ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে ধাক্কা, বিশ্ব অর্থনীতিতে কী প্রভাব?


যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে ধাক্কা, বিশ্ব অর্থনীতিতে কী প্রভাব?

জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের (বিএলএস) গত ৭ আগস্ট প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, মাসটিতে দেশটির অর্থনীতি অপ্রত্যাশিতভাবে ২৩ হাজার কর্মসংস্থান হারিয়েছে। একই সময়ে শ্রমশক্তি থেকে আরও অনেক মানুষ বেরিয়ে যাওয়ায় বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নেমে এসেছে।

জুলাই মাসের কর্মসংস্থানের চিত্র অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক দুর্বল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনীতিবিদরা গত মাসে ৯৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

এর আগে জুন মাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সংখ্যা ৫৭ হাজার থেকে সংশোধন করে মাত্র ২০ হাজার করা হয়েছে। মে মাসের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিও সংশোধিত হয়ে ১২৯ হাজার থেকে প্রায় অর্ধেক কমে ৬৬ হাজারে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হারও গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তবে এক মাসের তথ্য দিয়ে শ্রমবাজারের পুরো চিত্র বোঝা যায় না। বিশেষ করে মহামারির পরের সময় এবং বর্তমানের চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রাথমিক অর্থনৈতিক তথ্য পরে বড় ধরনের সংশোধনের মধ্য দিয়ে যেতে পারে। তবে জুলাই মাসের তথ্যের সঙ্গে সাম্প্রতিক মাসগুলোর চিত্র মিলিয়ে দেখতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার যে মন্থর ও অস্থিতিশীল হয়ে পড়ছে, তা স্পষ্ট হচ্ছে।

নেভি ফেডারেল ক্রেডিট ইউনিয়নের প্রধান অর্থনীতিবিদ হেদার লং সিএনএনকে বলেন, এটি একটি হতাশাজনক প্রতিবেদন, এবং এতে শ্রমবাজার আবারও স্থবির হয়ে পড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তার মতে, গত তিন মাসে গড়ে মাত্র ২০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা যে কোনো বিবেচনায় খুবই দুর্বল।

শুক্রবারের প্রতিবেদনটি আরও কিছু ইঙ্গিত দিয়েছে, নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আরও সতর্ক হয়ে উঠছে। বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসার, তেলের উচ্চমূল্য, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধসহ নানা প্রতিকূলতার মুখে নিয়োগকারীরা নতুন কর্মী নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির বাজার এখন ‘কম নিয়োগ, কম ছাঁটাই’ প্রবণতার মধ্যে আটকে আছে। ফলে নতুন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য কার্যত সুযোগ কমে যাচ্ছে। জিপরিক্রুটারের শ্রম অর্থনীতিবিদ নিকোল বাচাউড বলেন, মূল্য পরিস্থিতির অস্থিরতা নিয়োগকারীদের মধ্যে দ্বিধা বাড়াতে পারে। চাকরির সুযোগ সীমিত হয়ে যাওয়ায় আরও বেশি কর্মী পুরোপুরি শ্রমবাজার থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

জুলাইয়ে যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, তার বড় একটি অংশ এসেছে স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সহায়তা খাত থেকে। গত মাসে এই খাতে আনুমানিক ২২ হাজার ৬০০টি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।

ওয়েলস ফার্গোর প্রধান অর্থনীতিবিদ টম পোরচেলি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা খাত যেন চাকরি তৈরির একটি যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যসেবা বাদ দিলে বেসরকারি খাতে জুলাই মাসে ৩০ হাজার এবং চক্রীয় নিয়োগের সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ হাজার।

স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি নির্মাণ ও উৎপাদন খাতের বিভিন্ন অংশেও কর্মসংস্থান বেড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগ ও ডেটা সেন্টারের দ্রুত বিস্তারের কারণে এসব খাত লাভবান হয়েছে। পেশাগত ও ব্যবসায়িক পরিষেবা খাতে ১৮ হাজার এবং প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য খাতে ১১ হাজার নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে।

তবে স্থানীয় সরকার, বিশেষ করে স্থানীয় স্কুল এবং অবসর ও আতিথেয়তা খাতে বড় ধরনের কর্মসংস্থান কমে যাওয়ায় এসব অর্জন অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে অবসর ও আতিথেয়তা খাতে কর্মসংস্থান বাড়ার প্রত্যাশা ছিল। কারণ, দেশজুড়ে স্পোর্টস বার ও আয়োজক শহরগুলোর হোটেলে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ার কথা ছিল। কিন্তু বিএলএসের তথ্যানুসারে, জুন ও জুলাই মাসে এই খাতে যথাক্রমে ৪৩ হাজার ও ৪০ হাজার কর্মসংস্থান কমেছে।

পিএনসি ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস গ্রুপের প্রধান অর্থনীতিবিদ গাস ফশার বলেন, বিশ্বকাপের সময়েও গত দুই মাসে অবসর ও আতিথেয়তা খাতে ৮৩ হাজার চাকরি কমে যাওয়ার বিষয়টি বিশ্বাস করা কঠিন। তার মতে, এটি একটি অত্যন্ত মৌসুমি খাত হওয়ায় মৌসুমি সমন্বয়ের হিসাবেও অস্বাভাবিকতা থাকতে পারে।

মৌসুমি সমন্বয়ের উদ্দেশ্য হলো বছরের বিভিন্ন সময়ের স্বাভাবিক ওঠানামা বাদ দিয়ে কর্মসংস্থানের প্রকৃত প্রবণতা বোঝা। কিন্তু কোনো খাতে ঐতিহাসিক নিয়মের বাইরে নিয়োগ হলে সেই হিসাব চাকরি কমে যাওয়ার ছবিটা দেখাতে পারে।

গ্লেনমেডের বিনিয়োগ কৌশল ও গবেষণা বিভাগের প্রধান জেসন প্রাইড বলেন, স্থানীয় সরকার খাতে ৫৭ হাজার কর্মসংস্থান কমার মধ্যে স্থানীয় স্কুল ডিস্ট্রিক্টগুলোতেই ৪৯ হাজার ৬০০টি চাকরি কমেছে। এটিকে প্রকৃত কর্মসংস্থান হ্রাসের চেয়ে মৌসুমি সমন্বয়ের কৃত্রিম ফল হিসেবে দেখা যেতে পারে। গ্রীষ্মে স্কুল ডিস্ট্রিক্টের কর্মীদের ছাঁটাই ঐতিহাসিক গড়ের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ বেশি হওয়ায় প্রায় ৫০ হাজার কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার চিত্র দেখা গেছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলে এসব বিকৃতি সাধারণত দূর হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম

এডিপির প্রধান অর্থনীতিবিদ নেলা রিচার্ডসনও বলেছেন, মৌসুমি সমন্বয়ের এই অস্বাভাবিকতার পাশাপাশি নিয়োগের পদ্ধতিতে পরিবর্তন শ্রমবাজারের তথ্যকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেমে থেমে চলছে।

এতে বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অভিবাসনের গতি কমে যাওয়ার মতো কাঠামোগত পরিবর্তনও রয়েছে। ফলে আগের মতো বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার প্রয়োজনও অর্থনীতিতে কমে এসেছে।

তবে মৌসুমি হিসাবের সম্ভাব্য অস্বাভাবিকতা বিবেচনায় নিলেও স্বাস্থ্যসেবা ছাড়া অধিকাংশ খাতেই নিয়োগ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ছে বলে মনে করেন হেদার লং।

বর্তমান শ্রমবাজার সবার জন্য সমান সুবিধাজনক নয়। জুলাইয়ে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধিও থমকে গেছে। জুনের তুলনায় গড় ঘণ্টাপ্রতি আয় মাত্র শূন্য দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। ফলে বার্ষিক মজুরি বৃদ্ধির হার কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

আরও পড়ুন: সাঈদীর মামলার বাদীকে দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন জামায়াতের

অন্যদিকে, সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতি ৩ দশমিক ৫ শতাংশে ছিল। অর্থাৎ মজুরি বৃদ্ধির তুলনায় মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি থাকায় শ্রমিকদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। হেদার লং বলেন, আমেরিকানদের বর্তমান আয় সংকট বুঝতে অর্থনীতিতে পিএইচডি করার প্রয়োজন নেই। তার মতে, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অনেক পরিবারকে ব্যয় কমাতে হতে পারে।

তবে দুর্বল মজুরি বৃদ্ধি ফেডারেল রিজার্ভের জন্য কিছুটা স্বস্তির কারণ হতে পারে। ওয়েলস ফার্গোর পোরচেলির মতে, বর্তমান শ্রমবাজার চাহিদা-চালিত মূল্যস্ফীতিকে বাড়িয়ে তুলছে না। আর যেহেতু বর্তমান মূল্যস্ফীতির বড় একটি অংশ সরবরাহ-পক্ষ থেকে আসছে, তাই ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার কিছুটা বেড়েছে এবং ট্রেজারি ইল্ড কমেছে। একই সঙ্গে সেপ্টেম্বরে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা আগের দিনের ৫৫ শতাংশ থেকে কমে ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে বলে সিএমই ফেডওয়াচের তথ্যে দেখা গেছে।

আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন মুদ্রাস্ফীতির তথ্য প্রকাশিত হবে। বুধবার প্রকাশিত হবে ভোক্তা মূল্য সূচক। ইওয়াই-পারথেননের অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, গ্যাসের দাম জুনের তুলনায় কম থাকায় মুদ্রাস্ফীতি ৩ দশমিক ৪ শতাংশে থাকতে পারে, যা আগের ৩ দশমিক ৫ শতাংশের চেয়ে সামান্য কম।

আরও পড়ুন: বিয়ের আশ্বাসে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এসআইকে প্রত্যাহার

তবে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ধীর গতি এবং চলমান অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মার্কিন পরিবারগুলোর ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ কমানোর জন্য যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন হেদার লং।

তিনি বলেন, অনেক আমেরিকান এখন নিজেদের আটকে পড়া মনে করছেন। বন্ধকী ঋণের সুদের হার প্রায় ৭ শতাংশ থাকায় তারা সহজে বাড়ি বদলাতে পারছেন না। আবার নিয়োগ প্রক্রিয়া দুর্বল হওয়ায় নতুন চাকরিও পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে মানুষ গাড়ি ও মোবাইল ফোনও আগের চেয়ে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করছে। এটি এক ধরনের স্থবিরতার অনুভূতি তৈরি করছে-যা মানুষ গতিশীল আমেরিকান অর্থনীতির ক্ষেত্রে দেখতে চায় না।

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি। তাই দেশটির অর্থনীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন হলে তার প্রভাব বিশ্বের অন্যান্য দেশের অর্থনীতিতে পড়া স্বাভাবিক। বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার প্রভাব দুইভাবে পড়তে পারে। একদিকে, মার্কিন শ্রমবাজার দুর্বল হলে মানুষের আয় এবং ভোগ ব্যয় কমতে পারে।

এতে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি চাহিদাও কমবে। ফলে রফতানিনির্ভর দেশগুলো চাপের সম্মুখীন হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দফতরের অটেক্সার তথ্য বলছে, মন্দাভাব চলছে মার্কিন পোশাকের বাজারে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিশ্ববাজার থেকে পোশাক আমদানি কমিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে বিশ্ববাজার থেকে ৩ হাজার ৫০৮ কোটি ৭২ লাখ ডলারের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় এ আমদানি কমেছে ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। বিশ্ব অর্থনীতির শীর্ষ দেশটিতে ব্যয় সংকোচন নীতির প্রভাব পড়েছে পোশাকের বাজারেও।

ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশও। গত জুন পর্যন্ত ছয় মাসে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের রফতানি কমেছে পৌনে ৬ শতাংশ। ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে ৪২৫ কোটি ২৪ লাখ ডলারের পোশাক রফতানি হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা নেমে এসেছে ৪০০ কোটি ৭৮ লাখ ডলারে।

অন্যদিকে, শ্রমবাজার দুর্বল হওয়ায় অর্থনীতিতে তারল্য বাড়াতে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এতে ডলারের মান দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি উদীয়মান বাজারগুলোতে পুঁজি প্রবাহ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে কমতে পারে বৈদেশিক ঋণের ব্যয়।

তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানের এই প্রতিবেদন একদিকে যেমন বৈশ্বিক চাহিদা নিয়ে সতর্কবার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে আর্থিক বাজারে স্বস্তির সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোজতবা খামেনির ভিডিও প্রকাশ করেছে ইরানি গণমাধ্যম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ এম


মোজতবা খামেনির ভিডিও প্রকাশ করেছে ইরানি গণমাধ্যম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কয়েক দিন পর, ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ তার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (৮ আগস্ট) ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে।

শুক্রবার, ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, খামেনির শারীরিক অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটজনক’। ইসরাইলি চ্যানেল ১৪, ইরানের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে এবং দ্য জেরুজালেম পোস্ট, ইরানওয়্যার ও প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

মেহের নিউজের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মোজতবা খামেনিকে কয়েকজন মানুষ ঘিরে রেখেছে। ভিডিওতে তাকে দেখলে মনে হচ্ছে, তিনি তার আশেপাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন।

ভিডিওটি ঠিক কখন কিংবা কোথায় ধারণ করা হয়েছে, এ বিষয়ে মেহের নিউজের প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। এমনকি তাকে ঘিরে থাকা মানুষগুলোর পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এর কয়েকদিন পর মোজতবা খামেনি দেশের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তাকে কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি এবং তিনি শুধুমাত্র লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে যোগাযোগ করছেন।

প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাবার কম্পাউন্ডে চালানো হামলার সময়ে তিনি আহত হয়েছেন এবং সম্ভবত তার চেহারায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। এরপর তাকে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হতে হয়েছে। লক্ষ্যবস্তু হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধীরগতির মধ্যস্থতাকারী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করার বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার নিয়ে চলমান আলোচনা ও জল্পনার মধ্যে, প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন যে, খামেনির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বর্তমানে ‘খুবই কঠিন’ হয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমগুলোও বারবার তার অবস্থান এবং শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। গত জুলাই মাসে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-হাদাথ, এক ইসরাইলি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে ধারণা পোষণ করেছে যে, খামেনি ‘ইরানে নেই’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮০ ডিগ্রি ঘুরলেন কঙ্গনা, ‘নর্দমার প্রজন্ম’ হয়ে গেল ‘দেশের বড় সম্পদ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ এম


১৮০ ডিগ্রি ঘুরলেন কঙ্গনা, ‘নর্দমার প্রজন্ম’ হয়ে গেল ‘দেশের বড় সম্পদ’

কয়েক দিন আগেই ভারতের ‘জেন-জি’ বিক্ষোভকারীদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বা ‘জেনারেশন গটার’ আখ্যা দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করার পর বলিউড অভিনেত্রী ও ক্ষমতাসীন বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত তাঁর অবস্থান সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করেছেন। তিনি দেশের নতুন প্রজন্মকে ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং সংস্কৃতি ও পরিচয়ের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত, যিনি জেন-জি তরুণদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাদের ‘দেশবিরোধী’ না বলার আহ্বান করেছেন, সেই বক্তব্যের পরদিনই কঙ্গনা যে সুর বদলালেন, তা দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।

শুক্রবার ভারতের সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কঙ্গনা বলেন, ‘জেন-জি তরুণরা আমাদের দেশের শক্তি এবং এক অর্থে আমাদের জাতির অনেক বড় সম্পদ। আমাদের তরুণসমাজ যেভাবে ক্রমবর্ধমান হারে দেশের সংস্কৃতি ও স্বকীয়তার প্রতিনিধি হিসেবে উঠে আসছে, এতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’ কঙ্গনা বলেন, ‘আমরা মোহন ভাগবতজির বক্তব্য শোনার সুযোগ পেয়েছি, যাকে আমরা অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র মনে করি এবং তার প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা থেকে আমরা লাভবান হয়েছি। দেশের যুবসমাজ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এবং আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে গ্রহণ করছে, এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।’

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর কড়া সমালোচনা করেন কঙ্গনা। দিল্লিতে যন্তর মন্তরে কাকরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত সাম্প্রতিক বিক্ষোভ নিয়ে মন্তব্য করার পর সমালোচনার মুখে পড়লেও, এই দিন তিনি ঝাড়খণ্ডে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থী এবং অলিম্পিক বা আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক জিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তা উৎসর্গকারী অ্যাথলেটদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

নিজের আগের কঠোর মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এই বলিউড তারকা দাবি করেন, ‘কতিপয় মানুষের জন্য পুরো প্রজন্মের নাম খারাপ হচ্ছে। জেন-জি তো সরকারেরই অংশ। এটি তাদেরই দেওয়া জনরায়, যা আমাদের সরকার বহু বছর ধরে বাস্তবায়ন করে আসছে। জেন-জি তরুণরা চমৎকার।’ তিনি বলেন, ‘গালাগালি দেওয়া ওই ১০-১৫ জন লোক কিন্তু পুরো জেন-জি প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করে না।’ মূলত কিছু ব্যক্তির কারণে পুরো জেন-জি শব্দটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত স্পষ্টভাবে বলেন, ‘দেশের তরুণরা আমাদের নিজেদেরই নতুন প্রজন্ম এবং তাদের প্রতি ভালোবাসা থাকতে হবে। তারা যদি শান্তিপূর্ণভাবে কোনো দাবি বা প্রতিবাদের কথা তুলে ধরে, তবে তাদের গায়ে ঢালাওভাবে ‘দেশবিরোধী’ তকমা দেওয়া যাবে না।’

ভাগবতের এই ইতিবাচক বার্তার পরপরই কঙ্গনার ১৮০ ডিগ্রি অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এর আগে যন্তর মন্তরের জেন-জি বিক্ষোভের একটি ভিডিও প্রকাশ করে কঙ্গনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিভিন্ন শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের ব্যবহৃত ভাষার সমালোচনা করেও তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার জীবনে এক জায়গায় এত কদর্য রূপ আর কখনো দেখিনি। জেন-জি বিক্ষোভের এসব ভিডিও ও রিলস দেখলে বমি আসে।’ তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, ‘তারা যেভাবে কথা বলছে এবং যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করছে তা অত্যন্ত জঘন্য ও অশোভন। কারা এদের জন্ম দিচ্ছে আর মানুষ করছে?’ শুধু তাই নয়, পশ্চিমা ধাঁচে বেড়ে ওঠা এসব তরুণীকে লক্ষ্য করে সে সময় কঙ্গনা ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বা ‘জেনারেশন গটার’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন।

তবে আরএসএসপ্রধানের সাম্প্রতিক হস্তক্ষেপের পর সেই আগের কঠোর অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে আসলেন বিতর্কিত এই বিজেপি এমপি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০০ এম


জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেট এলাকার একটি দুর্ঘটনায় কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী সেলিম শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। শনিবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মহাখালী থেকে আসা ইউটার্নের সামনে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত সেলিম শেখ ছিলেন একজন পেশাদার প্রাইভেটকারচালক। তিনি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ফুল মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি আদাবরের ১৭-সি নম্বর বাসায় বসবাস করতেন।

ঘটনার সততা নিশ্চিত করে তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গিয়াস উদ্দিন বলেন, রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতিশীল কাভার্ডভ্যানটি তার মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে সেলিম শেখ ঘটনাস্থলেই মারা যান। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা কাভার্ডভ্যানটিকে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করে এবং এর চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, সেলিমের মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জাতীয় ফুপু’ হয়ে গেলাম: দীপা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০২ এম


‘জাতীয় ফুপু’ হয়ে গেলাম: দীপা

অভিনয় জগতে দীপা খন্দকারের পথচলা আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য নাটক ও বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। এই সময়ের মধ্যে কখনো মা, কখনো ফুপু, আবার কখনো স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন। বর্তমানে চ্যানেল আইতে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ধারাবাহিক ‘এটা আমাদেরই গল্প’ নাটকে ‘ফাতেমা ফুপু’ চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছেন দীপা। অভিনয় নিয়ে তিনি তাঁর প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর কাছে তুলে ধরেছেন।

দীপা বলেছেন, "এটা আমাদেরই গল্প ধারাবাহিকে অভিনয় দারুণভাবে উপভোগ করছি। আমার ক্যারিয়ারে প্রায় ২৬-২৭ বছরে আমি কখনো দেখিনি যে, কোনো নাটকের কোনো এপিসোডের জন্য মানুষ অপেক্ষা করে। এটা আসলে ভালো লাগার প্রতিফলন।"

দেশের এই নাটকটির যে এত বড় আকারে মানুষের হৃদয়ে নাড়া দেবে, সেটি দীপার জন্য একটি চমক। তিনি বলেন, "এ জন্য রাজের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব। একই সঙ্গে দর্শকের কাছেও আমি অনেক কৃতজ্ঞ। তারা আমাদের সাদরে গ্রহণ করেছেন।"

দীপা বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে তিনি এই চরিত্রের জন্য ‘জাতীয় ফুপু’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, "মানে জাতীয় ফুফু হয়ে গেলাম। দর্শকের এমন প্রতিক্রিয়ায় ভালো লাগাটা আসলেই অসাধারণ। এতে আমার অভিনীত ফুপু চরিত্রটি বাস্তব জীবনের এক বিশেষ অপূর্ণতা ঘুচিয়ে দিয়েছে।"

অভিনয়ের ভিন্নতা নিয়ে দীপা বলেন, "আমার কাছে মনে হয়, পারফেক্ট চরিত্র করতে পারছি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, বয়সের সঙ্গে মিলিয়ে, পারফেক্ট চরিত্র করতে পারছি। কোনো নাটকে ২০ বছরের সন্তানের মা হচ্ছি, আবার অন্য নাটকে ফুফুর চরিত্র করছি। এখন দর্শকের চাওয়া ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে চাই।"

তার প্রত্যাশা যত রকম ব্যতিক্রমী চরিত্র আছে, তা করাই তার লক্ষ্য। দীপা শেষ করেছেন, "ভিন্নতা আনতে চাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%