প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জেলিযুক্ত চিংড়ি মাছ বিক্রির দায়ে তিন মাছ ব্যবসায়ীকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে অভিযান চালিয়ে ৭০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভৈরব পৌর শহরের পলতাকান্দা এলাকার নৈশ মৎস্য আড়তে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আজিমুল হক। অভিযানে সহযোগিতা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন। এ সময় ভৈরব নৌ থানা পুলিশের সদস্য ও উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মৎস্য সম্পদ সুরক্ষা ও প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিসের সমন্বয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে পলতাকান্দা এলাকার নৈশ মৎস্য আড়তে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে ডলফিন মৎস্য আড়ত থেকে ২৫ কেজি, অন্তর ফিশ এন্টারপ্রাইজ থেকে ৩৫ কেজি এবং বিসমিল্লাহ ফিশ এন্টারপ্রাইজ থেকে ১০ কেজিসহ মোট ৭০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়।
পরে মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০-এর অধীনে ডলফিন মৎস্য আড়তের মালিক মোবারক মিয়াকে ৩০ হাজার টাকা, অন্তর ফিশ এন্টারপ্রাইজের মালিক সুদন বর্মণকে ২০ হাজার টাকা এবং বিসমিল্লাহ ফিশ এন্টারপ্রাইজের মালিক সেলিম মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আজিমুল হক বলেন, ভৈরব একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক নদীবন্দর এলাকা। প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নানা প্রজাতির মাছ পলতাকান্দা নৈশ মৎস্য আড়তে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলিযুক্ত চিংড়ি বিক্রির তথ্য পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি বলেন, চিংড়িতে জেলি প্রয়োগের মাধ্যমে মাছের ওজন বাড়ানো হয়, যা ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। একই সঙ্গে এ ধরনের মাছ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
তিনি আরও জানান, জব্দ করা জেলিযুক্ত মাছগুলো জনসম্মুখে বিনষ্ট করা হবে। মৎস্য পণ্যের মান ও ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন