শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৪ পি.এম
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে গবেষণা প্রকাশনার ক্ষেত্রে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের স্কোপাসের প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ২৫৫টি। এই তালিকায় ১৩ হাজার ৮০৭টি প্রকাশনা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)।
স্কোপাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৪৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট স্কোপাস-ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮টি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা এই মোট প্রকাশনার প্রায় ১২ দশমিক ৩৫ শতাংশ, যা ১৮ হাজার ২৫৫টি। এর মানে, দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বুয়েটের তুলনায় ঢাবির প্রকাশনা ৪ হাজার ৪৪৮টি বেশি।
গবেষণা প্রকাশনার এই পরিসংখ্যান দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তিশালী অবস্থানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে। দীর্ঘদিন ধরে উচ্চশিক্ষা, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণাকর্ম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত ও প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে এই অর্জন আরও সুস্পষ্ট হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এই অর্জন সম্পর্কে বলেন, "গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও অবদান রয়েছে। স্কোপাস-ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে থাকা শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের নিরলস গবেষণারই প্রতিফলন।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আমরা গবেষণার গুণগত মান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনী জ্ঞানচর্চার পরিসর আরও সম্প্রসারণ করতে চাই। এই লক্ষ্যে গবেষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, গবেষণাবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার দৃশ্যমানতা বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।"
উপাচার্য এই অর্জনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, স্কোপাস একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা-তথ্যভান্ডার ও অ্যাবস্ট্রাক্ট-সাইটেশন ডেটাবেস। এখানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নাল, সম্মেলন ও অন্যান্য গবেষণা প্রকাশনার তথ্য সংরক্ষিত থাকে। গবেষণার প্রকাশনা, উদ্ধৃতি এবং গবেষণার প্রভাব মূল্যায়নে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষক এই তথ্যভান্ডার ব্যবহার করে থাকেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাইজেরিয়ায় আটক অবস্থায় ৩৭ জন ক্ষুদ্র খনি শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় তাদের পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন এবং গ্রেপ্তারের সময় জব্দ করা জিনিসপত্র ফেরত দেওয়ার জন্যও আহ্বান করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণই তাদের স্বজন হারানোর কষ্ট দূর করতে সক্ষম হবে না।
মঙ্গলবার, দেশটির প্রেসিডেন্ট কর্তৃক গঠিত একটি তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, গত মাসে নাইজার রাজ্যে নিরাপত্তা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় ওই ৩৭ জনের মৃত্যু ঘটে। তাদের অবৈধভাবে খনির কাজ করার সন্দেহে আটক করা হয়েছিল।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আটককেন্দ্রে অতিরিক্ত ভিড়, প্রচণ্ড গরম, পানির অভাব এবং কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে। নাইজেরিয়া সরকার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুবুনমি তুনজি-ওজো জানিয়েছেন, প্রতিবেদনটি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে পাঠানো হয়েছে যাতে দ্রুত বিচার শুরু করার ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
তবে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা ক্ষতিপূরণ কবে পাবেন, সে বিষয়ে জানতে চাইলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো উত্তর দেননি। নিহতদের মধ্যে কিশোরও ছিল, এবং তাদের মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আটককেন্দ্রের পরিবেশ এবং বিচার শুরুর অপেক্ষায় থাকা বন্দীদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
নিহত ব্যক্তিদের একজনের মা জয়নব সালিহু বলেছেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম, আমাদের সন্তানেরা বেঁচে থাকুক এবং আমাদের কাছে ফিরে আসুক।’ তিনি জানান, তার ছেলের মৃত্যুর পর তার স্বামীর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে এবং পরে স্বামীও মারা যান। তবে স্বামীর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি রয়টার্স।
জয়নব সালিহু আরও বলেন, ‘তারা আমাদের যত টাকাই দিক না কেন, তাতে আমাদের সন্তানদের আর ফিরে পাব না।’ আটক অবস্থায় মারা যাওয়া ২৫ বছর বয়সী সুলাইমানের বাবা দান্তালা তানকোও ছেলের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না। ছেলের কবরের পাশে দোয়া করার পর তিনি বলেন, ‘এখন সে আর নেই। এটা আমার জন্য ভীষণ কষ্টের। আমি জানি, সে আর কখনো ফিরে আসবে না।’
আটককেন্দ্র থেকে বেঁচে ফেরা কয়েকজন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তারা দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ২৫ বছর বয়সী দাউদা শেহু বলেছেন, ‘যেসব কর্মকর্তা মানুষের জীবনের প্রতি এমন অবহেলা দেখান, তাদের ক্ষমতায় থাকা উচিত নয়। তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।’
২৩ বছর বয়সী আবদুসসালাম ইয়াকুব অভিযোগ করেছেন, সরকার ব্যবস্থা নিতে দেরি করছে। তিনি জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে মোটরসাইকেল, মুঠোফোন, খনির কাজে ব্যবহারের সরঞ্জাম এবং সোনা জব্দ করা হয়েছিল। এসব জিনিস ফেরত পাওয়ার দাবি করেছেন তিনি।
ইয়াকুব রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা অনেক কষ্ট সহ্য করেছি। আমরা বিচার চাই, প্রতিশ্রুত সহায়তা চাই এবং আমাদের জিনিসপত্র ফেরত চাই। তাহলে আমরা আবার নতুন করে জীবন শুরু করতে পারব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর মেঘনাবেষ্টিত চরাঞ্চল চরদিঘলদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে টেটাযুদ্ধের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী চরদিগলদী ইউনিয়নের জিতরামপুর ও টিডিরচরে শহীদ মেম্বার এবং চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরে অভিযান চালিয়ে চরাঞ্চল থেকে ৪ জনকে আটক করে।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জিতরামপুর ও টিডিরচর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চাঁন মিয়া ও শহীদ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। গত দুই মাসে এই দুই গ্রুপের মধ্যে চার-পাঁচ দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ভোরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা টেঁটাসহ দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে অন্তত ১০ জন টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
ঘটনার পর আহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার এবং ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চাঁন মিয়া বলেন, ‘আমাদের ওপর টেঁটা ও ককটেল নিয়ে প্রতিপক্ষরা হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। শহীদ মেম্বার তাঁর দোসরদের সঙ্গে আঁতাত করে বারবার আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে এলাকার শান্তি নষ্ট করছেন। আমরা এলাকায় শান্তি চাই, কোনো সংঘর্ষ চাই না।’
অন্যদিকে, শহীদ মেম্বার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ভোররাতে চাঁন মিয়ার লোকজন আমাদের ওপর প্রথমে হামলা চালায়। আমরা যখন ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম, তখন এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ আমাদের পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়ে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই মূলত এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ জন এবং জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে আরও ৩-৪ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা রয়েছে।
—এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্য সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এই প্রক্রিয়ায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য লর্ড হোসেন ও ইমরান হোসেনের বৈঠকে এই অঙ্গীকার প্রকাশ পায়। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের বাংলাদেশবিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের (এপিপিজি) সদস্য হিসেবে এই দুই ব্রিটিশ সংসদ সদস্য বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ সংসদীয় সম্পৃক্ততা এবং অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক কল্যাণকর সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মতবিনিময় করে।
শামা ওবায়েদ সরকারের প্রধান অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন, যা সামাজিক উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জ্বালানি খাতকে অন্তর্ভুক্ত করে। তিনি সমান অধিকার, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ করেন।
ব্রিটিশ সংসদ সদস্যরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে স্বাগত জানান। তারা বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষ এ সংকটের সমাধানে অব্যাহত আন্তর্জাতিক সমর্থনের গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।
তারা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার এবং সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে তিনি ঢাকা থেকে রেলযোগে পঞ্চগড় স্টেশনে পৌঁছান। পরবর্তীতে তিনি স্টেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক উল্লেখ করেন, “১৮টি কোচ আনা হয়েছে। পঞ্চগড় থেকে আমরা আপাতত একটা নতুন ট্রেন চালু করব। এরপরে আমাদের টোটাল ২০০টি কোচ আসবে। সেগুলো দিয়ে আমরা কিছু নতুন ট্রেন ও কিছু রিপ্লেসমেন্টের পরিকল্পনা করেছি। পর্যায়ক্রমে কোচগুলো আসতে থাকবে এবং পর্যায়ক্রমে আমরা এগুলো চালু করব।”
তিনি আরও বলেন, “পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার রেললাইনের কাজ আসলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। আমাদের সব লাইন ব্রডগেজে কনভার্ট হয় নাই। ব্রডগেজ কনভার্ট হওয়ার পরেই আমরা চিন্তা করব যে, পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার রেললাইনের যৌক্তিকতা আছে কিনা। সেখানে দেখতে হবে যে এইরকম প্যাসেঞ্জার পাওয়া যাবে কিনা, সেটাও দেখার বিষয় আছে। পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা রেললাইন সম্প্রসারণের ব্যাপারে একটা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল; কিন্তু যেহেতু বাংলাবান্ধার পরে ইন্ডিয়ার সাথে কোনো কানেক্টিভিটি নাই, সেজন্য এটা দিয়ে যে খুব বেনিফিট পাওয়া যাবে— এমন মনে হয় নাই। সেটা শুধুমাত্র আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা হয়তো পূরণ করবে, কিন্তু যে উদ্দেশ্য ছিল— রিজিওনাল কানেক্টিভিটি, সেটা কিন্তু হবে না যদি বর্ডারের ওইপাশে কোনো রেললাইন এখানে এসে সংযুক্ত না হয়। তাহলে সরাসরি কিন্তু সংযুক্ত হবে না। সেজন্য ওই দিকটা বিবেচনা করে দুই দেশ যদি এগ্রি করে, তখনই সম্ভব। আদারওয়াইজ খুব একটা এখানে বেনিফিট হবে না, তাই আপাতত এটা স্থগিত রাখা হয়েছে। কখনো যদি দুই দেশ একমত হয়, তখন এটা করা হবে।”
মহাপরিচালক আরও যোগ করেন, “আমরা দেখতে আসছি যে এখানে লোডিং-আনলোডিং যে ফ্যাসিলিটি আছে, সেটা ঠিক আছে কিনা এবং কী কী চাহিদা আছে। যদি চাহিদা বেশি থাকে, তাহলে আমরা রেললাইন এক্সটেনশন করব। চাহিদা থাকলে ও জায়গা থাকলে আমরা একটু বড় করে দিতে পারি, যাতে আরও বেশি কোচ ঢোকানো যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ