মোঃ আমিনুল ইসলাম টাঙ্গাইল গোপালপুর উপজেলা প্রতিনিধি
১০:২৩ পি.এম
এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠার পর, বিমানবন্দর পার হওয়ার পর একটি সিটে বসি। বসার পর ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে একটি ফোনের রিং শোনা শুরু হয়।
এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখি জানালার পাশে সিটের চিপায় একটি ফোন রয়েছে। ফোনটি রিসিভ করার সাথে সাথে, ৫ সেকেন্ডের মধ্যে আমাকে মিনিমাম ১০টি প্রশ্ন করা হয়।
কোন প্রশ্নটি রেখে কোনটির উত্তর দেবো, তা বুঝতে পারি না। পরে আমি বলি, "আপনি হয়তো ভুল করে ফোনটি রেখে গেছেন, আমি সিটের পাশে এটি পেয়েছি, চিন্তা করবেন না।"
তিনি বলেন, "না, আপনার ফোন আমি দিয়ে দেবো, কোন মাধ্যমে দিলে আপনার সুবিধা হয়?" আমি উত্তর দিই, "কোন মাধ্যমে নিলে আপনার সুবিধা হয় আমি।"
সেভাবেই দিয়ে দিমো,
এরপর আমি আমার গন্তব্য ইব্রাহিমাবাদ স্টেশন মাষ্টারের সাথে কথা বলি। তিনি বলেন, ফোনটি থানায় জমা দিতে হবে এবং ফোন মালিককেও থানায় জমা দিতে হবে।
অতপর, আমি গোপালপুর থানায় ডিউটি অফিসারের সাথে কথা বলে তার কাছে ফোনটি রেখে আসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শেরপুরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে একটি অজ্ঞাত যানবাহনের ধাক্কায় মোছা. আলতাফুন্নেসা (৬৭) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে উপজেলার ঘোগা ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহতের ছেলে ও নাতি আহত হয়েছেন। নিহত আলতাফুন্নেসা জয়পুরহাটের শেখপাড়া দেবীপুর সড়ক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে একটি ভাড়া চালিত প্রাইভেট কারে করে তিনি তাঁর ছেলে ও নাতির সাথে জয়পুরহাটে ফিরছিলেন। ভোর চারটার দিকে গাড়িটি ঘোগা ব্রিজে ওঠার সময় পেছন থেকে একটি অজ্ঞাত যান কারটিকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আলতাফুন্নেসা, তাঁর ছেলে মো. মাহমুদ (৫০) ও নাতি মো. সোহাগকে (৩৬) উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলতাফুন্নেসার মৃত্যু হয়। আহত অন্য দুইজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আইয়ুব আলী জানান, ঘাতক যানবাহনটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে কুড়িগ্রামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভাটি বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা হয়, যেখানে বক্তারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও শান্তির বার্তা নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, হাসিবুর রহমান হাসিব, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান, সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, এবি পার্টির আহ্বায়ক ডাঃ নজরুল ইসলাম খান এবং সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম জুয়েল, সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আলেম-ওলামা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
বক্তারা উল্লেখ করেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তাঁর জীবন ছিল সত্য, ন্যায়, সাম্য, সহমর্মিতা, মানবিকতা ও শান্তির অনন্য উদাহরণ। মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণ করলে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হবে।
তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সমাজে বিভেদ, হিংসা, বিদ্বেষ ও নৈতিক অবক্ষয় দূর করতে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। মহানবী (সা.)-এর প্রদর্শিত ক্ষমা, সহনশীলতা, অসহায়ের প্রতি সহমর্মিতা এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আদর্শকে জীবনে ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
আলোচনা সভায় মহানবী (সা.)-এর ওপর দরুদ ও সালাম পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম মন্তব্য করেছেন, ‘শেখ হাসিনার এই মাটিতে কোনোদিন সমাধি হবে না, ফিরে আসার কোনো সমাদরও হবে না। তার কর্মফলই তার পতনের কারণ।’
বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
সারজিস আলম উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচন করা আবশ্যক। যদি জেলা পরিষদকে কোনো রাজনৈতিক দলের স্থানীয় কমিটিতে পরিণত করা হয়, তাহলে সেখানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। তিনি একইসাথে পার্বত্য তিন জেলায় ৫০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ ও বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে বড় বড় বরাদ্দ এলেও প্রত্যন্ত এলাকার যোগাযোগ, চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যবস্থায় এখনো সংকট বিদ্যমান। উন্নয়নের অর্থ কোথায় যাচ্ছে, তা নিয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে রাজনৈতিক অধিকার ও স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সেই জায়গা থেকেই এনসিপি পরিবর্তনের রাজনীতি নিয়ে সামনে এসেছে।
সভায় এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সারোয়ার তুষার, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার, এনসিপি চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজাউদ্দীন, জাতীয় যুব শক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ, এনসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিয় চাকমা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাহেদুল আলম শাকিল, শ্রমিক শক্তির সংগঠক মো. আমির উদ্দিন চৌধুরী এবং জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রিন্টু দেওয়ানসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অপুর পক্ষ থেকে ‘শিকার’ টিমের সুরক্ষা নিশ্চিত করার বার্তা প্রদান করা হয়েছে।
নেপালে আকস্মিক বন্যা (ফ্ল্যাশ ফ্লাড) ও ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট বিপর্যয়ের মাঝে ঢাকাই সিনেমার পরিচিত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস এবং তার নতুন সিনেমা ‘শিকার’-এর পুরো শুটিং ইউনিট সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত ও সুস্থ অবস্থায় রয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে, অভিনেত্রী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য এই স্বস্তির খবর জানিয়ে দেন।
ফেসবুক পেজে অপু বিশ্বাস উল্লেখ করেন, নেপালে আকস্মিক ভূমিকম্প ও বন্যার কারণে শত শত বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যেই আমরা ‘শিকার’ সিনেমার টিম বর্তমানে নেপালে অবস্থান করছি। ভূমিকম্প ও বন্যার খবর শোনার পর থেকেই অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী, ভক্ত, সাংবাদিক, আত্মীয়-স্বজন ও প্রিয়জনরা ফোন ও মেসেজের মাধ্যমে আমাদের খোঁজ নিচ্ছেন—আমরা কেমন আছি এবং নিরাপদে আছি কি না। সবার ভালোবাসা, উদ্বেগ ও আন্তরিকতার জন্য আমি হৃদয় থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।
অপু আল্লাহর প্রশংসা করে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর রহমতে আমরা ‘শিকার’ সিনেমার পুরো টিম নিরাপদ স্থানে আছি এবং সবাই সুস্থ ও ভালো আছি।
নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে পৌঁছেছে। বুধবার সকালে, তিব্বত সীমান্তবর্তী একটি অঞ্চলে এই বন্যায় গ্রাম ও বেশ কয়েকটি প্রকল্প এলাকা ভেসে গেছে। এই ঘটনায় ভারতীয় শতাধিকসহ কয়েক শ পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন।
উদ্ধার ও ত্রাণকাজে নেপাল সেনাবাহিনীর ১৪টি হেলিকপ্টার এবং দুর্যোগ মোকাবিলা দল মোতায়েন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ