ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কেরানীগঞ্জে এইচএসসিতে পাসের হার ৫৬.৬৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ শিক্ষার্থী


কেরানীগঞ্জে এইচএসসিতে পাসের হার ৫৬.৬৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ শিক্ষার্থী

ঢাকার কেরানীগঞ্জে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার পাসের হার ৫৬ দশমিক ৬৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এবারের পরীক্ষায় উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১১ জন শিক্ষার্থী। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, কেরানীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ পাসের হারে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। অপরদিকে, সর্বনিম্ন পাসের হার রয়েছে জিনজিরা পিএম পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাকির হোসেন মোল্লা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এইচএসসি পরীক্ষায় কেরানীগঞ্জ উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮৭১ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৬০৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ১ হাজার ২২৮ জন অকৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ জন।

কলেজভিত্তিক ফলাফলে কেরানীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৮৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ পাসের হার নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। অন্যদিকে, ৩৬ দশমিক ৪০ শতাংশ পাসের হার নিয়ে জিনজিরা পিএম পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কলেজে ১৪ শিক্ষকের মধ্যে ৫ পরীক্ষার্থীর পাস ১ জন

ফলাফল প্রকাশের পর উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেলেও, অনেক শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাঁচ কলেজের শিক্ষার্থীরা সবাই ফেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২০ এম


লক্ষ্মীপুরে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাঁচ কলেজের শিক্ষার্থীরা সবাই ফেল

লক্ষ্মীপুরে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পাঁচটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে সক্ষম হয়নি। এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মোট ১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও, সকলেই অকৃতকার্য হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শূন্য পাশের তালিকায় রয়েছে লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তোরাবগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ফজু মিয়ার হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন আলোকিত কলেজ।

ফজু মিয়ার হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সাতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, কিন্তু তাদের মধ্যে কেউই পাশ করতে পারেনি। তোরাবগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুইজন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন আলোকিত কলেজ থেকে তিনজন, ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ থেকে একজন এবং লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তিনজন পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে, এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

অন্যদিকে, লক্ষ্মীপুর জেলায় এ বছর ৮ হাজার ৭৭৭ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৬২৪ জন পাস করেছে। জেলায় পাসের হার ৪১ দশমিক ২৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৮১ জন শিক্ষার্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কলেজে ১৪ শিক্ষকের মধ্যে ৫ পরীক্ষার্থীর পাস ১ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কলেজে ১৪ শিক্ষকের মধ্যে ৫ পরীক্ষার্থীর পাস ১ জন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের ক্যা.এবি তাজুল ইসলাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বছরে কলেজটির ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত থাকার পরও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছে। এর ফলে কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ২০ শতাংশ। আগের বছরের ফলাফলের চিত্রও প্রায় একই রকম ছিল।

এমন ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলাফল প্রকাশের পর এলাকার বাসিন্দা ও প্রশাসনের নজরে আসে এই বিষয়টি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর কলেজটির ফলাফলের তথ্য জানা যায়। ২০১৬ সালে সাবেক এমপি ক্যা. এবি তাজুল ইসলাম কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে কলেজটিতে ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তবে শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চলতি বছর কলেজটি থেকে ৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র একজন। গত বছর ২৭ জন পরীক্ষার্থী মধ্যে ৪ জন পাস করেছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কলেজটিতে পড়াশোনার পরিবেশ দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবর্তে অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টিকটক ব্যবহারে বেশি সময় ব্যয় করছে। ফলে শিক্ষার পরিবেশ এবং ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. ইসমাইল জামাল বলেন, "এ বছর আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে মাত্র একজন পাস করেছে। তার নাম জান্নাতুল মীম, সে জিপিএ ৩ পেয়েছে। আগামী বছর ২০ জন পরীক্ষা দেবে।" তিনি আরও বলেন, "ভর্তি হওয়ার পর অনেক শিক্ষার্থী বিদেশ চলে যায়। আর যারা থাকে, তাদের অনেকেই নিয়মিত ক্লাসে আসত না।"

তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, "আমার কলেজটি রীতিমতো আই সি ইউ তে আছে। পাঠদানের অনুমতিপত্র (EIIN NO139351) বাঁচাতে ও এমপিওভুক্তির আশায় শিক্ষার্থী অনুরোধ করে এনে পরীক্ষা দেওয়ানো হচ্ছে। কাগজে কলমে ১৪ জন শিক্ষক থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তা নেই। বলতে গেলে আমি একা যুদ্ধ করছি কলেজটিকে বাঁচিয়ে রাখতে।" সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনার প্রতিমন্ত্রী বরাবর ‘কলেজ বাঁচানোর আবেদন’-এর একটি দরখাস্ত তিনি প্রতিবেদককে দেখান।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য ভিপি নাজমুল হুদা বলেন, "কলেজের বেহাল দশা পরিকল্পনা মন্ত্রী জোনায়েদ সাকিকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি, সমাধান আসবে। ভবিষ্যতে রেজাল্ট ভালো হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্ম ও জীবনবোধ নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখায়: মামুনুর রশীদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ এম


রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্ম ও জীবনবোধ নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখায়: মামুনুর রশীদ

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ময়মনসিংহে আগমনের শতবর্ষ উপলক্ষে ‘রবীন্দ্র-আলোয় ময়মনসিংহ: শতবর্ষে ফিরে দেখা’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে নগরের টাউন হলের অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের ময়মনসিংহ শাখা এটি আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ। তিনি উল্লেখ করেন, "আজকের এই বিধ্বস্ত বাংলাদেশে, যখন আমাদের স্বপ্নগুলো প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে, তখন আমরা রবীন্দ্রনাথকে নতুন করে স্মরণ করছি। তার সময়ের দিকে ফিরে তাকিয়ে আমরা ভাবতে পারছি, মানুষ কতটা মহৎ হতে পারে। রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্ম ও জীবনবোধ আমাদের নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখায়।"

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ময়মনসিংহে এসেছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের ময়মনসিংহ শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. আতিকুল হক।

অনুষ্ঠানে ‘অস্মিত রবীন্দ্রনাথ’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পাশাপাশি ‘ময়মনসিংহে রবীন্দ্রনাথের আগমনের শতবর্ষ: তাৎপর্য ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি আবু সাঈদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক স্বপ্ন ধর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. জয়নাল আবেদীন খান, আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যাপক বিমল কান্তি দে, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সহসভাপতি অধ্যাপক মঞ্জুরুল আলম এবং সংগঠনটির সভাপতি মফিদুল হক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজিদবাড়িয়া কলেজে ৮ শিক্ষক, একমাত্র পরীক্ষার্থী ফেল—পাসের হার শূন্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ এম


মজিদবাড়িয়া কলেজে ৮ শিক্ষক, একমাত্র পরীক্ষার্থী ফেল—পাসের হার শূন্য

কলেজের আটজন শিক্ষক মিলে চেষ্টা করেও প্রতিষ্ঠানের একমাত্র এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে পাস করাতে ব্যর্থ হয়েছেন। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এমপিওবিহীন মজিদবাড়িয়া কলেজে এই ঘটনা ঘটেছে। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় কলেজটির পাসের হার শূন্যে নেমে এসেছে।

মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের সুলতানাবাদ গ্রামে অবস্থিত কলেজটিতে বর্তমানে বিনা বেতনে আটজন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, কলেজটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে এটি এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। কলেজটির নেই কোনো নিজস্ব পাকা ভবন, বর্তমানে পাঠদান কার্যক্রম চলছে একটি জীর্ণ টিনশেড ঘরে। কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, সরঞ্জাম ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে শিক্ষার্থীরা এই কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফারুক ইকবাল মন্তব্য করেন, প্রতিষ্ঠানের শুরুর দিকে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা সন্তোষজনক ছিল। কিন্তু ২৪ বছরেও কলেজটি এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং অবকাঠামোগত সংকটের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা ক্রমাগত কমছে। মানসম্মত শিক্ষার্থীরা এখন আর এখানে ভর্তি হতে আগ্রহী নয়।

এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে কেবল একজন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে ফেল করায় কলেজটির শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%