শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৬ পি.এম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক পূজামণ্ডপ, সর্বোচ্চ অর্থ বরাদ্দ, সর্বোচ্চ ছুটি এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে উদযাপিত হচ্ছে।
তিনি শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীতে কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ-সংলগ্ন বনানী পূজার মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত দুর্গাপূজার মহাষষ্ঠীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মচর্চা, উপাসনালয় নির্মাণ এবং বৈষম্য ছাড়াই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দের পরিবর্তে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী বলেন, "আমরা কেউ এখানে সম্প্রদায় হয়ে আসি নাই। দেশের আইন-কানুন বা সংবিধান কাউকে সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করে না। আমরা সবাই বাংলাদেশের সমান অধিকারপ্রাপ্ত স্বাধীন নাগরিক।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অতীতে রাজনৈতিক ফায়দা ও ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নাগরিক হিসেবে সবার অধিকারকে প্রাধান্য দেয়।
এবারের বনানী পূজামণ্ডপের মূল প্রতিপাদ্য ‘জলজ’। দেশীয় সংস্কৃতি, উপাদান ও আবহে নির্মিত মণ্ডপের নান্দনিক সাজসজ্জার প্রশংসা করে তিনি বলেন, "দেশীয় ঐতিহ্যে রূপায়িত এই আয়োজন সত্যিই অসাধারণ ও প্রশংসনীয়।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং নেপালের রাষ্ট্রদূত জ্ঞানশ্যাম ভান্ডারী। এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) চেয়ারম্যান ও বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত এবং বনানী সোসাইটির সভাপতি শওকত আলী ভূঁইয়া (দিলন) আরও বক্তব্য দেন।
গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলোক সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের সদস্য স্বপ্না ভৌমিক। ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায় স্বাগত বক্তব্য দেন।
মহাষষ্ঠীর শুভলগ্নে দুর্গা মায়ের আগমনী গান, নৃত্য পরিবেশনা, মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন এবং শারদীয় বিশেষ সাময়িকী 'বোধন'-এর মোড়ক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক শক্তির একটি প্রধান উপাদান হলো তার ভাবমূর্তি। তবে, তরুণদের নেতৃত্বে ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভ এবং সরকারের কঠোর অবস্থান সেই ভাবমূর্তিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে কি না, তা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং লন্ডনের সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের রিডার ড. সুবীর সিনহার মন্তব্য অনুযায়ী, এই বিক্ষোভের রাজনৈতিক তাৎপর্য শুধুমাত্র বিরোধী দলের কর্মীদের গ্রেপ্তার কিংবা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি উল্লেখ করেন, বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সরকারের ক্রমবর্ধমান দমনমূলক পদক্ষেপ দেশটির রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতার ভঙ্গুরতাকে প্রকাশ করতে পারে।
ভারতের তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই প্রতিবাদ আন্দোলন কি মোদির ক্ষমতায় থাকার পেছনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও আত্মবিশ্বাসী ধারণাকে ভেঙে দিতে সক্ষম হবে? বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সরকারের ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্য দিয়ে মোদির রাজনৈতিক কর্তৃত্বের সীমাবদ্ধতা কি আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে?
এসব প্রশ্নের প্রেক্ষিতে, ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবাদ আন্দোলনের রাজনৈতিক তাৎপর্য, সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং মোদির নেতৃত্বের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
সূত্র: ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর ইংলিশ
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দলীয় নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ড, ধর্মের নাম ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র, দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং দলকে বিভক্ত করার অপচেষ্টার অভিযোগে ভাসানী জনশক্তি পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী এবং মহাসচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিমকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার দলের পক্ষ থেকে একটি জরুরি সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলীয় নীতিমালা অনুযায়ী উল্লিখিত দুই নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
দলের ঐক্য, সংহতি ও আদর্শ রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এদিকে, প্রেসিডিয়াম সদস্য আমিনুল ইসলাম সেলিমকে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে দলের চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, কানাডাপ্রবাসী মেয়ের অসুস্থতার কারণে ১০ থেকে ২০ দিনের জন্য কানাডা যাচ্ছেন। তার অনুপস্থিতিতে আমিনুল ইসলাম সেলিম এই দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন ও বিচার বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের উদ্দেশ্যে ১৪ জনকে ইন্টার্ন হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় তাদের তিন মাস মেয়াদে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ প্রদান করেছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে তিন শিক্ষার্থী এই সুযোগ লাভ করেছেন।
আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৮ থেকে ‘ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২০’-এর আওতায় একটি অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আদেশটি ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোনীত তিন শিক্ষার্থী হলেন, ল' এন্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল কাফি, আইন বিভাগের ১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে খুলছুম বিপাশা এবং আল ফিকহ এন্ড ল বিভাগের ১৮-১৯ বর্ষের মো. রাকিব হাসান।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মনোনীত ইন্টার্নদের তাদের নির্ধারিত কর্ম-এলাকার সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজ/প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে।
ইন্টার্নশিপ শুরুর পূর্বে মনোনীতদের আইন ও বিচার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এছাড়া যোগদানের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, অভিভাবকের সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ইন্টার্নশিপের মেয়াদ তিন মাস হবে। ইন্টার্নশিপ শুরু হবে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ থেকে এবং শেষ হবে ১৭ জানুয়ারি ২০২৭। প্রতি মাসে ইন্টার্নদের ১০ হাজার টাকা হারে ইন্টার্নশিপ ভাতা প্রদান করা হবে। ভাতা ছাড়া অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা প্রদান করা হবে না।
এছাড়া ‘ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২০’-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ইন্টার্নদের নির্ধারিত ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে দাখিল করতে হবে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে যোগদানের সময় সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি সনদ বা এনওসি দাখিলের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে মোট ১৪ জন মনোনীত ইন্টার্নের নাম, পিতার নাম, নিজ জেলা এবং কর্ম-এলাকা উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের দেশের বিভিন্ন জেলা ও সংশ্লিষ্ট আইন ও বিচার-সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে ইন্টার্নশিপের জন্য সংযুক্ত করা হয়েছে।
ইবি শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, "আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে ইন্টার্ন হিসেবে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। এখানে সরাসরি বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি সরকারি আইনি ব্যবস্থাপনা কাছ থেকে শেখার এক দারুণ সুযোগ পাবো। আমাদের কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলা দায়ের থেকে নিষ্পত্তি পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়সহ আদালতের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, জনপ্রতিনিধিদের একার পক্ষে এলাকার সকল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। এজন্য সামাজিক সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার প্রয়োজন রয়েছে। জনগণের মতামত, গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা প্রদান করে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (আইইবি) ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার দিগনগর ইউনিয়ন কল্যাণ সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নাগরিকরা যদি ভুলত্রুটি তুলে ধরতে ব্যর্থ হন তবে জনপ্রতিনিধিদের ভুল পথে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তাই উন্নয়নকাজের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমেও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি বরাদ্দ জনগণের করের অর্থ। সুতরাং উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা স্থানীয় জনগণকেও নজরদারি করতে হবে। কোথাও যদি অনিয়ম ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে হবে।
সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা স্থানীয় জনগণকেও নজরদারি করতে হবে। যদি কোনো সড়ক বা অবকাঠামো নির্মাণে নিম্নমানের কাজ হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে হবে। জনগণের করের অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।
আইনমন্ত্রী জানান, প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা এবং অনিয়মের সুযোগ কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা শহরে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে বিদ্যমান নেতিবাচক ধারণা দূর করাই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, শৈলকূপায় মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনায় না নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধ কিংবা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত ব্যক্তির পক্ষে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তদবির গ্রহণযোগ্য নয়। একইভাবে অপরাধের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং সংঘবদ্ধভাবে মানুষকে হেনস্তা করার মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। কেউ যেন অন্যায়ের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধ ও দুর্নীতির পক্ষেও কোনো অবস্থান নেওয়া যাবে না। ন্যায়বিচার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি।
শৈলকূপার উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়নসহ একাধিক প্রকল্প চলমান রয়েছে। দিগনগর ইউনিয়নেও বিভিন্ন সড়ক উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সম্প্রতি শৈলকূপার আরও প্রায় ৩৯৫টি সড়ক স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সড়ক তালিকাভুক্তির আওতায় এসেছে। এসব সড়কের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে উপজেলার সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, শৈলকূপার উন্নয়নে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে পৃথক উপকমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার কৃতী সন্তান ও পেশাজীবীরা উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন।
তিনি মত দেন, দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার এবং জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। গঠনমূলক সমালোচনা, দায়িত্বশীল নাগরিক অংশগ্রহণ এবং জবাবদিহির চর্চা একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ঢাকাস্থ শৈলকূপা উপজেলার ৩ নম্বর দিগনগর ইউনিয়ন কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জেড এ ওয়াহেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাবেক সচিব খন্দকার শহিদুল ইসলামসহ অনেকে বক্তব্য দেন। এসময় শৈলকূপা উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ