রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৯ পি.এম
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর প্রথম ভাষণে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা এবং প্রধান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরবেন। এই ভাষণে বিশেষ গুরুত্ব পাবে দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকট।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেখানে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকারের চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের প্রেক্ষাপটে আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভাষণের মূল বিষয়গুলো তুলে ধরেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহি, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করবেন। এছাড়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা, তরুণ ও নারী ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির সমতাভিত্তিক ব্যবহার এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও তুলে ধরবেন।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এই ভাষণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে তারেক রহমানের এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক এই সর্বোচ্চ মঞ্চে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ পথচলা তুলে ধরার প্রথম সুযোগও এটি।
সাধারণ অধিবেশনে ভাষণের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি নতুন করে আকর্ষণ করবেন। সংকট সমাধানের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী জোরালো সহযোগিতা গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন তিনি।
এ উদ্দেশ্যে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক সাইড ইভেন্টে যোগ দেবেন তিনি। সেখানে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের যত দ্রুত সম্ভব মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব রোহিঙ্গা সংকটকে একটি ‘চলমান সমস্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বিশ্বনেতাদের এই সম্মেলনে সংকটের ভয়াবহতা ও নানা চ্যালেঞ্জ আবারও তুলে ধরবে বাংলাদেশ।
সিয়াম বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের ব্যাপকতা, এর ফলে তৈরি হওয়া চ্যালেঞ্জ এবং বাংলাদেশের কী ধরনের আন্তর্জাতিক সাহায্য ও সহযোগিতা প্রয়োজন, তা আমরা বিশ্ব দরবারে আবারও পেশ করব।’
বাংলাদেশ সবসময় বলে আসছে, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, সম্মানজনক ও টেকসই উপায়ে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোই এই সমস্যার একমাত্র স্থায়ী সমাধান।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিও বড় অগ্রাধিকার পাবে। বাংলাদেশ এই ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চায়।
আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
পরের দিন তিনি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে তৈরি হওয়া অস্তিত্বের ঝুঁকি সংক্রান্ত আরেকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন।
জলবায়ুসংক্রান্ত এসব বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর উদ্বেগ তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতি পূরণ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের ওপর তিনি জোর দেবেন।
সাধারণ পরিষদের ভাষণে বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার স্পষ্ট করবেন তিনি। পাশাপাশি তরুণ ও নারী ক্ষমতায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমান সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানাবেন।
বর্তমানে বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধানের জন্য বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারকেও গুরুত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী ২৪ সেপ্টেম্বরে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি বিষয়ক আরেকটি সাইড ইভেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। এসময় তিনি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন সরকারের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরবেন এবং স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ধাত্রীসেবার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করবেন।
আসাদ আলম সিয়াম জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে জাতিসংঘের মূল কর্মসূচিগুলোকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর বাইরে দ্বিপক্ষীয় ও অন্যান্য বৈঠকের সময়সূচি পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ধারিত হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে কুয়েতের ক্রাউনপ্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান।
এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার এবং ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে মেটা ও ওয়াল স্ট্রিটসহ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।
আগামীকাল নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সব কর্মসূচি শেষ করে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর ফলে চলতি বছরে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৪ জনে। একই সময়ে হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ১,৫৯৩ জন। ফলে এবারের মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬১,৯৭২ জনে পৌঁছেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন মৃতদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ এবং ১ জন নারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ১১ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এবং বাকি ৫ জনের বয়স ২১ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।
তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা গেছে, মোট মৃত ১৮৪ জনের মধ্যে ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ নারী এবং ৪৯ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ।
মাসের ভিত্তিতে হিসাব করলে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে ১ জন এবং জুনে ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে। জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। চলতি মাসে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৮ সেপ্টেম্বর একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জন প্রাণ হারান।
ঢাকা বিভাগের দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ৫৩, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ২৩ এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে ১১ জন মারা গেছেন। খুলনায় ৩৪, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামে ১৮ জন করে, বরিশালে ১৪, রাজশাহীতে ৮, রংপুরে ৪ এবং সিলেটে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোগীর মাসভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত ২৬,১২৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আগের মাস আগস্টে এই সংখ্যা ছিল ২০,৫৩৬ জন। জানুয়ারিতে ১,০৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪, জুনে ২,৯০৭ এবং জুলাইয়ে ৯,২০৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে ৫৭,৬১০ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কুড়িল বিশ্বরোডের একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কুড়িল বিশ্বরোডের ৯৫/ক নম্বর ভবনে, পূবালী ব্যাংকের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ‘হোটেল পূর্বাচল’-এ আবাসিক হোটেলের আড়ালে এসব কর্মকাণ্ড চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, হোটেলটির ব্যবস্থাপক রবিউলের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীদের এনে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর পাশাপাশি মাদক সরবরাহ ও সেবনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক হোটেলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি দেখা যাচ্ছে না। এতে হোটেলটিতে অবস্থানকারী সাধারণ অতিথি ও আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে হোটেল পূর্বাচলের ব্যবস্থাপক রবিউলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা থানায় মাসোয়ারা দিই। যা কিছু জানার থানার ওসির কাছে জানেন।”
তবে হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং হোটেলটিতে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, মাদকবিরোধী অভিযান এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়ে থাকে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগরের পানিতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) জনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ ও পরিশোধন প্রযুক্তি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্যের প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে একটি প্রতিনিধিদল জাপানের।
এই সাক্ষাৎ রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
জাপানের এহিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কোজো ওয়াতানাবের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ইয়ামাগাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তরু ওয়াতানাবে, ড. মাসেতেরু নিশিয়েমা এবং মি. ইউমা হায়াশি। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে আলোচনা হয় জাপান সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এজেন্সি (জেএসটি) এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে। প্রকল্পটির নাম ‘ঢাকা মহানগর এলাকায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) জনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে পানির গুণগত মান পর্যবেক্ষণ ও পরিশোধন প্রযুক্তি’, যা বাস্তবায়ন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
বৈঠকে প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম, পানির গুণগত মান পর্যবেক্ষণ, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়েও মতবিনিময় করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা, এবং ভবিষ্যতে যৌথভাবে নতুন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর দয়াগঞ্জ ও ধোলাইপাড়ের মাঝামাঝি সড়কে একটি ব্যাটারিচালিত রিকশার ধাক্কায় প্রমোৎ সরকার (৬৫) নামের ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রমোৎ সরকারকে হাসপাতালে নিয়ে আসা ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক মো. রুবেল জানিয়েছেন, বিকেল আড়াইটার দিকে দয়াগঞ্জ ও ধোলাইপাড়ের মাঝামাঝি সড়কে ওই ব্যক্তি রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির একটি ব্যাটারিচালিত রিকশার ধাক্কায় তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে বিকেল চারটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন প্রমোৎ সরকারের পরিচিত কল্যাণ কুমার সিংহ। তিনি বলেন, বিকেলে প্রমোৎ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে খবর পান। পরে হাসপাতালে এসে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
ঢামেক হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম হোসেন জানান, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
প্রমোৎ সরকার মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী থানার পাহাড়ি গ্রামের মৃত রাম হরি সরকারের ছেলে। তিনি রাজধানীর বাংলাবাজারের হেমেন্দ্র দাশ রোডের একটি ফ্ল্যাটে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ