বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪২ পি.এম
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ৩৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৭ জন, লালবাগ বিভাগে ২৯ জন, ওয়ারী বিভাগে ৬২ জন, মতিঝিল বিভাগে ৬৯ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭০ জন, মিরপুর বিভাগে ১২২ জন, গুলশান বিভাগে ৪৮ জন, উত্তরা বিভাগে ৪৮ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১ জন রয়েছেন। অভিযানের সময় ৩৬ কেজি ২৯০ গ্রাম গাঁজা, ৯২ বোতল ফেন্সিডিল, ১৪৩ পিস ইয়াবা, ১০ গ্রাম হেরোইন, ১টি বিদেশী পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, ১টি ম্যাগাজিন, ৭টি মোবাইলফোন, ১টি ইয়াবা সেবনের পাইপ, ২টি ফয়েল পেপার, ৩টি গ্যাস লাইট, ২০০টি ইলাস্টিক বেল্ট এবং নগদ ৮৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘মিস অস্ট্রিয়া’ লুসিয়া সিসিকের জীবন মাত্র ২২ বছর বয়সেই শেষ হয়ে গেল। জন্মের পর থেকেই তিনি জটিল হৃদরোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছিলেন। ২০২৪ সালে মিস অস্ট্রিয়ার খেতাব জেতার পর নতুন কোনো প্রতিযোগিতার আয়োজন না হওয়ায় মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন এই খেতাবের অধিকারী।
সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা পরিচালনাকারী সংস্থা ‘মিশন অস্ট্রিয়া’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে লুসিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
মিশন অস্ট্রিয়ার পক্ষ থেকে লুসিয়াকে একজন সাহসী ও অসাধারণ তরুণী হিসেবে স্মরণ করা হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। জানা গেছে, শৈশব থেকেই তার হৃদরোগজনিত বিভিন্ন জটিলতার চিকিৎসা চলছিল।
লুসিয়া কখনোই নিজের অসুস্থতার কথা আড়াল করেননি। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজের শারীরিক লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেছেন। চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এক পোস্টে লুসিয়া উল্লেখ করেছিলেন, জন্মের পরপরই তার প্রথম অস্ত্রোপচার হয়েছিল।
হৃদরোগের কারণে শৈশবে অন্য শিশুদের মতো খেলাধুলা কিংবা দৌড়ঝাঁপ করতে পারতেন না লুসিয়া। তবে সেই সীমাবদ্ধতা তাকে ভেঙে দিতে পারেনি। বরং দীর্ঘদিনের অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করতে করতে তিনি মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলেন।
২০২৪ সালে মিস অস্ট্রিয়ার খেতাব জয়ের মাধ্যমে তার জীবনে সেই লড়াইয়ের আরেকটি বড় অর্জন এসেছিল।
তথ্য সূত্র- বিবিসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হেলথ জেনারেল হসপিটাল এন্ড ডায়গনিক সেন্টার, সানারপাড় রহিম মার্কেট সিদ্ধিরগঞ্জে, আবুল বাশার মোল্লা দীর্ঘদিন যাবত উক্ত প্রতিষ্ঠানের একজন অংশীদার, নাই তার কোন চিকিৎসা ক্ষেত্রে সনদ পত্র বা ডিগ্রি নাই , হেলথ জেনারেল হসপিটালে অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে, কোন সুন্দরী নারী চিকিৎসা অথবা ডেলিভারি করতে আসলে তিনি তখন অডিরুমে উপস্থিত থাকেন, এবং সুন্দরী নারীর স্বামী প্রবাসে থাকলে, তাদের মোবাইল নাম্বার নিয়ে নানান প্রকার মেসেজ পাঠিয়ে তাদেরকে লোভ লালসা দেখিয়ে,ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হন , পরবর্তীতে নারীরা বিয়ের প্রস্তাব দিলে তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার মামলা হামলা ও হুমকি প্রদান করে থাকেন, কিছুদিন আগে এক নারীর সাথে তার সুসম্পর্কের মধ্য দিয়ে দিনযাপন করিতেছিলেন, হঠাৎ নারী যখন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে, আবুল বাশার তখন তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করে, পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী মুক্তি পেয়ে আবুল বাশার মোল্লার নামে নারী ও দর্শন শিশু নির্যাতন মামলা করলে, আদালত উত্ত মামলার তদন্তের জন্য পিবিআই কে দায়িত্ব প্রদান করেন, কিন্তু আবুল বাশার মোল্লা টাকার বিনিময়ে উক্ত তদন্তের কর্মকর্তার সাথে সুসম্পর্ক করে, মামলাকে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন, গত ২৬ তারিখে হাজীরা থাকলেও আবুল বাশার ওই তারিখে আদালতে হাজির হননি, তাই ভুক্তভোগী নারীর আইন প্রশাসনের নিকট, আবুল বাসার মোল্লাকে অতি দ্রুত সম্ভব উত্তম আমলাই গ্রেফতার করে শাস্তি দাবী জানাচ্ছেন, উক্ত আবুল বাশার মোল্লার বিষয়ে তালাশ বিডি নারায়ণগঞ্জের প্রতিনিধি একটি দল, গত ৯ আগস্ট হেল থ জেনারেল হাসপাতালএন্ড ডায়গনিস্ট সেন্টারে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য গেলে, উক্ত প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান তিনি উক্ত বিষয়ে সম্পূর্ণ অস্বীকার জানান, এবং তিনি এই প্রতিষ্ঠানের কোন অংশীদার নয় তিনি চাকরিজীবী ন্যূনতম বেতনের কর্মচারী বলে জানান, অথচ ভুক্তভোগী নারী সাথে যখন সু-সম্পর্ক ছিল তাকে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তার সাথে মেলামেশ করে আসছিলেন, এক সময় নারায়ণগঞ্জে আমলাপাড়া এক বাসায় আবুল বাশার মোল্লাকে বিবস্ত্র অবস্থায় লোকজনে এসে ধরে ফেলে, তখন তিনি টাকার বিনিময় ঐখান থেকে পালিয়ে আসেন বলে জানান ভুক্তভোগী নারী, আরো জানান যে উনি বিভিন্ন প্রকারের সেক্স ওষুধ ব্যবহার করতেন এবং সময় রাখতেন ও ব্যবহার করতেন, যাহার ছবি প্রদান করা হইল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিস্তির টাকা পরিশোধের পরও চেক ডিজঅনার মামলা করে হয়রানি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে টাঙ্গাইলের মধুপুরে মানববন্ধন করেছেন মাহিন্দ্রা থ্রি-হুইলার মালিক ও শ্রমিকেরা। তাঁদের দাবি, কিস্তির চুক্তি, পরিশোধের রসিদ ও ব্যাংক লেনদেনসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত পাওনা নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো আইনগতভাবে পর্যালোচনা করে হয়রানি বন্ধ ও বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডের আনারস চত্বরে মাহিন্দ্রা (পিয়াজু) সিএনজি মালিক-শ্রমিকদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় এক ঘণ্টার কর্মসূচিতে অর্ধশতাধিক মাহিন্দ্রা মালিকসহ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীরা জানান, মধুপুরের ইয়ামাহা সেলস সেন্টার থেকে নগদ ও কিস্তিতে সিএনজি অটোরিকশা এবং মাহিন্দ্রা থ্রি-হুইলার বিক্রি করা হয়। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের অনেক মানুষ কিস্তিতে এসব যানবাহন কিনে তা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে কিস্তির টাকা পরিশোধ ও হিসাব-নিকাশকে কেন্দ্র করে মাহিন্দ্রা (পিয়াজু) বিক্রেতা আইয়ুব আলীর সঙ্গে কয়েকজন ক্রেতার বিরোধ তৈরি হয়েছে বলে তাঁরা জানান।
ভুক্তভোগী মালিকদের অভিযোগ, চুক্তি অনুযায়ী তাঁরা নিয়মিত কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছেন। এরপরও তাঁদের দেওয়া চেকের বিপরীতে ডিজঅনার মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি তাঁরা মানসিক চাপের মধ্যে পড়েছেন। এতে যানবাহন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহও ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে মকবুল হোসেন, শফিকুল ইসলাম ও সেলিম বলেন, ‘আমরা চুক্তি অনুযায়ী কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছি। এরপরও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আমরা হয়রানি চাই না; কাগজপত্র ও হিসাব যাচাই করে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান চাই।’
ভুক্তভোগীদের দাবি, সেলস সেন্টারের সঙ্গে করা কিস্তির চুক্তিপত্র, পরিশোধের রসিদ, ব্যাংক লেনদেনসহ সংশ্লিষ্ট সব নথি যাচাই করে প্রকৃত পাওনা নির্ধারণ করা হোক। তাঁদের অভিযোগ অনুযায়ী যেসব মামলা অযৌক্তিকভাবে করা হয়েছে, সেগুলো আইনগতভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
মানববন্ধনে মাহিন্দ্রা সিএনজি মালিক-শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সুলতান ও সাধারণ সম্পাদক চান মিয়া বক্তব্য দেন। এ ছাড়া ভুক্তভোগী মকবুল হোসেন, শফিকুল ইসলাম, সেলিমসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কোনো পাওনা বা বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও লেনদেনের হিসাব যাচাইয়ের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা সম্ভব। তাই মামলা ও হয়রানির পরিবর্তে নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত পাওনা নির্ধারণ এবং আইনানুগভাবে বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ