বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৮ পি.এম
জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান, সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার সিনেমা ‘অ্যানিমেল’ বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন করলেই কেন সবাইকে একই পথে চলতে হবে, তা নিয়ে বলিউডের অন্ধ অনুকরণ প্রবৃত্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পের দ্রুত পরিবর্তনশীল ট্রেন্ড এবং ব্যবসায়িক কাঠামোর সীমাবদ্ধতা নিয়ে সম্প্রতি একটি খোলামেলা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। কারিনা বলেন, "আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে একটি সিনেমা সফল হলেই সবাই মৌলিক চিন্তাভাবনা ছেড়ে সেই একই ধারা তৈরি করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।"
সাম্প্রতিক সময়ে যুবার আয়োজিত একটি টাউনহল আলোচনায় কারিনা বর্তমান হিন্দি সিনেমা, পরিবর্তনশীল চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং দর্শকদের রুচিবোধ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে দর্শক এবং নির্দেশক—দুই পক্ষই ভিন্ন ধরনের গল্প নিয়ে কাজ করতে এবং দেখতে আগ্রহী হচ্ছেন।
হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রচলিত ধারণার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে কারিনা বলেন, "আমাদের দর্শকরা আমরা যা ভাবি তার চেয়ে অনেক বেশি চতুর ও সচেতন।" তিনি আরও বলেন, দর্শকরা সিনেমাটি ভালো কি না, তা খুব ভালো করেই বুঝতে পারেন এবং মানসম্পন্ন কাজ হলে তারা প্রেক্ষাগৃহে যান।
চলচ্চিত্রের ব্যবসায়িক সমীকরণ এবং তরুণ প্রজন্মের রুচি সম্পর্কে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে কারিনা যোগ করেন, "এখনকার তরুণ দর্শকরা সিনেমা দেখে চিন্তাশীল প্রশ্ন তোলে।"
২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা পরিচালিত ‘অ্যানিমেল’ বিশ্বজুড়ে ৯০০ কোটি রুপিরও বেশি ব্যবসা করে বিশাল বাণিজ্যিক সাফল্য লাভ করে। রণবীর কাপুর অভিনীত এই মারকুটে অ্যাকশন ড্রামার মূল উপজীব্য ছিল রণবিজয় বিজয় সিং এবং তার বাবা—যার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অনিল কাপুর—তাদের মধ্যকার জটিল পারিবারিক সম্পর্ক। ছবিটি অতিরিক্ত সহিংসতা থাকা সত্ত্বেও বিপুল সাড়া ফেলে এবং এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এর সিক্যুয়েল ‘অ্যানিমেল পার্ক’ নির্মাণের কাজও বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, করিনা কাপুর খান বর্তমানে তার পরবর্তী ছবি ‘দায়রা’-র মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মেঘনা গুলজার পরিচালিত এই থ্রিলার ঘরানার তদন্তমূলক ড্রামা ছবিতে করিনার সঙ্গে মূল ভূমিকায় অভিনয় করছেন দক্ষিণ ভারতীয় তারকা পৃথ্বীরাজ সুকুমারন। ছবিতে এই দুই তারকাকে দুই পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাবে, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কদের অপরাধ-সংক্রান্ত একটি জটিল মামলার তদন্ত করতে গিয়ে বিপরীত মেরুতে মুখোমুখি অবস্থান নেন।
বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ‘দায়রা’ ছবিটি যৌথভাবে লিখেছেন মেঘনা গুলজার, যশ কেসওয়ানি এবং সীমা আগরওয়াল। জংলি পিকচার্স এবং ড. জয়ন্তীলাল গাডার পেন স্টুডিওসের প্রযোজনায় নির্মিত এই ছবিটি পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে পেন মরুধর। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চোখের সামনে ভাসছে ছোট্ট ফাতেমা আক্তারের মুখ। বয়স মাত্র ১৮ মাস। বাবার শেষ বিদায়ে যখন স্বজন, এলাকাবাসীর চোখে পানি, তখন হয়তো কিছুই বুঝতে পারেনি পিয়াসের ১৮ মাসের মেয়েটি। বাবার চলে যাওয়ার অর্থ বোঝার বয়স হয়নি তার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে একদিন সে বুঝবে দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তার বাবা আর কোনোদিন ফিরে আসেননি। আর সেই দিনটিই হয়তো হবে এই পরিবারের শোকের সবচেয়ে গভীর স্মৃতি। এরই মধ্যে দেশের সেবায় নিয়োজিত তরুণ সৈনিক আবু বকর সিদ্দিক ওরফে পিয়াসের জীবন থেমে গেল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়।
বলছিলাম চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় নিহত সৈনিক পিয়াসের কথা। এ সময় আরও এক সেনা সদস্য নিহত ও গুরুতর আহত হন আরেক সেনা কর্মকর্তা। আকস্মিক এ মৃত্যুতে পিয়াসের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম। স্বজন প্রতিবেশীদের চোখেও এখন কেবলই অশ্রু।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালীর মালিপাড়া গ্রামে জানাজা শেষে সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অনার দিয়ে তাকে দাফন করা হয়।
নিহত আবু বকর সিদ্দিক পিয়াস নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মালিপাড়া গ্রামের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে। চার বোনের একমাত্র ছোট ভাই ছিলেন তিনি। শান্ত, ভদ্র ও অমায়িক স্বভাবের কারণে ছোটবেলা থেকেই এলাকায় সবার প্রিয় ছিলেন পিয়াস।
পরিবারের সদস্যরা জানান, চাকরির সুবাদে স্ত্রী-সন্তান, বাবা-মাকে নিয়ে চট্টগ্রামের সেনা কোয়ার্টারে বসবাস করতেন পিয়াস। দেশের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবারকে ঘিরেও ছিল তার ছোট্ট স্বপ্নের সংসার। ১৮ মাস আগে সেই সংসারেই আসে কন্যাসন্তান। মেয়েকে ঘিরে পরিবারের আনন্দের মধ্যেই হঠাৎ নেমে এলো শোকের কালো ছায়া।
নিহতের চাচা মোশারেফ হোসেন বলেন, ১৮ মাস আগেই পিয়াসের ঘর আলো করে একটি কন্যাসন্তান এসেছিল। মেয়েকে ঘিরে যখন পরিবারের আনন্দ-উচ্ছ্বাস, ঠিক তখনই এলো তার মৃত্যুর খবর। বাবার স্নেহ-ভালোবাসা বোঝার আগেই বাবাকে হারাল সেই শিশু।
নিহতের ভগ্নিপতি আবু সাঈদ বলেন, পিয়াস ছিলেন পরিবারের চার বোনের একমাত্র ছোট ভাই। ছোটবেলা থেকেই শান্ত ও সহজ-সরল স্বভাবের ছিলেন তিনি। সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতেন। তার ব্যবহার ছিল অত্যন্ত অমায়িক। এ কারণে স্বজন ও প্রতিবেশীদের কাছেও তিনি ছিলেন খুবই প্রিয়।
পিয়াসের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মালিপাড়া গ্রামজুড়ে নেমে আসে শোকের আবহ। বৃহস্পতিবার সকালে শেষবারের মতো প্রিয় মানুষটিকে দেখতে ছুটে আসেন স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
স্থানীয় বাসিন্দা এবাদ উল্যাহ বলেন, পিয়াস খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তার এমন অকাল মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, মাত্র ১৮ মাসের একটি মেয়েকে রেখে তাকে চলে যেতে হলো।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের একপর্যায়ে আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুই সেনাসদস্য নিহত হন এবং এক সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পূদম পুষ্প চাকমা বলেন, সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অনার দিয়ে তাকে দাফন করা হয়। দেশের সেবায় নিয়োজিত একজন তরুণের এভাবে অকালে চলে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বিকেলে আমরা তার গ্রামের বাড়িতে যাব। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। সৈনিক আবু বকর সিদ্দিক পিয়াসের আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। এতে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী।
পুনর্নিরীক্ষণের এই ফলাফলে নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন। এছাড়া এবার সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট রেকর্ড ৫৬ হাজার ২৫৯ জন শিক্ষার্থীর নম্বর পরিবর্তন হয়েছে।
এর আগে, গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে মূল ফল প্রকাশের ৩১ দিন পর পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলো। আর পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শেষ হয়েছিল ১৭ আগস্ট রাতে। আবেদন শেষ হওয়ার ২৪ দিন পর ফল প্রকাশ করা হলো।
এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন পড়েছে লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য। আর ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি।
পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফলাফল তিন পদ্ধতিতে জানা যাচ্ছে। প্রথমত, নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয়ত, আবেদনকারীর দেওয়া মুঠোফোন নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। এ ছাড়া https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ৩৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৭ জন, লালবাগ বিভাগে ২৯ জন, ওয়ারী বিভাগে ৬২ জন, মতিঝিল বিভাগে ৬৯ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭০ জন, মিরপুর বিভাগে ১২২ জন, গুলশান বিভাগে ৪৮ জন, উত্তরা বিভাগে ৪৮ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১ জন রয়েছেন। অভিযানের সময় ৩৬ কেজি ২৯০ গ্রাম গাঁজা, ৯২ বোতল ফেন্সিডিল, ১৪৩ পিস ইয়াবা, ১০ গ্রাম হেরোইন, ১টি বিদেশী পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, ১টি ম্যাগাজিন, ৭টি মোবাইলফোন, ১টি ইয়াবা সেবনের পাইপ, ২টি ফয়েল পেপার, ৩টি গ্যাস লাইট, ২০০টি ইলাস্টিক বেল্ট এবং নগদ ৮৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘মিস অস্ট্রিয়া’ লুসিয়া সিসিকের জীবন মাত্র ২২ বছর বয়সেই শেষ হয়ে গেল। জন্মের পর থেকেই তিনি জটিল হৃদরোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছিলেন। ২০২৪ সালে মিস অস্ট্রিয়ার খেতাব জেতার পর নতুন কোনো প্রতিযোগিতার আয়োজন না হওয়ায় মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন এই খেতাবের অধিকারী।
সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা পরিচালনাকারী সংস্থা ‘মিশন অস্ট্রিয়া’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে লুসিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
মিশন অস্ট্রিয়ার পক্ষ থেকে লুসিয়াকে একজন সাহসী ও অসাধারণ তরুণী হিসেবে স্মরণ করা হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। জানা গেছে, শৈশব থেকেই তার হৃদরোগজনিত বিভিন্ন জটিলতার চিকিৎসা চলছিল।
লুসিয়া কখনোই নিজের অসুস্থতার কথা আড়াল করেননি। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজের শারীরিক লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেছেন। চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এক পোস্টে লুসিয়া উল্লেখ করেছিলেন, জন্মের পরপরই তার প্রথম অস্ত্রোপচার হয়েছিল।
হৃদরোগের কারণে শৈশবে অন্য শিশুদের মতো খেলাধুলা কিংবা দৌড়ঝাঁপ করতে পারতেন না লুসিয়া। তবে সেই সীমাবদ্ধতা তাকে ভেঙে দিতে পারেনি। বরং দীর্ঘদিনের অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করতে করতে তিনি মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলেন।
২০২৪ সালে মিস অস্ট্রিয়ার খেতাব জয়ের মাধ্যমে তার জীবনে সেই লড়াইয়ের আরেকটি বড় অর্জন এসেছিল।
তথ্য সূত্র- বিবিসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ