ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেবের পরের সিনেমার নায়ক জিৎ!


দেবের পরের সিনেমার নায়ক জিৎ!

টালিউডের দুই সুপারস্টার দেব ও জিৎকে কেন্দ্র করে নতুন করে উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর একই মঞ্চে হাজির হয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন তারা। শুধু তাই নয়, দেবের পরিচালনায় পরবর্তী সিনেমায় অভিনয়ের ইঙ্গিতও দিয়েছেন জিৎ। সবকিছু ঠিক থাকলে পরিচালকের ভূমিকায় দেব এবং নায়কের ভূমিকায় জীৎকে দেখা যেতে পারে।

পরিচালক হিসেবে দেবের নতুন যাত্রা শুরু হচ্ছে ‘দেশু ৭’ সিনেমার মাধ্যমে। ছবিটির নায়ক এবং প্রযোজকও তিনিই। শুরু থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) কলকাতার নজরুলমঞ্চে ভক্ত-অনুরাগীদের উপস্থিতিতে ছবিটির ট্রেলার প্রকাশিত হয়। আয়োজনটি উৎসবের আমেজ তৈরি করে।

তবে ট্রেলার প্রকাশের অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে জিতের উপস্থিতি। দেবের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে একই মঞ্চে হাজির হন এই অভিনেতা। দীর্ঘদিনের দূরত্ব ও মনোমালিন্যের গুঞ্জন পেছনে ফেলে দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখে ভক্তরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।

আরও পড়ুন: বিচ্ছেদের পর নীরবতা ভেঙে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেহতাজের ছবি

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে চমক দেননি জিৎ, বরং দেবের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন সিনেমা তৈরির ঘোষণা দেন। এতে দুই তারকাকে আবারও বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখার প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়েছে।

অনুষ্ঠানের মঞ্চে জিৎ বলেন, ‘দেশু ৭’ হিট হলে দেবের পরবর্তী সিনেমায় আমি অভিনয় করব। জিতের এমন ঘোষণার পরপরই ছবির নায়িকা শুভশ্রী গাঙ্গুলি বলেন, ‘আমি তাহলে নায়িকা হব।’

শুভশ্রীর মন্তব্যের জবাবে দেব জানান, নিজেকে বাদ দিয়ে তার বিপরীতে অন্য কোনো নায়ককে বেছে নিতে হলে সেই পছন্দের তালিকায় প্রথমেই থাকবেন জিৎ।

উল্লেখ্য, জিৎ ও শুভশ্রী জুটি এর আগে একাধিক সফল সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ফলে তাদের আবারও একসঙ্গে পর্দায় দেখার সম্ভাবনা দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নিশি’ নির্বাচিত হয়েছে ভিজিআইকে উৎসবে

এদিকে ‘দেশু ৭’ সিনেমার প্রচারেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেব ও শুভশ্রী দুজনকেই কালো পোশাকে দেখা গেছে। ইতোমধ্যে সিনেমাটির গানের ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা।

ট্রেলার প্রকাশের অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অপরাজিতা আঢ্য, ইধিকা পাল, কাঞ্চন মল্লিক, প্রিয়াংকা সরকার, রজতাভ দত্ত ও ছবির খলনায়ক অনির্বাণ ভট্টাচার্য। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি হাতে লেখা চিঠির মাধ্যমে দেবকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে দেশছাড়া করা যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ পি.এম


সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে দেশছাড়া করা যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

কলকাতা হাইকোর্টের এক বিচারপতি মন্তব্য করেছেন যে, শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে ভারত থেকে বহিষ্কার করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) একটি মামলার শুনানি চলাকালে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই মন্তব্য করেন। খবরটি টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির আটকাদেশ এবং তাকে দেশ থেকে বহিষ্কারের প্রস্তাবকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলার শুনানিতে বিচারক উপস্থিত ছিলেন।

শুনানির সময় ওই ব্যক্তির আইনজীবী জানান, প্রতিবেশীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে সৃষ্ট সন্দেহের কারণে গত ৮ আগস্ট থেকে তাকে আটক করে রাখা হয়েছে।

ওই ব্যক্তির স্ত্রী মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তিনি ‘ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের’ জারি করা বহিষ্কারাদেশ এবং স্বামীর আটকাদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তবে তার স্ত্রীকে আটক করা হয়নি।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, বহিষ্কারের আদেশটি আপাতত ‘স্থগিত রাখা হয়েছে’। তিনি উল্লেখ করেন, নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত মানুষকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া। মনে হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীকে (আটক ব্যক্তিকে) আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়নি।

বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ওই ব্যক্তিকে দুই মাস ধরে আটক রাখা হয়েছে এবং নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কেন ‘সুস্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য প্রক্রিয়া’ অনুসরণ করেনি।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, "আমার মক্কেল দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আটক রয়েছেন। কয়েকজন প্রতিবেশীর বক্তব্যের ভিত্তিতে সৃষ্ট সন্দেহই ছিল তার আটকের ভিত্তি।"

বিচারপতি প্রশ্ন করেন, "কেবল এ ধরনের দাবির ওপর ভিত্তি করে কীভাবে কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব?" তিনি জোর দিয়ে বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কাউকে আটকে রাখা যায় না।

তিনি আরও প্রশ্ন করেন, "সত্তরের দশক থেকে কত মানুষ সীমান্ত পার হয়ে এসেছে? তাদের সবাইকে কি ফেরত পাঠানো সম্ভব?"

তিনি মামলাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ফেরত পাঠান, যাতে এটি উপযুক্ত বেঞ্চে ন্যস্ত করা যায়।

গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে বিজেপিশাসিত অনেক রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা বাংলাভাষী মুসলিম শ্রমিকদের অবৈধ বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করছে এবং কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনালের আদেশ ছাড়াই বিএসএফের সহায়তায় বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে।

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন সরকার ‘আটক, নাম বাদ দেওয়া ও বহিষ্কার’ নীতি ঘোষণা করে। এর আওতায় সন্দেহভাজন বাংলাদেশিদের আটকশিবিরে আটকে রেখে তাড়াহুড়ো করে বাংলাদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। বাংলাদেশে প্রায় এক বছর কাটানোর পর, আদালতের নির্দেশে জুলাই মাসে মালদহের মহাদিপুর স্থলবন্দর দিয়ে এমন চারজন ভারতীয়কে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, "সুতরাং, কোনো ব্যক্তিকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারের উচিত নথিপত্র যথাযথভাবে যাচাই করা।" তিনি উল্লেখ করেন, "কেবল কিছু মানুষের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে এটা সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন অনুপ্রবেশকারী।"

রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট-জেনারেল রাজদীপ মজুমদার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আটক ব্যক্তি ভুয়া নথিপত্রের ভিত্তিতে ভোটার কার্ড, আধার ও প্যান কার্ডের মতো নথিপত্র সংগ্রহ করে থাকতে পারেন।

হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণ এমন এক সময়ে এসেছে যখন নথিপত্র, নাগরিকত্ব ও নির্বাচনি পরিচয় নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে তীব্র বিতর্ক চলছে; বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধনের একটি বিতর্কিত বিশেষ প্রক্রিয়ার (এসআইআর) কারণে ভারতজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়ার লক্ষ্যে লাখ লাখ প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাংলায় যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের অনেকেই সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সব সময় অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে বহিষ্কৃত হওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারী হিসেবে বিবেচিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ভারতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথির হামলায় ফ্লাইট বাতিল, যাত্রীবাহী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ পি.এম


রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথির হামলায় ফ্লাইট বাতিল, যাত্রীবাহী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। হামলায় একটি যাত্রীবাহী বিমান গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পর কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

হুথিদের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) হামলার দাবি করা হলেও এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। সৌদি কর্তৃপক্ষও এই দাবি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে, দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, চলতি সপ্তাহে রিয়াদ ও আবহা বিমানবন্দরে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।

এই বিষয়ে তিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরের টার্মিনালে পার্ক করা সৌদি এয়ারলাইনসের একটি বাণিজ্যিক বিমানে আগুন ধরে যায়। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর ছড়িয়ে পড়া ধ্বংসাবশেষ অথবা অন্য কোনো প্রক্ষেপণের আঘাতে বিমানটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তারা জানান। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময় বিমানটিতে কোনো যাত্রী ছিলেন না। তবে, কেউ আহত হয়েছেন কিনা, তা নিশ্চিত করতে পারেননি কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় বাসিন্দারা রিয়াদে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। বিমানবন্দরের কাছে বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, সেখানে আগুন নেভানোর গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়। রয়টার্সের যাচাই করা একটি ভিডিওতে বিমানবন্দর এলাকা থেকে কালো ধোঁয়া ও আগুনের শিখা উঠতে দেখা গেছে। এ সময় বহির্গামী ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং যাত্রীদের বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জার্মানির লুফথানসা ও ভারতের এয়ার ইন্ডিয়া রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিমান চলাচল বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার গ্রিনিচ মান সময় বিকাল ৩টার দিকে রিয়াদ বিমানবন্দরের প্রায় অর্ধেক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। শুক্রবার সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে আরও ৩১টি ফ্লাইট বাতিল হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

হুথিরা বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের ওপর হামলা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে। তারা দেশটির আকাশসীমায় বিমান চলাচল বন্ধ করার চেষ্টা এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকিও দিয়েছে। এসব স্থাপনার কর্মীদের সেখানে থেকে দূরে থাকার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিহত করা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ রিয়াদের একটি কিন্ডারগার্টেন ও চিকিৎসাকেন্দ্রে আঘাত হেনেছে।

ইয়েমেনে পুনরায় তীব্র হয়ে ওঠা গৃহযুদ্ধে সরকারপন্থি বাহিনীকে সৌদি আরব সমর্থন দেওয়ায় দেশটিকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলছে হুথিরা। অন্যদিকে, সৌদি আরব জানিয়েছে, হুথিদের কাছ থেকে এলাকা পুনর্দখলে জাতিসংঘ-স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সামরিক অভিযানে তারা সহায়তা করছে।

গত এক মাসে ইয়েমেনের উপকূলীয় সমভূমিতে দ্রুত অগ্রসর হয়েছে হুথিরা। বুধবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও তাদের অগ্রযাত্রার খবর পাওয়া গেছে। গোষ্ঠীটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ শহরের দিকে এগোচ্ছে। স্বাধীন পর্যবেক্ষকেরা এর আগে সতর্ক করেছিলেন, হুথিরা শহরটি দখলের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে।

এদিকে সৌদি-সমর্থিত সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী এডেনের নিরাপত্তা জোরদার করতে পিছু হটছে বলেও কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহে রিয়াদে জ্বালানি খাতের নীতিনির্ধারকদের বড় আয়োজন ‘ওয়ার্ল্ড পেট্রোলিয়াম কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়ানোয় আদালতের দ্বারস্থ কঙ্গনা রানাউত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়ানোয় আদালতের দ্বারস্থ কঙ্গনা রানাউত

প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তৈরি ছবি-ভিডিও এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে দিল্লি হাই কোর্টে গেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। ব্যক্তিসত্তার অধিকার রক্ষা এবং আপত্তিকর ও ভুয়া বিষয়বস্তু সরানোর দাবিতে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) কঙ্গনা দিল্লি হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেন। শুনানির সময় তার আইনজীবী অভিনেত্রীকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া যৌন হয়রানিমূলক ভিডিও, আপত্তিকর পোস্ট, ভুয়া খবর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বিভিন্ন বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তি জানান। এসব কনটেন্টে কঙ্গনার নামে মিথ্যা মন্তব্য প্রচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

কঙ্গনার অভিযোগ, এ ধরনের ছবি, ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে তাকে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং তার সম্মানহানি ঘটানো হচ্ছে। একই সঙ্গে তার ব্যক্তিসত্তার অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এসব বিষয়বস্তু সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তবে ব্যক্তিসত্তার অধিকার রক্ষায় আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা বলিউডে নতুন নয়। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তারকা তাদের পরিচয়, ছবি ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির অপব্যবহার ঠেকাতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, সালমান খান এবং অভিনেতা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ। এ ধরনের বিভিন্ন মামলায় সংশ্লিষ্টদের সাময়িক স্বস্তি দিয়েছেন হাই কোর্ট।

এদিকে, কঙ্গনাকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ সিনেমায়। জুনে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একে একে নাগরিকদের সব সুবিধা নিশ্চিত করা হবে : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


একে একে নাগরিকদের সব সুবিধা নিশ্চিত করা হবে : অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নাগরিকদের জন্য একে একে সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার তার দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করবে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্মিত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়কে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "আজকে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধন হলো। মানুষ এই ট্র্যাক ব্যবহার করে অফিসে যাবে। এক্সারসাইজ করবে, শরীর, মন সুস্থ থাকবে। সরকার একে একে নাগরিকদের সব সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবে।"

অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী মেয়র মহোদয়ের উদ্যোগের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "মেয়র মহোদয়ের এই উদ্যোগের জন্য তাকে ধন্যবাদ। ক্রমান্বয়ে নগরের খালগুলো পাড়ে এবং অন্যান্য এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ করতে হবে। আমি আমার জায়গা থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।"

এসময় মঞ্চে উপস্থিত তিন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, এরশাদ উল্লাহ ও এনামুল হকের নাম উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, "মাননীয় সংসদ সদস্যরা যারা আছেন আপনারাও আপনাদের এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। মানুষকে ঘর থেকে বাইরে এনে শরীর চর্চার সুযোগ করে দিন।"

সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে তিন সংসদ সদস্য ছাড়াও নগর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং চসিকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%