প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক শক্তির একটি প্রধান উপাদান হলো তার ভাবমূর্তি। তবে, তরুণদের নেতৃত্বে ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভ এবং সরকারের কঠোর অবস্থান সেই ভাবমূর্তিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে কি না, তা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং লন্ডনের সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের রিডার ড. সুবীর সিনহার মন্তব্য অনুযায়ী, এই বিক্ষোভের রাজনৈতিক তাৎপর্য শুধুমাত্র বিরোধী দলের কর্মীদের গ্রেপ্তার কিংবা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি উল্লেখ করেন, বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সরকারের ক্রমবর্ধমান দমনমূলক পদক্ষেপ দেশটির রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতার ভঙ্গুরতাকে প্রকাশ করতে পারে।
ভারতের তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই প্রতিবাদ আন্দোলন কি মোদির ক্ষমতায় থাকার পেছনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও আত্মবিশ্বাসী ধারণাকে ভেঙে দিতে সক্ষম হবে? বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সরকারের ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্য দিয়ে মোদির রাজনৈতিক কর্তৃত্বের সীমাবদ্ধতা কি আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে?
এসব প্রশ্নের প্রেক্ষিতে, ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবাদ আন্দোলনের রাজনৈতিক তাৎপর্য, সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং মোদির নেতৃত্বের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
সূত্র: ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর ইংলিশ
এআরবি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন