প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কয়েক দিন পর, ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ তার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (৮ আগস্ট) ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে।
শুক্রবার, ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, খামেনির শারীরিক অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটজনক’। ইসরাইলি চ্যানেল ১৪, ইরানের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে এবং দ্য জেরুজালেম পোস্ট, ইরানওয়্যার ও প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
মেহের নিউজের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মোজতবা খামেনিকে কয়েকজন মানুষ ঘিরে রেখেছে। ভিডিওতে তাকে দেখলে মনে হচ্ছে, তিনি তার আশেপাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন।
ভিডিওটি ঠিক কখন কিংবা কোথায় ধারণ করা হয়েছে, এ বিষয়ে মেহের নিউজের প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। এমনকি তাকে ঘিরে থাকা মানুষগুলোর পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এর কয়েকদিন পর মোজতবা খামেনি দেশের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তাকে কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি এবং তিনি শুধুমাত্র লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে যোগাযোগ করছেন।
প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাবার কম্পাউন্ডে চালানো হামলার সময়ে তিনি আহত হয়েছেন এবং সম্ভবত তার চেহারায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। এরপর তাকে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হতে হয়েছে। লক্ষ্যবস্তু হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধীরগতির মধ্যস্থতাকারী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করার বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার নিয়ে চলমান আলোচনা ও জল্পনার মধ্যে, প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন যে, খামেনির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বর্তমানে ‘খুবই কঠিন’ হয়ে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমগুলোও বারবার তার অবস্থান এবং শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। গত জুলাই মাসে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-হাদাথ, এক ইসরাইলি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে ধারণা পোষণ করেছে যে, খামেনি ‘ইরানে নেই’।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন