মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২০ পি.এম
২০৩০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে একটি নতুন দল গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ব্রাজিল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছে। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ড্র করার পর ব্রাজিল কিছুটা চাপে পড়েছিল, তবে দ্বিতীয় ম্যাচে তারা নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করেছে। এর ফলে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল সম্মানের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাজিল অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে। ব্রাজিলের পক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করেছেন রাফিনিয়া এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এছাড়া, ভ্যান্ডারসন ও গিমারায়েসও দুটি গোল করেছেন।
বিস্তারিত আসছে.....
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন সরাসরি খামারিদের ভাগ্যোন্নয়নের সঙ্গে জড়িত। তিনি উল্লেখ করেন, “খামারিরা উন্নত হলে দেশের অর্থনীতি উন্নত হবে। তাই খামারিদের উৎপাদন বাড়াতে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।”
তিনি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মানিকগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ বাস্তবায়ন এবং মান নিয়ন্ত্রণ জোরদারকরণ’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই খাতের উৎপাদন বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাণিজ পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে। এজন্য খামারিদের উৎপাদনমুখী করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, “আমরাই প্রথম ডিম রপ্তানি শুরু করেছি।”
তিনি বলেন, একজন খামারি শুধুমাত্র নিজের পরিবারের কর্মসংস্থান করেন না, বরং তার সঙ্গে অনেক মানুষের জীবিকা জড়িত। খামারিদের টিকিয়ে রাখতে হলে উৎপাদন খরচ, ঋণ সুবিধা, পশুর চিকিৎসা ও বাজারজাতকরণসহ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করে টুকু বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের সঙ্গে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নিম্নমানের মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য ব্যবহার করলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং মান নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না।
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, জনগণের আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিবাদীরা পলায়ন করেছে। তারা বিদেশে বসে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, এ দেশের জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না।
তিনি আরও বলেন, জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। দেশের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র হলে তা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
মাদককে দেশের অন্যতম বড় সমস্যা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে হবে। মাদকের বিস্তার রোধে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইমাম উদ্দিন কবীর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহজামান খান, পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান এবং জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মজিবুর রহমান।
কর্মশালায় নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন, প্রাণিজ পণ্যের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন-২০১০ বাস্তবায়ন এবং মান নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রাণিজ পণ্যের অবস্থান শক্তিশালী করতে হলে উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে মান নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য ব্যবহার, আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে তিনি খামারিদের মাঝে গবাদিপশু বিতরণ করেন।
গবাদিপশু বিতরণের সময় খামারিদের উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ, পশুর যথাযথ পরিচর্যা এবং রোগ প্রতিরোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রতিমন্ত্রীর এই সফরে নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন ও খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে, অন্যদিকে খামারিদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সহজ শর্তে ঋণসহ সরকারি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টিও সামনে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হংকংয়ের কিংবদন্তি অ্যাকশন তারকা জ্যাকি চ্যানের মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও, এটি সম্পূর্ণ ভুয়া। একটি সাদা-কালো ছবিতে ‘১৯৫৪-২০২৬’ লেখা ব্যবহার করে তার মৃত্যুর দাবি করা হচ্ছে। তবে জ্যাকি চ্যান এখনো জীবিত এবং সক্রিয় রয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে বলা হচ্ছে, ৭২ বছর বয়সী এই অভিনেতা মারা গেছেন। এমনকি একটি পোস্ট মাত্র পাঁচ ঘণ্টায় ৩৮ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে বলে জানা গেছে।
জ্যাকি চ্যানের আসল নাম ফাং শিলং। তার মৃত্যুর দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং তার সাম্প্রতিক প্রকাশ্য উপস্থিতির তথ্য রয়েছে। গত ৭ জুলাই সিঙ্গাপুরের পেই চুন পাবলিক স্কুলে আকস্মিকভাবে উপস্থিত হন তিনি। ‘লিম ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে ৯০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন অভিনেতা। এ সময় তাকে নিজের গান ‘হার্ড টু সে গুডবাই’ গাইতেও দেখা যায়।
জ্যাকি চ্যানের নাম ও জন্ম-মৃত্যুর সাল উল্লেখ করে তৈরি স্মরণসভাসদৃশ ছবিই মূলত গুজব ছড়ানোর অন্যতম কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বখ্যাত তারকাদের নিয়ে এ ধরনের ভুয়া মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নতুন নয়।
ছয় দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে জ্যাকি চ্যান ‘রাশ আওয়ার’, ‘পুলিশ স্টোরি’ ও ‘ড্রাঙ্কেন মাস্টার’-এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লেও তিনি বিনোদন অঙ্গনে এখনো সক্রিয়। সূত্র : গালফ নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে আধিপত্য বিস্তার সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ইউপিডিএফ (প্রসীত) এবং জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত সশস্ত্র দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে গুলিবিদ্ধ হয়েছে সঞ্জিতা ত্রিপুরা (৯) নামে একটি শিশু।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে সাজেকের চাইল্যাতলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি সংঘটিত হয়। এই সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের মধ্যে কয়েকশ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। গোলাগুলির মধ্যে চাইল্যাতলী এলাকার বাসিন্দা শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরার বাম হাতে গুলি লাগে। পরে তার হাত থেকে গুলি বের করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি সুস্থ আছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সাজেক থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদ এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিত্যক্ত অবস্থায় বহু বছর কাটানোর পর, রহস্যময় গল্পে ঘেরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমাহর বিখ্যাত ‘আল কাসিমি প্যালেস’ এখন নতুন মালিকের সন্ধানে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ৩৫ বেডরুমের এই বিশাল প্রাসাদটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ দিরহাম, যা আসবাবপত্র ও পুরোনো নিদর্শনসহ বিক্রি হবে।
প্রাসাদের ইতিহাস ও নির্মাণশৈলী
১৯৮৫ সালে রাস আল খাইমাহর শাসক পরিবারের সদস্য প্রয়াত শেখ আবদুল আজিজ বিন হুমাইদ আল কাসিমি এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেছিলেন। ইরান, মরক্কো, ভারত ও চীনের দক্ষ কারিগররা এর চমৎকার নকশা ও নান্দনিক সাজসজ্জার পেছনে কাজ করেছেন। প্রাসাদের মোজাইক, টাইলস এবং দেয়ালচিত্রের প্রতিটি কোণে তাদের নিপুণ হাতের ছোঁয়া স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
‘হন্টেড প্যালেস’ হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে একটি দীর্ঘ কাহিনি। নির্মাণের পর প্রায় ৩৫ বছর ধরে এই প্রাসাদটি খালি ও পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। এই সময়ে সেখানে অদ্ভুত শব্দ শোনা, রাতের বেলায় রহস্যময় আলো জ্বলা-নেভা সহ নানা অতিপ্রাকৃত ঘটনার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। লোককথা ও রহস্যময় গল্পের কারণে ভবনটি ‘হন্টেড প্যালেস’ নামে পরিচিতি লাভ করে। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এসব ঘটনার পেছনে কোনো বাস্তব সত্য বা প্রমাণ নেই।
২০১৯ সালে প্রাসাদটিকে একটি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়, যেখানে দর্শনার্থীরা মাত্র ৭৫ দিরহাম প্রবেশমূল্য পরিশোধ করে ঘুরে দেখার সুযোগ পান।
প্রাসাদের স্থাপত্য ও সুযোগ-সুবিধা
জমির পরিমাণ: প্রাসাদটির মূল জমির আয়তন প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৪২ বর্গফুট এবং এর ভেতরের ভবনের আয়তন ৩৩ হাজার ৮২৭ বর্গফুট।
দ্বিতীয় তলা: এই তলায় একটি চমৎকার ও বড় সাদা পিরামিড আকৃতির কাঠামো রয়েছে, যার চারপাশে আটটি দৃষ্টিনন্দন বেডরুম অবস্থিত।
তৃতীয় তলা: ভবনের এই বিশেষ অংশে রাশিচক্রের প্রতীক আঁকা একটি অনন্য ছাদ এবং একটি সুবিশাল ক্রিস্টাল ঝাড়বাতি রয়েছে।
মূল্যবিন্যাস: আসবাবপত্র ছাড়া প্রাসাদটির দাম ২ কোটি ২৫ লাখ দিরহাম এবং সব আসবাব, পুরোনো নিদর্শন ও সংগ্রহসহ এর দাম ২ কোটি ৩৫ লাখ দিরহাম।
ক্রেতাদের আগ্রহ ও সংস্কারের স্বাধীনতা: ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্য, ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ক্রেতা এই প্রাসাদটি ক্রয়ের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কেউ এটিকে নিজের বসবাসের জন্য ব্যক্তিগত প্রাসাদ বানাতে চান, আবার কেউ হোটেল, পর্যটনকেন্দ্র কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের স্থান হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন।
এই ঐতিহাসিক প্রাসাদটির ওপর কোনো ধরনের ‘হেরিটেজ রেস্ট্রিকশন’ বা ঐতিহ্যগত নিষেধাজ্ঞা নেই। ফলে এর নতুন মালিক চাইলে ভবনটি সংস্কার, অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন কিংবা পুনর্নির্মাণ করতে পারবেন।
সূত্র: খালিজ টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ