ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও সম্মাননা স্মারক প্রদান


বরিশালে শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও সম্মাননা স্মারক প্রদান

বরিশাল, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে বরিশাল জেলার ১০১ জন মেধাবী ও কৃতি শিক্ষার্থীর মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে সনদ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "তোমাদের এ সাফল্য ধরে রাখতে নিয়মিত অধ্যবসায় ও শৃঙ্খলার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। মোবাইল ফোনের অপব্যবহার, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের দূরে রেখে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে।"

আরও পড়ুন: নাটোরে জুয়া ও হ্যাকিং চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

তিনি আরও বলেন, "জেলা পর্যায়ে অর্জিত এ সাফল্যকে জাতীয় পর্যায় পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে তোমাদের আরও নিষ্ঠার সাথে পরিশ্রম করতে হবে। নিজেদের মেধা, প্রতিভা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির জন্য গৌরব বয়ে আনতে হবে।"

জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার আরও উল্লেখ করেন, "বরিশাল জেলা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা নগরী হিসেবে পরিচিত। এ জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। বরিশাল এমন একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ, যেখানে শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক, কবি জীবনানন্দ দাশ ও কবি কুসুমকুমারী দাশের মতো কৃতী মনীষীর জন্ম হয়েছে। তাদের মেধা, আদর্শ ও দেশপ্রেম থেকে শিক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।" এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, তাদের দেখানো আলোকিত পথ অনুসরণ করে দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে।

বরিশাল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আ. জব্বারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা পারভীন এবং সরকারি ব্রজমোহন কলেজের অধ্যক্ষ ড. শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকগণ।

আরও পড়ুন: পরিবেশ দূষণ রোধ, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে Helping Hand Foundation কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষা ব্যবস্থাকে সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও প্রয়োজন অনুযায়ী ঢেলে সাজাতে হবে রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ পি.এম


শিক্ষা ব্যবস্থাকে সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও প্রয়োজন অনুযায়ী ঢেলে সাজাতে হবে রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের সাহিত্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, কর্মসংস্থান ও প্রয়োজন- সবকিছু মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে।"

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)-এর একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ব্রিফিংকালে বাসস’কে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিগত আমলের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজন রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থাকে একত্রিত করে একটি সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ঢালাওভাবে মানহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন দেওয়ার ফলে দেশে অদক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভোকেশনাল ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আমাদের আরও জোর দিতে হবে, যাতে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি করে আরও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হয়।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দল দেশের উচ্চশিক্ষার সার্বিক উন্নয়ন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বর্তমান অবস্থা, দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদানের বিষয় রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন।

তারা কর্মদক্ষতা ও ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা, নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে জাতীয় প্রয়োজনে বিষয়ভিত্তিক চাহিদা, বিনিয়োগ সক্ষমতা ও গুণগত মানের ভিত্তিতে অনুমোদনে হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এপিইউবি-এর প্রতিনিধিদলের সদস্যরা যোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পিএইচডি ডিগ্রি, গবেষণা, পেটেন্ট এবং বাণিজ্যিকীকরণের পূর্ণ সুযোগ প্রদান, যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম, ইন্টার্নশিপ, শিক্ষানবিশ (অ্যাপ্রেন্টিসশিপ), বিদেশি ভাষা শিক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে প্রত্যেক গ্র্যাজুয়েটকে কর্মসংস্থানযোগ্য করা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) সহায়ক ও উন্নয়নমুখী নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা এবং একটি সমন্বিত জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়নে রাষ্ট্রপতির কাছে দাবি জানান।

রাষ্ট্রপতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচ্চশিক্ষার প্রসার, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় প্রশংসা করে বলেন, "কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে তাদের অবস্থান অটুট রেখেছে।" রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চ্যান্সেলর হিসেবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে এপিইউবি চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে সংগঠনের ভাইস-চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ ও কে.বি.এম. মঈন উদ্দিন চিশতি, ট্রেজারার কায়ুম রেজা চৌধুরী, এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য আব্দুল কাসেম হায়দার, কাজী জাহেদুল হাসান ও নওশাদ শামসুল আরেফিন এবং এপিইউবি সচিবালয়ের পরিচালক বেলাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’ : বিজ্ঞান মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’ : বিজ্ঞান মন্ত্রী

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’। এই মেলার উদ্দেশ্য হলো দেশীয় উদ্ভাবনকে নীতি সহায়তা, কৌশলগত বিনিয়োগ, শিক্ষা খাত এবং মূলধারার বাজারের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এসব তথ্য তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এ মেলা বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতিশীল উদ্ভাবনগুলোর সঙ্গে সরকারের নীতি সহায়তা, প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ, শিক্ষা খাত ও দেশীয়-আন্তর্জাতিক বাজারের শক্তিশালী মেলবন্ধন ও সংযোগ ঘটাতে কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।’

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রদর্শনী ও সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশীয় উদ্ভাবক ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের নিবিড় যোগাযোগ ও টেকসই অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।

আয়োজক সূত্র জানায়, তিন দিনব্যাপী এ মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নবীন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এসএমই), উদ্ভাবনী সেবা প্রদানকারী, আইডিয়া ইনকিউবেটর, পরিবেশক ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করবেন। প্রদর্শনীতে প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বৈচিত্র্যময় খাতের ১ হাজারের বেশি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শিত হবে।

মেলার দ্বিতীয় দিন (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে আয়োজন করা হবে বিশেষ সেশন। ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য উদ্ভাবন: সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক মানের সেশনে সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা ও প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ সেশনে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ এই আয়োজনে এমন সব স্বাস্থ্য-উদ্ভাবন তুলে ধরা হবে, যা প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের দোরগোড়ায় কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বাস্তবমুখী ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দেশে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বহু সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ও ধারণা তৈরি হলেও নীতি সহায়তা, প্রাথমিক তহবিল, বাজারসংযোগ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অভাবে তা গবেষণাগারেই ভেস্তে যায়। এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য হলো এসব প্রশাসনিক ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে উদ্ভাবনকে ল্যাবরেটরি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও বাজারে নিয়ে যাওয়া।

মেলায় ‘পলিসি মেশা’ নামে একটি নীতি-নির্ধারণী গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে; যেখানে মন্ত্রী, সচিব, শীর্ষ নীতিনির্ধারক ও সিটি করপোরেশনের মেয়ররা উপস্থিত থেকে উদ্ভাবনবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করবেন।

এছাড়া সম্ভাবনাময় প্রকল্পগুলোতে অর্থায়নের পথ সুগম করতে আয়োজন করা হবে ‘ইনভেস্টমেন্ট মেশা’। এতে স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, তৈরি পোশাক, কৃষি, বেসামরিক বিমান চলাচল, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতের সেরা উদ্ভাবন চিহ্নিত করে বিনিয়োগের আনুষ্ঠানিক সুযোগ তৈরি করা হবে। পুরো প্রাঙ্গণে উদ্ভাবকদের কারিগরি সহযোগিতা দিতে ‘উদ্ভাবন হাব’ সক্রিয় থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “এই মেলা দেশের উদ্ভাবক ও শিল্পোদ্যোক্তাদের এক ছাতার নিচে নিয়ে আসবে, যা জাতীয় উদ্ভাবন ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখবে।”

আন্তর্জাতিক ও জাতীয় বেশ কয়েকটি শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এ মেলার অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) এবং মেধা স্বত্ব সম্পর্কিত সংস্থা কাজ করছে। কারিগরি অংশীদার হিসেবে রয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। এ ছাড়া ফরেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফআইসিসিআই) স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সেশনটি সরাসরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে পরিচালিত হবে। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর এ সেশনের বাস্তবায়ন সহযোগী এবং স্পেকট্রাম কমিউনিকেশন্স লিমিটেড সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহাখালীতে পরিবহন শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


মহাখালীতে পরিবহন শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালের সামনে সড়ক অবরোধ করেছেন পরিবহন শ্রমিকরা। এর ফলে বনানী, গুলশান, তেজগাঁও ও সাতরাস্তা সড়ক পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।

মহাখালী এলাকায় কর্তব্যরত পুলিশের সার্জেন্ট বেলাল হোসেন জানান, শ্রমিকরা মহাখালী টার্মিনালের সামনে দুই পাশ বন্ধ করে রেখেছেন। এই কারণে পুরো এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি মহাখালীতে অলস পড়ে থাকা বাসগুলো পূর্বাচলে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

এ নিয়ে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা সেই অসন্তোষের কারণে সড়ক অবরোধে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

নিজেকে বাসচালক পরিচয় দিয়ে কামরুল হাসান নামে এক বাসচালক বলেন, "টার্মিনালের বাইরে গাড়ি পাইলেই পুলিশ ডাম্পিং করতেছে, রেকার বিল ধরিয়ে দিচ্ছে।" তার ভাষ্য, পূর্বাচলে যেখানে তাদের বাস রাখতে বলা হচ্ছে সেখানে যথাযথ নিরাপত্তা নেই।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগ গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় সড়কে যান চলাচল সুষ্ঠু, স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে পুলিশ বাস ডাম্পিং করার প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী নিজের দপ্তর থেকেই ‘মাননীয়’ সম্বোধন পরিহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী নিজের দপ্তর থেকেই ‘মাননীয়’ সম্বোধন পরিহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করলেন

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর দপ্তর থেকে সম্মানসূচক ‘মাননীয়’ শব্দটি ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। তিনি ডিজিটাল হাজিরা দেওয়ার কাজও নিজেই করছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সব ধরনের নথি ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে ‘মাননীয়’ শব্দটি বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে সচিবালয়ে অফিস করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনি নিজের দপ্তরে প্রবেশের আগে ডিজিটাল হাজিরা দেন।

গতকাল বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাঁদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই নির্দেশনা কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রধানমন্ত্রী নিজেই তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। তাঁর কাছে উপস্থাপিত ফাইল ও অন্যান্য সরকারি নথিতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ না লিখে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা আরও জানান, ‘মাননীয়’ শব্দটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধারাবাহিক ইতিবাচক উদ্যোগের অংশ। এর মাধ্যমে তিনি পদমর্যাদার আনুষ্ঠানিক বিশেষণের চেয়ে দায়িত্ব, জনসেবা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সামনে আনার বার্তা দিচ্ছেন।

একই সঙ্গে দাপ্তরিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও ডিজিটাল হাজিরার প্রথা প্রবর্তন করে নজির তৈরির চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রী। কার্যালয়ে প্রবেশের সময় অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো প্রধানমন্ত্রীও নিয়মিত ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন। দিনের কাজ শেষে কার্যালয় ছাড়ার সময়ও নির্ধারিত পদ্ধতিতে বের হওয়ার হাজিরা দিয়ে অফিস ত্যাগ করছেন।

সরকার প্রধান হয়ে দাপ্তরিক নিয়ম নিজের ক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ম মেনে চলার বার্তা দিতে দিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশাসনে সময়ানুবর্তিতা, জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের অংশ। যখন রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা ব্যক্তি সাধারণ দাপ্তরিক নিয়ম মেনে চলেন, তখন প্রশাসনের অন্যদের কাছেও একই নিয়ম অনুসরণের প্রত্যাশা আরও স্পষ্ট হয়।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন বাসসকে বলেন, সরকারি চিঠিপত্রের সম্বোধনের আগে রাষ্ট্রপতির নামের আগে মহামান্য এবং প্রধানমন্ত্রীর নামের আগে মাননীয় লেখা যাবে না মর্মে গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে যে পরিপত্র জারি করা হয়েছে, ইতোমধ্যেই আমরা তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সবগুলো মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং ইউএনওদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। আজকে থেকেই এর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামীতে সরকারি পত্রালাপ বা গুরুত্বপূর্ণ নথিতে এই পরিপত্রের ব্যত্যয় ঘটানো যাবেনা মর্মে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই পরিপত্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সমস্ত প্রশাসনে জানিয়ে দিয়েছি। আশা করি, সকলেই যার যার অবস্থান থেকে পরিপত্র যথাযথ অনুসরণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ও অপ্রয়োজনীয় আড়ম্বর কমাতে ইতোমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারি কার্যক্রম ও প্রচারণায় তাঁর ছবি ব্যবহার না করা, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং তাঁর চলাচলের সময় সাধারণ মানুষের জন্য ট্রাফিক সিগন্যাল বন্ধ না রাখার মতো উদ্যোগ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী দেশে ও দেশের বাইরে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়া পতাকাবাহী গাড়ি ব্যবহার করছেন না। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এমন একটি বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তি বিশেষ সুবিধা বা বিশেষ সম্বোধনের পরিবর্তে নিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি অধিশাখার যুগ্ম সচিব তানভীর আহমেদ বাসসকে বলেন, সার্কুলারটি ইতোমধ্যে মাঠ প্রশাসনের সমস্ত জায়গায় পৌঁছে গেছে। আজ আমরা দুয়েকটি চিঠিপত্র পেয়েছি, সেখানে পরিপত্রের বাস্তবায়ন লক্ষ্য করা গেছে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির আগে মহামান্য এবং প্রধানমন্ত্রীর আগে মাননীয় শব্দটি পরিহার করার জন্য মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে যে পরিপত্র জারি করা হয়েছে, সেটি আজ বৃহস্পতিবার থেকেই পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। কোনো অফিস থেকে এর ব্যত্যয় লক্ষ্য করা গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%