মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১১ এম
টাঙ্গাইল নতুন বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন পূর্ব পাশে অবস্থিত 'মানবসেবা হাসপাতালে' চিকিৎসকের চরম অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে এক রোগীর মর্মান্তিক মৃ"ত্যু"র অ"ভি"যো"গ উঠেছে। (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে পায়ে অস্ত্রোপচারের জন্য ভর্তি হওয়া উক্ত রোগীর চি"কি"ৎ"সা"ধী"ন অবস্থায় মৃ"ত্যু হলে হাসপাতালজুড়ে তীব্র উ"ত্তে"জ"না সৃ"ষ্টি হয়।
স্বজনদের অ"ভি"যো"গ সূত্রে জানা যায়, পায়ে অস্ত্রোপচারের উদ্দেশ্যে রোগীকে সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপারেশনের জন্য ওটিতে (অপারেশন থিয়েটার) নেওয়ার পর অপারেশন সম্পূর্ণ হওয়ার পর চিকিৎসকদের দায়িত্বহীনতা ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে রো"গী"র শা"রী"রি"ক অবস্থার দ্রুত অ"ব"ন"তি ঘটে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মৃ"ত্যু"র কোলে ঢলে পড়েন। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গাফিলতির বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং একপর্যায়ে অ"ভি"যু"ক্ত চিকিৎসক ও কর্মীরা হাসপাতাল থেকে সটকে পড়েন।
ঘটনার খবর পেয়ে নি"হ"তে"র ক্ষু"ব্ধ স্ব"জ"ন ও স্থানীয় এলাকাবাসী হাসপাতালে গিয়ে বি"ক্ষো"ভ প্রকাশ করেন এবং দো"ষী চি"কি"ৎ"স"কে"র উপযুক্ত শা"স্তি"র দা"বি জানান। খবর পেয়ে স্থানীয় আ"ই"ন"শৃ"ঙ্খ"লা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নি"য়"ন্ত্র"ণে আনেন।
এ বিষয়ে নি"হ"তে"র পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মা"ম"লা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও নি"হ"তে"র স্বজনরা এই ঘ"ট"না"য় জড়িত চি"কি"ৎ"স"ক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দৃ"ষ্টা"ন্ত"মূ"ল"ক শা"স্তি"র জোরালো দা"বি জানিয়েছেন।বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘বৃক্ষ বন্দনা’ অবলম্বে ‘ধরা তরু কাব্য-নেচার্স টেল’ নামে একটি বিশেষ নৃত্যনাট্যের অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার ছায়ানট মিলনায়তনে এই বিশেষ নৃত্যনাট্য পরিবেশিত হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করেন এবং জানান যে সরকার বহুমুখী উপায়ে সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করছে।
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ভারত ও বাংলাদেশের গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন, যা মূলত অভিন্ন ঐতিহ্য, সাহিত্য এবং প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, এই পরিবেশনা আমাদের ধরিত্রী মাতাকে শ্রদ্ধা ও রক্ষা করার যৌথ দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়।
‘ধরা তরু কাব্য’ নৃত্যনাট্যে বাংলার ছয়টি ঋতুর (বসন্তের ফুল, গ্রীষ্মের উত্তাপ, বর্ষার বৃষ্টি, শরতের প্রাচুর্য এবং শীতের স্তব্ধতা) নান্দনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রকৃতির সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের অবিচ্ছেদ্য বন্ধনকে উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিবেশন করে তুরঙ্গমী রেপার্টরি ড্যান্স থিয়েটার, যার শৈল্পিক নির্দেশনায় ছিলেন পূজা সেনগুপ্ত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে এমএস এবং ভারত সরকারের আইসিসিআর বৃত্তির অধীনে কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃত্যে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। একজন দক্ষ ভরতনাট্যম শিল্পী হিসেবে তিনি তার ব্যতিক্রমী শৈল্পিক প্রকাশ এবং নৃত্য শিক্ষার অভিনব পদ্ধতির জন্য পরিচিত।
এই সৃষ্টিশীল আয়োজনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ছাড়াও সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, খ্যাতনামা নৃত্যশিল্পী এবং ঢাকার বিপুল সংখ্যক সংস্কৃতিপ্রেমী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যের হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের নেতারা।
নেতারা উল্লেখ করেছেন, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে জনমনে বিভিন্ন প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। তাই পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
শুক্রবার বিকালে নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় নেতারা এই দাবি জানান।
বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আইন বিষয়ক সম্পাদক সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, "চার খুনের সুষ্ঠু তদন্তের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট ফাইল করেছি। ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং তদন্তকারীদের সুপারভিশনের জন্য আমরা এসেছি। এ ধরনের বড় কোনো ঘটনা ঘটলে সুষ্ঠু তদন্ত হবে আমি ব্যক্তিগতভাবে তা বিশ্বাস করি না।"
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জানান, বাড়িটি পরিদর্শনের জন্য পুলিশের আইজি ও কমিশনার বরাবর চিঠি দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী ঐক্য পরিষদের চার সদস্যকে ক্রাইম সিনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য পুলিশ কমিশনারের কাছে অনুরোধ করা হলেও অনুমতি প্রদান করা হয়নি।
অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ কমিশনার তার কর্মকর্তাকে বলেছেন, "উপরে যাওয়া যাবে না" এবং তার মোবাইল নম্বর পুলিশ কমিশনার ব্লক করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ কমিশনার এক সময় একেকবার একেক কথা বলেছেন। ডোমের কথা এক রকম, চিকিৎসকের কথা আরেক রকম।
বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সদস্য ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনুপ কুমার সাহা বলেন, "ঘটনাটি পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটেছে বলেই আমাদের মনে হচ্ছে। এজন্য আমরা হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানাচ্ছি, যাতে পুলিশের মনগড়া ‘জজ মিয়া’ নাটকের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।"
নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনার উদাহরণ টেনে অনুপ কুমার সাহা আরও বলেন, "নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনা যেমন বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে হয়েছে, চার খুনের ঘটনাতেও আমরা এমন একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাই।"
বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জয়া ভট্টাচার্য বলেন, "আমরা কিছু তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার জন্য এসেছি, যাতে রিট পিটিশনের সময় আদালতকে সহযোগিতা করতে পারি কিন্তু এখানে এসে আমরা ঘটনাস্থলে যেতে পারিনি। যদিও আমরা বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেছি।"
তিনি দাবি করেন, স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকেই ভয়ের কারণে মুখ খুলছেন না। প্রত্যেক মানুষের জীবন, জীবিকা ও বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
তিনি বলেন, "এমন একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের নির্মম ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে নিজেদের চোখে দেখে আমরা হতবাক হয়েছি। গণপতি চক্রবর্তীর পুরো বংশ নির্বংশ হয়ে গেল।"
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে জয়া ভট্টাচার্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত দিয়ে আইনজীবী ঐক্য পরিষদকেও সহায়তা করার অনুরোধ জানান।
এর আগে বিকালে গণপতি চক্রবর্তী ওই বাড়িতে যান আইনজীবী ঐক্য পরিষদের নেতারা। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে সেখানে পাহারায় থাকা পুলিশের কাছে বাড়ির দ্বিতীয় তলা ও ছাদে যাওয়ার অনুমতি চান তারা।
পুলিশ সদস্যরা জানান, এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন। পরে আইনজীবী ঐক্য পরিষদের নেতারা মহানগর পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে ক্রাইম সিনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে তাদের সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।
এরপর তারা বাড়িটির নিচতলা ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেফতার হওয়া সিদ্ধার্থ দাসের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন আইনজীবী ঐক্য পরিষদের নেতারা।
এ সময় অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ শুভেন্দু বিশ্বাস, বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের দপ্তর সম্পাদক প্রজ্ঞা পারমিতা দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টু চন্দ্র দাস, রংপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহেদ কামাল ইবনে খতিব, ধর্ম ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাওছার আলী, রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক পলাশ কান্তি নাগসহ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের নেতা ও বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০ আগস্ট শনিবার দিবাগত রাতে রংপুর নগরীর কামালকাছনা দাসপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫৫), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১১) প্রিয়মের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) ভোরে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ নামে দুজনকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। মামলাটি তদন্ত করছে রংপুর মহানগর ডিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়ায় মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। এতে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, ইসলামি বক্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। শুক্রবার বাদ জুমা এ বিক্ষোভ সমাবেশ হয়।
এতে বক্তারা মহানবী (সা.) ও অন্যান্য নবী-রাসুলকে নিয়ে কটূক্তির তীব্র প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন এবং সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, কোনো ধর্মের নবী-রাসুল কিংবা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করে বক্তব্য, লেখা বা প্রচার চালানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়। এ ধরনের ঘটনায় প্রচলিত আইনে শাস্তির পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে কেউ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার সাহস না পায়, সেজন্য আরো কঠোর আইন প্রয়োজন। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মুসলমানদের কাছে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার ব্যক্তিত্ব। তাকে নিয়ে কটূক্তির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা।
ঈমান আকিদা সংরক্ষণ কমিটির এ বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মধুপুরের পীর আল্লামা আব্দুল হামিদ । এতে বক্তব্য দেনÑআন্তর্জাতিক ইসলামি বক্তা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি ইমাদুদ্দিন, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজিসহ কেরানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষক ও মসজিদের ইমাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কার্যক্রমের জন্য নগরী এবং আশপাশের বিস্তৃত অঞ্চলে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার বিষয়ে ঘোষণা দিয়েছে।
একই দিনে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে টানা ১০ ঘণ্টা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কাশিমপুর জোনাল অফিস একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রাহকসেবার মান উন্নত করার লক্ষ্যে ১১ কেভি ফিডারগুলো ছোট করা হবে এবং লোডশেডিং কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য শনিবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও লাইন আপগ্রেডেশনের কাজ চলবে। এই কারণে উল্লিখিত সময়ে নির্ধারিত এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
সিলেটের ক্ষেত্রে বিউবো জানায়, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এলাকাতেও ওই সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিউবো আরও জানায়, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কার্যক্রমের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত সময়ের পূর্বে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হতে পারে। সাময়িক এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য গ্রাহকদের যে ভোগান্তি হবে, তার জন্য কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ