিবসে (মঙ্গলবার) আরও জোরালো হয়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সফরকালে তিনি কোরিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কেইএক্সআইএম, কেআইসি এবং বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বাংলাদেশ পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশের পরবর্তী পর্যায়ের রূপান্তরে কোরিয়া একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা উন্নয়ন সহায়তার পাশাপাশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শিল্প অংশীদারিত্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক পুঁজি সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম।

ইডিসিএফ সহযোগিতা ও অগ্রাধিকার প্রকল্পসমূহ:

কেইএক্সআইএম’র চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোয়াং কিয়ন-এর সঙ্গে বৈঠকে দুই পক্ষ ২০২৩-২০২৭ মেয়াদে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল (ইডিসিএফ) কাঠামোগত চুক্তি পর্যালোচনা করে। এছাড়া অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে ঢাকা এমআরটি লাইন-৫-এর দক্ষিণ অংশ, মতলব উত্তর-গজারিয়া সেতু এবং ২৬০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ নিয়ে আলোচনা হয়।

কেইএক্সআইএম জানায়, বর্তমানে ইডিসিএফের অগ্রাধিকারগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কোরিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রকল্প প্রস্তাব বিবেচনা করা হবে। বাংলাদেশ পক্ষ ইডিসিএফ-এর অবশিষ্ট তহবিল ব্যবহারের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল রূপান্তর, স্মার্ট অবকাঠামো ও টেকসই সরবরাহ শৃঙ্খলের মতো উদীয়মান খাতগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

কৌশলগত অর্থনৈতিক সংলাপ:

রিপাবলিক অব কোরিয়ার অর্থ ও অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় ভাইস মিনিস্টার চ্যাং হুর সঙ্গে পৃথক বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বাংলাদেশ-কোরিয়া সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার আহ্বান জানান।

এ সময় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নত উৎপাদনশিল্প, জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিতে সহযোগিতার সুযোগ তুলে ধরে বাংলাদেশ।

এছাড়া, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর সহায়তায় পরিচালিত ‘ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইজিএনডি)’ উদ্যোগের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে কোরিয়া যে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে, বাংলাদেশ তার প্রশংসা করেছে।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী কোরিয়াকে এই উদ্যোগের অর্থায়ন ও বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

কোরীয় পক্ষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল রূপান্তর, বিকল্প অর্থায়ন, ভবিষ্যতে ইডিসিএফ সহযোগিতা এবং আইজিএনডিতে আরও সম্পৃক্ততার বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে।

কোরিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ আকর্ষণ:

কোরিয়া ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশনের (কেআইসি) সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল অবকাঠামো এবং বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক অন্যান্য খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ সভরেন ফান্ড’- যার সম্ভাব্য আকার ১ থেকে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে পারে- তা বিনিয়োগের একটি মাধ্যম হিসেবে আলোচনায় উঠে আসে। পাশাপাশি কোরীয় তহবিল ব্যবস্থাপকদের মাধ্যমে কেআইসির ইকুইটি বিনিয়োগ ও কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়ন সমন্বয়ের সম্ভাবনাও পর্যালোচনা করা হয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল রূপান্তর:

বাংলাদেশ ও কোরিয়ার সহযোগিতার একটি নতুন ও সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিহ্নিত হয়েছে। বাংলাদেশের এআই-বিষয়ক লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে কোরিয়া সরকারের এআই ও ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগের গভীর মিল রয়েছে।

এলজি এআই রিসার্চের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের ভাষা ও সংস্কৃতির উপযোগী বৃহৎ ভাষা মডেল (এলএলএম) তৈরি এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, উৎপাদনশিল্প ও সরকারি সেবায় এআই ব্যবহারের বিষয়ে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ নিজেকে একটি আঞ্চলিক এআই ও ডেটা-সেন্টার হাব হিসেবে গড়ে তোলার আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেছে। ‘ফিউরিওসা এআই’-এর সাথে আলোচনায় বাংলাদেশের উচ্চমূল্য সংযোজনকারী এআই ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোরিয়া এক্সিম ব্যাংক এআই-যুক্ত অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাইয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

কোরীয় বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ:

জ্বালানি, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, উন্নত উৎপাদনশিল্প, নগর উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে কোরীয় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল।

স্যামসাং সিঅ্যান্ডটির সঙ্গে বৈঠকে অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নগর উন্নয়ন, পর্যটন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) প্রকল্পে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছাদ ও বৃহৎ পরিসরের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং নির্বাচিত নগর উন্নয়ন প্রকল্পও রয়েছে।

স্যামসাং সিঅ্যান্ডটি শুধু প্রকৌশল, ক্রয় ও নির্মাণ (ইপিসি) ঠিকাদারি কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলো নিয়ে কারিগরি আলোচনা অব্যাহত রাখতেও উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

ইয়ংওয়ানের আয়োজনে কোরীয় বিনিয়োগবিষয়ক এক ব্যবসায়িক বৈঠকে বাংলাদেশ হালকা প্রকৌশল ও যন্ত্রাংশ উৎপাদন খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরে। পাশাপাশি যৌথ বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কোরিয়ার সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার জন্য দেশটির কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের পথে:

আলোচনায় ঐতিহ্যগত উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সুযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-কোরিয়া সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত অংশীদারত্বে রূপ দেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষের আগ্রহ প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ কর্মসূচিতে কোরীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান, আর্থিক সংস্থা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ক্রমবর্ধমান আগ্রহকে স্বাগত জানানো হয়।

উভয় পক্ষই এই আলোচনাগুলোকে সুনির্দিষ্ট প্রকল্প, বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব এবং পারস্পরিক লাভজনক ফলাফলে রূপান্তর করার লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও জলবায়ু সহিষ্ণু খাতে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, "একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে কৃষিকে টিকিয়ে রাখা এবং উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়াতে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির বিকল্প নেই।"

‘১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬’ উপলক্ষে (৪ নভেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী এ মেলা, যা ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে বাঁচলে কৃষক, বাঁচবে দেশ।" তিনি উল্লেখ করেন, সনাতন কৃষিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় শুধু উৎপাদনশীলতা বাড়াবে না, বরং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও ভূমিকা রাখবে। তরুণ প্রজন্মকে নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে কৃষিতে আকৃষ্ট করাও সম্ভব হবে।

তারেক রহমান জানান, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে কৃষি। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই উন্নয়নে কৃষি এবং কৃষকের অবদান অপরিসীম। এ কারণে কৃষকের কাছে আধুনিক প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া, উৎপাদন ব্যয় কমানো, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প ও উদ্যোক্তা বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি গবেষক, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা ও কৃষকদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনে এ মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নতুন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশেও এটি ইতিবাচক অবদান রাখবে।

মেলায় আধুনিক কৃষিযন্ত্র, উন্নত বীজ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, শস্য সংরক্ষণ, দুগ্ধ ও পোলট্রি উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি প্রদর্শন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রে রয়েছে জনগণ। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার অনুযায়ী কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষি উপকরণ সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষিবীমা এবং কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ও বিপণন সুবিধা সম্প্রসারণে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

এ ছাড়া তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি, কারিগরি দক্ষতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে কৃষক তার শ্রমের ন্যায্য প্রতিদান পাবেন, উৎপাদন হবে অধিকতর লাভজনক এবং গ্রামীণ অর্থনীতি হবে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর। কৃষক ও কৃষির সমৃদ্ধির মধ্য দিয়েই সরকার স্বনির্ভর, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়।

পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়া এবং লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশন্স প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করেছে। প্রধানমন্ত্রী মেলার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিল্পাঞ্চলে চলমান সহিংসতা দমনে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


শিল্পাঞ্চলে চলমান সহিংসতা দমনে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিল্পাঞ্চলে চলমান সহিংসতা ও অশান্তির বিরুদ্ধে কঠোর হস্তে দমনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা সংশোধন আইনের খসড়া পর্যালোচনা বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘শ্রমিক নয়, এমন কিছু ব্যক্তি আন্দোলনের নামে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যানবাহনে হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং কোথাও কোথাও সহিংসতা সৃষ্টি করছে। কিছু ইন্ডাস্ট্রির মালিকও রয়েছেন, যারা অতীতে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তারা এর সঙ্গে জড়িত। অশান্তি সৃষ্টি করতে তাদের একটা রাজনৈতিক এজেন্ডা রয়েছে। তারা দেশে একটা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।’

এ বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘হয়তো কেউ কেউ পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বিভিন্ন রকমের ষড়যন্ত্র পরিকল্পনা করছে। আর সেটা এখানে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। আমরা কঠোর হাতে সেটা দমনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।’

শ্রমিকদের যেকোনো ন্যায্য দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য সরকার প্রস্তুত জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যেকোনো ন্যায্য দাবি-দাওয়ার পক্ষে আমরা সবসময় কথা শুনতে রাজি। এজন্য নির্ধারিত মন্ত্রণালয় ও সংস্থা রয়েছে, তারা সেখানে যাবে। মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সবাই স্বীকার করেছেন, এই আন্দোলন শ্রমিকদের নয়। বিভিন্নভাবে একটা রাজনৈতিক সহিংসতা সৃষ্টির জন্য কেউ কেউ সুযোগ নিচ্ছে, শ্রমিকদের ব্যবহারের সুযোগ নিচ্ছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিকদের দাবি ছিল ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য বোর্ড গঠন করা। সেটা যথেষ্ট সময়ের আগে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে বোর্ড গঠনের জন্য শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধির নাম দিতে কিছুটা সময় নিয়েছিল। তা না হলে আরও দু’সপ্তাহ আগেই বোর্ড গঠন করতে পারতাম।’

মজুরি বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ এবং অন্যান্য যারা রয়েছেন, বোর্ডের চেয়ারম্যান সবার বক্তব্য শুনবেন। অতীতে পাঁচ বছর অন্তর অন্তর যে মজুরি নির্ধারণ হতো, তার মধ্যে কী হারে বৃদ্ধি হয়েছিল, সেটাকে পাঁচ দিয়ে ভাগ করবেন, তারপরে তিন দিয়ে গুণ করবেন। ইকোনমিক ভ্যালু কীভাবে হয়েছে, কীভাবে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি হয়েছে, ব্যয় বৃদ্ধি হয়েছে, সেগুলো বিবেচনায় নেবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আর্থিক সঙ্গতি, মালিকপক্ষের যুক্তি, শ্রমিকপক্ষের যুক্তি মিলে একটা যৌক্তিক ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ হবে।’

মজুরি নির্ধারণের সময়সীমা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এটা মজুরি বোর্ড দেখবে। তবে আমরা বলেছি, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই যেন সেটা ঘোষণা হয়। যাতে শ্রমিকদের জানুয়ারি থেকে এটা কার্যকর হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%