সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৬ পি.এম
মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভায় তরুণ ও যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে শুরু হয়েছে ‘আন্তঃ ঠেংগামারা ফুটবল প্রিমিয়ার লিগ-২০২৬’। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঠেংগামারা টাইগার ক্লাব-সংলগ্ন মাঠে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন আসন্ন কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম হাওলাদার।
নিজ পায়ে ফুটবলে লাথি মেরে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন এই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী। ঠেংগামারা এলাকার তরুণ ও যুবসমাজের উদ্যোগে এ ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নজরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, যুব ও ছাত্রসমাজকে খেলাধুলায় মনোযোগী করতে বর্তমান সরকার ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচি চালু করেছে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। প্রিয় নেতা আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ভাইয়ের নির্দেশনায় তিনি এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছেন বলেও জানান।
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, দলের প্রতি অতীতের অবদানের কারণে তিনি আশাবাদী, দল তাঁকে সমর্থন দেবে।
স্থানীয় তরুণ ও যুবসমাজের এ উদ্যোগ এলাকায় ক্রীড়াচর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্যালকের অবৈধ সম্পদ ও হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে মামলার আসামি হচ্ছেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম। একইসঙ্গে তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানাকেও আসামি করা হচ্ছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের প্রধান মোজাম্মিল হোসেন সোমবার (২৬ অক্টোবর) মামলার অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, রেজাউল আলম শাহীনের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২৩ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২৬ টাকার সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার ৪০টি ব্যাংক হিসাবে ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত এক হাজার ৪৫ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৩৮ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় শাহীনের বোন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানা এবং তার স্বামী সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলামকেও আসামি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
শাহীনের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার নামেও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৫ কোটি ৩০ লাখ ২১ হাজার ৫৯ টাকার সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, টুম্পার ২৭টি ব্যাংক হিসাবে ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫৮ কোটি ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪৩ টাকা লেনদেন করা হয়েছে।
দুদকের অভিযোগ, শাহীন, তার বোন সায়লা ফারজানা ও ভগ্নিপতি মনিরুল ইসলামের ঘুস, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বৈধ করার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে টুম্পার নামে সম্পদ অর্জন ও ব্যাংক লেনদেন করা হয়েছে। এ মামলায় তাদের চার জনকেই আসামি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের প্রভাবে ইরানকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নতুন করে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা সাজানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর জন্য সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সৌদি আরব ও সিঙ্গাপুরের জ্বালানিমন্ত্রীরা জানিয়েছেন যে, ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুত শুরু করবে আরামকো। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কোম্পানিটির তেল সরবরাহব্যবস্থার সক্ষমতা ও সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি জোরদার করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাব এখনও বৈশ্বিক জ্বালানি এবং বাণিজ্যিক পরিবহন খাতে অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে, হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় তেল সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবর মাস ছিল হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ। এসব হামলা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের ঝুঁকি আরো বাড়িয়েছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরলও জ্বালানি বাজারের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সোমবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এক শিল্পবিষয়ক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০২৭ সালেও জ্বালানি বাজার যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে তিনি মনে করেন না।
এমন পরিস্থিতিতে, সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুতের উদ্যোগকে সৌদি আরামকোর আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অস্থিরতা এবং জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে বিকল্প স্থানে তেল মজুত রাখা সরবরাহব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক, কলামিস্ট, সংবাদ বিশ্লেষক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত গিয়াস কামাল চৌধুরীর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর ৭৪ বছর বয়সে রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, পেশাগত দক্ষতা এবং সাংবাদিক সমাজের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন গিয়াস কামাল চৌধুরী। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে তার অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে।
গিয়াস কামাল চৌধুরী দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকার (ভিওএ) ঢাকা সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার সংবাদ পরিবেশনা ও বিশ্লেষণ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তাকে পরিচিত করে তোলে। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনাবলি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য সংবাদ তুলে ধরেও তিনি বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেন।
১৯৩৯ সালের ২১ জুলাই তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। ১৯৬৪ সালে ইত্তেফাক গ্রুপ থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ‘ঢাকা টাইমস’-এর মাধ্যমে তার সাংবাদিকতা জীবনের সূচনা হয়।
পরবর্তী সময়ে তিনি ইংরেজি দৈনিক ‘মর্নিং নিউজ’-এ কাজ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় যোগ দেন এবং সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। দৈনিক ‘খবরপত্র’-এর সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
গিয়াস কামাল চৌধুরী শুধু একজন দক্ষ সংবাদকর্মীই ছিলেন না, সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সাংবাদিক সমাজের সংগঠিত কার্যক্রম, পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে তার ভূমিকা তাকে সাংবাদিকদের মধ্যে বিশেষ সম্মান এনে দেয়।
দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সংবাদ সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও সম্পাদকীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে অবদান রাখেন। ভয়েস অব আমেরিকার ঢাকা সংবাদদাতা হিসেবে তার পরিচিতি দেশের রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শ্রোতাদের কাছেও পৌঁছে যায়। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনাবলি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও তিনি ভূমিকা পালন করেন।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় যোগ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। পরে দৈনিক ‘খবরপত্র’-এর সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
১৯৩৯ সালের ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন গিয়াস কামাল চৌধুরী। তার পৈতৃক নিবাস ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। ১৯৬৪ সালে ইত্তেফাক গ্রুপ থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ‘ঢাকা টাইমস’-এর মাধ্যমে তার সাংবাদিকতা জীবনের সূচনা হয়।
সাংবাদিকতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯২ সালে তিনি দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন। এ সম্মাননা তাঁর দীর্ঘদিনের পেশাগত নিষ্ঠা ও অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত।
গিয়াস কামাল চৌধুরীর জীবন ও কর্ম বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। সংবাদ পরিবেশনা, সংবাদ বিশ্লেষণ এবং সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্ব, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তার কর্মজীবন নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য পেশাগত দায়িত্ববোধ, অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ২০১৩ সালের আজকের এই দিনে রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুতে দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে এবং অসংখ্য সহকর্মী, আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান।
আজ তার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এই খ্যাতিমান সাংবাদিকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। সাংবাদিকতায় তার অবদান ও পেশাগত নেতৃত্ব দেশের গণমাধ্যমের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চায় তার জীবন ও কর্ম ভবিষ্যতেও প্রাসঙ্গিক হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক্স স্টুডেন্ট ফোরামের উদ্যোগে ২০২৬ সালের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যবই উপহার দেওয়ার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই কর্মসূচিটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১২টায় আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন, তাদের উৎসাহিত করা এবং নতুন প্রজন্মের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০ জন শিক্ষার্থীর হাতে পাঠ্যবই উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, দৈনিক কালবেলার ক্রীড়া সম্পাদক এবং ঢাকা মেরিনার ইয়াংস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান উল্লাহ খান রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ খান মো. কামরুজ্জামান, সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক তাহমিনা ফেরদৌসী শুভ্রা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফকরুল ইসলাম।
আলোচক হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধা নাসির খান। এছাড়া এক্স স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্য মনিরুল ইসলাম নাসির, মো. রবিউল্লাহ রবি, জাহিদুল ইসলাম জুয়েল, মো. আলমগীর হোসেন ভান্ডারী, আলউদ্দিন সুমন, মো. সানি এবং শাহেদ আলম রাসেলসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এক্স স্টুডেন্ট ফোরামের আহ্বায়ক হাবিবুল্লাহ মাহবুব অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সভাটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্যসচিব হোসাইন এম. আসার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. হাসান উল্লাহ খান রানা বলেন, “শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের পাশে দাঁড়ানো জরুরি। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এ ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে পড়াশোনায় উৎসাহিত করবে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।”
সভাপতির বক্তব্যে হাবিবুল্লাহ মাহবুব বলেন, “আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সঙ্গে আমাদের আবেগ, স্মৃতি ও আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। পাঠ্যবই উপহার কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এবং তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে চাই। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এক্স স্টুডেন্ট ফোরাম বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।”
বক্তারা শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ