বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৪ পি.এম
চাটমোহর পৌরসভায় বর্তমানে পৌরবাসী বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। পৌরসভায় উন্নয়নের নামে নিম্নমানের সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সামান্য বৃষ্টির পর প্রতিটি সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। পৌরসভার প্রধান সড়কসহ অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ ধারণ করেছে।
প্রতিটি মহল্লা ও সড়কে জমে থাকা পানি জনদূর্ভোগকে চরম আকারে পৌঁছে দিয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই, ফলে পৌরবাসীর কর আদায়ে পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যতটা ব্যস্ত, নাগরিক সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের উদাসীনতা ততটাই স্পষ্ট। মাসিক বেদন-ভাতা নিতেই যেন তাদের ব্যস্ততা। পৌরসভার প্রধান সড়কসহ প্রতিটি মহল্লার রাস্তাগুলো এখন একেকটি নালা বা খাল হয়ে পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী হয়ে গেছে।
বৃষ্টি হলেই পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা জলাশয়ে পরিণত হয়। জলাবদ্ধতা ও ময়লা-আবর্জনার মিশ্রণে এসব স্থান মশার প্রজনন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। পৌরসভার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বড়াল নদ ময়লার ভাগারে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে মশা বাসা-বাড়িতে উঠে আসে। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ গত কয়েকদিন ধরে মশা নিধনে ওষুধ ছিটালেও, তা তেমন কার্যকর হচ্ছে না। পৌরসভার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, "পৌরসভার নাগরিক হিসেবে আমরা সেবা থেকে বঞ্চিত।" অসংখ্য বেওয়ারিশ কুকুরের ভয়ে থাকতে হয় তাদের। মশার উপদ্রব তো লেগেই আছে। জলাবদ্ধতা যেন ‘গোদের উপর বিষফোঁড়।’ পৌরবাসী এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ চান।
এ বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, "পৌরসভায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। বৃষ্টি হওয়ার কারণে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য। জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন ও সিথওয়ে নৌবন্দরের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের নৌ-যোগাযোগ পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মো।
বুধবার বিকালে চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে চিটাগাং চেম্বার ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সরকার-টু-সরকার এবং ব্যবসায়ী-টু-ব্যবসায়ী যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও জানান, ইয়াঙ্গুনের সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
কিয়াও সোয়ে মো বলেন, "মিয়ানমারের অন্যতম প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারের সুযোগ রয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে চীন-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।
তিনি আরও জানান, মিয়ানমারে রাশিয়ার সহযোগিতায় একটি এলএনজি হাব গড়ে তোলা হচ্ছে এবং দেশটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটের প্রেক্ষাপটে, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার হলে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে এলএনজিসহ বিদ্যুৎ আমদানি করতে সক্ষম হবে। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে চাল, আদা, রাবার, মাছসহ বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। একইভাবে, বাংলাদেশ থেকে ফার্মাসিউটিক্যালস, রাসায়নিক ও পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন পণ্য মিয়ানমারে রপ্তানি করা সম্ভব।
সভায় চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, "মিয়ানমার প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ একটি দেশ।" তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। চট্টগ্রামের প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে উপকূলীয় জাহাজ চলাচল, সড়ক যোগাযোগ ও সরাসরি ফ্লাইট চালুর কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, "চট্টগ্রাম এ অঞ্চলের আঞ্চলিক ও বিনিয়োগ হাবে পরিণত হয়েছে।" ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দর পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র হতে পারে। সরকার চট্টগ্রাম বিমানবন্দর নিয়ে একটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে ফ্লাইট যোগাযোগ আরও জোরদার হবে।
মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী নেতারা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য পারস্পরিক আস্থা, উন্মুক্ত যোগাযোগ ও সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। তারা ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা, নৌ-প্রটোকল স্বাক্ষর এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থ বিনিময়ের জটিলতা দূর করার জন্য রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ, চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, প্রাক্তন সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ ছালাম, প্রাক্তন পরিচালক এসএম আবু তৈয়ব, মিয়ানমার দূতাবাসের কাউন্সেলর হতেত মিয়াত লুইন, মিয়ানমার প্রজাতন্ত্রের অনারারি কনসাল জেনারেল এএইচএম হাকিম আলী, চেম্বার পরিচালক আমান উল্লা আল ছগির (ছুট্টু), মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, ইঞ্জিনিয়ার মো. গোলাম সরওয়ার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেতা সালমান খান অনলাইনে ট্রলিং ও বডি শেমিং নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন। বিগ বস ২০ এর উইকেন্ড কা ভারের একটি প্রোমোতে তিনি কাউকে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না করে মানুষের ওজন, চেহারা, পরিবার, হাসি এবং মাতৃত্বের বিষয়েও কটাক্ষ করার সমালোচনা করেন। ভারতীয় অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা সালমানের এই বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন।
সালমান মন্তব্য করেন, "কেন ট্রল করতে চান? কারও ওজন নিয়ে, চেহারা নিয়ে, পরিবার নিয়ে, কারও হাসি নিয়ে, কারও ব্যর্থতা নিয়ে, কেউ মা হওয়া নিয়ে—আপনারা আসলে নিজেদের পারিবারিক শিক্ষাই প্রকাশ করছেন।"
রিচা সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ কে বলেন, "আমি জানতাম না যে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন। তবে এটা দারুণ ব্যাপার। এমন কথা বলা সত্যিই উদার মানসিকতার পরিচয়।" তিনি সন্তানের জন্মের পর নারীদের শরীরে স্বাভাবিক পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা করেন। তার মতে, মায়েদের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে উপহাস করা উচিত নয়। রিচা আরও বলেন, "যারা মাতৃত্ব নিয়ে ট্রল করেন তারা এই মায়ের মাধ্যমেই পৃথিবীতে এসেছেন। তাই মায়েদের নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা শুরু করলে তার ফল খুব খারাপ হতে পারে।"
নিজের অভিজ্ঞতার কথাও বলেছেন রিচা
বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও কথা বলেছেন হীরামান্ডির এই অভিনেত্রী। বলিউডে কাজের সময় নিজের ইটিং ডিসঅর্ডারের অভিজ্ঞতার কথাও তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন। সন্তান জন্মের পর অভিনেত্রীদের ওজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা বিভিন্ন মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন রিচা। সালমানের মন্তব্যের সময়ও অনলাইনে তারকাদের চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে সমালোচনা চলছিল।
প্রসব-পরবর্তী অভিজ্ঞতা নিয়ে রিচার নতুন সিরিজ
এদিকে, রিচা মুসাফিরি নামে একটি নন-ফিকশন ইউটিউব সিরিজ তৈরি করেছেন, যা তার প্রসব-পরবর্তী সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে। সিরিজটির নির্মাতা, লেখক, প্রযোজক ও উপস্থাপক তিনি নিজেই।
রিচা বলেন, "এখানে নিজের সৌন্দর্য বা চেহারা নিয়ে ভাবার সুযোগ নেই। শেষবার মানুষ আমাকে যেমন দেখেছিল, তার তুলনায় এখন আমি বেশি ওজনের কি না—এসব নিয়ে ভাবতে পারি না। আমি তো আমার প্রসব-পরবর্তী যাত্রা নিয়ে একটি অনুষ্ঠান তৈরি করছি।"
সিরিজটির কাজ সম্পন্ন করতে ধারাভিসহ বিভিন্ন জায়গায় শুটিং করেছেন রিচা। সেখানে কাজ করার সময় ইচ্ছাকৃতভাবেই নিজের সাজসজ্জা ও বাহ্যিক উপস্থিতিকে গুরুত্ব দেননি বলে জানান এই অভিনেত্রী।
সূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের জন্য ‘হজ’ একটি পরম আকাঙ্ক্ষার নাম। ২০২৭ সালেও, প্রতি বছরের মতো, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো পুণ্যার্থী একত্রিত হবেন পবিত্র কাবা শরিফের প্রাঙ্গণে। সৌদি আরব সরকার মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাতে হজ কোটা নির্ধারণ করে। ২০২৭ সালের জন্য ঘোষিত হজ কোটার তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ৫ নম্বরে অবস্থান করছে। তবে, অন্যান্য অনেক দেশের কোটা স্বাভাবিক থাকলেও, বাংলাদেশের হজের কোটায় অতীতের তুলনায় একটি বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
২০২৭ সালের হজে শীর্ষ ১০ দেশ ও তাদের কোটা
সৌদি আরব কর্তৃক নির্ধারিত ২০২৭ সালের হজ কোটার শীর্ষে যথারীতি অবস্থান করছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া। তালিকার প্রথম ১০টি দেশের কোটা পরিসংখ্যান নিচে দেওয়া হলো—
বাংলাদেশের হজ কোটায় বড় পতন: অতীত থেকে বর্তমান
বাংলাদেশের হজ কোটায় গত কয়েক বছরে ব্যাপক পরিবর্তন ও ওঠানামা দেখা গেছে। ২০১৭ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক সংখ্যক পুণ্যার্থী হজ পালন করেছিলেন, কিন্তু বর্তমানে কোটা অনেকটাই কমে এসেছে।
৩৮ শতাংশ কোটা হ্রাস
২০১৭ অথবা ২০২৩ সালের ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটার তুলনায় বর্তমানে ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটাটি উল্লেখযোগ্যভাবে কম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পূর্বের সর্বোচ্চ কোটার তুলনায় বর্তমানে ৪৮ হাজার ৬৯৮টি কোটা কমেছে, যা শতাংশের হিসাবে প্রায় ৩৮ শতাংশের পতন নির্দেশ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জেলিযুক্ত চিংড়ি মাছ বিক্রির দায়ে তিন মাছ ব্যবসায়ীকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে অভিযান চালিয়ে ৭০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভৈরব পৌর শহরের পলতাকান্দা এলাকার নৈশ মৎস্য আড়তে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আজিমুল হক। অভিযানে সহযোগিতা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন। এ সময় ভৈরব নৌ থানা পুলিশের সদস্য ও উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মৎস্য সম্পদ সুরক্ষা ও প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিসের সমন্বয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে পলতাকান্দা এলাকার নৈশ মৎস্য আড়তে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে ডলফিন মৎস্য আড়ত থেকে ২৫ কেজি, অন্তর ফিশ এন্টারপ্রাইজ থেকে ৩৫ কেজি এবং বিসমিল্লাহ ফিশ এন্টারপ্রাইজ থেকে ১০ কেজিসহ মোট ৭০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়।
পরে মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০-এর অধীনে ডলফিন মৎস্য আড়তের মালিক মোবারক মিয়াকে ৩০ হাজার টাকা, অন্তর ফিশ এন্টারপ্রাইজের মালিক সুদন বর্মণকে ২০ হাজার টাকা এবং বিসমিল্লাহ ফিশ এন্টারপ্রাইজের মালিক সেলিম মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আজিমুল হক বলেন, ভৈরব একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক নদীবন্দর এলাকা। প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নানা প্রজাতির মাছ পলতাকান্দা নৈশ মৎস্য আড়তে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলিযুক্ত চিংড়ি বিক্রির তথ্য পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি বলেন, চিংড়িতে জেলি প্রয়োগের মাধ্যমে মাছের ওজন বাড়ানো হয়, যা ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। একই সঙ্গে এ ধরনের মাছ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
তিনি আরও জানান, জব্দ করা জেলিযুক্ত মাছগুলো জনসম্মুখে বিনষ্ট করা হবে। মৎস্য পণ্যের মান ও ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ