ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামায়াতের নিন্দা, আইইডিসিআরের পরিচালকের ওপর হামলার তদন্তের দাবি


জামায়াতের নিন্দা, আইইডিসিআরের পরিচালকের ওপর হামলার তদন্তের দাবি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকির ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। মঙ্গলবার, দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতির মাধ্যমে এ নিন্দা প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, "আইইডিসিআরের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করে তাকে মারধরের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।" তিনি আরও বলেন, "কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা মতপার্থক্য থাকলে তা আইনানুগ ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করতে হবে।"

অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকিরের অভিযোগের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীরা মব সৃষ্টি করে এ হামলা ঘটিয়েছেন। জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনগুলো মব সৃষ্টি করে দেশে অরাজকতা ও অশান্তি তৈরি করছে।

আরও পড়ুন: যুবদল নেতাকে হত্যার হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, "আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, দলীয় প্রভাব খাটানো কিংবা সংঘবদ্ধভাবে কাউকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তিনি উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, "কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধানের ওপর তার কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তার বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও পেশাগত স্বাধীনতার জন্যও উদ্বেগের কারণ।"

বিবৃতিতে এ ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও দায় নির্ধারণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইইডিসিআরসহ দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতের এ নেতা।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্ণফুলী ওপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু, তিন জেলার মানুষের স্বস্তি মিলবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


কর্ণফুলী ওপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু, তিন জেলার মানুষের স্বস্তি মিলবে

চট্টগ্রাম, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের প্রথম চার লেনের ‘ক্যাবল-স্টেইড’ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে খরস্রোতা কর্ণফুলী নদীর ওপর। সেতুর মূল কাঠামো উঁচু পাইলন বা স্তম্ভ থেকে টানা ইস্পাতের তারের সাহায্যে ধরে রাখা হবে। এই আধুনিক সেতু দেখতে অনেকটা বীণার তারের মতো, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

রাঙামাটির কাপ্তাই ও চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সংযোগস্থলে কর্ণফুলী নদীর চন্দ্রঘোনা-রাইখালী ফেরিঘাট এলাকায় সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর। ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ৫৩২ মিটার দীর্ঘ সেতুটি চালু হলে চন্দ্রঘোনা ফেরির ওপর নির্ভরশীল রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলার মানুষের প্রায় চার দশকের ভোগান্তি কমবে।

সওজ সূত্র জানায়, ১৯৮৯ সালে রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে কর্ণফুলী নদীতে রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনায় ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়। ফেরি চালুর ৩৭ বছর পরও কেবল একটি ফেরির মাধ্যমেই দুই পাড়ের শত শত যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এই ফেরি ব্যবস্থাই এখন সবচেয়ে বড় ভোগান্তির নাম। পন্টুনের সমস্যা, ডুবোচর কিংবা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে যাত্রী ও চালকদের দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সওজ রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বাসস’কে জানান, স্টিল ও কংক্রিটের সমন্বয়ে নির্মিতব্য সেতুটির মূল অংশের দৈর্ঘ্য হবে ৫৩২ মিটার। এর সঙ্গে থাকবে ৪৫৫ মিটার ভায়াডাক্ট এবং ১ হাজার ২৫০ মিটারের বেশি দীর্ঘ এলিভেটেড সড়ক। চার লেনের এই সেতুতে যুক্ত করা হবে আধুনিক ‘ব্রিজ স্মার্ট হেলথ মনিটরিং সিস্টেম’। এর মাধ্যমে সেতুর অবস্থা ও স্থায়িত্ব নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া থাকবে স্বয়ংক্রিয় টোল প্লাজা।

তিনি আরও বলেন, ক্যাবল-স্টেইড সেতুতে সেতুর সড়কপথের ভার মূল টাওয়ার বা পিলারের সঙ্গে যুক্ত তির্যক তারের মাধ্যমে বহন করা হয়। শক্তিশালী স্টিলের তারের সাহায্যে সেতুর ডেক বা চলাচলের পথ টাওয়ারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। টাওয়ার, তার ও ডেক একসঙ্গে সেতুর ভার বহন করে। ফলে নদীর মাঝখানে পিলার নির্মাণের প্রয়োজন হয় না। বড় পরিসরের স্প্যান তৈরি করা যায়। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নৌযান চলাচলও বাধাগ্রস্ত হয় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, রাঙামাটি-বান্দরবান আঞ্চলিক মহাসড়কের (আর-১৬১) ২১তম কিলোমিটারে সেতুটি নির্মাণ করা হবে। এ জন্য ৭ দশমিক ৫২ হেক্টর জমি অধিগ্রহণে ২৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেতুর চূড়ান্ত নকশা তৈরি করে প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন ডিপিপি পুনর্গঠন করে আবার পাঠাতে হবে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। ২০৩১ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ফেরিতে একবারে মাত্র ৮ থেকে ১০টি ট্রাক বা বাস এবং ১৫ থেকে ২০টি ছোট ও হালকা যানবাহন পারাপার করা যায়। একবার নদী পার হতে আধা ঘণ্টা, কখনো এক ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে। কর্ণফুলী নদীতে স্রোত বাড়লে, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধের গেট খুলে দিলে কিংবা নদীতে পানি কমে গেলে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। এতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সেতুটি চালু হলে দীর্ঘদিনের ফেরি পারাপারের দুর্ভোগ কমবে। পাশাপাশি পর্যটন ও বাণিজ্যে গতি আসবে, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে।

চন্দ্রঘোনার ব্যবসায়ী ফরিদ আহমদ বলেন, চন্দ্রঘোনা ফেরি দিয়ে দৈনিক ৯০০ থেকে ১ হাজার ছোট-বড় যানবাহন পারাপার হয়। তবে ফেরির কারণে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়তে হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে ছোট ছোট সাম্পানে নদী পার হন।

তিনি বলেন, রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলার কয়েক লাখ মানুষ চন্দ্রঘোনা ফেরির ওপর নির্ভরশীল। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্যও তিন পার্বত্য জেলা ঘুরে কক্সবাজার যাওয়ার এই পথটি বেশ জনপ্রিয়।

কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা থোয়াই অং মারমা বলেন, ‘ফেরি অচল থাকলে আমরাও থেমে থাকি। দুই-তিন মিনিটের পথ পাড়ি দিতে ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা, কখনো তারও বেশি সময় লাগে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকেন জরুরি রোগীরা। রাত-বিরাতে অ্যাম্বুলেন্সকেও ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। অথচ সেতু থাকলে কয়েক মিনিটেই নদী পার হওয়া যেত।’

রাইখালী বাজারের ব্যবসায়ী তনয় তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ফেরির ঝামেলায় পাহাড়ি এলাকার কৃষিপণ্য সময়মতো বাজারে পৌঁছানো যায় না। অনেক সময় ফেরি বিকল হয়ে মাঝনদীতে আটকে পড়ে। এই সেতু হলে বান্দরবান ও রাঙামাটির সঙ্গে আমাদের ব্যবসার চেহারাটাই বদলে যাবে।

ট্রাকচালক রহিম উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন ইট আনা-নেওয়ার কাজে তাকে এই ফেরি পার হতে হয়। কখনো এক ঘণ্টায় নদী পার হওয়া যায়, আবার কখনো দীর্ঘ যানজটে বসে থাকতে হয়। সেতুটি হলে সময়ের অপচয় ও জীবনের ঝুঁকি—দুটিই কমবে।

সওজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কীর্তি নিশান চাকমা জানান, সেতুটি শুধু যাতায়াত সহজ করবে না, রাঙামাটি ও বান্দরবানের পর্যটনশিল্পের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, ‘দুই পার্বত্য জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে পর্যটনশিল্পের বিকাশে এই সেতু মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’

কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, চন্দ্রঘোনায় সেতু নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং দুই জেলার আর্থসামাজিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ বলেন, সেতু নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পার্বত্য বান্দরবান, রাজস্থলী, চন্দ্রঘোনা, রাইখালী, রাঙ্গুনিয়া ও কাপ্তাই এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদী বেলাবোতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ এমাদ মিয়া (নরসিংদী): প্রতিনিধি

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


নরসিংদী বেলাবোতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নরসিংদীর বেলাবোতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুমন ফকির রাজের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেলাবো উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবিব বিপ্লব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব এম এ কাদের জলিল ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ,আমলাব ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব খলিল উল্লাহ তপন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাজেদুর রহমান ফাহাদ,মাসুদ তালুকদার,ছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি,ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত
যুবদল,ছাত্রদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা যুবদলের গৌরবময় ঐতিহ্য তুলে ধরেন এবং দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সংগঠনটির ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তাঁরা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দলের চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার জনাব তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জয়-পুতুলসহ ৮ জনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ আদালতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


জয়-পুতুলসহ ৮ জনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ আদালতের

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ আটজনের বিরুদ্ধে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার, ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির এই আদেশ প্রদান করেন।

দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সিআরআইয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে অনুদান গ্রহণ, আয়কর সুবিধা প্রদান এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সিআরআইয়ের ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক শাব্বির বিন শামস, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং কর আপিলের সদস্য রওশন আরা আক্তার।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিআরআইয়ের হিসাবে ২৩টি কোম্পানির কাছ থেকে ৪৫ কোটি ৩৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০১৩-২০১৪ থেকে ২০২৩-২০২৪ করবর্ষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির মোট আয় ১০০ কোটি ৩১ লাখ ৪০ হাজার ৪৮৬ টাকা হিসেবে দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ কোটি ৬৮ লাখ ৫৯ হাজার ৫২১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়েছে, সিআরআইয়ের ২৫টি ব্যাংক হিসাবে ২৪৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকার বেশি জমা হয়েছে এবং ১৯১ কোটি ২১ লাখ টাকার বেশি উত্তোলন করা হয়েছে। এসব হিসাবে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৪৩৯ কোটি টাকার বেশি। এছাড়া, ৩৬ লাখ ৫২ হাজার ৭৪২ টাকা আয়কর পরিশোধ না করে সরকারের আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগও রয়েছে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, সিআরআইকে আয়কর সুবিধা দিতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটিকে অবৈধভাবে কর সুবিধা প্রদান এবং বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে অনুদান নিয়ে অর্থ সংগ্রহ ও আত্মসাতের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়ের করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সিআরআইয়ের টিআইএন নম্বর ৫৭৫৯৪১৯১৬৩০৪-এর বিপরীতে কর অঞ্চল-৬, ঢাকার সার্কেল-১১৬-এ সংরক্ষিত ২০২৫-২০২৬ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দের আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর। আদালত আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে নথি জব্দের আদেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে

গোপালগঞ্জ, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও গোপালগঞ্জ তিন আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী মন্তব্য করেছেন যে, একাত্তরের পরাজিত শক্তি বাংলাদেশে নতুনভাবে আবির্ভূত হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, এই পরাজিত শক্তি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকারের সাথে গুপ্ত অবস্থায় থেকে এ দেশে রাজনীতি করে আসছে। একাত্তরের পরাজিত শক্তি গুপ্ত এবং ফ্যাসিস্ট একত্রিত হয়ে বাংলাদেশে আবার নতুন করে চক্রান্ত শুরু করেছে।

এস এম জিলানী বলেন, "এই দুই মিলে একটি নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে নানাভাবে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এরা যেন নতুন করে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত না হতে পারে। এদের বিরুদ্ধে আমাদের সজাগ থাকতে হবে।"

আজ বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে যুবদল আয়োজিত সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, "আমি ভেবেছিলাম দীর্ঘদিনের একটি রাজনৈতিক দল একটি নির্বাচিত সরকারকে দেশ পরিচালনায় অন্তত একটি বছর সময় দেবে। কিন্তু তারা তা না করে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। বিরোধী দলীয় সংসদ নেতা সংসদে বসে এক কথা বলছেন আর সংসদের বাইরে এসে বলছেন ভিন্ন কথা। তারা কখনই বাংলাদেশের রাষ্ট্রের পক্ষে ছিল না।"

আলোচনা সভায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রঞ্জন মল্লিকের সভাপতিত্বে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মান্নান শেখসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলের সিনিয়র নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভার আগে উপজেলা যুবদলের আয়োজনে সংগঠনটির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পৌর মার্কেট চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিল্পকলা একাডেমি চত্বর এসে শেষ হয়।

এর আগে এস এম জিলানী উপজেলার বাগান উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ-উল-আরেফীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%