শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৬ পি.এম
শরীয়তপুর, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, শরীয়তপুরের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং যোগাযোগব্যবস্থার সুবিধা মাথায় রেখে প্রস্তাবিত শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে এই অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
আজ শুক্রবার, শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যায় জয়ন্তী নদীর পাশে প্রস্তাবিত শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
হুইপ অপু বলেন, "প্রধানমন্ত্রী কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে শরীয়তপুরের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসার প্রমাণ দিচ্ছেন।" তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের অন্যান্য জেলাকেও তিনি ভালোবাসেন, তবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শরীয়তপুরের মানুষের প্রতি তাঁর বিশেষ ভালোবাসা প্রকাশ পাচ্ছে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্বাচন নিয়ে হুইপ অপু বলেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ জমি এবং উপযুক্ত পরিবেশ। জমির প্রাপ্যতা, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো বিবেচনা করে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে এ স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, "বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অন্য স্থানে জমি অধিগ্রহণের ব্যয় বহন করা কঠিন হতো।"
স্থানীয়দের জমি ও বসতবাড়ি ছেড়ে দেওয়ার সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "এখানকার মানুষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে দিতেও সম্মতি জানিয়েছেন।" তিনি তাদের এই ত্যাগ ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে হুইপ অপু জানান, শরীয়তপুরের ওপর দিয়ে বরিশালগামী রেললাইন নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডির প্রস্তুতি চলছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত রেলপথটি নাওডোবা থেকে শরীয়তপুর সদর, জাজিরা, ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট হয়ে বরিশাল এবং পায়রা বন্দরের দিকে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ভোলা থেকে সেতুর মাধ্যমে মেহেন্দিগঞ্জ হয়ে প্রস্তাবিত জাতীয় মহাসড়কও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
ভৌগোলিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, "চাঁদপুর, বরিশাল, মাদারীপুর ও বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের মাঝামাঝি হওয়ায় এ স্থান যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।"
পরিদর্শনকালে শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক পূজামণ্ডপ, সর্বোচ্চ অর্থ বরাদ্দ, সর্বোচ্চ ছুটি এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে উদযাপিত হচ্ছে।
তিনি শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীতে কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ-সংলগ্ন বনানী পূজার মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত দুর্গাপূজার মহাষষ্ঠীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মচর্চা, উপাসনালয় নির্মাণ এবং বৈষম্য ছাড়াই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দের পরিবর্তে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী বলেন, "আমরা কেউ এখানে সম্প্রদায় হয়ে আসি নাই। দেশের আইন-কানুন বা সংবিধান কাউকে সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করে না। আমরা সবাই বাংলাদেশের সমান অধিকারপ্রাপ্ত স্বাধীন নাগরিক।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অতীতে রাজনৈতিক ফায়দা ও ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নাগরিক হিসেবে সবার অধিকারকে প্রাধান্য দেয়।
এবারের বনানী পূজামণ্ডপের মূল প্রতিপাদ্য ‘জলজ’। দেশীয় সংস্কৃতি, উপাদান ও আবহে নির্মিত মণ্ডপের নান্দনিক সাজসজ্জার প্রশংসা করে তিনি বলেন, "দেশীয় ঐতিহ্যে রূপায়িত এই আয়োজন সত্যিই অসাধারণ ও প্রশংসনীয়।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং নেপালের রাষ্ট্রদূত জ্ঞানশ্যাম ভান্ডারী। এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) চেয়ারম্যান ও বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত এবং বনানী সোসাইটির সভাপতি শওকত আলী ভূঁইয়া (দিলন) আরও বক্তব্য দেন।
গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলোক সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের সদস্য স্বপ্না ভৌমিক। ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায় স্বাগত বক্তব্য দেন।
মহাষষ্ঠীর শুভলগ্নে দুর্গা মায়ের আগমনী গান, নৃত্য পরিবেশনা, মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন এবং শারদীয় বিশেষ সাময়িকী 'বোধন'-এর মোড়ক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক শক্তির একটি প্রধান উপাদান হলো তার ভাবমূর্তি। তবে, তরুণদের নেতৃত্বে ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভ এবং সরকারের কঠোর অবস্থান সেই ভাবমূর্তিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে কি না, তা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং লন্ডনের সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের রিডার ড. সুবীর সিনহার মন্তব্য অনুযায়ী, এই বিক্ষোভের রাজনৈতিক তাৎপর্য শুধুমাত্র বিরোধী দলের কর্মীদের গ্রেপ্তার কিংবা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি উল্লেখ করেন, বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সরকারের ক্রমবর্ধমান দমনমূলক পদক্ষেপ দেশটির রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতার ভঙ্গুরতাকে প্রকাশ করতে পারে।
ভারতের তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই প্রতিবাদ আন্দোলন কি মোদির ক্ষমতায় থাকার পেছনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও আত্মবিশ্বাসী ধারণাকে ভেঙে দিতে সক্ষম হবে? বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সরকারের ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্য দিয়ে মোদির রাজনৈতিক কর্তৃত্বের সীমাবদ্ধতা কি আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে?
এসব প্রশ্নের প্রেক্ষিতে, ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবাদ আন্দোলনের রাজনৈতিক তাৎপর্য, সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং মোদির নেতৃত্বের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
সূত্র: ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর ইংলিশ
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দলীয় নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ড, ধর্মের নাম ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র, দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং দলকে বিভক্ত করার অপচেষ্টার অভিযোগে ভাসানী জনশক্তি পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী এবং মহাসচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিমকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার দলের পক্ষ থেকে একটি জরুরি সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলীয় নীতিমালা অনুযায়ী উল্লিখিত দুই নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
দলের ঐক্য, সংহতি ও আদর্শ রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এদিকে, প্রেসিডিয়াম সদস্য আমিনুল ইসলাম সেলিমকে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে দলের চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, কানাডাপ্রবাসী মেয়ের অসুস্থতার কারণে ১০ থেকে ২০ দিনের জন্য কানাডা যাচ্ছেন। তার অনুপস্থিতিতে আমিনুল ইসলাম সেলিম এই দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন ও বিচার বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের উদ্দেশ্যে ১৪ জনকে ইন্টার্ন হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় তাদের তিন মাস মেয়াদে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ প্রদান করেছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে তিন শিক্ষার্থী এই সুযোগ লাভ করেছেন।
আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৮ থেকে ‘ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২০’-এর আওতায় একটি অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আদেশটি ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোনীত তিন শিক্ষার্থী হলেন, ল' এন্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল কাফি, আইন বিভাগের ১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে খুলছুম বিপাশা এবং আল ফিকহ এন্ড ল বিভাগের ১৮-১৯ বর্ষের মো. রাকিব হাসান।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মনোনীত ইন্টার্নদের তাদের নির্ধারিত কর্ম-এলাকার সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজ/প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে।
ইন্টার্নশিপ শুরুর পূর্বে মনোনীতদের আইন ও বিচার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এছাড়া যোগদানের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, অভিভাবকের সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ইন্টার্নশিপের মেয়াদ তিন মাস হবে। ইন্টার্নশিপ শুরু হবে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ থেকে এবং শেষ হবে ১৭ জানুয়ারি ২০২৭। প্রতি মাসে ইন্টার্নদের ১০ হাজার টাকা হারে ইন্টার্নশিপ ভাতা প্রদান করা হবে। ভাতা ছাড়া অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা প্রদান করা হবে না।
এছাড়া ‘ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২০’-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ইন্টার্নদের নির্ধারিত ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে দাখিল করতে হবে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে যোগদানের সময় সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি সনদ বা এনওসি দাখিলের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে মোট ১৪ জন মনোনীত ইন্টার্নের নাম, পিতার নাম, নিজ জেলা এবং কর্ম-এলাকা উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের দেশের বিভিন্ন জেলা ও সংশ্লিষ্ট আইন ও বিচার-সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে ইন্টার্নশিপের জন্য সংযুক্ত করা হয়েছে।
ইবি শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, "আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে ইন্টার্ন হিসেবে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। এখানে সরাসরি বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি সরকারি আইনি ব্যবস্থাপনা কাছ থেকে শেখার এক দারুণ সুযোগ পাবো। আমাদের কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলা দায়ের থেকে নিষ্পত্তি পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়সহ আদালতের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ